• VIP Member
  • Aladdin Domain & Hosting Division
  • Lives in Dhaka
  • From Chandpur
  • Male
  • Single
  • 13/12/1997
  • Followed by 145 people
Social Links
Pinned Post
#হারাম_থেকে_সাবধানঃ

বর্তমানে অনলাইনে টাকা উপার্জনের অনেক এপস অথবা ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে সর্বত্র ফিতনার ছড়াছড়ি। টাকা আয় করা যাবে অমুক এপ দিয়ে এই শিরোনাম দেখলেই আমরা হুমড়ি খেয়ে পড়ি। অথচ এই ইনকামের টাকা টা কি হালাল নাকি হারাম তা নিয়ে কোনো কুন্ঠাবোধ নেই আমাদের।

বর্তমানে আয়ের জন্য ৫ টি জনপ্রিয় এপ্স হলো ফেসবুক, ইউটিউব, Spc, টিকটক আর স্ন্যাক ভিডিও। এই প্রত্যেকটি এপস থেকেই উপার্জন অবশ্যই হালাল হবে না। কারন গুলো আসুন জেনে নেই।

১) YouTube & Facebook : অনেকেই ভাবছেন যে ইউটিউব আর ফেসবুকে তো সবাই নিজের মেধা খাটিয়ে কন্টেন্ট বানিয়ে উপার্জন করে তাহলে সেটা কেনো হারাম?

কারন সত্যি বলতে এই দুটোতেই টাকা পাওয়ার উৎস হলো "AdSense "। অর্থাৎ আপনার ভিডিও তে ইউটিউব, ফেসবুক কতৃপক্ষ তাদের পছন্দমতো এড চালাবে আর এর বিনিময়েই আপনাকে টাকা দিবে। যত বেশি এড তত বেশি ইনকাম। মুল যেই ভিডিও আপনি বানান তার কোয়ালিটি আর ভিউ যতই বেশি হোক না কেন তা ম্যাটারই করে না!! অরিজিনাল ভিউ থেকে আয় এতই নগন্য যে তা আপনি নাই ধরতে পারেন।

আপনার মনে এবার প্রশ্ন জাগতে পারে " AdSense " কেন হারাম?
কারন একটাই AdSense এর মাধ্যমে যে এড আপনাত ভিডিওতে চলবে তার উপর আপনার কোনো অধিকার নাই। আপনি জাস্ট কোন ক্যাটাগরির এড আপনার ভিডিওতে চলবে তা চয়েজ করতে পারবেন। এবার তারা তাদের ইচ্ছামতো গান, নাচ, অশ্লীল ভিডিও, বেপর্দা নারীদের ভিডিও এড হিসেবে দেখালেও আপনার তাই মেনে নিতে হবে। আর ম্যাক্সিমাম এড এই রিলেটেড ই হয়। এবার বুঝে দেখুন এটা হালাল তো নয় ই উলটো হারাম!! এই জন্য বিভিন্ন ইসলামিক স্কলারস রা তাদের ভিডিওতে AdSense বন্ধ করে রাখেন কারন তারা শুধু দ্বীন প্রচারের জন্য ভিডিও আপলোড করেন তা থেকে লাভের আশায় নয়।

২) SPC : এটাও ইদানীং অনেকেই ব্যবহার করেন। এই এপসের মুল কাজ হলো প্রথমে আপনি কিছু টাকা ইনভেস্ট করবেন তারপর একটা নির্ধারিত কাজ করতে করতে একসময় সেই ইনভেস্টমেন্ট এর টাকাটা উঠে যাবে আর এরপর যে টাকা আপনি আয় করবেন তা আপনার লাভ। কিন্তু গন্ডগোল হলো কাজটা নিয়ে। এই এপসেও বিভিন্ন এড কয়েক সেকেন্ড আপনাকে দেখতে হবে। এর বিনিময়েই আপনাকে টাকা দিবে। অর্থাৎ সেই ঘুরে ফিরে AdSense এর মতোই হারাম আর অশ্লীলতার প্রসার!!

৩) Tiktok & Snack video : এই দুটো এপস ইদানীং এতো বেশি মাত্রায় ব্যবহার করছে যে এটা নিয়ে না লিখলেই নয়। টিকটক তো অশ্লীলতায় ভরা সেটা সবাই জানি আমরা। কয়েক সেকেন্ডের গানে নেচে, গেয়ে, মুখ মিলিয়ে বিভিন্ন ভঙিমায় ভিডিও করা হয় যা স্পষ্টত হারাম। আর এই হারাম এপস থেকে টাকা নেয়া কি তাহলে হালাল হবে?
ঠিক স্ন্যাক এপেও ভিডিও দেখার জন্যই টাকা দেয়া হয়। অনেককে আবার বলতে দেখেছি যে আমি তো ভিডিও দেখি না, আমি শুধু রেফার করি। আর ভাই, কথা তো একই!! উল্টো এটা আরো জঘন্য কেননা আপনি আরেকজনকে একটা অশ্লীল প্ল্যাটফর্মে ইনভাইট করছেন। সে এই ইনভাইটেশন গ্রহণ করলে যত গুলো ভিডিও সে দেখবে তার সমপরিমাণ গুনাহ আপনার আমলনামায় ও লিখা হবে। আল্ল-হুম্মাগ'ফিরলি!! এবার ভাবুন এই টাকা হালাল হওয়ার আদৌ কোনো সম্ভাবনা আছে কিনা!

