১)বলুন, তিনি আল্লাহ, এক, ২)আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, ৩)তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি, ৪)এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।
Social Links
Recent Updates
  • মানুষকে দেখানোর জন্যে বা মানুষের বাহবা পাওয়ার জন্যে যে ভালো কাজ করবে, তার কোনো পুরস্কার মহাবিচার দিবসে আল্লাহ দেবেন না।।
    উবাই ইবনে কাব (রাঃ)
    আহমদ
    মানুষকে দেখানোর জন্যে বা মানুষের বাহবা পাওয়ার জন্যে যে ভালো কাজ করবে, তার কোনো পুরস্কার মহাবিচার দিবসে আল্লাহ দেবেন না।। উবাই ইবনে কাব (রাঃ) আহমদ
    7
    0 Comments 0 Shares
  • 👉🏻 ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নে ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

    আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালাত শুরু করতেন, তখন উভয় হাত তাঁর কাঁধ বরাবর উঠাতেন। আর যখন রুকূ’তে যাওয়ার জন্য তাকবীর বলতেন এবং রুকূ’ হতে মাথা উঠাতেন তখনও একই ভাবে দু’হাত উঠাতেন এবং ‘سَمِعَ اللهُ لِمَن حَمِدَه’ ও ‘رَبَّناَ وَلَكَ الحَمدُ’ বলতেন। কিন্তু সিজদার সময় এরুপ করতেন না।

    🟨সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৭৩৫
    🟩হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
    #Al_Hadith
    👉🏻 ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নে ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালাত শুরু করতেন, তখন উভয় হাত তাঁর কাঁধ বরাবর উঠাতেন। আর যখন রুকূ’তে যাওয়ার জন্য তাকবীর বলতেন এবং রুকূ’ হতে মাথা উঠাতেন তখনও একই ভাবে দু’হাত উঠাতেন এবং ‘سَمِعَ اللهُ لِمَن حَمِدَه’ ও ‘رَبَّناَ وَلَكَ الحَمدُ’ বলতেন। কিন্তু সিজদার সময় এরুপ করতেন না। 🟨সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৭৩৫ 🟩হাদিসের মান: সহিহ হাদিস #Al_Hadith
    4
    1 Comments 0 Shares
  • 👉🏻Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

    তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ কর না কেন, ওর মীমাংসাতো আল্লাহরই নিকট। বলঃ তিনিই আল্লাহ! আমার রাব্ব। আমি নির্ভর করি তাঁর উপর এবং আমি তাঁরই অভিমুখী!
    🟥(সূরা, আশ-শুরা ৪২: আয়াত ১০)

    And in whatsoever you differ, the decision thereof is with Allah (He is the ruling Judge). (And say O Muhammad SAW to these polytheists:) Such is Allah, my Lord in Whom I put my trust, and to Him I turn in all of my affairs and in repentance.
    🟧(QS. Ash-Shuraa 42: Verse 10)

    #Al_Quran
    👉🏻Allah Subhanahu Wa Ta'ala said: তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ কর না কেন, ওর মীমাংসাতো আল্লাহরই নিকট। বলঃ তিনিই আল্লাহ! আমার রাব্ব। আমি নির্ভর করি তাঁর উপর এবং আমি তাঁরই অভিমুখী! 🟥(সূরা, আশ-শুরা ৪২: আয়াত ১০) And in whatsoever you differ, the decision thereof is with Allah (He is the ruling Judge). (And say O Muhammad SAW to these polytheists:) Such is Allah, my Lord in Whom I put my trust, and to Him I turn in all of my affairs and in repentance. 🟧(QS. Ash-Shuraa 42: Verse 10) #Al_Quran
    0 Comments 0 Shares
  • 👉 Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

    কোন মিথ্যা এতে অনুপ্রবেশ করবেনা। সম্মুখ হতেও নয়, পশ্চাৎ হতেও নয়; এটা প্রজ্ঞাময় প্রশংসা আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ।
    🏩(সূরা হামিম সিজদাহ ৪১: আয়াত ৪২)

    Falsehood cannot come to it from before it or behind it (it is) sent down by the All-Wise, Worthy of all praise (Allah).
    🟩(QS. Fussilat 41: Verse 42)

    🍂🌨️🌸🌿🍂🌨️🌸🌿🍂🌨️🌸🌿🍂

    #Al_Quran
    👉 Allah Subhanahu Wa Ta'ala said: কোন মিথ্যা এতে অনুপ্রবেশ করবেনা। সম্মুখ হতেও নয়, পশ্চাৎ হতেও নয়; এটা প্রজ্ঞাময় প্রশংসা আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ। 🏩(সূরা হামিম সিজদাহ ৪১: আয়াত ৪২) Falsehood cannot come to it from before it or behind it (it is) sent down by the All-Wise, Worthy of all praise (Allah). 🟩(QS. Fussilat 41: Verse 42) 🍂🌨️🌸🌿🍂🌨️🌸🌿🍂🌨️🌸🌿🍂 #Al_Quran
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 👉 জুমআর দিনের মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব

    জুমআর জন্য গোসল করা, সুগন্ধি ব্যবহার করা, সকাল সকাল মসজিদে যাওয়া, এ দিনে দু‘আ করা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দরূদ পড়া ও এ দিনের কোন এক সময়ে দু‘আ কবুল হওয়ার বিবরণ এবং জুমআর পর বেশী বেশী মহান আল্লাহর যিকর করা মুস্তাহাব।

    👉 মহান আল্লাহ বলেছেন,

    অতঃপর নামায সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান কর ও আল্লাহকে অধিকরূপে স্মরণ কর; যাতে তোমরা সফলকাম হও।
    🟪(সূরা জুমআহ ১০ আয়াত)

    আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যার উপর সূর্য উদিত হয়েছে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুমআর দিন। এই দিনে আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনে তাঁকে জান্নাতে স্থান দেওয়া হয়েছে এবং এই দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
    🟩(মুসলিম ২০১৩)

    🌸🍇🌿🌸🍇🌿🌸🍇🌿🌸

    গ্রন্থঃ হাদীস সম্ভার
    অধ্যায়ঃ ৬/ স্বলাত (নামায)
    হাদিস নম্বরঃ ৭৪৪
    হাদিসের মানঃ সহিহ্
    #Al_Hadith
    👉 জুমআর দিনের মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব জুমআর জন্য গোসল করা, সুগন্ধি ব্যবহার করা, সকাল সকাল মসজিদে যাওয়া, এ দিনে দু‘আ করা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দরূদ পড়া ও এ দিনের কোন এক সময়ে দু‘আ কবুল হওয়ার বিবরণ এবং জুমআর পর বেশী বেশী মহান আল্লাহর যিকর করা মুস্তাহাব। 👉 মহান আল্লাহ বলেছেন, অতঃপর নামায সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান কর ও আল্লাহকে অধিকরূপে স্মরণ কর; যাতে তোমরা সফলকাম হও। 🟪(সূরা জুমআহ ১০ আয়াত) আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যার উপর সূর্য উদিত হয়েছে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুমআর দিন। এই দিনে আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনে তাঁকে জান্নাতে স্থান দেওয়া হয়েছে এবং এই দিনেই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। 🟩(মুসলিম ২০১৩) 🌸🍇🌿🌸🍇🌿🌸🍇🌿🌸 গ্রন্থঃ হাদীস সম্ভার অধ্যায়ঃ ৬/ স্বলাত (নামায) হাদিস নম্বরঃ ৭৪৪ হাদিসের মানঃ সহিহ্ #Al_Hadith
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 👉 Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

    যদি শাইতানের কু-মন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে তাহলে আল্লাহকে স্মরণ করবে; তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
    🟪(সূরা, হামিম সাজদাহ ৪১: আয়াত ৩৬)

    And if an evil whisper from Shaitan (Satan) tries to turn you away (O Muhammad SAW) (from doing good, etc.), then seek refuge in Allah. Verily, He is the All-Hearer, the All-Knower.
    🟩(QS. Fussilat 41: Verse 36)

    💦🏵️🍇🌿💦🏵️🍇🌿💦🏵️🍇🌿💦

    #Al_Quran
    👉 Allah Subhanahu Wa Ta'ala said: যদি শাইতানের কু-মন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে তাহলে আল্লাহকে স্মরণ করবে; তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। 🟪(সূরা, হামিম সাজদাহ ৪১: আয়াত ৩৬) And if an evil whisper from Shaitan (Satan) tries to turn you away (O Muhammad SAW) (from doing good, etc.), then seek refuge in Allah. Verily, He is the All-Hearer, the All-Knower. 🟩(QS. Fussilat 41: Verse 36) 💦🏵️🍇🌿💦🏵️🍇🌿💦🏵️🍇🌿💦 #Al_Quran
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 👉Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

    হে মু’মিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল।
    🟩(সূরা, আল আহযাব ৩৩: আয়াত ৭০)

    O you who believe! Keep your duty to Allah and fear Him, and speak (always) the truth.
    🏩(QS. Al-Ahzab 33: Verse 70)

    🌿🌸🌧️🌿🌸🌧️🌿🌸🌧️🌿🌸🌧️🌿

    👉 তাফসীরঃ---📖

    অর্থাৎ, এমন কথা বল, যাতে কোন টেরামি বা বক্রতা নেই, ধোঁকা ও ধাপ্পা নেই। سَدِيدٌ تَسْدِيْدُ السَّهَمِ থেকে গৃহীত। অর্থাৎ, যেমন তীরকে সোজা করা হয় যাতে সঠিক নিশানার উপর লাগে, অনুরূপ তোমাদের মুখ থেকে বের হওয়া কথা ও তোমাদের কাজ-কারবারও সোজা ও সরল হবে। সঠিকতা ও সত্যতা থেকে এক চুল বরাবর তা যেন বিচ্যুত না হয়।

