• Verified Member
  • Male
  • 01/01/1999
  • Followed by 74 people
Recent Updates
  • কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামি শাসনব্যবস্থার সমর্থনে নারী সম্মেলন।
    হলুদ মিডিয়ার চোখে ছানি পরেছে।
    কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামি শাসনব্যবস্থার সমর্থনে নারী সম্মেলন। হলুদ মিডিয়ার চোখে ছানি পরেছে।
    7
    0 Comments 0 Shares
  • খাশয়াতিল্লাহ...!
    আল্লামা ইবনু জাওযি রাহিমাহুল্লাহ বর্ণনা করেন, ‘মক্কায় এক অপরূপা সুন্দরী তার স্বামীর সঙ্গে বসবাস করত। একদিন সে আয়নায় নিজের চেহারা দেখে স্বামীকে বলল, আপনার চেনাজানা এমন কেউ কি আছে, যে আমার রূপের প্রেমে পড়বে না? স্বামী বলল, হ্যাঁ, উবাইদ ইবনু উমাইর নামে একজন আছে। স্ত্রী বলল, আপনি অনুমতি দিলে আমি তাকে একটু বাজিয়ে দেখতে চাই। স্বামী সম্মতি দিলো।
    .
    ‘এরপর সে ফতোয়া জিজ্ঞাসার ভান করে মসজিদে হারামের একপাশে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করল। কথাবার্তার একপর্যায়ে সে তার চেহারা থেকে কাপড় সরিয়ে নিল। সঙ্গে সঙ্গে এক টুকরো চাঁদ যেন চারপাশে দ্যুতি ছড়াল। উবাইদ বললেন, হে আল্লাহর বান্দি, পর্দাবৃত্ত হও! সে বলল, আমি আপনার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছি। জবাবে তিনি বললেন, আচ্ছা, তোমাকে আমি কয়েকটি প্রশ্ন করব। ঠিকঠাক উত্তর দিতে পারলে বিষয়টি ভেবে দেখা যাবে৷ সে বলল, আপনি যা-খুশি জিজ্ঞেস করতে পারেন, আমি সত্য বৈ মিথ্যা বলব না। এবার তিনি তাকে। লাগাতার কয়েকটি প্রশ্ন করলেন।
    .
    “আচ্ছা, ধরে নাও মৃত্যুর ফেরেশতা এসেছে তোমার জান কবজ করতে। এমতাবস্থায়ও কি তোমার সে চাওয়া পূরণ করতে ভালো লাগবে? সে বলল, আল্লাহর কসম—তা কখনোই হতে পারে না। তিনি বললেন, তুমি সত্যি বলেছ।
    .
    ধরো তুমি কবরে আছ; সুওয়াল-জওয়াবের জন্য তোমাকে বসানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও কি তোমার যা-চাওয়া, তার প্রাপ্তি তোমাকে আনন্দিত করবে? এবারও সে বলল, কসম আল্লাহর–কস্মিনকালেও তা হতে পারে না। তিনি বললেন, তুমি সত্য বলেছ।
    .
    “মনে করো, সবার হাতে হাতে আমলনামা দেওয়া হচ্ছে। জানা নেই, তোমার আমলনামা ডানহাতে দেওয়া হবে, নাকি বামহাতে। সে-সময়ও কি তুমি তোমার চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ভাববে? সে বলল, আল্লাহ কসম, এমনটি সম্ভবই না। তিনি বললেন, তুমি সত্য বলেছ।
    .
    'তোমার সামনে পুলসিরাত। এখনই তোমাকে পার হওয়ার জন্য পা বাড়াতে হবে। জানা নেই, ওপারে যেতে পারবে, নাকি মাঝপথে কেটে পড়বে। তখন? তখনও এই কামনা বাসনা চরিতার্থ করা তোমাকে পুলকিত করবে? সে বলল, হায় আল্লাহ, এমনটি তো কোনোভাবেই হতে পারে না। তিনি বললেন, তুমি সত্য বলেছ।
    .
    ‘তোমার সামনে পাপ-পুণ্যের হিসেবের জন্য 'মিজান' স্থাপন করা হয়েছে। এদিকে তুমি অনিশ্চিত—গুনাহের পাল্লা ভারি হবে, নাকি সওয়াবের? এমন সময় কী হতে পারে? মন চাইবে সে বাসনা পূরণ করতে? সে বলল, কসম খোদার, এমনটা হতে পারে না। তিনি বলেন, তুমি সত্য বলেছ।
    .
    তিনি আরও বললেন, হে আল্লাহর বান্দি, আল্লাহকে ভয় করো। তিনি তোমাকে (সৌন্দর্যের) নিয়ামত দান করেছেন; নিঃসন্দেহে তোমার প্রতি তিনি অনেক অনুগ্রহ করেছেন।
    .
    তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তারপর সে তার স্বামীর কাছে ফিরে গেল। স্বামী খবর বার্তা জানতে চাইলে প্রত্যুত্তরে সে বলল, আপনিও নিষ্কর্ম, আমরাও নিষ্কর্ম।'

