• Male
  • Single
  • 01/01/1993
  • Followed by 96 people
Recent Updates
  • আলহামদুলিল্লাহ
    আলহামদুলিল্লাহ
    1
    0 Comments 0 Shares
  • মুসলিম কমিউনিটি
    মুসলিম কমিউনিটি
    2
    0 Comments 0 Shares
  • শুভ রাত্রি
    শুভ রাত্রি
    2
    0 Comments 0 Shares
  • ইদ মোবারক
    ইদ মোবারক
    3
    0 Comments 0 Shares
  • প্রবিত্র জিলহজ্ব মাসের কিছু আমল আছে, যা আমাদের সবার ই পালন করা উচিত।
    প্রবিত্র জিলহজ্ব মাসের কিছু আমল আছে, যা আমাদের সবার ই পালন করা উচিত।
    3
    1 Comments 0 Shares
  • জিলহজ মাসের ফজিলত ও আমল
    By শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী
    August 02, 2019 at 10:38 AM
    জিলহজ মাস মানে হজের মাস। হজের তিনটি মাস শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ। এর মধ্যে প্রধান মাস হলো জিলহজ মাস। এই মাসের ৮ থেকে ১৩ তারিখ—এই ছয় দিনেই হজের মূল কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়। কোরআন কারিমে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হজ সম্পাদন সুবিদিত মাসসমূহে। অতঃপর যে কেউ এই মাসগুলোতে হজ করা স্থির করে, তার জন্য হজের সময়ে স্ত্রীসম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও কলহবিবাদ বিধেয় নহে। তোমরা উত্তম কাজে যা কিছু করো, আল্লাহ তা জানেন এবং তোমরা পাথেয়র ব্যবস্থা করবে, আত্মসংযমই শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিগণ, তোমরা আমাকে ভয় করো’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৯৭)।

    বছরের বারো মাসের চারটি মাস বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন। এই চার মাসের অন্যতম হলো জিলহজ মাস। আল্লাহ তাআলা কোরআন মাজিদে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারোটি, যা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী সেই দিন থেকে চালু আছে, যেদিন আল্লাহ তাআলা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। এর মধ্যে চারটি মাস মর্যাদাপূর্ণ। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান’ (সুরা-৯ তাওবাহ, আয়াত: ৩৬)। এই চার মাস হলো জিলকদ, জিলহজ, মহররম ও রজব। এসব মাসে যুদ্ধবিগ্রহ, কলহবিবাদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

    হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমার প্রতি আজহার দিন (১০ জিলহজ) ঈদ পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা আল্লাহ এই উম্মতের জন্য নির্ধারণ করেছেন। তখন এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আপনি বলুন, (যদি আমার কোরবানির পশু কেনার সামর্থ্য না থাকে) কিন্তু আমার কাছে এমন উট বা বকরি থাকে, যার দুধ পান করা বা মাল বহন করার জন্য তা প্রতিপালন করি। আমি কি তা কোরবানি করতে পারি? তিনি বললেন, না। বরং তুমি তোমার মাথার চুল, নখ, গোঁফ কেটে ফেলো এবং নাভির নিচের চুল পরিষ্কার করো। এ-ই আল্লাহর নিকট তোমার কোরবানি’ (আবু দাউদ, নাসাই, ত্বহাবি, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা: ৩০৫)।

    জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার পর থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত দিনে রোজা পালন করা, রাতে বেশি বেশি ইবাদত করা উচিত। যথা: নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, তাসবিহ-তাহলিল, দোয়া-দরুদ, তওবা-ইস্তিগফার ইত্যাদি। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘জিলহজের ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর নিকট অন্য দিনের ইবাদতের তুলনায় বেশি প্রিয়, প্রতিটি দিনের রোজা এক বছরের রোজার মতো আর প্রতি রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের মতো’ (তিরমিজি, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা: ১৫৮)।

    আরাফার দিন, অর্থাৎ ৯ জিলহজ নফল রোজা রাখা বিশেষ সুন্নত আমল। তবে আরাফায় উপস্থিত হাজি সাহেবদের জন্য এই রোজা প্রযোজ্য নয়। হজরত আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আশাবাদী যে আল্লাহ তাআলা তার (রোজাদারের) বিগত এক বত্সরের ও সামনের এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন’ (তিরমিজি, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা: ১৫৭)।

    জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাজের পর একবার তাকবির বলা ওয়াজিব (ইলাউস সুনান, খণ্ড-৮,
    পৃষ্ঠা: ১৪৮)।

    জিলহজের ১০, ১১ ও ১২ যেকোনো দিন, কোনো ব্যক্তির মালিকানায় নিত্যপ্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা বা এর সমমূল্যের সম্পদ থাকলে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। পুরুষ ও নারী সবার জন্য এ বিধান প্রযোজ্য (ইবনে মাজাহ: ২২৬)।

    হজরত জায়েদ ইবনে আরকাম (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)–এর কাছে সাহাবাগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! এ কোরবানি কী?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘তোমাদের পিতা ইব্রাহিম (আ.)–এর সুন্নত।’ তাঁরা পুনরায় বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! তাতে আমাদের জন্য কী সওয়াব রয়েছে?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘কোরবানির পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে।’ তাঁরা আবারও প্রশ্ন করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! ভেড়ার লোমের কী হুকুম? (এটা তো গণনা করা সম্ভব নয়)’, তিনি বললেন, ‘ভেড়ার প্রতিটি পশমের বিনিময়েও একটি সওয়াব রয়েছে’ (ইবনে মাজাহ: ২২৬)। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটেও না আসে’ (ইবনে মাজাহ: ২২৬)।

    মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী: বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির যুগ্ম মহাসচিব ও আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজমের সহকারী অধ্যাপক
    জিলহজ মাসের ফজিলত ও আমল By শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী August 02, 2019 at 10:38 AM জিলহজ মাস মানে হজের মাস। হজের তিনটি মাস শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ। এর মধ্যে প্রধান মাস হলো জিলহজ মাস। এই মাসের ৮ থেকে ১৩ তারিখ—এই ছয় দিনেই হজের মূল কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়। কোরআন কারিমে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হজ সম্পাদন সুবিদিত মাসসমূহে। অতঃপর যে কেউ এই মাসগুলোতে হজ করা স্থির করে, তার জন্য হজের সময়ে স্ত্রীসম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও কলহবিবাদ বিধেয় নহে। তোমরা উত্তম কাজে যা কিছু করো, আল্লাহ তা জানেন এবং তোমরা পাথেয়র ব্যবস্থা করবে, আত্মসংযমই শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিগণ, তোমরা আমাকে ভয় করো’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৯৭)। বছরের বারো মাসের চারটি মাস বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন। এই চার মাসের অন্যতম হলো জিলহজ মাস। আল্লাহ তাআলা কোরআন মাজিদে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারোটি, যা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী সেই দিন থেকে চালু আছে, যেদিন আল্লাহ তাআলা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। এর মধ্যে চারটি মাস মর্যাদাপূর্ণ। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান’ (সুরা-৯ তাওবাহ, আয়াত: ৩৬)। এই চার মাস হলো জিলকদ, জিলহজ, মহররম ও রজব। এসব মাসে যুদ্ধবিগ্রহ, কলহবিবাদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমার প্রতি আজহার দিন (১০ জিলহজ) ঈদ পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা আল্লাহ এই উম্মতের জন্য নির্ধারণ করেছেন। তখন এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আপনি বলুন, (যদি আমার কোরবানির পশু কেনার সামর্থ্য না থাকে) কিন্তু আমার কাছে এমন উট বা বকরি থাকে, যার দুধ পান করা বা মাল বহন করার জন্য তা প্রতিপালন করি। আমি কি তা কোরবানি করতে পারি? তিনি বললেন, না। বরং তুমি তোমার মাথার চুল, নখ, গোঁফ কেটে ফেলো এবং নাভির নিচের চুল পরিষ্কার করো। এ-ই আল্লাহর নিকট তোমার কোরবানি’ (আবু দাউদ, নাসাই, ত্বহাবি, খণ্ড-২, পৃষ্ঠা: ৩০৫)। জিলহজ মাসের চাঁদ ওঠার পর থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত দিনে রোজা পালন করা, রাতে বেশি বেশি ইবাদত করা উচিত। যথা: নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, তাসবিহ-তাহলিল, দোয়া-দরুদ, তওবা-ইস্তিগফার ইত্যাদি। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘জিলহজের ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর নিকট অন্য দিনের ইবাদতের তুলনায় বেশি প্রিয়, প্রতিটি দিনের রোজা এক বছরের রোজার মতো আর প্রতি রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের মতো’ (তিরমিজি, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা: ১৫৮)। আরাফার দিন, অর্থাৎ ৯ জিলহজ নফল রোজা রাখা বিশেষ সুন্নত আমল। তবে আরাফায় উপস্থিত হাজি সাহেবদের জন্য এই রোজা প্রযোজ্য নয়। হজরত আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আশাবাদী যে আল্লাহ তাআলা তার (রোজাদারের) বিগত এক বত্সরের ও সামনের এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন’ (তিরমিজি, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা: ১৫৭)। জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রতি ফরজ নামাজের পর একবার তাকবির বলা ওয়াজিব (ইলাউস সুনান, খণ্ড-৮, পৃষ্ঠা: ১৪৮)। জিলহজের ১০, ১১ ও ১২ যেকোনো দিন, কোনো ব্যক্তির মালিকানায় নিত্যপ্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা বা এর সমমূল্যের সম্পদ থাকলে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। পুরুষ ও নারী সবার জন্য এ বিধান প্রযোজ্য (ইবনে মাজাহ: ২২৬)। হজরত জায়েদ ইবনে আরকাম (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)–এর কাছে সাহাবাগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! এ কোরবানি কী?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘তোমাদের পিতা ইব্রাহিম (আ.)–এর সুন্নত।’ তাঁরা পুনরায় বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! তাতে আমাদের জন্য কী সওয়াব রয়েছে?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘কোরবানির পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে।’ তাঁরা আবারও প্রশ্ন করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! ভেড়ার লোমের কী হুকুম? (এটা তো গণনা করা সম্ভব নয়)’, তিনি বললেন, ‘ভেড়ার প্রতিটি পশমের বিনিময়েও একটি সওয়াব রয়েছে’ (ইবনে মাজাহ: ২২৬)। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটেও না আসে’ (ইবনে মাজাহ: ২২৬)। মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী: বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির যুগ্ম মহাসচিব ও আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজমের সহকারী অধ্যাপক
    5
    0 Comments 0 Shares
  • শুভ রাত্রি
    শুভ রাত্রি
    2
    0 Comments 0 Shares
  • উত্তম ও পবিত্র জীবনসঙ্গী পাওয়ার দোয়া