    #Al_Quran
    👉Allah Subhanahu Wa Ta'ala said: হে মু’মিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল। 🟩(সূরা, আল আহযাব ৩৩: আয়াত ৭০) O you who believe! Keep your duty to Allah and fear Him, and speak (always) the truth. 🏩(QS. Al-Ahzab 33: Verse 70) 🌿🌸🌧️🌿🌸🌧️🌿🌸🌧️🌿🌸🌧️🌿 👉 তাফসীরঃ---📖 অর্থাৎ, এমন কথা বল, যাতে কোন টেরামি বা বক্রতা নেই, ধোঁকা ও ধাপ্পা নেই। سَدِيدٌ تَسْدِيْدُ السَّهَمِ থেকে গৃহীত। অর্থাৎ, যেমন তীরকে সোজা করা হয় যাতে সঠিক নিশানার উপর লাগে, অনুরূপ তোমাদের মুখ থেকে বের হওয়া কথা ও তোমাদের কাজ-কারবারও সোজা ও সরল হবে। সঠিকতা ও সত্যতা থেকে এক চুল বরাবর তা যেন বিচ্যুত না হয়। #Al_Quran
    0 Comments 0 Shares
  • 👉 Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

    যেসব জনপদকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি, তার অধিবাসীদের ফিরে না আসা অবধারিত।
    যে পর্যন্ত না ইয়াজুজ ও মাজুজকে বন্ধন মুক্ত করে দেয়া হবে এবং তারা প্রত্যেক উচ্চভুমি থেকে দ্রুত ছুটে আসবে।
    🟥(সূরা, আম্বিয়া ২১: আয়াত ৯৫-৯৬)

    But there is a ban on any population which We have destroyed: that they shall not return,
    Until the Gog and Magog (people) are let through (their barrier), and they swiftly swarm from every hill.
    ⬛(QS. Al-Anbiya 21: Verse 95-96)

    🥀🌾🥀🌾🥀🌾🥀🌾🥀🌾🥀

    👉 তাফসীরঃ --- 📖

    এখানে আল্লাহ তা‘আলা বলছেন, যে জনপদবাসী দুনিয়া থেকে চলে গেছে বা যাদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে তাদের পক্ষে দুনিয়াতে আসা অসম্ভব। অর্থাৎ তারা আর তাওবাহ করার সুযোগ পাবে না। কেননা মৃত্যুর পর আমল করার কোন পথ খোলা থাকবে না। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা কাফির-মুশরিকদেরকে সতর্ক করছেন যে, ইয়া‘জূজ-মা‘জূজের বের হওয়ার সময় নিকটবর্তী হয়ে গেছে। ইয়া‘জূজ-মা‘জূজ হল আদম সন্তানের দুটি গোত্র।
    🔴(তাফসীর সা‘দী)

    এলাকাবাসী যখন অভিযোগ করল যে, তারা জমিনে ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করছে তখন বাদশা যুল-কারনাইন সীসা ঢালা প্রাচীর দিয়ে তাদেরকে আবদ্ধ করে দিয়েছিলেন। শেষ যুগে ঈসা (عليه السلام)-এর সময়ে তারা সে প্রাচীর ভেঙ্গে বের হয়ে আসবে। তারা এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে যে, প্রতিটি উঁচু জায়গা হতে ছুটে আসছে মনে হবে। তাদের অনিষ্ট ও অত্যাচারে মুসলিমরা অতিষ্ঠ হয়ে যাবে। এমনকি ঈসা (عليه السلام) মুসলিমদের নিয়ে তুর পাহাড়ে গিয়ে আশ্রয় নেবেন। অতঃপর ঈসা (عليه السلام)-এর অভিশাপে তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। তাদের শবদেহের দুর্গন্ধে জমিন দুর্গন্ধময় হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলা এক জাতীয় পাখি প্রেরণ করবেন, যারা তাদের লাশগুলো তুলে সমুদ্রে নিক্ষেপ করবে। তারপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষণ হবে যাতে সারা পৃথিবী পরিস্কার হয়ে যাবে।
    ⚫(বিস্তারিত ইবনে কাসীর)

    ইয়া‘জূজ-মা‘জূজ বের হওয়ার পর কিয়ামতের সত্য প্রতিশ্রুতি অতি নিকটে এসে পড়বে। আর যখন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে তখন কিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থা দেখে কাফিরদের চক্ষু স্থির হয়ে যাবে। তখন কাফিররা আফসোস করবে এবং বলবে, আমাদের জন্য দুর্ভোগ, আমরা এ বিষয়ে উদাসীন ছিলাম আর আমরা সীমা লঙ্ঘনকারী ছিলাম। কিন্তু তখন আর তাদেরকে কোন সুযোগ দেয়া হবে না।

    👉 আয়াতের তাফসীর:
    🔴১. দুনিয়াতে যাদেরকে পাপের কারণে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে তাদের পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ নেই।
    ⚫২. ইয়া‘জূজ-মা‘জূজ এর আবির্ভাব কিয়ামতের আলামত।
    🔴৩. ঈসা (عليه السلام) ইয়া‘জূজ-মা‘জূজদেরকে দমন করবেন।