    ‘এরপর থেকে সেই নারী নামাজ, রোজা, ইবাদত বন্দেগির দিকে গভীর মনোযোগ দিলো। এতটা পরহেজগার হয়ে গেল যে, এবার তার স্বামী বলতে লাগল ❝ উবাইদ ইবনু উমাইর আমার স্ত্রীর মাঘাটাই ঘুরিয়ে দিয়েছে। আগে সে প্রতিরাতে নববধূর সাজে সজ্জিত হতো, আর এখন সে আপাদমস্তক বৈরাগিনী বনে গেল।❞

    রেফারেন্সঃ আল-মুন্তাজাম ফি তারিখিল মুলুকি ওয়াল উমাম;খন্ডঃ ৬,পৃষ্ঠাঃ ১৯৭।

    কালেক্টেড
    খাশয়াতিল্লাহ...! আল্লামা ইবনু জাওযি রাহিমাহুল্লাহ বর্ণনা করেন, ‘মক্কায় এক অপরূপা সুন্দরী তার স্বামীর সঙ্গে বসবাস করত। একদিন সে আয়নায় নিজের চেহারা দেখে স্বামীকে বলল, আপনার চেনাজানা এমন কেউ কি আছে, যে আমার রূপের প্রেমে পড়বে না? স্বামী বলল, হ্যাঁ, উবাইদ ইবনু উমাইর নামে একজন আছে। স্ত্রী বলল, আপনি অনুমতি দিলে আমি তাকে একটু বাজিয়ে দেখতে চাই। স্বামী সম্মতি দিলো। . ‘এরপর সে ফতোয়া জিজ্ঞাসার ভান করে মসজিদে হারামের একপাশে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করল। কথাবার্তার একপর্যায়ে সে তার চেহারা থেকে কাপড় সরিয়ে নিল। সঙ্গে সঙ্গে এক টুকরো চাঁদ যেন চারপাশে দ্যুতি ছড়াল। উবাইদ বললেন, হে আল্লাহর বান্দি, পর্দাবৃত্ত হও! সে বলল, আমি আপনার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছি। জবাবে তিনি বললেন, আচ্ছা, তোমাকে আমি কয়েকটি প্রশ্ন করব। ঠিকঠাক উত্তর দিতে পারলে বিষয়টি ভেবে দেখা যাবে৷ সে বলল, আপনি যা-খুশি জিজ্ঞেস করতে পারেন, আমি সত্য বৈ মিথ্যা বলব না। এবার তিনি তাকে। লাগাতার কয়েকটি প্রশ্ন করলেন। . “আচ্ছা, ধরে নাও মৃত্যুর ফেরেশতা এসেছে তোমার জান কবজ করতে। এমতাবস্থায়ও কি তোমার সে চাওয়া পূরণ করতে ভালো লাগবে? সে বলল, আল্লাহর কসম—তা কখনোই হতে পারে না। তিনি বললেন, তুমি সত্যি বলেছ। . ধরো তুমি কবরে আছ; সুওয়াল-জওয়াবের জন্য তোমাকে বসানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও কি তোমার যা-চাওয়া, তার প্রাপ্তি তোমাকে আনন্দিত করবে? এবারও সে বলল, কসম আল্লাহর–কস্মিনকালেও তা হতে