    প্রিয় ভাই, আপনি যেমন উত্তম-পবিত্র জীবনসঙ্গী খুঁজছেন, তা মানুষ দিতে পারবে না, কিন্তু আল্লাহর পক্ষে আপনার ধারণা থেকেও উত্তম কিছু দেওয়াও কোন বিষয়‌ই না। তাই শুধু তাঁরই অভিমুখি হোন। তাঁর কাছেই চাইতে থাকুন। ভুল জায়গায় ছোটাছুটি করে লাভ কি?

    দেখুন, সমগ্র মানবজাতি চেষ্টা করলেও আল্লাহ তাআলা যদি ইচ্ছা না করেন, তাহলে তা কখনোই ঘটবে না। আবার, আল্লাহ্ তা'আলা ইচ্ছা করলে কেউই তা রুখতে পারবে না, যতোই প্রতিকূলতা থাক না কেন। তাই, যিনি দিতে পারবেন, তাঁর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করুন, শুধু তাঁর রহমাতের‌ই ভিখারি হোন।

    আর যেহেতু দু'আর মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেহেতু কিছু গুরুত্বপূর্ণ দু'আ জেনে নেয়া প্রয়োজন। এই যেমন, নেককার জীবনসঙ্গী পাওয়ার দোয়া, উত্তম স্বামী পাওয়ার দোয়া, নেককার স্ত্রী পাওয়ার দোয়া ইত্যাদি।

    ১.
    অতিদ্রুত হালাল, উত্তম ও সম্মানজনক রুজি এবং উত্তম ও দ্বীনদার স্ত্রী পাওয়ার জন্য বেশি করে মুসা 'আলাইহিস সালাম এর দোয়াটি পড়তে পারেন:

    َ رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ
    অর্থ: হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী। - (আল-কাসাস ২৮:২৪)

    ২.
    উত্তম জীবনসঙ্গী, নেককার সন্তান-সন্ততির জন্য নিচের দোয়টি গুরুত্বপূর্ণ একটি :

    رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّاجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا .
    হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর। - (আল ফুরকান ২৫:৭৪)

    ৩.
    বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করুন। কারণ এটা রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম একটি আমল। আর, আপনার জীবনের প্রতিটি নিয়ামত ও প্রশান্তি আপনার রিজিকেরই অন্তর্ভুক্ত।

    ৪.
    বেশি করে সলাতুল হাজত পড়ে আল্লাহর নিকট সাহায্য চান। কারণ এটা দ্রুত বিয়ে ও দ্বীনদার স্বামী/স্ত্রী পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমল।

    ৫.
    বিবাহ প্রয়োজন এমন মুসলিম ভাইদের জন্য দোয়া করুন ও তাদের জন্য চেষ্টা করুন। কারণ কোন মুসলিম ভাইয়ের জন্য দোয়া করলে ফেরেশতারা‌ও আপনার জন্য দোয়া করবেন। আর তাদেরকে সাহায্য করলে, আল্লাহ্ তা'আলা আপনাকে সাহায্য করবেন।

    ৬.
    দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত কল্যাণের জন্য এবং সমস্ত অকল্যাণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বেশি বেশি নিচের দোয়াটি পড়ুন:

    'রব্বানা আতিনা ফিদ্ দুন‌ইয়া 'হাসানাহ ওয়া ফিল আখিরতি 'হাসানাহ ওয়াকিনা আযাবান নার'।



    সর্বোপরি আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল রেখে হালাল পন্থায় ভালো স্বামী/স্ত্রী পাওয়ার চেষ্টা করতে থাকুন। কারণ এক্ষেত্রে দোয়া,আমল ও আল্লাহর প্রতি আস্থা রাখাই মূল বিষয়। এছাড়া পবিত্র ও দ্বীনদার স্বামী/স্ত্রী পেতে নিজেকেও পবিত্র রাখতে হবে। যেমনটি আল্লাহ্ তা'আলা বলেন-
    দুশ্চরিত্রা নারীকুল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। -(সূরা নূর ২৪:২৬)