    #Al_Quran
    👉 Allah Subhanahu Wa Ta'ala said: যেসব জনপদকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি, তার অধিবাসীদের ফিরে না আসা অবধারিত। যে পর্যন্ত না ইয়াজুজ ও মাজুজকে বন্ধন মুক্ত করে দেয়া হবে এবং তারা প্রত্যেক উচ্চভুমি থেকে দ্রুত ছুটে আসবে। 🟥(সূরা, আম্বিয়া ২১: আয়াত ৯৫-৯৬) But there is a ban on any population which We have destroyed: that they shall not return, Until the Gog and Magog (people) are let through (their barrier), and they swiftly swarm from every hill. ⬛(QS. Al-Anbiya 21: Verse 95-96) 🥀🌾🥀🌾🥀🌾🥀🌾🥀🌾🥀 👉 তাফসীরঃ --- 📖 এখানে আল্লাহ তা‘আলা বলছেন, যে জনপদবাসী দুনিয়া থেকে চলে গেছে বা যাদেরকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে তাদের পক্ষে দুনিয়াতে আসা অসম্ভব। অর্থাৎ তারা আর তাওবাহ করার সুযোগ পাবে না। কেননা মৃত্যুর পর আমল করার কোন পথ খোলা থাকবে না। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা কাফির-মুশরিকদেরকে সতর্ক করছেন যে, ইয়া‘জূজ-মা‘জূজের বের হওয়ার সময় নিকটবর্তী হয়ে গেছে। ইয়া‘জূজ-মা‘জূজ হল আদম সন্তানের দুটি গোত্র। 🔴(তাফসীর সা‘দী) এলাকাবাসী যখন অভিযোগ করল যে, তারা জমিনে ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করছে তখন বাদশা যুল-কারনাইন সীসা ঢালা প্রাচীর দিয়ে তাদেরকে আবদ্ধ করে দিয়েছিলেন। শেষ যুগে ঈসা (عليه السلام)-এর সময়ে তারা সে প্রাচীর ভেঙ্গে বের হয়ে আসবে। তারা এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে যে, প্রতিটি উঁচু জায়গা হতে ছুটে আসছে মনে হবে। তাদের অনিষ্ট ও অত্যাচারে মুসলিমরা অতিষ্ঠ হয়ে যাবে। এমনকি ঈসা (عليه السلام) মুসলিমদের নিয়ে তুর পাহাড়ে গিয়ে আশ্রয় নেবেন। অতঃপর ঈসা (عليه السلام)-এর অভিশাপে তারা ধ্বংস হয়ে যাবে। তাদের শবদেহের দুর্গন্ধে জমিন দুর্গন্ধময় হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তা‘আলা এক জাতীয় পাখি প্রেরণ করবেন, যারা তাদের লাশগুলো তুলে সমুদ্রে নিক্ষেপ করবে। তারপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষণ হবে যাতে সারা পৃথিবী পরিস্কার হয়ে যাবে। ⚫(বিস্তারিত ইবনে কাসীর) ইয়া‘জূজ-মা‘জূজ বের হওয়ার পর কিয়ামতের সত্য প্রতিশ্রুতি অতি নিকটে এসে পড়বে। আর যখন কিয়ামত অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে তখন কিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থা দেখে কাফিরদের চক্ষু স্থির হয়ে যাবে। তখন কাফিররা আফসোস করবে এবং বলবে, আমাদের জন্য দুর্ভোগ, আমরা এ বিষয়ে উদাসীন ছিলাম আর আমরা সীমা লঙ্ঘনকারী ছিলাম। কিন্তু তখন আর তাদেরকে কোন সুযোগ দেয়া হবে না। 👉 আয়াতের তাফসীর: 🔴১. দুনিয়াতে যাদেরকে পাপের কারণে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে তাদের পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ নেই। ⚫২. ইয়া‘জূজ-মা‘জূজ এর আবির্ভাব কিয়ামতের আলামত। 🔴৩. ঈসা (عليه السلام) ইয়া‘জূজ-মা‘জূজদেরকে দমন করবেন। #Al_Quran
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 👉 উম্মতে মুহাম্মাদির ফযিলত

    আবূ মুসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যখন কিয়ামতের দিন হবে আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক মুসলিমের নিকট একজন ইহুদি অথবা খৃস্টান দিবেন, অতঃপর বলবেন: এ হচ্ছে তোমার জাহান্নাম থেকে মুক্তির বিনিময়”।
    🟪[মুসলিম ও আহমদ] হাদিসটি সহিহ।

    কারণ প্রতিটি মানুষের জন্য জাহান্নামে একটি স্থান রয়েছে। যখন মুসলিম জাহান্নামে গেল না, আর খৃষ্টান ও ইয়াহূদী জাহান্নামে গেল, তখন সে যেন মুসলিমের স্থান দখল করে নিল। আর মুসলিম যেন কাফেরকে তার স্থলাভিষিক্ত করল। [সম্পাদক]