শেষ যমানায় মানুষ হারামকে হালাল করার প্রচেষ্টা করবে। আর এখন তাই হচ্ছে।একজন মুসলিম কখনোই টাকার জন্য নিজের ইমানের সাথে সাংঘর্ষিক কোনো কাজ করতে পারে না। তাই, আসুন এই এপস গুলো নিজে ব্যবহার থেকে বিরত থাকি আর অন্যদের ও সাবধান করি। না হয় এর দায়ভার আমাদের সবার নিতে হবে।
#হারাম_থেকে_সাবধানঃ বর্তমানে অনলাইনে টাকা উপার্জনের অনেক এপস অথবা ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে সর্বত্র ফিতনার ছড়াছড়ি। টাকা আয় করা যাবে অমুক এপ দিয়ে এই শিরোনাম দেখলেই আমরা হুমড়ি খেয়ে পড়ি। অথচ এই ইনকামের টাকা টা কি হালাল নাকি হারাম তা নিয়ে কোনো কুন্ঠাবোধ নেই আমাদের। বর্তমানে আয়ের জন্য ৫ টি জনপ্রিয় এপ্স হলো ফেসবুক, ইউটিউব, Spc, টিকটক আর স্ন্যাক ভিডিও। এই প্রত্যেকটি এপস থেকেই উপার্জন অবশ্যই হালাল হবে না। কারন গুলো আসুন জেনে নেই। ১) YouTube & Facebook : অনেকেই ভাবছেন যে ইউটিউব আর ফেসবুকে তো সবাই নিজের মেধা খাটিয়ে কন্টেন্ট বানিয়ে উপার্জন করে তাহলে সেটা কেনো হারাম? কারন সত্যি বলতে এই দুটোতেই টাকা পাওয়ার উৎস হলো "AdSense "। অর্থাৎ আপনার ভিডিও তে ইউটিউব, ফেসবুক কতৃপক্ষ তাদের পছন্দমতো এড চালাবে আর এর বিনিময়েই আপনাকে টাকা দিবে। যত বেশি এড তত বেশি ইনকাম। মুল যেই ভিডিও আপনি বানান তার কোয়ালিটি আর ভিউ যতই বেশি হোক না কেন তা ম্যাটারই করে না!! অরিজিনাল ভিউ থেকে আয় এতই নগন্য যে তা আপনি নাই ধরতে পারেন। আপনার মনে এবার প্রশ্ন জাগতে পারে " AdSense " কেন হারাম? কারন একটাই AdSense এর মাধ্যমে যে এড আপনাত ভিডিওতে চলবে তার উপর আপনার কোনো অধিকার নাই। আপনি জাস্ট কোন ক্যাটাগরির এড আপনার ভিডিওতে চলবে তা চয়েজ করতে পারবেন। এবার তারা তাদের ইচ্ছামতো গান, নাচ, অশ্লীল ভিডিও, বেপর্দা নারীদের ভিডিও এড হিসেবে দেখালেও আপনার তাই মেনে নিতে হবে। আর ম্যাক্সিমাম এড এই রিলেটেড ই হয়। এবার বুঝে দেখুন এটা হালাল তো নয় ই উলটো হারাম!! এই জন্য বিভিন্ন ইসলামিক স্কলারস রা তাদের ভিডিওতে AdSense বন্ধ করে রাখেন কারন তারা শুধু দ্বীন প্রচারের জন্য ভিডিও আপলোড করেন তা থেকে লাভের আশায় নয়। ২) SPC : এটাও ইদানীং অনেকেই ব্যবহার করেন। এই এপসের মুল কাজ হলো প্রথমে আপনি কিছু টাকা ইনভেস্ট করবেন তারপর একটা নির্ধারিত কাজ করতে করতে একসময় সেই ইনভেস্টমেন্ট এর টাকাটা উঠে যাবে আর এরপর যে টাকা আপনি আয় করবেন তা আপনার লাভ। কিন্তু গন্ডগোল হলো কাজটা নিয়ে। এই এপসেও বিভিন্ন এড কয়েক সেকেন্ড আপনাকে দেখতে হবে। এর বিনিময়েই আপনাকে টাকা দিবে। অর্থাৎ সেই ঘুরে ফিরে AdSense এর মতোই হারাম আর অশ্লীলতার প্রসার!! ৩) Tiktok & Snack video : এই দুটো এপস ইদানীং এতো বেশি মাত্রায় ব্যবহার করছে যে এটা নিয়ে না লিখলেই নয়। টিকটক তো অশ্লীলতায় ভরা সেটা সবাই জানি আমরা। কয়েক সেকেন্ডের গানে নেচে, গেয়ে, মুখ মিলিয়ে বিভিন্ন ভঙিমায় ভিডিও করা হয় যা স্পষ্টত হারাম। আর এই হারাম এপস থেকে টাকা নেয়া কি তাহলে হালাল হবে? ঠিক স্ন্যাক এপেও ভিডিও দেখার জন্যই টাকা দেয়া হয়। অনেককে আবার বলতে দেখেছি যে আমি তো ভিডিও দেখি না, আমি শুধু রেফার করি। আর ভাই, কথা তো একই!! উল্টো এটা আরো জঘন্য কেননা আপনি আরেকজনকে একটা অশ্লীল প্ল্যাটফর্মে ইনভাইট করছেন। সে এই ইনভাইটেশন গ্রহণ করলে যত গুলো ভিডিও সে দেখবে তার সমপরিমাণ গুনাহ আপনার আমলনামায় ও লিখা হবে। আল্ল-হুম্মাগ'ফিরলি!! এবার ভাবুন এই টাকা হালাল হওয়ার আদৌ কোনো সম্ভাবনা আছে কিনা! শেষ যমানায় মানুষ হারামকে হালাল করার প্রচেষ্টা করবে। আর এখন তাই হচ্ছে।একজন মুসলিম কখনোই টাকার জন্য নিজের ইমানের সাথে সাংঘর্ষিক কোনো কাজ করতে পারে না। তাই, আসুন এই এপস গুলো নিজে ব্যবহার থেকে বিরত থাকি আর অন্যদের ও সাবধান করি। না হয় এর দায়ভার আমাদের সবার নিতে হবে।
3
0 Comments 0 Shares
Recent Updates
  • কোনো এক জুমাবারে এর চেয়েও মারাত্মক-ভয়ঙ্কর ভূকম্পনের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে কিয়ামত সংঘটিত হবে। সেদিন মূহুর্তেই ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে এই জগৎ সংসার। ☝️
    কোনো এক জুমাবারে এর চেয়েও মারাত্মক-ভয়ঙ্কর ভূকম্পনের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে কিয়ামত সংঘটিত হবে। সেদিন মূহুর্তেই ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে এই জগৎ সংসার। ☝️
    8
    0 Comments 0 Shares
  • ইন্নালিল্লাহ
    ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপেছে বাংলাদেশ।
    ভূকম্পন চলাকালীন সিসিটিভি ফুটেজ।
    .
    O Allah, save us from such torment and kill us with faith, Amen.
    اللهم احفظنا من هذا العذاب واقتلنا بالايمان آمين.

    #ভূমিকম্প
    #Earthquake
    #ভূকম্পন
    ইন্নালিল্লাহ ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপেছে বাংলাদেশ। ভূকম্পন চলাকালীন সিসিটিভি ফুটেজ। . O Allah, save us from such torment and kill us with faith, Amen. اللهم احفظنا من هذا العذاب واقتلنا بالايمان آمين. #ভূমিকম্প #Earthquake #ভূকম্পন
    5
    17 0 Comments 1 Shares
  • আলাদিনে
    তা/লি/বা/ন অথবা আ/ফ/গা/নি/স্তা/ন
    এধরনের জ্বালাময়ী শব্দগুলো
    ভেঙ্গে লিখার প্রয়োজন হবেনা ইনশাআল্লাহ,
    কারন এটি মুসলমানদের সম্পদ উন্মুক্ত ভূমি।
    আলাদিনে তা/লি/বা/ন অথবা আ/ফ/গা/নি/স্তা/ন এধরনের জ্বালাময়ী শব্দগুলো ভেঙ্গে লিখার প্রয়োজন হবেনা ইনশাআল্লাহ, কারন এটি মুসলমানদের সম্পদ উন্মুক্ত ভূমি।
    8
    0 Comments 0 Shares
  • Rizieq is not always money.
    Rizieq is a pious spouse,
    who cares for you.
    Rizieq is not always money. Rizieq is a pious spouse, who cares for you.
    5
    0 Comments 0 Shares
  • আদর্শ ওয়াজ মাহফিলের রূপরেখা
    ━━━━━━━━━━━━━━
    ওয়াজ মাহফিল এদেশের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের অংশ। আবহমান কাল ধরে বাঙালি মুসলিম সমাজে এটি প্রচলিত। ওয়াজ মাহফিল থেকে মুসলমানদের ঈমান, আমল, আচার-আচরণে বলিয়ান ও আদর্শ মুসলিম হওয়ার দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়। ওয়াজ মাহফিল যদি সুসংগঠিত ও পরিকল্পিত হয় তাহলে সমাজে নীতি-নৈতিকতার চর্চা বৃদ্ধি পাবে, অপরাধ প্রবণতা কমবে, সুন্দর ও আদর্শ কল্যাণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    ‘ওয়াজ’ শব্দের শাব্দিক অর্থ উপদেশ, নসিহত। আল্লাহ্‌ তা’আলা কোরআনুল কারীমের বিভিন্নভাবে ‘ওয়াজ’ শব্দটা ব্যবহার করেছেন। এছাড়া সমার্থক শব্দেও উপদেশ প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ্‌ বলেছেন, ‘(আল্লাহ্‌) তোমাদেরকে উপদেশ দেন, যাতে তোমরা শিক্ষাগ্রহণ করো।’ (কোরআন, ১৬:৯০) ‘তুমি উপদেশ দিতে থাকো, কারণ উপদেশ মুমিনদেরই উপকারে আসে।’ (কোরআন, ৫১:৫৫)
    রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপদেশের মাধ্যমে মানুষকে দ্বীনের পথে আহ্বান করতেন। তিনি বলেছেন, ‘সদুপদেশই দ্বীন।’ (সহীহ্‌ মুসলিম: ৯৫) আরও বলেছেন, ‘আমার কাছ থেকে একটি আয়াত হলেও পৌঁছিয়ে দাও।’