পারে না। তিনি বললেন, তুমি সত্য বলেছ। . “মনে করো, সবার হাতে হাতে আমলনামা দেওয়া হচ্ছে। জানা নেই, তোমার আমলনামা ডানহাতে দেওয়া হবে, নাকি বামহাতে। সে-সময়ও কি তুমি তোমার চাওয়া-পাওয়া নিয়ে ভাববে? সে বলল, আল্লাহ কসম, এমনটি সম্ভবই না। তিনি বললেন, তুমি সত্য বলেছ। . 'তোমার সামনে পুলসিরাত। এখনই তোমাকে পার হওয়ার জন্য পা বাড়াতে হবে। জানা নেই, ওপারে যেতে পারবে, নাকি মাঝপথে কেটে পড়বে। তখন? তখনও এই কামনা বাসনা চরিতার্থ করা তোমাকে পুলকিত করবে? সে বলল, হায় আল্লাহ, এমনটি তো কোনোভাবেই হতে পারে না। তিনি বললেন, তুমি সত্য বলেছ। . ‘তোমার সামনে পাপ-পুণ্যের হিসেবের জন্য 'মিজান' স্থাপন করা হয়েছে। এদিকে তুমি অনিশ্চিত—গুনাহের পাল্লা ভারি হবে, নাকি সওয়াবের? এমন সময় কী হতে পারে? মন চাইবে সে বাসনা পূরণ করতে? সে বলল, কসম খোদার, এমনটা হতে পারে না। তিনি বলেন, তুমি সত্য বলেছ। . তিনি আরও বললেন, হে আল্লাহর বান্দি, আল্লাহকে ভয় করো। তিনি তোমাকে (সৌন্দর্যের) নিয়ামত দান করেছেন; নিঃসন্দেহে তোমার প্রতি তিনি অনেক অনুগ্রহ করেছেন। . তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তারপর সে তার স্বামীর কাছে ফিরে গেল। স্বামী খবর বার্তা জানতে চাইলে প্রত্যুত্তরে সে বলল, আপনিও নিষ্কর্ম, আমরাও নিষ্কর্ম।' ‘এরপর থেকে সেই নারী নামাজ, রোজা, ইবাদত বন্দেগির দিকে গভীর মনোযোগ দিলো। এতটা পরহেজগার হয়ে গেল যে, এবার তার স্বামী বলতে লাগল ❝ উবাইদ ইবনু উমাইর আমার স্ত্রীর মাঘাটাই ঘুরিয়ে দিয়েছে। আগে সে প্রতিরাতে নববধূর সাজে সজ্জিত হতো, আর এখন সে আপাদমস্তক বৈরাগিনী বনে গেল।❞ রেফারেন্সঃ আল-মুন্তাজাম ফি তারিখিল মুলুকি ওয়াল উমাম;খন্ডঃ ৬,পৃষ্ঠাঃ ১৯৭। কালেক্টেড
    3
    0 Comments 0 Shares
  • অল্প বয়সে বিয়ের উপকারিতা।।👇👇

    এই সমাজ তোমাকে ভালকিছু দিতে চায়না
    বরং তোমাকে পাপের সাগরে ডুবাতে চায়
    এইভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে আমাদের চরিত্র
    পারছিনা যৌবন কে পবিত্র রাখতে