    🌧️🍇🌧️🍇🌧️🍇🌧️🍇🌧️🍇🌧️

    গ্রন্থঃ সহিহ হাদিসে কুদসি
    অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ হাদিসসমূহ
    হাদিস নম্বরঃ ৮৭
    হাদিসের মানঃ সহিহ্
    #Al_Hadith
    👉 উম্মতে মুহাম্মাদির ফযিলত আবূ মুসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যখন কিয়ামতের দিন হবে আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক মুসলিমের নিকট একজন ইহুদি অথবা খৃস্টান দিবেন, অতঃপর বলবেন: এ হচ্ছে তোমার জাহান্নাম থেকে মুক্তির বিনিময়”। 🟪[মুসলিম ও আহমদ] হাদিসটি সহিহ। কারণ প্রতিটি মানুষের জন্য জাহান্নামে একটি স্থান রয়েছে। যখন মুসলিম জাহান্নামে গেল না, আর খৃষ্টান ও ইয়াহূদী জাহান্নামে গেল, তখন সে যেন মুসলিমের স্থান দখল করে নিল। আর মুসলিম যেন কাফেরকে তার স্থলাভিষিক্ত করল। [সম্পাদক] 🌧️🍇🌧️🍇🌧️🍇🌧️🍇🌧️🍇🌧️ গ্রন্থঃ সহিহ হাদিসে কুদসি অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ হাদিসসমূহ হাদিস নম্বরঃ ৮৭ হাদিসের মানঃ সহিহ্ #Al_Hadith
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 👉 Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

    "এরা সেই লোক, যাদেরকে আল্লাহ অভিশাপ দিয়েছেন এবং যাকে আল্লাহ অভিশাপ দেন, তুমি কক্ষনো তার সাহায্যকারী পাবে না।"
    🟥(QS. An-Nisa' 4: Verse 52)

    🌨️🌺🌨️🌺🌨️🌺🌨️🌺🌨️🌺🌨️

    👉 তাফসীর ---📖

    এ বিষয়ে সকল মুফাসসিরে কিরাম একমত যে, এ আয়াত ইয়াহূদী ও খ্রিস্টানদের ব্যাপারে নাযিল হয়। কিন্তু এখানে “নিজেদেরকে পবিত্র মনে করা”এর অর্থ কী এ নিয়ে কয়েকটি বর্ণনা রয়েছে। যেমন: হাসান বসরী ও কাতাদাহ (রহঃ) বলেন: ইয়াহূদীরা যে নিজেদেরকে পবিত্র মনে করে এর অর্থ হল: তারা বলে, আমরা আল্লাহ তা‘আলার ছেলে এবং প্রিয়পাত্র।
    ⬜(সূরা মায়িদাহ ৫:১৮)

    তারা আরো বলে: কেবল ইয়াহূদী ও খ্রিস্টান ব্যতীত অন্য কেউ জান্নাতে যাবে না।
    🟥(সূরা বাকরাহ ২:১১১)

    যহহাক (রহঃ) বলেন: তারা বলে, আমাদের কোন পাপ নেই, আমরা ছোট শিশুর মত নিষ্পাপ। আরো বলা হয় যে, এ আয়াতগুলো যারা নিজেদের আত্মপ্রশংসা ও ক্রটিমুক্ত মনে করে থাকে তাদের তিরস্কারের জন্য নাযিল হয়েছে। মোটকথা তারা নিজেরাই নিজেদের গুনাহ থেকে পবিত্র মনে করত, আল্লাহ তা‘আলার প্রিয়পাত্র বলে দাবী করত এবং আত্মপ্রশংসা করত। এ সম্পর্কে হাদীসে এসেছে, মিকদাদ (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন আমরা যেন মুখোমুখি প্রশংসাকারীদের মুখে ধুলা ছিটিয়ে দেই।
    ⬜(সহীহ মুসলিম হা: ৩০০২)

    অন্যত্র নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তোমরা মানুষের প্রশংসা করা থেকে বিরত থাক, কারণ তা যবাই করা।
    🟥(ইবনে মাযাহ হা: ৩৭৪৩, সহীহ)

    একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ব্যক্তিকে অন্যের প্রশংসা করতে শুনলেন। তিনি বললেন: তোমার ধ্বংস হোক, তুমি তোমার সাথীর গর্দান কেটে দিলে। তারপর বললেন: তোমাদের কেউ যদি তার সাথীর প্রশংসা করতেই তাহলে যেন বলে: আমি তাকে এরূপ মনে করি, আল্লাহ তা‘আলার চেয়ে কাউকে পবিত্র করছি না।
    ⬜(সহীহ বুখারী হা:২৬৬২)