    এতে বোঝা গেল, ‘ওয়াজ’ তথা দ্বীনি উপদেশ প্রদান ইসলামে নতুন কোনো সংযোজন নয়, বরং আল্লাহ্‌ কর্তৃক নির্দেশিত ও রাসূল (সা:) কর্তৃক প্রদর্শিত পন্থা। মানুষের মধ্যে মূল্যবোধ ও নীতি-নৈতিকতার ভিত গড়ে তোলা এবং ইসলামের প্রচার ও প্রসারের প্রধান মাধ্যম এটি। আল্লাহ্‌র পথ থেকে বিচ্যুত মানুষকে আল্লাহ্‌র পথ প্রদর্শন করা ও রাসূলুল্লাহ্‌ (সা:) এর আদর্শে অনুপ্রাণিত করার চেয়ে উত্তম কাজ আর কী হতে পারে! তবে তা তখনই সফল ও অর্থবহ হবে যদি তা হয় সঠিক ও সুন্দর পদ্ধতিতে। কীভাবে সুন্দর পদ্ধতিতে ওয়াজ মাহফিল করা যায়, এটাই এই নিবন্ধের প্রতিপাদ্য।

    উদ্দেশ্য:
    ━━━━
    ওয়াজ মাহফিলের উদ্দেশ্য হতে হবে-
    ১. কুরআন-হাদীসের আলোকে এবং সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে সর্বসাধারণের কাছে ইসলামের সঠিক ধারণা তুলে ধরা।
    ২. প্রচলিত কুসংস্কার ও সামাজিক অসঙ্গতি এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে দূর করার প্রয়াস চালানো।
    ৩. নীতি-নৈতিকতায় সমৃদ্ধ দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব ও আদর্শ সমাজ গঠনে উদ্বুদ্ধ করা।
    ৪. সর্বোপরি মহান আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জন করা।
    সময়সীমা: গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষ এবং কৃষক ও গৃহিণীদের জন্য ওয়াজ মাহফিলের জন্য আদর্শ সময় বাদ আসর থেকে রাত ০৯/১০টা। তারপর মাহফিল স্থলে এশার সালাত আদায়ের মাধ্যমে মাহফিল সমাপ্ত হলে সেটা হবে সবদিক থেকে সুন্নাহ্‌ সম্মত ও যথার্থ। কারণ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে যাওয়া পছন্দ করতেন এবং এশার পর আলাপচারিতা অপছন্দ করতেন। তাছাড়া রাতে দেরিতে ঘুমানো শরীরের জন্যও ক্ষতিকর। তাহাজ্জুদ ও ফজরের সালাত আদায়ের জন্য রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়া সবচেয়ে বেশি সহায়ক ভূমিকা রাখে।

    আলোচক ও আলোচনার ধরন:
    ━━━━━━━━━━━━━
    শুধু আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি, মানুষের কল্যাণ ও দায়িত্ববোধ থেকে ওয়াজ করতে চান এবং কোরআন-হাদীসের পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখেন, বিনম্রভাবে সুন্দর ও শুদ্ধ ভাষায় আলোচনা ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারেন- এমন দায়িত্বশীল ও বিচক্ষণ আলেমগণকেই কেবল মাহফিলে আলোচনা পেশ করার আহ্বান করা উচিত। ওয়াজের নামে বিভিন্ন শ্রেণি ও গোষ্ঠীর অযাচিত সমালোচনা, দৃষ্টিকটু আচরণ ও অঙ্গভঙ্গি করা, অহেতুক উত্তেজনা সৃষ্টি, বানোয়াট-ভিত্তিহীন উক্তি ও মন্তব্য ওয়াজ মাহফিলের গাম্ভীর্য এবং সৌন্দর্য বিনষ্ট করে। আলোচনা হওয়া উচিত সুনির্দিষ্ট বিষয়ে ও গঠনমূলক। যা আগে থেকে নির্ধারণ করে নিতে পারলে ভালো হয় হয়।

    প্রশ্নোত্তর সেশন ও ক্যুইজ প্রতিযোগিতা:
    ━━━━━━━━━━━━━━━━
    ওয়াজ মাহফিলে শুধু বক্তা বক্তব্য দিলেন আর শ্রোতারা শুনলেন বা সায় দিলেন, এতে শ্রোতাদের অংশগ্রহণ পুরোপুরি নিশ্চিত হয় না। সেজন্য আলোচনা শেষে শ্রোতাদের মনের জিজ্ঞাসাগুলো তুলে আনতে প্রশ্ন উত্তরের সেশন থাকলে মাহফিল অনেক বেশি প্রাণবন্ত হবে। অবশ্য প্রশ্নগুলো আগে থেকে সংগ্রহ করে উত্তরদাতা দেখে প্রস্তুতি নিয়ে নিলে সেটা হবে অনেক বেশি অর্থবহ ও নির্ভুল। আর সবশেষে শ্রোতারা কতোটা শিখতে বা জানতে পারলেন সেটা পরখ করার জন্য উপস্থাপিত বক্তব্য থেকে শ্রোতাদের প্রশ্ন করে সঠিক উত্তরদাতাকে পুরস্কৃত করা যেতে পারে। এতে মাহফিল আরও বেশি উপভোগ্য হতে পারে।

    আয়োজকদের দায়িত্ব:
    ━━━━━━━━━
    ১. স্থানীয় আয়োজকরা মাহফিলের প্যান্ডেল প্রস্তুত, প্রচারণা, স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে শৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক বিষয়ে বিচক্ষণতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
    ২. মাহফিলের মূল উদ্দেশ্যে যেন ব্যাঘাত না ঘটে, বক্তা নির্বাচন থেকে নিয়ে সবকিছুতে সে ব্যাপারে তাদের সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিত।
    ৩. ওয়াজ মাহফিলে যেন ইসলামের সুমহান দাওয়াহর আবহ থাকে। মাহফিল যেন প্রদর্শনপ্রিয়তা, বা লৌকিকতা বা এ জাতীয় কোনো মন্দ কিছুর প্লাটফর্ম না হয়- সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত।
    ৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে কিংবা গাড়ি থামিয়ে ডোনেশন কালেকশন করার মতো অপমানকর এবং বিরক্তিকর কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
    ৫. ডোনেশন কালেকশনের ক্ষেত্রে যথাসম্ভব হালাল উপার্জনকারীদের ডোনেশন নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