    একবার এক বোন এক শাইখকে দ্রুত বিয়ে হওয়ার উপায় জানতে প্রশ্ন করেন। শাইখ ঐ বোনের প্রশ্নের উত্তরে বলেন- বেশি বেশি দোয়া করুন। অর্থাৎ তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার উপায় হিসেবে তিনি আল্লাহর নিকট দোয়া করাকেই খুঁজে পেয়েছেন। কারণ আামাদের সকল সমস্যা সমাধানে দোয়া খুবই কার্যকরী।
    উত্তম ও পবিত্র জীবনসঙ্গী পাওয়ার দোয়া প্রিয় ভাই, আপনি যেমন উত্তম-পবিত্র জীবনসঙ্গী খুঁজছেন, তা মানুষ দিতে পারবে না, কিন্তু আল্লাহর পক্ষে আপনার ধারণা থেকেও উত্তম কিছু দেওয়াও কোন বিষয়‌ই না। তাই শুধু তাঁরই অভিমুখি হোন। তাঁর কাছেই চাইতে থাকুন। ভুল জায়গায় ছোটাছুটি করে লাভ কি? দেখুন, সমগ্র মানবজাতি চেষ্টা করলেও আল্লাহ তাআলা যদি ইচ্ছা না করেন, তাহলে তা কখনোই ঘটবে না। আবার, আল্লাহ্ তা'আলা ইচ্ছা করলে কেউই তা রুখতে পারবে না, যতোই প্রতিকূলতা থাক না কেন। তাই, যিনি দিতে পারবেন, তাঁর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করুন, শুধু তাঁর রহমাতের‌ই ভিখারি হোন। আর যেহেতু দু'আর মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেহেতু কিছু গুরুত্বপূর্ণ দু'আ জেনে নেয়া প্রয়োজন। এই যেমন, নেককার জীবনসঙ্গী পাওয়ার দোয়া, উত্তম স্বামী পাওয়ার দোয়া, নেককার স্ত্রী পাওয়ার দোয়া ইত্যাদি। ১. অতিদ্রুত হালাল, উত্তম ও সম্মানজনক রুজি এবং উত্তম ও দ্বীনদার স্ত্রী পাওয়ার জন্য বেশি করে মুসা 'আলাইহিস সালাম এর দোয়াটি পড়তে পারেন: َ رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ অর্থ: হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী। - (আল-কাসাস ২৮:২৪) ২. উত্তম জীবনসঙ্গী, নেককার সন্তান-সন্ততির জন্য নিচের দোয়টি গুরুত্বপূর্ণ একটি : رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّاجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا . হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর। - (আল ফুরকান ২৫:৭৪) ৩. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করুন। কারণ এটা রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম একটি আমল। আর, আপনার জীবনের প্রতিটি নিয়ামত ও প্রশান্তি আপনার রিজিকেরই অন্তর্ভুক্ত। ৪. বেশি করে সলাতুল হাজত পড়ে আল্লাহর নিকট সাহায্য চান। কারণ এটা দ্রুত বিয়ে ও দ্বীনদার স্বামী/স্ত্রী পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমল। ৫. বিবাহ প্রয়োজন এমন মুসলিম ভাইদের জন্য দোয়া করুন ও তাদের জন্য চেষ্টা করুন। কারণ কোন মুসলিম ভাইয়ের জন্য দোয়া করলে ফেরেশতারা‌ও আপনার জন্য দোয়া করবেন। আর তাদেরকে সাহায্য করলে, আল্লাহ্ তা'আলা আপনাকে সাহায্য করবেন। ৬. দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত কল্যাণের জন্য এবং সমস্ত অকল্যাণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বেশি বেশি নিচের দোয়াটি পড়ুন: 'রব্বানা আতিনা ফিদ্ দুন‌ইয়া 'হাসানাহ ওয়া ফিল আখিরতি 'হাসানাহ ওয়াকিনা আযাবান নার'। সর্বোপরি আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল রেখে হালাল পন্থায় ভালো স্বামী/স্ত্রী পাওয়ার চেষ্টা করতে থাকুন। কারণ এক্ষেত্রে দোয়া,আমল ও আল্লাহর প্রতি আস্থা রাখাই মূল বিষয়। এছাড়া পবিত্র ও দ্বীনদার স্বামী/স্ত্রী পেতে নিজেকেও পবিত্র রাখতে হবে। যেমনটি আল্লাহ্ তা'আলা বলেন- দুশ্চরিত্রা নারীকুল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। -(সূরা নূর ২৪:২৬) একবার এক বোন এক শাইখকে দ্রুত বিয়ে হওয়ার উপায় জানতে প্রশ্ন করেন। শাইখ ঐ বোনের প্রশ্নের উত্তরে বলেন- বেশি বেশি দোয়া করুন। অর্থাৎ তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার উপায় হিসেবে তিনি আল্লাহর নিকট দোয়া করাকেই খুঁজে পেয়েছেন। কারণ আামাদের সকল সমস্যা সমাধানে দোয়া খুবই কার্যকরী।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • উত্তম ও পবিত্র জীবনসঙ্গী পাওয়ার দোয়া


    প্রিয় ভাই, আপনি যেমন উত্তম-পবিত্র জীবনসঙ্গী খুঁজছেন, তা মানুষ দিতে পারবে না, কিন্তু আল্লাহর পক্ষে আপনার ধারণা থেকেও উত্তম কিছু দেওয়াও কোন বিষয়‌ই না। তাই শুধু তাঁরই অভিমুখি হোন। তাঁর কাছেই চাইতে থাকুন। ভুল জায়গায় ছোটাছুটি করে লাভ কি?