    সুতরাং যে গুণ কারো মাঝে নেই এমন গুণের প্রশংসা করা এবং নিজের আত্মপ্রশংসা করা নিন্দনীয়। তাই অত্র আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা এ সকল ইয়াহুদ ও খ্রিস্টানসহ যারা তাদের মত মিথ্যা দাবী করবে, দোষ-ক্রটি ও অপরাধ থাকা সত্ত্বেও তা থেকে মুক্ত মনে করবে তাদেরকে তিরস্কার করছেন। বরং আল্লাহ তা‘আলা যাকে ইচ্ছা তার ঈমান, সৎ আমল, উত্তম চরিত্রে চরিত্রবান, খারাপ আচরণ থেকে মুক্ত থাকার কারণে তাকে পবিত্র করেন। সাধারাণতঃ অধিকাংশ মানুষ আত্মপ্রশংসা করে থাকে অহমিকা বা আত্মগর্ব করে, তাছাড়া শেষ পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত কেউ জানেন না। فَتِيلٌ এর অর্থ: খেজুরের আঁটির ফাটলে অতি সূক্ষ্ম ও পাতলা সুতোর মত যে অংশ থাকে সেটাকে ফাতীল বলা হয়। অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা সামান্যটুকুও জুলুম করবেন না। (يَفْتَرُوْنَ عَلَي اللّٰهِ الْكَذِبَ) ‘তারা আল্লাহ সম্পর্কে কিরূপ মিথ্যা অপবাদ দেয়’ অর্থাৎ ইয়াহূদী ও খ্রিস্টান নিজেদেরকে পবিত্র মনে করে, তারা আল্লাহ তা‘আলার ছেলে ও প্রিয়পাত্র এবং তারা ছাড়া কেউ জান্নাতে যাবে না ইত্যাদি দাবী করে আল্লাহ তা‘আলার ওপর মিথ্যারোপ করে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, এটাই তাদের মিথ্যুক হবার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: (فَلَا تُزَكُّوْآ أَنْفُسَكُمْ ط هُوَ أَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقٰي) “অতএব তোমরা নিজেদেরকে খুব পবিত্র মনে কর না, তিনিই ভাল জানেন মুত্তাকী কে।”
    🟥(সূরা নাজম ৫৩:৩২)

    ৫১ নং আয়াতের শানে নুযূল: একদা হুআই বিন আখতাব ও কা‘ব বিন আশরাফ মক্কায় আগমন করল। মক্কাবাসী বলল: তোমরা আহলে কিতাব ও জ্ঞানী মানুষ। আমাদেরকে আমাদের ও মুহাম্মাদের অবস্থান সম্পর্কে সংবাদ দাও। তারা বলল: তোমাদের সাথে মুহ্ম্মাাদের সম্পর্ক কী? তারা বলল: আমরা রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখি, হাজীদের পানি পান করাই ইত্যাদি, আর মুহাম্মাদ আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, কতকগুলো চোর হাজী তাঁর অনুসরণ করে। আমরা উত্তম, না মুহাম্মাদ উত্তম? তারা বলল: তোমরা উত্তম এবং সঠিক পথের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তখন এ আয়াত নাযিল হয়। অত্র আয়াতে ইয়াহূদীদের কথা বলা হচ্ছে। তাদেরকে আসমানী কিতাব দেয়া সত্ত্বেও তারা জিবত তথা গণক ও জাদুতে বিশ্বাস করত এবং তাগুত তথা শয়তান ও প্রত্যেক মিথ্যা মা‘বূদে বিশ্বাস করত। অথচ এগুলো অস্বীকার করতে তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এছাড়াও জিবত ও তাগুতের আরো অনেক অর্থ রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ان العيافة والطرق والطيرة من الجبت (রাঃ) নিশ্চয়ই পাখি উড়িয়ে, রেখা টেনে সুলক্ষণ ও কুলক্ষণ নির্ণয় করা জিবতের উপরে ঈমান আনার শামিল।
    ⬜(আবূ দাঊদ হা: ৩৯০৭)

    সাহাবী আনাস (রাঃ) বলেন: আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া যার ইবাদত করা হয় সে সব প্রত্যেক ব্যক্তি ও জিনিস তাগুত।

    কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেন: (وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِیْ کُلِّ اُمَّةٍ رَّسُوْلًا اَنِ اعْبُدُوا اللہَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوْتَ) “আল্লাহর ‘ইবাদত করার ও তাগূতকে বর্জন করার নির্দেশ দেবার জন্য আমি প্রত্যেক জাতির মধ্যেই রাসূল পাঠিয়েছি।”
    🟥(সূরা নাহল ১৬:৩৬)

    ইমাম ইবনে কায়্যিম (রহঃ) বলেন: তাগুত অনেক, তার মধ্যে পাঁচটি হল প্রধান, যথা-

    ⚪(১) আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া যার ইবাদত করা হয় এবং ঐ ইবাদতে সে সন্তুষ্ট,
    🔴(২) যে ব্যক্তি গায়েব জানে বলে দাবী করে,
    ⚪(৩) শয়তান,
    🔴(৪) যে ব্যক্তি নিজের ইবাদত করার প্রতি মানুষদেরকে আহ্বান করে এবং
    ⚪(৫) আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া অন্যের বিধান দিয়ে ফায়সালা করা। (শরহু উসূলুস সালাসাহ) সুতরাং তাগুতসহ অন্যান্য শির্কী বিষয় বর্জন না করা পর্যন্ত কোন ব্যক্তি মু’মিন হতে পারবে না যেমন ইয়াহূদীরা হতে পারেনি। যারা তাগুত মিশ্রিত দীন মানার চেষ্টা করবে, তাগুতের প্রতি বিশ্বাস রাখবে তাদের ওপর আল্লাহ তা’আলার লা’নত।

    👉 আয়াত থেকে শিক্ষণীয় বিষয়:

    🔴১. আত্মপ্রশংসা করা এবং নিজেকে ক্রটিমুক্ত মনে করা বৈধ নয়।
    ⚪২. আল্লাহ তা‘আলা যাকে ইচ্ছা ঊর্ধ্ব জগতে তাঁর 🔴পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করেন।
    ⚪৩. আল্লাহ তা‘আলা কারো ওপর বিন্দু পরিমাণ জুলুম করেন না।
    🔴৪. জিবত ও তাগুতকে অস্বীকার করা ওয়াজিব।
    ⚪৫. জিবত ও তাগুতকে বিশ্বাস করা শির্ক।

    #Al_Quran
    👉 Allah Subhanahu Wa Ta'ala said: "এরা সেই লোক, যাদেরকে আল্লাহ অভিশাপ দিয়েছেন এবং যাকে আল্লাহ অভিশাপ দেন, তুমি কক্ষনো তার সাহায্যকারী পাবে না।" 🟥(QS. An-Nisa' 4: Verse 52) 🌨️🌺🌨️🌺🌨️🌺🌨️🌺🌨️🌺🌨️ 👉 তাফসীর ---📖 এ বিষয়ে সকল মুফাসসিরে কিরাম একমত যে, এ আয়াত ইয়াহূদী ও খ্রিস্টানদের ব্যাপারে নাযিল হয়। কিন্তু এখানে “নিজেদেরকে পবিত্র মনে করা”এর অর্থ কী এ নিয়ে কয়েকটি বর্ণনা রয়েছে। যেমন: হাসান বসরী ও কাতাদাহ (রহঃ) বলেন: ইয়াহূদীরা যে নিজেদেরকে পবিত্র মনে করে এর অর্থ হল: তারা বলে, আমরা আল্লাহ তা‘আলার ছেলে এবং প্রিয়পাত্র। ⬜(সূরা মায়িদাহ ৫:১৮) তারা আরো বলে: কেবল ইয়াহূদী ও খ্রিস্টান ব্যতীত অন্য কেউ জান্নাতে যাবে না। 🟥(সূরা বাকরাহ ২:১১১) যহহাক (রহঃ) বলেন: তারা বলে, আমাদের কোন পাপ নেই, আমরা ছোট শিশুর মত নিষ্পাপ। আরো বলা হয় যে, এ আয়াতগুলো যারা নিজেদের আত্মপ্রশংসা ও ক্রটিমুক্ত মনে করে থাকে তাদের তিরস্কারের জন্য নাযিল হয়েছে। মোটকথা তারা নিজেরাই নিজেদের গুনাহ থেকে পবিত্র মনে করত, আল্লাহ তা‘আলার প্রিয়পাত্র বলে দাবী করত এবং আত্মপ্রশংসা করত। এ সম্পর্কে হাদীসে এসেছে, মিকদাদ (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন আমরা যেন মুখোমুখি প্রশংসাকারীদের মুখে ধুলা ছিটিয়ে দেই। ⬜(সহীহ মুসলিম হা: ৩০০২) অন্যত্র নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তোমরা মানুষের প্রশংসা করা থেকে বিরত থাক, কারণ তা যবাই করা। 🟥(ইবনে মাযাহ হা: ৩৭৪৩, সহীহ) একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক ব্যক্তিকে অন্যের প্রশংসা করতে শুনলেন। তিনি বললেন: তোমার ধ্বংস হোক, তুমি তোমার সাথীর গর্দান কেটে দিলে। তারপর বললেন: তোমাদের কেউ যদি তার সাথীর প্রশংসা করতেই তাহলে যেন বলে: আমি তাকে এরূপ মনে করি, আল্লাহ তা‘আলার চেয়ে কাউকে পবিত্র করছি না। ⬜(সহীহ বুখারী হা:২৬৬২) সুতরাং যে গুণ কারো মাঝে নেই এমন গুণের প্রশংসা করা এবং নিজের আত্মপ্রশংসা করা নিন্দনীয়। তাই অত্র আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা এ সকল ইয়াহুদ ও খ্রিস্টানসহ যারা তাদের মত মিথ্যা দাবী করবে, দোষ-ক্রটি ও অপরাধ থাকা সত্ত্বেও তা থেকে মুক্ত মনে করবে তাদেরকে তিরস্কার করছেন। বরং আল্লাহ তা‘আলা যাকে ইচ্ছা তার ঈমান, সৎ আমল, উত্তম চরিত্রে চরিত্রবান, খারাপ আচরণ থেকে মুক্ত থাকার কারণে তাকে পবিত্র করেন। সাধারাণতঃ অধিকাংশ মানুষ আত্মপ্রশংসা করে থাকে অহমিকা বা আত্মগর্ব করে, তাছাড়া শেষ পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত কেউ জানেন না। فَتِيلٌ এর অর্থ: খেজুরের আঁটির ফাটলে অতি সূক্ষ্ম ও পাতলা সুতোর মত যে অংশ থাকে সেটাকে ফাতীল বলা হয়। অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা সামান্যটুকুও জুলুম করবেন না। (يَفْتَرُوْنَ عَلَي اللّٰهِ الْكَذِبَ) ‘তারা আল্লাহ সম্পর্কে কিরূপ মিথ্যা অপবাদ দেয়’ অর্থাৎ ইয়াহূদী ও খ্রিস্টান নিজেদেরকে পবিত্র মনে করে, তারা আল্লাহ তা‘আলার ছেলে ও প্রিয়পাত্র এবং তারা ছাড়া কেউ জান্নাতে যাবে না ইত্যাদি দাবী করে আল্লাহ তা‘আলার ওপর মিথ্যারোপ করে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, এটাই তাদের মিথ্যুক হবার জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: (فَلَا تُزَكُّوْآ أَنْفُسَكُمْ ط هُوَ أَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقٰي) “অতএব তোমরা নিজেদেরকে খুব পবিত্র মনে কর না, তিনিই ভাল জানেন মুত্তাকী কে।” 