    আলোচকদের জ্ঞাতব্য:
    ━━━━━━━━━━
    শুধু দ্বীন প্রচারের দায়িত্ববোধ থেকেই মাহফিলে আলোচনা করবেন।
    ১. কোরআন-হাদীস ও সুন্দর উপদেশমালাকে প্রজ্ঞার সাথে পেশ করে ওয়াজ করবেন। মনগড়া কোনো কথা বা বেফাঁস কোনো মন্তব্য করবেন না।
    ২. কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আক্রমণ করে কোনো আলোচনা করবেন না।
    ৩. মাহফিলে আলোচনা করবেন অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে। পরিকল্পিতভাবে লোক হাসানো, কৌতুক করা কিংবা অসুন্দর কোনো অঙ্গভঙ্গি করে কথা বলবেন না।
    ৪. যথাসম্ভব শ্রোতাদের প্রতি সম্মান বজায় রেখে বিনয়ের সাথে আলোকপাত করবেন। শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণ কিংবা সম্বোধন করতে গিয়ে ধমকের সুরে কোনো কথা বলবেন না।
    ৫. মাহফিলে বিরোধপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন না।
    ৬. রাষ্ট্র ও সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্ন হতে পারে এমন আলোচনা থেকে বিরত থাকবেন।
    ৭. মাহফিলের আবেদন ফরম তৈরি করে নিতে পারেন। যাতে আদর্শ ওয়াজ মাহফিলের জন্য বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা উল্লেখ থাকবে।
    বিদ্যুৎ ও মাইকের ব্যবহার:
    ━━━━━━━━━━━
    অনেক সময় মাহফিলের বিদ্যুৎ সরাসরি মেইন লাইন থেকে টানা হয়, যা অনুচিত কাজ। প্রয়োজনে আশপাশের কোনো বাসা কিংবা প্রতিষ্ঠান থেকে (নিরাপত্তা ও ধারণক্ষমতা নিশ্চিত করে) সংশ্লিষ্টদের অনুমতি ও বিল পরিশোধ সাপেক্ষে বিদ্যুৎ নেওয়া যেতে পারে। মাহফিলের মাইক অনেক বেশি দূর-দূরান্ত পর্যন্ত স্থাপন করার দ্বারা যদি অন্যের ধর্মের মানুষের বিরক্তি কিংবা কোনো রোগী বা কারো কষ্টের কারণ হয়, তাহলে তা কোনো অবস্থাতেই জায়েজ নয়। কারণ কাউকে ওয়াজ শুনতে বাধ্য করা, কিংবা সাধারণ জীবন-যাত্রা ব্যাহত করা ও কষ্ট দেওয়া ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ কিংবা গান-বাজনার অনুষ্ঠানে দূর-দূরান্ত পর্যন্ত মাইক স্থাপন ও হাই ভলিওমের বিরক্তিকর ব্যবহার হয়ে থাকে, সেই যুক্তিতে ওয়াজ মাহফিলেও একই কাজ করা ন্যায়সঙ্গত হবে না।
    প্রচারণা নীতিমালা:
    ━━━━━━━━
    ১. মাহফিলের ব্যানার বা পোস্টারের লেখা যেন বিশুদ্ধ থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত।
    ২. পোস্টার বা ব্যানারে কোনো আলোচকের পরিচয়-পদবি লিখতে গিয়ে ভুল ও অতিরঞ্জন করা চরম অন্যায়।
    ৩. উপস্থাপক কোনো আলোচকের পরিচয় উল্লেখ করতে গিয়ে বাড়াবাড়ি ও অতিরঞ্জন ও অত্যুক্তি করবেন না।
    ৪. মাহফিলস্থল ও একান্ত আশপাশের এলাকার বাইরে দূর-দূরান্ত পর্যন্ত মাইক লাগানো অনুচিত কাজ। মাহফিলস্থলের আশেপাশে বসবাসকারী কারো যেন কষ্টের কারণ না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
    ৫. মাহফিলের আলোচনা ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে প্রচার করার জন্য নিজস্ব বা নির্ভরযোগ্য মিডিয়া থাকলে ভালো। অন্য কোনো ইউটিউবার, ফেসবুকার বা মিডিয়ার ক্যামেরা অনুমোদনের আগে তাদের চ্যানেল ও পেইজ ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ করে দায়িত্বশীলতার বিষয়টি নিশ্চিত হলেই কেবল মাহফিল রেকর্ডের অনুমতি প্রদান করতে হবে। যারা মাহফিলের ভিডিও ধারণ করে ভিউয়ার বাড়ানোর জন্য দৃষ্টিকটু, মিথ্যা ও আপত্তিকর থাম্বনেইল কিংবা শিরোনাম দিয়ে থাকে তাদের কোনো অবস্থাতেই মাহফিল রেকর্ডের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। উত্তম হয় মাহফিলের আগে থেকে তাদের নিকট থেকে রেকর্ডের আবেদন গ্রহণ ও পুরো ব্যাপারটি এ বিষয়ে পারদর্শী কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা।

    আলোচকদের সম্মানী:
    ━━━━━━━━━
    আলোচকদের উচিত দ্বীন প্রচারের মানসিকতা নিয়ে ওয়াজ করা। মাহফিলে ওয়াজ করাকে যদি অন্য দশটা পেশার মতো একটা পেশা বানানো হয় তাহলে সেই ওয়াজ দ্বারা ইসলাম ও মুসলমানদের খুব বেশি উপকার হবে না। মহান আল্লাহ্‌ ইরশাদ করেন- ‘তোমরা তাঁর অনুকরণ করো যে, তোমাদের কাছে (সত্যর পথে আহ্বান করে) কোনো বিনিময় চায় না। আর এমন লোকেরাই হিদায়েতপ্রাপ্ত’। (কোরআন, ৩৬:২০) সুতরাং মৌলিকভাবে দ্বীনি কাজ হবে শুধু আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশে। তবে যেসব দ্বীনি কাজ আঞ্জাম দিতে গিয়ে প্রায় পুরো সময় সে কাজে আত্মনিয়োগ করতে হয় এবং দ্বীনের জন্য তা অতীব গুরুত্বপূর্ণ সেসব কাজ করে পারিশ্রমিক নেওয়াকে বিশ্বের প্রায় সব ইসলামিক স্কলারগণ জায়েয মনে করেন। সে হিসেবে ওয়াজ করার পর হাদিয়া বা বিনিময় দেওয়া- নেওয়াও জায়েয। এ বিষয়ে তেমন কোনো মতপার্থক্য নেই। কারণ সাধারণত এ জাতীয় কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ নিজের সংসার ও পরিবারের ব্যয়ভার বহনের জন্য পৃথক কোনো পেশায় নিয়োজিত হতে গেলে দীন প্রচারের কাজে ব্যঘাত ঘটে। তবে অর্থলিপ্সা কিংবা সম্পদ আহরণের লক্ষে দীন প্রচারের কাজ দুষণীয়।
    সেজন্য কর্তৃপক্ষের উচিত আলোচকের গাড়িভাড়া, পথখরচ এবং অন্যান্য খরচের পাশাপাশি সম্মানজনক হাদিয়া পেশ করা। কারণ রাত-বিরাতে মাহফিল করা নানা কারণে রিস্কি। অনেক সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। এসব দিক বিবেচনা করে ওয়াজকারীদের সাধ্য অনুযায়ী সম্মানী দেয়ার চেষ্টা করা উচিত। এ বিষয়ে চড়া দর কষা যেমন আলোচকের জন্য শোভনীয় নয়, আয়োজকদেরও এ নিয়ে সংকীর্ণ মনের পরিচয় দেওয়া উচিত নয়। এ বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আগে থেকে কোনো সমঝোতা হলে সেটাও দূষণীয় নয়। তবে কর্তৃপক্ষের উচিত চড়ামূল্য হাঁকানো বক্তাদের চেয়ে মুখলিস ও নিষ্ঠাবান আলেমদেরকে দাওয়াত করার চেষ্টা করা।
    অনেক আয়োজক মাহফিলের জন্য বিস্তর টাকা তুলে আলোচকদের যৎসামান্য হাদিয়া দিয়ে অবশিষ্ট টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ-বণ্টন করে নেন। কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে মাহফিলের কথা বলে টাকা তুলে মাহফিলে কম খরচ করে সেটা দিয়ে অন্য কোনো কল্যাণমূলক কাজ করেন, এটা গর্হিত কাজ। কারণ দাতা যে খাতে ব্যয়ের জন্য দান করবেন, সে খাতেই ব্যয় করা উচিত। অবশ্য সবকিছু যথাযথভাবে সম্পন্ন করার পরও যদি টাকা উদ্বৃত্ত থাকে তাহলে দানকারীদের মৌনসম্মতি থাকবে, এই বিবেচনায় সে টাকা কোনো ভালো কাজে ব্যয় করতে পারেন কর্তৃপক্ষ।
    আমার বিশ্বাস, উপরিউক্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে, পরিকল্পিত ও গোছানো ওয়াজ মাহফিল করা হলে সেটা হবে অনেক বেশি ফলপ্রসূ এবং উপকারী ইনশাআল্লাহ্‌।