    কারণ হচ্ছে যৌবন এক ধরণের ক্ষুদা।
    ক্ষুদা লাগলে যেমন খাবারের দরকার হয়
    ঠিক তেমন যৌবনের ক্ষুদা লাগলে বউ দরকার হয়।

    কিন্তু সমাজ বলছে আগে প্রতিষ্ঠিত হও।
    তারপর বিয়ের পিড়িতে বসো।

    অতচ এই আয়াতে আল্লাহ বলেন :
    وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
    বিয়ে করো,তোমায় প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমি
    আল্লাহর......!!!!!!অভাবে আছো অভাব দূর করে দেব। আল্লাহ বলেন ধনী হতে চাও বিয়ে করো।

    আবার রাসুল (সা.) বলেছেন, ثَلَاثَةٌ حَقٌّ عَلَى اللَّهِ عَوْنُهُمْ: المُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَالمُكَاتَبُ الَّذِي يُرِيدُ الأَدَاءَ، وَالنَّاكِحُ الَّذِي يُرِيدُ العَفَافَ তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালার জন্য কর্তব্য হয়ে যায়।
    ১। আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় জিহাদকারী,

    ২। চুক্তিবদ্ধ গোলাম যে তার মনিবকে চুক্তি অনুযায়ী
    সম্পদ আদায় করে মুক্ত হতে চায়

    ৩। ওই বিবাহিত ব্যক্তি যে (বিবাহ করার মাধ্যমে) পবিত্র থাকতে চায়।

    হাদিসটি পাবেন

    (তিরমিজি-১৬৫৫, নাসায়ি-৩২১৮, ৩১২০, সহিহ ইবনে হিব্বান-৪০৩০, বায়হাকি, সুনানুল

    অল্প বয়সে বিয়ে করলে রোমান্টিকতার বহু
    সময় পাওয়া যায়।কেন এতো বিয়ে করতে দেরি
    করছেন।আল্লাহ তো অফার দিয়ে রাখছেন।
    আল্লাহ তোমাকে বড়লোক বানিয়ে দেবেন তার
    ওয়াদা দিয়েছেন।
    শুধু খামাখা কেন দেরি করছেন, বিয়ে করুণ......
    যৌবন শুরু হয়েছে, আল্লাহর দেয়া বিশাল
    অফার টাকে গ্রহণ করুণ।
    বিয়ে করুণ

    বিয়ে করলে যে উপকারিতা পাবেন তা হলো

    ১। লজ্জা স্থানের হেফাজত হয়

    ২। বিবাহ চক্ষু নিচু করে

    ৩। তাড়াতাড়ি ধনি হওয়া যায়।

    ৪। ইমান পরিপূর্ণ হয়

    ৫। অসুস্থতা দূর হয়।

    ৬। ইবাদতে মজা পাওয়া যায়।

    ৭। আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।

    ৮। মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায়।
    এমন তৃপ্তি যেটা শুধু নিজের বউয়ের কাছে পাবেন
    যেনা করতে গিয়েও তা পাবেন না।

    ৯। মেজাজ ঠান্ডা থাকে।মাথা কখনো হট হবেনা।

    ১০। যৌবনের ক্ষুদা নিবারণ হয়।

    আরো অনেক উপকারিতা আছে।

    খাবার না পেলে যখন ক্ষুদার যন্ত্রনায় হারাম
    ভক্ষণ করে ফেলে।ঠিক সেই রকম বউ না থাকলে যৌবনের ক্ষুদার তাড়নায় অনেকে লজ্জা স্থান দিয়ে পর নারীর সাথে যিনা করে ফেলে।

    বিয়েকে সহজ করুণ,দেখবেন সমাজ থেকে
    অনেক জেনা ব্যাবিচার কমে যাবে।

    ছেলেমেয়েদের অভিবাবকদের বলি অল্প বয়সে ছেলে মেয়ে বিয়ে করান।
    সরকারি চাকরি বাদ দেন,আগে দেখুন ছেলে মানুষ কিনা।যদি মানুষ হয়, তার সাথে বিয়ে দেন।