    দেখুন, সমগ্র মানবজাতি চেষ্টা করলেও আল্লাহ তাআলা যদি ইচ্ছা না করেন, তাহলে তা কখনোই ঘটবে না। আবার, আল্লাহ্ তা'আলা ইচ্ছা করলে কেউই তা রুখতে পারবে না, যতোই প্রতিকূলতা থাক না কেন। তাই, যিনি দিতে পারবেন, তাঁর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করুন, শুধু তাঁর রহমাতের‌ই ভিখারি হোন।

    আর যেহেতু দু'আর মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেহেতু কিছু গুরুত্বপূর্ণ দু'আ জেনে নেয়া প্রয়োজন। এই যেমন, নেককার জীবনসঙ্গী পাওয়ার দোয়া, উত্তম স্বামী পাওয়ার দোয়া, নেককার স্ত্রী পাওয়ার দোয়া ইত্যাদি।

    ১.
    অতিদ্রুত হালাল, উত্তম ও সম্মানজনক রুজি এবং উত্তম ও দ্বীনদার স্ত্রী পাওয়ার জন্য বেশি করে মুসা 'আলাইহিস সালাম এর দোয়াটি পড়তে পারেন:

    َ رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ
    অর্থ: হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী। - (আল-কাসাস ২৮:২৪)

    ২.
    উত্তম জীবনসঙ্গী, নেককার সন্তান-সন্ততির জন্য নিচের দোয়টি গুরুত্বপূর্ণ একটি :

    رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّاجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا .
    হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর। - (আল ফুরকান ২৫:৭৪)

    ৩.
    বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করুন। কারণ এটা রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম একটি আমল। আর, আপনার জীবনের প্রতিটি নিয়ামত ও প্রশান্তি আপনার রিজিকেরই অন্তর্ভুক্ত।

    ৪.
    বেশি করে সলাতুল হাজত পড়ে আল্লাহর নিকট সাহায্য চান। কারণ এটা দ্রুত বিয়ে ও দ্বীনদার স্বামী/স্ত্রী পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমল।

    ৫.
    বিবাহ প্রয়োজন এমন মুসলিম ভাইদের জন্য দোয়া করুন ও তাদের জন্য চেষ্টা করুন। কারণ কোন মুসলিম ভাইয়ের জন্য দোয়া করলে ফেরেশতারা‌ও আপনার জন্য দোয়া করবেন। আর তাদেরকে সাহায্য করলে, আল্লাহ্ তা'আলা আপনাকে সাহায্য করবেন।

    ৬.
    দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত কল্যাণের জন্য এবং সমস্ত অকল্যাণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বেশি বেশি নিচের দোয়াটি পড়ুন:

    'রব্বানা আতিনা ফিদ্ দুন‌ইয়া 'হাসানাহ ওয়া ফিল আখিরতি 'হাসানাহ ওয়াকিনা আযাবান নার'।



    সর্বোপরি আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল রেখে হালাল পন্থায় ভালো স্বামী/স্ত্রী পাওয়ার চেষ্টা করতে থাকুন। কারণ এক্ষেত্রে দোয়া,আমল ও আল্লাহর প্রতি আস্থা রাখাই মূল বিষয়। এছাড়া পবিত্র ও দ্বীনদার স্বামী/স্ত্রী পেতে নিজেকেও পবিত্র রাখতে হবে। যেমনটি আল্লাহ্ তা'আলা বলেন-
    দুশ্চরিত্রা নারীকুল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। -(সূরা নূর ২৪:২৬)