    - শায়খ আহমাদুল্লাহ
    (লেখক: ইসলামী আলোচক এবং চেয়ারম্যান, আস-সুন্নাহ্‌ ফাউন্ডেশন)
    আদর্শ ওয়াজ মাহফিলের রূপরেখা ━━━━━━━━━━━━━━ ওয়াজ মাহফিল এদেশের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের অংশ। আবহমান কাল ধরে বাঙালি মুসলিম সমাজে এটি প্রচলিত। ওয়াজ মাহফিল থেকে মুসলমানদের ঈমান, আমল, আচার-আচরণে বলিয়ান ও আদর্শ মুসলিম হওয়ার দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়। ওয়াজ মাহফিল যদি সুসংগঠিত ও পরিকল্পিত হয় তাহলে সমাজে নীতি-নৈতিকতার চর্চা বৃদ্ধি পাবে, অপরাধ প্রবণতা কমবে, সুন্দর ও আদর্শ কল্যাণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। ‘ওয়াজ’ শব্দের শাব্দিক অর্থ উপদেশ, নসিহত। আল্লাহ্‌ তা’আলা কোরআনুল কারীমের বিভিন্নভাবে ‘ওয়াজ’ শব্দটা ব্যবহার করেছেন। এছাড়া সমার্থক শব্দেও উপদেশ প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ্‌ বলেছেন, ‘(আল্লাহ্‌) তোমাদেরকে উপদেশ দেন, যাতে তোমরা শিক্ষাগ্রহণ করো।’ (কোরআন, ১৬:৯০) ‘তুমি উপদেশ দিতে থাকো, কারণ উপদেশ মুমিনদেরই উপকারে আসে।’ (কোরআন, ৫১:৫৫) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপদেশের মাধ্যমে মানুষকে দ্বীনের পথে আহ্বান করতেন। তিনি বলেছেন, ‘সদুপদেশই দ্বীন।’ (সহীহ্‌ মুসলিম: ৯৫) আরও বলেছেন, ‘আমার কাছ থেকে একটি আয়াত হলেও পৌঁছিয়ে দাও।’ এতে বোঝা গেল, ‘ওয়াজ’ তথা দ্বীনি উপদেশ প্রদান ইসলামে নতুন কোনো সংযোজন নয়, বরং আল্লাহ্‌ কর্তৃক নির্দেশিত ও রাসূল (সা:) কর্তৃক প্রদর্শিত পন্থা। মানুষের মধ্যে মূল্যবোধ ও নীতি-নৈতিকতার ভিত গড়ে তোলা এবং ইসলামের প্রচার ও প্রসারের প্রধান মাধ্যম এটি। আল্লাহ্‌র পথ থেকে বিচ্যুত মানুষকে আল্লাহ্‌র পথ প্রদর্শন করা ও রাসূলুল্লাহ্‌ (সা:) এর আদর্শে অনুপ্রাণিত করার চেয়ে উত্তম কাজ আর কী হতে পারে! তবে তা তখনই সফল ও অর্থবহ হবে যদি তা হয় সঠিক ও সুন্দর পদ্ধতিতে। কীভাবে সুন্দর পদ্ধতিতে ওয়াজ মাহফিল করা যায়, এটাই এই নিবন্ধের প্রতিপাদ্য। উদ্দেশ্য: ━━━━ ওয়াজ মাহফিলের উদ্দেশ্য হতে হবে- ১. কুরআন-হাদীসের আলোকে এবং সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে সর্বসাধারণের কাছে ইসলামের সঠিক ধারণা তুলে ধরা। ২. প্রচলিত কুসংস্কার ও সামাজিক অসঙ্গতি এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার মাধ্যমে দূর করার প্রয়াস চালানো। ৩. নীতি-নৈতিকতায় সমৃদ্ধ দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব ও আদর্শ সমাজ গঠনে উদ্বুদ্ধ করা। ৪. সর্বোপরি মহান আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জন করা। সময়সীমা: গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষ এবং কৃষক ও গৃহিণীদের জন্য ওয়াজ মাহফিলের জন্য আদর্শ সময় বাদ আসর থেকে রাত ০৯/১০টা। তারপর মাহফিল স্থলে এশার সালাত আদায়ের মাধ্যমে মাহফিল সমাপ্ত হলে সেটা হবে সবদিক থেকে সুন্নাহ্‌ সম্মত ও যথার্থ। কারণ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে যাওয়া পছন্দ করতেন এবং এশার পর আলাপচারিতা অপছন্দ করতেন। তাছাড়া রাতে দেরিতে ঘুমানো শরীরের জন্যও ক্ষতিকর। তাহাজ্জুদ ও ফজরের সালাত আদায়ের জন্য রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়া সবচেয়ে বেশি সহায়ক ভূমিকা রাখে। আলোচক ও আলোচনার ধরন: ━━━━━━━━━━━━━ শুধু আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি, মানুষের কল্যাণ ও দায়িত্ববোধ থেকে ওয়াজ করতে চান এবং কোরআন-হাদীসের পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখেন, বিনম্রভাবে সুন্দর ও শুদ্ধ ভাষায় আলোচনা ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারেন- এমন দায়িত্বশীল ও বিচক্ষণ আলেমগণকেই কেবল মাহফিলে আলোচনা পেশ করার আহ্বান করা উচিত। ওয়াজের নামে বিভিন্ন শ্রেণি ও গোষ্ঠীর অযাচিত সমালোচনা, দৃষ্টিকটু আচরণ ও অঙ্গভঙ্গি করা, অহেতুক উত্তেজনা সৃষ্টি, বানোয়াট-ভিত্তিহীন উক্তি ও মন্তব্য ওয়াজ মাহফিলের গাম্ভীর্য এবং সৌন্দর্য বিনষ্ট করে। আলোচনা হওয়া উচিত সুনির্দিষ্ট বিষয়ে ও গঠনমূলক। যা আগে থেকে নির্ধারণ করে নিতে পারলে ভালো হয় হয়। প্রশ্নোত্তর সেশন ও ক্যুইজ প্রতিযোগিতা: ━━━━━━━━━━━━━━━━ ওয়াজ মাহফিলে শুধু বক্তা বক্তব্য দিলেন আর শ্রোতারা শুনলেন বা সায় দিলেন, এতে শ্রোতাদের অংশগ্রহণ পুরোপুরি নিশ্চিত হয় না। সেজন্য আলোচনা শেষে শ্রোতাদের মনের জিজ্ঞাসাগুলো তুলে আনতে প্রশ্ন উত্তরের সেশন থাকলে মাহফিল অনেক বেশি প্রাণবন্ত হবে। অবশ্য প্রশ্নগুলো আগে থেকে সংগ্রহ করে উত্তরদাতা দেখে প্রস্তুতি নিয়ে নিলে সেটা হবে অনেক বেশি অর্থবহ ও নির্ভুল। আর সবশেষে শ্রোতারা কতোটা শিখতে বা জানতে পারলেন সেটা পরখ করার জন্য উপস্থাপিত বক্তব্য থেকে শ্রোতাদের প্রশ্ন করে সঠিক উত্তরদাতাকে পুরস্কৃত করা যেতে পারে। এতে মাহফিল আরও বেশি উপভোগ্য হতে পারে। আয়োজকদের দায়িত্ব: ━━━━━━━━━ ১. স্থানীয় আয়োজকরা মাহফিলের