    কারণ একটা মেয়ে কখনো খাবার অভাবে
    মারা যায়না।মারা যায়তো জানোয়ার গুলোর অত্যাচারে।
    তাই মেয়ের বাবাদের বলছি বিষয়টি বিবেচনায় নেন।

    ছেলের বাবাদের বলছি
    আল্লাহ ওয়াদা দিয়েছেন ধনী বানিয়ে দেবে
    তাই ছেলেকে বিয়ে করাণ,,, খুব তাড়াতাড়ি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে আপনার ছেলে।

    আল্লাহ তায়া’লা আমাদের সবাই কে বুঝার
    তৌফিক দান করুণ (আমিন
    অল্প বয়সে বিয়ের উপকারিতা।।👇👇 এই সমাজ তোমাকে ভালকিছু দিতে চায়না বরং তোমাকে পাপের সাগরে ডুবাতে চায় এইভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে আমাদের চরিত্র পারছিনা যৌবন কে পবিত্র রাখতে কারণ হচ্ছে যৌবন এক ধরণের ক্ষুদা। ক্ষুদা লাগলে যেমন খাবারের দরকার হয় ঠিক তেমন যৌবনের ক্ষুদা লাগলে বউ দরকার হয়। কিন্তু সমাজ বলছে আগে প্রতিষ্ঠিত হও। তারপর বিয়ের পিড়িতে বসো। অতচ এই আয়াতে আল্লাহ বলেন : وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ বিয়ে করো,তোমায় প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমি আল্লাহর......!!!!!!অভাবে আছো অভাব দূর করে দেব। আল্লাহ বলেন ধনী হতে চাও বিয়ে করো। আবার রাসুল (সা.) বলেছেন, ثَلَاثَةٌ حَقٌّ عَلَى اللَّهِ عَوْنُهُمْ: المُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَالمُكَاتَبُ الَّذِي يُرِيدُ الأَدَاءَ، وَالنَّاكِحُ الَّذِي يُرِيدُ العَفَافَ তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালার জন্য কর্তব্য হয়ে যায়। ১। আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় জিহাদকারী, ২। চুক্তিবদ্ধ গোলাম যে তার মনিবকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পদ আদায় করে মুক্ত হতে চায় ৩। ওই বিবাহিত ব্যক্তি যে (বিবাহ করার মাধ্যমে) পবিত্র থাকতে চায়। হাদিসটি পাবেন (তিরমিজি-১৬৫৫, নাসায়ি-৩২১৮, ৩১২০, সহিহ ইবনে হিব্বান-৪০৩০, বায়হাকি, সুনানুল অল্প বয়সে বিয়ে করলে রোমান্টিকতার বহু সময় পাওয়া যায়।কেন এতো বিয়ে করতে দেরি করছেন।আল্লাহ তো অফার দিয়ে রাখছেন। আল্লাহ তোমাকে বড়লোক বানিয়ে দেবেন তার ওয়াদা দিয়েছেন। শুধু খামাখা কেন দেরি করছেন, বিয়ে করুণ...... যৌবন শুরু হয়েছে, আল্লাহর দেয়া বিশাল অফার টাকে গ্রহণ করুণ। বিয়ে করুণ বিয়ে করলে যে উপকারিতা পাবেন তা হলো ১। লজ্জা স্থানের হেফাজত হয় ২। বিবাহ চক্ষু নিচু করে ৩। তাড়াতাড়ি ধনি হওয়া যায়। ৪। ইমান পরিপূর্ণ হয় ৫। অসুস্থতা দূর হয়। ৬। ইবাদতে মজা পাওয়া যায়। ৭। আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। ৮। মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায়। এমন তৃপ্তি যেটা শুধু নিজের বউয়ের কাছে পাবেন যেনা করতে গিয়েও তা পাবেন না। ৯। মেজাজ ঠান্ডা থাকে।মাথা কখনো হট হবেনা। ১০। যৌবনের ক্ষুদা নিবারণ হয়। আরো অনেক উপকারিতা আছে। খাবার না পেলে যখন ক্ষুদার যন্ত্রনায় হারাম ভক্ষণ করে ফেলে।ঠিক সেই রকম বউ না থাকলে যৌবনের ক্ষুদার তাড়নায় অনেকে লজ্জা স্থান দিয়ে পর নারীর সাথে যিনা করে ফেলে। বিয়েকে সহজ করুণ,দেখবেন সমাজ থেকে অনেক জেনা ব্যাবিচার কমে যাবে। ছেলেমেয়েদের অভিবাবকদের বলি অল্প বয়সে ছেলে মেয়ে বিয়ে করান। সরকারি চাকরি বাদ দেন,আগে দেখুন ছেলে মানুষ কিনা।যদি মানুষ হয়, তার সাথে বিয়ে দেন। কারণ একটা মেয়ে কখনো খাবার অভাবে মারা যায়না।মারা যায়তো জানোয়ার গুলোর অত্যাচারে। তাই মেয়ের বাবাদের বলছি বিষয়টি বিবেচনায় নেন। ছেলের বাবাদের বলছি আল্লাহ ওয়াদা দিয়েছেন ধনী বানিয়ে দেবে তাই ছেলেকে বিয়ে করাণ,,, খুব তাড়াতাড়ি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে আপনার ছেলে। আল্লাহ তায়া’লা আমাদের সবাই কে বুঝার তৌফিক দান করুণ (আমিন
    4
    0 Comments 0 Shares
  • খ্রিস্টান থেকে বৌদ্ধ, পুনরায় বৌদ্ব থেকে খ্রিস্টান, অতঃপর হেদায়েতের চাদরে আবৃত !!