🟥(সূরা নাজম ৫৩:৩২) ৫১ নং আয়াতের শানে নুযূল: একদা হুআই বিন আখতাব ও কা‘ব বিন আশরাফ মক্কায় আগমন করল। মক্কাবাসী বলল: তোমরা আহলে কিতাব ও জ্ঞানী মানুষ। আমাদেরকে আমাদের ও মুহাম্মাদের অবস্থান সম্পর্কে সংবাদ দাও। তারা বলল: তোমাদের সাথে মুহ্ম্মাাদের সম্পর্ক কী? তারা বলল: আমরা রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখি, হাজীদের পানি পান করাই ইত্যাদি, আর মুহাম্মাদ আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, কতকগুলো চোর হাজী তাঁর অনুসরণ করে। আমরা উত্তম, না মুহাম্মাদ উত্তম? তারা বলল: তোমরা উত্তম এবং সঠিক পথের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তখন এ আয়াত নাযিল হয়। অত্র আয়াতে ইয়াহূদীদের কথা বলা হচ্ছে। তাদেরকে আসমানী কিতাব দেয়া সত্ত্বেও তারা জিবত তথা গণক ও জাদুতে বিশ্বাস করত এবং তাগুত তথা শয়তান ও প্রত্যেক মিথ্যা মা‘বূদে বিশ্বাস করত। অথচ এগুলো অস্বীকার করতে তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এছাড়াও জিবত ও তাগুতের আরো অনেক অর্থ রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ان العيافة والطرق والطيرة من الجبت (রাঃ) নিশ্চয়ই পাখি উড়িয়ে, রেখা টেনে সুলক্ষণ ও কুলক্ষণ নির্ণয় করা জিবতের উপরে ঈমান আনার শামিল। ⬜(আবূ দাঊদ হা: ৩৯০৭) সাহাবী আনাস (রাঃ) বলেন: আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া যার ইবাদত করা হয় সে সব প্রত্যেক ব্যক্তি ও জিনিস তাগুত। কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেন: (وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِیْ کُلِّ اُمَّةٍ رَّسُوْلًا اَنِ اعْبُدُوا اللہَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوْتَ) “আল্লাহর ‘ইবাদত করার ও তাগূতকে বর্জন করার নির্দেশ দেবার জন্য আমি প্রত্যেক জাতির মধ্যেই রাসূল পাঠিয়েছি।” 🟥(সূরা নাহল ১৬:৩৬) ইমাম ইবনে কায়্যিম (রহঃ) বলেন: তাগুত অনেক, তার মধ্যে পাঁচটি হল প্রধান, যথা- ⚪(১) আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া যার ইবাদত করা হয় এবং ঐ ইবাদতে সে সন্তুষ্ট, 🔴(২) যে ব্যক্তি গায়েব জানে বলে দাবী করে, ⚪(৩) শয়তান, 🔴(৪) যে ব্যক্তি নিজের ইবাদত করার প্রতি মানুষদেরকে আহ্বান করে এবং ⚪(৫) আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া অন্যের বিধান দিয়ে ফায়সালা করা। (শরহু উসূলুস সালাসাহ) সুতরাং তাগুতসহ অন্যান্য শির্কী বিষয় বর্জন না করা পর্যন্ত কোন ব্যক্তি মু’মিন হতে পারবে না যেমন ইয়াহূদীরা হতে পারেনি। যারা তাগুত মিশ্রিত দীন মানার চেষ্টা করবে, তাগুতের প্রতি বিশ্বাস রাখবে তাদের ওপর আল্লাহ তা’আলার লা’নত। 👉 আয়াত থেকে শিক্ষণীয় বিষয়: 🔴১. আত্মপ্রশংসা করা এবং নিজেকে ক্রটিমুক্ত মনে করা বৈধ নয়। ⚪২. আল্লাহ তা‘আলা যাকে ইচ্ছা ঊর্ধ্ব জগতে তাঁর 🔴পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করেন। ⚪৩. আল্লাহ তা‘আলা কারো ওপর বিন্দু পরিমাণ জুলুম করেন না। 🔴৪. জিবত ও তাগুতকে অস্বীকার করা ওয়াজিব। ⚪৫. জিবত ও তাগুতকে বিশ্বাস করা শির্ক। #Al_Quran
    1
    1 0 Comments 0 Shares
More Stories