প্যান্ডেল প্রস্তুত, প্রচারণা, স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে শৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক বিষয়ে বিচক্ষণতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ২. মাহফিলের মূল উদ্দেশ্যে যেন ব্যাঘাত না ঘটে, বক্তা নির্বাচন থেকে নিয়ে সবকিছুতে সে ব্যাপারে তাদের সজাগ দৃষ্টি রাখা উচিত। ৩. ওয়াজ মাহফিলে যেন ইসলামের সুমহান দাওয়াহর আবহ থাকে। মাহফিল যেন প্রদর্শনপ্রিয়তা, বা লৌকিকতা বা এ জাতীয় কোনো মন্দ কিছুর প্লাটফর্ম না হয়- সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত। ৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে কিংবা গাড়ি থামিয়ে ডোনেশন কালেকশন করার মতো অপমানকর এবং বিরক্তিকর কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। ৫. ডোনেশন কালেকশনের ক্ষেত্রে যথাসম্ভব হালাল উপার্জনকারীদের ডোনেশন নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আলোচকদের জ্ঞাতব্য: ━━━━━━━━━━ শুধু দ্বীন প্রচারের দায়িত্ববোধ থেকেই মাহফিলে আলোচনা করবেন। ১. কোরআন-হাদীস ও সুন্দর উপদেশমালাকে প্রজ্ঞার সাথে পেশ করে ওয়াজ করবেন। মনগড়া কোনো কথা বা বেফাঁস কোনো মন্তব্য করবেন না। ২. কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আক্রমণ করে কোনো আলোচনা করবেন না। ৩. মাহফিলে আলোচনা করবেন অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে। পরিকল্পিতভাবে লোক হাসানো, কৌতুক করা কিংবা অসুন্দর কোনো অঙ্গভঙ্গি করে কথা বলবেন না। ৪. যথাসম্ভব শ্রোতাদের প্রতি সম্মান বজায় রেখে বিনয়ের সাথে আলোকপাত করবেন। শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণ কিংবা সম্বোধন করতে গিয়ে ধমকের সুরে কোনো কথা বলবেন না। ৫. মাহফিলে বিরোধপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন না। ৬. রাষ্ট্র ও সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্ন হতে পারে এমন আলোচনা থেকে বিরত থাকবেন। ৭. মাহফিলের আবেদন ফরম তৈরি করে নিতে পারেন। যাতে আদর্শ ওয়াজ মাহফিলের জন্য বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা উল্লেখ থাকবে। বিদ্যুৎ ও মাইকের ব্যবহার: ━━━━━━━━━━━ অনেক সময় মাহফিলের বিদ্যুৎ সরাসরি মেইন লাইন থেকে টানা হয়, যা অনুচিত কাজ। প্রয়োজনে আশপাশের কোনো বাসা কিংবা প্রতিষ্ঠান থেকে (নিরাপত্তা ও ধারণক্ষমতা নিশ্চিত করে) সংশ্লিষ্টদের অনুমতি ও বিল পরিশোধ সাপেক্ষে বিদ্যুৎ নেওয়া যেতে পারে। মাহফিলের মাইক অনেক বেশি দূর-দূরান্ত পর্যন্ত স্থাপন করার দ্বারা যদি অন্যের ধর্মের মানুষের বিরক্তি কিংবা কোনো রোগী বা কারো কষ্টের কারণ হয়, তাহলে তা কোনো অবস্থাতেই জায়েজ নয়। কারণ কাউকে ওয়াজ শুনতে বাধ্য করা, কিংবা সাধারণ জীবন-যাত্রা ব্যাহত করা ও কষ্ট দেওয়া ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ কিংবা গান-বাজনার অনুষ্ঠানে দূর-দূরান্ত পর্যন্ত মাইক স্থাপন ও হাই ভলিওমের বিরক্তিকর ব্যবহার হয়ে থাকে, সেই যুক্তিতে ওয়াজ মাহফিলেও একই কাজ করা ন্যায়সঙ্গত হবে না। প্রচারণা নীতিমালা: ━━━━━━━━ ১. মাহফিলের ব্যানার বা পোস্টারের লেখা যেন বিশুদ্ধ থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত। ২. পোস্টার বা ব্যানারে কোনো আলোচকের পরিচয়-পদবি লিখতে গিয়ে ভুল ও অতিরঞ্জন করা চরম অন্যায়। ৩. উপস্থাপক কোনো আলোচকের পরিচয় উল্লেখ করতে গিয়ে বাড়াবাড়ি ও অতিরঞ্জন ও অত্যুক্তি করবেন না। ৪. মাহফিলস্থল ও একান্ত আশপাশের এলাকার বাইরে দূর-দূরান্ত পর্যন্ত মাইক লাগানো অনুচিত কাজ। মাহফিলস্থলের আশেপাশে বসবাসকারী কারো যেন কষ্টের কারণ না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। ৫. মাহফিলের আলোচনা ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে প্রচার করার জন্য নিজস্ব বা নির্ভরযোগ্য মিডিয়া থাকলে ভালো। অন্য কোনো ইউটিউবার, ফেসবুকার বা মিডিয়ার ক্যামেরা অনুমোদনের আগে তাদের চ্যানেল ও পেইজ ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ করে দায়িত্বশীলতার বিষয়টি নিশ্চিত হলেই কেবল মাহফিল রেকর্ডের অনুমতি প্রদান করতে হবে। যারা মাহফিলের ভিডিও ধারণ করে ভিউয়ার বাড়ানোর জন্য দৃষ্টিকটু, মিথ্যা ও আপত্তিকর থাম্বনেইল কিংবা শিরোনাম দিয়ে থাকে তাদের কোনো অবস্থাতেই মাহফিল রেকর্ডের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। উত্তম হয় মাহফিলের আগে থেকে তাদের নিকট থেকে রেকর্ডের আবেদন গ্রহণ ও পুরো ব্যাপারটি এ বিষয়ে পারদর্শী কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা। আলোচকদের সম্মানী: ━━━━━━━━━ আলোচকদের উচিত দ্বীন প্রচারের মানসিকতা নিয়ে ওয়াজ করা। মাহফিলে ওয়াজ করাকে যদি অন্য দশটা পেশার মতো একটা পেশা বানানো হয় তাহলে সেই ওয়াজ দ্বারা ইসলাম ও মুসলমানদের খুব বেশি উপকার হবে না। মহান আল্লাহ্‌ ইরশাদ করেন- ‘তোমরা তাঁর অনুকরণ করো যে, তোমাদের কাছে (সত্যর পথে আহ্বান