    বিশ্বের সবচেয়ে ইসলামবিদ্বেষী দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স অন্যতম। জুলিয়ান ড্রোলোনের ভাষায়-

    “এমন একটা দিনও যাবেনা যেদিন ফ্রান্সের রেডিও, টেলিভিশন ইসলাম সম্পর্কে খারাপ কিছু না প্রচার করে। আপনি এক ঘন্টা রেডিও খুলে বসুন, ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু না কিছু শুনতেই পাবেন আপনি”।

    নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টার জুলিয়ান ড্রোলেনের জন্ম ফ্রান্সে। পৃথিবীর ১১ তম ধর্মহীন দেশে জন্ম নিয়েও জুলিয়ান স্বপ্ন দেখতেন একদিন খ্রিস্টান পাদ্রী হবেন। আদতে তিনি ছোটবেলা থেকেই অনেকটা স্পিরিচুয়াল বা আধ্যাত্মিক মননের মানুষ ছিলেন। এক পর্যায়ে খ্রিস্টান মায়ের পরামর্শেই তিনি বৌদ্ধ হয়ে যান। তার মা নিজেকে অনেক লিবারেল মনে করতেন।

    যদিও ইসলাম ছিলো সর্বশেষ ধর্ম যেটা সম্পর্কে জুলিয়ান খোঁজ করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাও, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আজানের ধ্বনি শুনে তার মনে হতো এটা যেন তার কাছে কারো আহ্বান। তিনি সেই অনুভূতি এড়িয়ে যেতেন। অবশ্য জুলিয়ান পরবর্তীতে ফিলিপাইনে গিয়ে আবার খ্রিষ্টান ধর্মের দিকে ঝুঁকে যান।

    একবার তিনি মিশরে যান। সেখানে ট্যাক্সিতে উঠে তিনি এক ধরণের গান শুনতে পান। তিনি ড্রাইভারকে বলেন,