    একবার এক বোন এক শাইখকে দ্রুত বিয়ে হওয়ার উপায় জানতে প্রশ্ন করেন। শাইখ ঐ বোনের প্রশ্নের উত্তরে বলেন- বেশি বেশি দোয়া করুন। অর্থাৎ তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার উপায় হিসেবে তিনি আল্লাহর নিকট দোয়া করাকেই খুঁজে পেয়েছেন। কারণ আামাদের সকল সমস্যা সমাধানে দোয়া খুবই কার্যকরী।
    উত্তম ও পবিত্র জীবনসঙ্গী পাওয়ার দোয়া প্রিয় ভাই, আপনি যেমন উত্তম-পবিত্র জীবনসঙ্গী খুঁজছেন, তা মানুষ দিতে পারবে না, কিন্তু আল্লাহর পক্ষে আপনার ধারণা থেকেও উত্তম কিছু দেওয়াও কোন বিষয়‌ই না। তাই শুধু তাঁরই অভিমুখি হোন। তাঁর কাছেই চাইতে থাকুন। ভুল জায়গায় ছোটাছুটি করে লাভ কি? দেখুন, সমগ্র মানবজাতি চেষ্টা করলেও আল্লাহ তাআলা যদি ইচ্ছা না করেন, তাহলে তা কখনোই ঘটবে না। আবার, আল্লাহ্ তা'আলা ইচ্ছা করলে কেউই তা রুখতে পারবে না, যতোই প্রতিকূলতা থাক না কেন। তাই, যিনি দিতে পারবেন, তাঁর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করুন, শুধু তাঁর রহমাতের‌ই ভিখারি হোন। আর যেহেতু দু'আর মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেহেতু কিছু গুরুত্বপূর্ণ দু'আ জেনে নেয়া প্রয়োজন। এই যেমন, নেককার জীবনসঙ্গী পাওয়ার দোয়া, উত্তম স্বামী পাওয়ার দোয়া, নেককার স্ত্রী পাওয়ার দোয়া ইত্যাদি। ১. অতিদ্রুত হালাল, উত্তম ও সম্মানজনক রুজি এবং উত্তম ও দ্বীনদার স্ত্রী পাওয়ার জন্য বেশি করে মুসা 'আলাইহিস সালাম এর দোয়াটি পড়তে পারেন: َ رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ অর্থ: হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী। - (আল-কাসাস ২৮:২৪) ২. উত্তম জীবনসঙ্গী, নেককার সন্তান-সন্ততির জন্য নিচের দোয়টি গুরুত্বপূর্ণ একটি : رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّاجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا . হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর। - (আল ফুরকান ২৫:৭৪) ৩. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করুন। কারণ এটা রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম একটি আমল। আর, আপনার জীবনের প্রতিটি নিয়ামত ও প্রশান্তি আপনার রিজিকেরই অন্তর্ভুক্ত। ৪. বেশি করে সলাতুল হাজত পড়ে আল্লাহর নিকট সাহায্য চান। কারণ এটা দ্রুত বিয়ে ও দ্বীনদার স্বামী/স্ত্রী পাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমল। ৫. বিবাহ প্রয়োজন এমন মুসলিম ভাইদের জন্য দোয়া করুন ও তাদের জন্য চেষ্টা করুন। কারণ কোন মুসলিম ভাইয়ের জন্য দোয়া করলে ফেরেশতারা‌ও আপনার জন্য দোয়া করবেন। আর তাদেরকে সাহায্য করলে, আল্লাহ্ তা'আলা আপনাকে সাহায্য করবেন। ৬. দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত কল্যাণের জন্য এবং সমস্ত অকল্যাণ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বেশি বেশি নিচের দোয়াটি পড়ুন: 'রব্বানা আতিনা ফিদ্ দুন‌ইয়া 'হাসানাহ ওয়া ফিল আখিরতি 'হাসানাহ ওয়াকিনা আযাবান নার'। সর্বোপরি আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল রেখে হালাল পন্থায় ভালো স্বামী/স্ত্রী পাওয়ার চেষ্টা করতে থাকুন। কারণ এক্ষেত্রে দোয়া,আমল ও আল্লাহর প্রতি আস্থা রাখাই মূল বিষয়। এছাড়া পবিত্র ও দ্বীনদার স্বামী/স্ত্রী পেতে নিজেকেও পবিত্র রাখতে হবে। যেমনটি আল্লাহ্ তা'আলা বলেন- দুশ্চরিত্রা নারীকুল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। -(সূরা নূর ২৪:২৬) একবার এক বোন এক শাইখকে দ্রুত বিয়ে হওয়ার উপায় জানতে প্রশ্ন করেন। শাইখ ঐ বোনের প্রশ্নের উত্তরে বলেন- বেশি বেশি দোয়া করুন। অর্থাৎ তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার উপায় হিসেবে তিনি আল্লাহর নিকট দোয়া করাকেই খুঁজে পেয়েছেন। কারণ আামাদের সকল সমস্যা সমাধানে দোয়া খুবই কার্যকরী।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • শুভ রাত্রি
    শুভ রাত্রি
    1
    0 Comments 0 Shares
More Stories