করে) কোনো বিনিময় চায় না। আর এমন লোকেরাই হিদায়েতপ্রাপ্ত’। (কোরআন, ৩৬:২০) সুতরাং মৌলিকভাবে দ্বীনি কাজ হবে শুধু আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশে। তবে যেসব দ্বীনি কাজ আঞ্জাম দিতে গিয়ে প্রায় পুরো সময় সে কাজে আত্মনিয়োগ করতে হয় এবং দ্বীনের জন্য তা অতীব গুরুত্বপূর্ণ সেসব কাজ করে পারিশ্রমিক নেওয়াকে বিশ্বের প্রায় সব ইসলামিক স্কলারগণ জায়েয মনে করেন। সে হিসেবে ওয়াজ করার পর হাদিয়া বা বিনিময় দেওয়া- নেওয়াও জায়েয। এ বিষয়ে তেমন কোনো মতপার্থক্য নেই। কারণ সাধারণত এ জাতীয় কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ নিজের সংসার ও পরিবারের ব্যয়ভার বহনের জন্য পৃথক কোনো পেশায় নিয়োজিত হতে গেলে দীন প্রচারের কাজে ব্যঘাত ঘটে। তবে অর্থলিপ্সা কিংবা সম্পদ আহরণের লক্ষে দীন প্রচারের কাজ দুষণীয়। সেজন্য কর্তৃপক্ষের উচিত আলোচকের গাড়িভাড়া, পথখরচ এবং অন্যান্য খরচের পাশাপাশি সম্মানজনক হাদিয়া পেশ করা। কারণ রাত-বিরাতে মাহফিল করা নানা কারণে রিস্কি। অনেক সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। এসব দিক বিবেচনা করে ওয়াজকারীদের সাধ্য অনুযায়ী সম্মানী দেয়ার চেষ্টা করা উচিত। এ বিষয়ে চড়া দর কষা যেমন আলোচকের জন্য শোভনীয় নয়, আয়োজকদেরও এ নিয়ে সংকীর্ণ মনের পরিচয় দেওয়া উচিত নয়। এ বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আগে থেকে কোনো সমঝোতা হলে সেটাও দূষণীয় নয়। তবে কর্তৃপক্ষের উচিত চড়ামূল্য হাঁকানো বক্তাদের চেয়ে মুখলিস ও নিষ্ঠাবান আলেমদেরকে দাওয়াত করার চেষ্টা করা। অনেক আয়োজক মাহফিলের জন্য বিস্তর টাকা তুলে আলোচকদের যৎসামান্য হাদিয়া দিয়ে অবশিষ্ট টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ-বণ্টন করে নেন। কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে মাহফিলের কথা বলে টাকা তুলে মাহফিলে কম খরচ করে সেটা দিয়ে অন্য কোনো কল্যাণমূলক কাজ করেন, এটা গর্হিত কাজ। কারণ দাতা যে খাতে ব্যয়ের জন্য দান করবেন, সে খাতেই ব্যয় করা উচিত। অবশ্য সবকিছু যথাযথভাবে সম্পন্ন করার পরও যদি টাকা উদ্বৃত্ত থাকে তাহলে দানকারীদের মৌনসম্মতি থাকবে, এই বিবেচনায় সে টাকা কোনো ভালো কাজে ব্যয় করতে পারেন কর্তৃপক্ষ। আমার বিশ্বাস, উপরিউক্ত বিষয়গুলো মাথায় রেখে, পরিকল্পিত ও গোছানো ওয়াজ মাহফিল করা হলে সেটা হবে অনেক বেশি ফলপ্রসূ এবং উপকারী ইনশাআল্লাহ্‌। - শায়খ আহমাদুল্লাহ (লেখক: ইসলামী আলোচক এবং চেয়ারম্যান, আস-সুন্নাহ্‌ ফাউন্ডেশন)
    4
    0 Comments 0 Shares
  • পৃথিবীর সর্বপ্রথম পরিবেশ বান্ধব 🚀🚀মিসাইল বহনকারী ট্রেন 🙄
    পৃথিবীর সর্বপ্রথম পরিবেশ বান্ধব 🚀🚀মিসাইল বহনকারী ট্রেন 🙄
    7
    1 Comments 1 Shares
  • হালকা বিনোদন.
    সেকেন্ড ওয়াইফ ক্যাফে!
    -
    - কই গো তুমি? সেই কখন অফিস থেকে বের হলে।
    আমি খাবার বেড়ে বসে আছি। আর কতক্ষণ লাগবে?
    :- আজ একটু সময় লাগবে। ‘দ্বিতীয় বিবির’ কাছে আছি এখন।
    - কী বললে? এম্মা, এতদিন তলে তলে এই চলছিল বুঝি?
    তাই তো বলি, এতটুকুন পথ, তবুও কেন মানুষটা মাঝে মাঝে দেরি করে আসে!
    দরকার নেই তোমার আর এমুখো হওয়ার। ঐ ডাইনির কাছেই থেকে যাও।
    :- আহ, অত চটছ কেন। আমি ‘সেকেন্ড ওয়াইফ’ ক্যাফের সামনে জ্যামে আটকে আছি।
    .
    .
    সহীহ দলীল পেশ করা হল
    সাইনবোর্ড দেখে আরবী শিখি
    ১: (الزوجة الثانية) আযযাওজাহ আস-সানিয়া। দ্বিতীয় বিবি।
    ২: (مَطْعَم) মাতআম। খাবার হোটেল।
    ৩: (مَقْهى) মাক্বহা। কফিশপ।
    .
    মূল পোস্ট: সংগৃহীত।
    হালকা বিনোদন. সেকেন্ড ওয়াইফ ক্যাফে! - - কই গো তুমি? সেই কখন অফিস থেকে বের হলে। আমি খাবার বেড়ে বসে আছি। আর কতক্ষণ লাগবে? :- আজ একটু সময় লাগবে। ‘দ্বিতীয় বিবির’ কাছে আছি এখন। - কী বললে? এম্মা, এতদিন তলে তলে এই চলছিল বুঝি? তাই তো বলি, এতটুকুন পথ, তবুও কেন মানুষটা মাঝে মাঝে দেরি করে আসে! দরকার নেই তোমার আর এমুখো হওয়ার। ঐ ডাইনির কাছেই থেকে যাও। :- আহ, অত চটছ কেন। আমি ‘সেকেন্ড ওয়াইফ’ ক্যাফের সামনে জ্যামে আটকে আছি। . . সহীহ দলীল পেশ করা হল সাইনবোর্ড দেখে আরবী শিখি ১: (الزوجة الثانية) আযযাওজাহ আস-সানিয়া। দ্বিতীয় বিবি। ২: (مَطْعَم) মাতআম। খাবার হোটেল। ৩: (مَقْهى) মাক্বহা। কফিশপ। . মূল পোস্ট: সংগৃহীত।
    7
    0 Comments 0 Shares
  • বিশ্বাস করেন ভাই, আপনার একাউন্টে টাকাই নাই.! 🙂
    বিশ্বাস করেন ভাই, আপনার একাউন্টে টাকাই নাই.! 🙂
    8
    1 Comments 0 Shares
  • নাস্তিকরা নাস্তিকতা প্রচার করতে পারবে সমস্যা নেই।
    ইসকন চৈতন্যবাদ প্রচার করতে পারবে সমস্যা নেই।
    কাদিয়ানীরা কাদিয়ানী ধর্ম প্রচার করতে পারবে সমস্যা নেই।
    খ্রিষ্টান মিশনারি পুরোদমে খ্রিষ্টবাদ প্রচার করতে পারবে সমস্যা নেই।
    বাম-সেকুরা তাদের দর্শন প্রচার করতে পারবে তাতেও সমস্যা নেই।
    তাহলে মুসলিমরা ইসলাম প্রচার করলে সমস্যা হবে কেন?