    “তোমার এই গানটা তো খুব সুন্দর। এটা যেন আমার অন্তরকে ঠান্ডা করে দিচ্ছে”।

    “স্যার! এটা কোনো গান না। এটা কুরআন”।

    সেই ড্রাইভার জুলিয়ানকে কুরআন পড়ে দেখার ব্যাপারে শপথ করায়! ‘পিস টিভি’ থেকে জুলিয়ান অনেক প্রভাবিত হয়েছিলেন এবং তিনি এক সময় তার কালেমা পাঠ করেন নিজের কম্পিউটারের সামনে বসে, পিস টিভি দেখতে দেখতে।

    তিনি যখন নিজের ইসলাম গ্রহণের কথা তার মাকে বলেন তখন তার ‘লিবারেল’ মা তাকে বলে, এটা ছিলো সবচেয়ে বাজে আর নিকৃষ্ট একটা খবর। মায়ের সাথে নিজের সম্পর্ক জুলিয়ান হারান পুরো এক বছরের জন্য।

    জুলিয়ান গানও লিখতেন। তিনি আলোর সন্ধানে টানা ৪০ দিন ধরে ১০০০ কিলো হেটেছেন নিজের গিটার নিয়ে। কিন্তু মুসলিম হওয়ার পর তিনি উপলব্ধি করেন 'মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি শয়তানি বার্তা গুলো দিয়ে পূর্ণ'।

    বর্তমান বিশ্বের অবস্থা নিয়ে তার বক্তব্য শুনুন-

    “আমরা বর্তমানে করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেক কথাবার্তা বলছি। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাইরাস তো শির্ক।…কিন্তু শির্ক থেকে অমুসলিমদের বাঁচাতে তেমন কোনো তোড়জোড় দেখা যায় না।

    একজন মিডিয়া কর্মী হিসেবে তিনি যে বিশাল কাজটা করছেন সেটা হলো ২৫ টা ভিন্ন দেশের ৫০ জন নওমুসলিমের জীবনী নিয়ে একটা সিরিজ করছেন তার ‘Halis Media’ চ্যানেলে। তিনি স্বপ্ন দেখেন তার মৃত্যুর পূর্বেই মুসলিম বিশ্ব একতাবদ্ধ হবে।