    এদেশের সংবিধানে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকার পরও সংখ্যাগুরুর ধর্মপ্রচারে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে কেন? কয়দিন পরপরই ইসলাম প্রচারকারীদের নিখোঁজের খবর পেতে হবে কেন?

    গতকাল সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ বাংলাদেশের প্রোমিনেন্ট ইসলাম প্রচারক মুফতি যোবায়ের আহমদ। যিনি অমুসলিমদের মাঝে ইসলামের বানী তুলে ধরতেন। তাঁর মাধ্যমে সত্যের সন্ধান পেয়ে অগনিত মানুষ ইসলামের ছায়াতলে এসেছে। তাঁর মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি গুম হয়ে যাওয়া জাতির জন্য ক্ষতিকর।

    মুফতি যোবায়ের আহমদ হাফি. এর সন্ধান চাই।
    নাস্তিকরা নাস্তিকতা প্রচার করতে পারবে সমস্যা নেই। ইসকন চৈতন্যবাদ প্রচার করতে পারবে সমস্যা নেই। কাদিয়ানীরা কাদিয়ানী ধর্ম প্রচার করতে পারবে সমস্যা নেই। খ্রিষ্টান মিশনারি পুরোদমে খ্রিষ্টবাদ প্রচার করতে পারবে সমস্যা নেই। বাম-সেকুরা তাদের দর্শন প্রচার করতে পারবে তাতেও সমস্যা নেই। তাহলে মুসলিমরা ইসলাম প্রচার করলে সমস্যা হবে কেন? এদেশের সংবিধানে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকার পরও সংখ্যাগুরুর ধর্মপ্রচারে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে কেন? কয়দিন পরপরই ইসলাম প্রচারকারীদের নিখোঁজের খবর পেতে হবে কেন? গতকাল সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ বাংলাদেশের প্রোমিনেন্ট ইসলাম প্রচারক মুফতি যোবায়ের আহমদ। যিনি অমুসলিমদের মাঝে ইসলামের বানী তুলে ধরতেন। তাঁর মাধ্যমে সত্যের সন্ধান পেয়ে অগনিত মানুষ ইসলামের ছায়াতলে এসেছে। তাঁর মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি গুম হয়ে যাওয়া জাতির জন্য ক্ষতিকর। মুফতি যোবায়ের আহমদ হাফি. এর সন্ধান চাই।
    5
    1 Comments 0 Shares
  • ❌#সতর্কবার্তাঃ ❌
    দারাজের উপহার ভেবে যারা ফাঁদে পা দিচ্ছেন তাদের জন্য সতর্কবার্তা।

    একদল প্রতারক চক্র স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্রান্ড কোম্পানির নাম এবং লোগো ব্যবহার করে লোভনীয় অফারের ব্যানার দেখিয়ে আপনাকে ধোকা দিচ্ছে। আর বিনিময়ে আপনাকে ব্যবহার করে তারা স্বার্থ হাসিল করছে। আমরাতো হুজুগে জাতি, গুজবে বিশ্বাসী, অযথা সময় অচেতন বুদ্ধি দিয়ে অন্যের বিরক্তির কারণ হচ্ছি প্রতিনিয়ত। কেননা, মূলত প্রতারকদের এই অভিনব কৌশলের ফাঁদে পড়ে যেকোনো লোভি মানুষজন খুব সহজেই ধোকায় পড়ে যেতে পারে।

    বিভিন্ন সময়ই দেখা যায়, কোকাকোলা, দারাজ, অ্যামাজনের লোগো সম্বলিত কিছু চমৎকার লেখা। মাত্র ২০-৫০ জন বন্ধুকে ফরোয়ার্ড করেই পেয়ে যেতে পারেন সুবর্ণ সুযোগ। অনেকেই কৌতুহলের বশবর্তী হয়ে ফরোয়ার্ড করে থাকেন বন্ধুদের সাথে।

    🔴কিন্তু আপনি কি জানেন❓
    এটি পুরোপুরোভাবে ভুয়া একটি খবর। নামে বেনামের ডোমেইন কিনে পরিচিত ব্র্যান্ডের লোগো ইউজ করে পাতা হয় ফাঁদ। কেউ এই লিঙ্কে ক্লিক করা মানেই ফাঁদে পা দিয়ে ফেলা।

    হয়তো আপনার অগোচরেই আপনার ফোনে ইন্সটল হয়ে যাচ্ছে কোনো স্পাই অ্যাপ। যা আপনার ফোনের যাবতীয় তথ্য চুরি করতে সক্ষম। আপনার ইমেইল, ফেসবুক, ব্যাংক ইনফর্মেশন এমনকি আপনার ছবিও চুরি হয়ে যেতে পারে।

    তাই কোথাও ক্লিক করার আগে অন্তত URL টা চেক করে নিন। কাউকে ফরোয়ার্ড করার আগে অন্তত নিজে নিশ্চিত হয়ে নিন। পরিচিত কোনো কোম্পানীর অফার থাকলে অবশ্যই তাদের ফেসবুক পেজ/ ওয়েবসাইট থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন সত্যিই এমন অফার চলছে কিনা।

    সবার জন্য ইন্টারনেট দুনিয়া হোক নিরাপদ,
    শুভ কামনা, ভালোবাসা অবিরাম। ❤
    ধন্যবাদ।
    ❌#সতর্কবার্তাঃ ❌ দারাজের উপহার ভেবে যারা ফাঁদে পা দিচ্ছেন তাদের জন্য সতর্কবার্তা। একদল প্রতারক চক্র স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্রান্ড কোম্পানির নাম এবং লোগো ব্যবহার করে লোভনীয় অফারের ব্যানার দেখিয়ে আপনাকে ধোকা দিচ্ছে। আর বিনিময়ে আপনাকে ব্যবহার করে তারা স্বার্থ হাসিল করছে। আমরাতো হুজুগে জাতি, গুজবে বিশ্বাসী, অযথা সময় অচেতন বুদ্ধি দিয়ে অন্যের বিরক্তির কারণ হচ্ছি প্রতিনিয়ত। কেননা, মূলত প্রতারকদের এই অভিনব কৌশলের ফাঁদে পড়ে যেকোনো লোভি মানুষজন খুব সহজেই ধোকায় পড়ে যেতে পারে। বিভিন্ন সময়ই দেখা যায়, কোকাকোলা, দারাজ, অ্যামাজনের লোগো সম্বলিত কিছু চমৎকার লেখা। মাত্র ২০-৫০ জন বন্ধুকে ফরোয়ার্ড করেই পেয়ে যেতে পারেন সুবর্ণ সুযোগ। অনেকেই কৌতুহলের বশবর্তী হয়ে ফরোয়ার্ড করে থাকেন বন্ধুদের সাথে। 🔴কিন্তু আপনি কি জানেন❓ এটি পুরোপুরোভাবে ভুয়া একটি খবর। নামে বেনামের ডোমেইন কিনে পরিচিত ব্র্যান্ডের লোগো ইউজ করে পাতা হয় ফাঁদ। কেউ এই লিঙ্কে ক্লিক করা মানেই ফাঁদে পা দিয়ে ফেলা। হয়তো আপনার অগোচরেই আপনার ফোনে ইন্সটল হয়ে যাচ্ছে কোনো স্পাই অ্যাপ। যা আপনার ফোনের যাবতীয় তথ্য চুরি করতে সক্ষম। আপনার ইমেইল, ফেসবুক, ব্যাংক ইনফর্মেশন এমনকি আপনার ছবিও চুরি হয়ে যেতে পারে। তাই কোথাও ক্লিক করার আগে অন্তত URL টা চেক করে নিন। কাউকে ফরোয়ার্ড করার আগে অন্তত নিজে নিশ্চিত হয়ে নিন। পরিচিত কোনো কোম্পানীর অফার থাকলে অবশ্যই তাদের ফেসবুক পেজ/ ওয়েবসাইট থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন সত্যিই এমন অফার চলছে কিনা। সবার জন্য ইন্টারনেট দুনিয়া হোক নিরাপদ, শুভ কামনা, ভালোবাসা অবিরাম। ❤ ধন্যবাদ।
    2
    0 Comments 0 Shares
More Stories