    "আমার কাছে সবচেয়ে বড়ো দূর্যোগ হলো প্রতিদিন অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা ছাড়া"। - জুলিয়ান ড্রোলোন
    খ্রিস্টান থেকে বৌদ্ধ, পুনরায় বৌদ্ব থেকে খ্রিস্টান, অতঃপর হেদায়েতের চাদরে আবৃত !! বিশ্বের সবচেয়ে ইসলামবিদ্বেষী দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স অন্যতম। জুলিয়ান ড্রোলোনের ভাষায়- “এমন একটা দিনও যাবেনা যেদিন ফ্রান্সের রেডিও, টেলিভিশন ইসলাম সম্পর্কে খারাপ কিছু না প্রচার করে। আপনি এক ঘন্টা রেডিও খুলে বসুন, ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু না কিছু শুনতেই পাবেন আপনি”। নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টার জুলিয়ান ড্রোলেনের জন্ম ফ্রান্সে। পৃথিবীর ১১ তম ধর্মহীন দেশে জন্ম নিয়েও জুলিয়ান স্বপ্ন দেখতেন একদিন খ্রিস্টান পাদ্রী হবেন। আদতে তিনি ছোটবেলা থেকেই অনেকটা স্পিরিচুয়াল বা আধ্যাত্মিক মননের মানুষ ছিলেন। এক পর্যায়ে খ্রিস্টান মায়ের পরামর্শেই তিনি বৌদ্ধ হয়ে যান। তার মা নিজেকে অনেক লিবারেল মনে করতেন। যদিও ইসলাম ছিলো সর্বশেষ ধর্ম যেটা সম্পর্কে জুলিয়ান খোঁজ করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাও, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আজানের ধ্বনি শুনে তার মনে হতো এটা যেন তার কাছে কারো আহ্বান। তিনি সেই অনুভূতি এড়িয়ে যেতেন। অবশ্য জুলিয়ান পরবর্তীতে ফিলিপাইনে গিয়ে আবার খ্রিষ্টান ধর্মের দিকে ঝুঁকে যান। একবার তিনি মিশরে যান। সেখানে ট্যাক্সিতে উঠে তিনি এক ধরণের গান শুনতে পান। তিনি ড্রাইভারকে বলেন, “তোমার এই গানটা তো খুব সুন্দর। এটা যেন আমার অন্তরকে ঠান্ডা করে দিচ্ছে”। “স্যার! এটা কোনো গান না। এটা কুরআন”। সেই ড্রাইভার জুলিয়ানকে কুরআন পড়ে দেখার ব্যাপারে শপথ করায়! ‘পিস টিভি’ থেকে জুলিয়ান অনেক প্রভাবিত হয়েছিলেন এবং তিনি এক সময় তার কালেমা পাঠ করেন নিজের কম্পিউটারের সামনে বসে, পিস টিভি দেখতে দেখতে। তিনি যখন নিজের ইসলাম গ্রহণের কথা তার মাকে বলেন তখন তার ‘লিবারেল’ মা তাকে বলে, এটা ছিলো সবচেয়ে বাজে আর নিকৃষ্ট একটা খবর। মায়ের সাথে নিজের সম্পর্ক জুলিয়ান হারান পুরো এক বছরের জন্য। জুলিয়ান গানও লিখতেন। তিনি আলোর সন্ধানে টানা ৪০ দিন ধরে ১০০০ কিলো হেটেছেন নিজের গিটার নিয়ে। কিন্তু মুসলিম হওয়ার পর তিনি উপলব্ধি করেন 'মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি শয়তানি বার্তা গুলো দিয়ে পূর্ণ'। বর্তমান বিশ্বের অবস্থা নিয়ে তার বক্তব্য শুনুন- “আমরা বর্তমানে করোনা ভাইরাস নিয়ে অনেক কথাবার্তা বলছি। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভাইরাস তো শির্ক।…কিন্তু শির্ক থেকে অমুসলিমদের বাঁচাতে তেমন কোনো তোড়জোড় দেখা যায় না। একজন মিডিয়া কর্মী হিসেবে তিনি যে বিশাল কাজটা করছেন সেটা হলো ২৫ টা ভিন্ন দেশের ৫০ জন নওমুসলিমের জীবনী নিয়ে একটা সিরিজ করছেন তার ‘Halis Media’ চ্যানেলে। তিনি স্বপ্ন দেখেন তার মৃত্যুর পূর্বেই মুসলিম বিশ্ব একতাবদ্ধ হবে। "আমার কাছে সবচেয়ে বড়ো দূর্যোগ হলো প্রতিদিন অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা ছাড়া"। - জুলিয়ান ড্রোলোন
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • এস আইয়ের গুলিতে বাচ্চা সহ মুসলিম দম্পতি খুন।

    কুষ্টিয়াতে হি'ন্দু পু'লিশ কমর্কতা সৌ'মেন রায় প্রকাশ্যে গু'লি করে মু'সলিম স্বামী-স্ত্রীসহ ৬ বছরের শিশুকে হ'ত্যা করেছে। হ'ত্যাকারী সৌ'মেন রায় এর সাথে ওই নারীর কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়েছিলো জানা যাচ্ছে। পরে সৌ'মেনের সাথে ডির্ভোস হয়ে যায়। এই থেকে বুঝা যাচ্ছে ওই নারী আগে হি'ন্দু ছিলো, পরে মুসলিম হয়ে নাম আসমা রেখেছিলো। এরপর শাকিল নামক এক যুবককে বিয়ে করে কুষ্টিয়ার শহরে বসবাস করতেছিলো। সেটা সৌ'মেন রায় মেনে নিতে না পেরে আজ প্রকাশ্যে সবাই গু'লি করে হ'ত্য| করে। বাংলাদেশে পুলিশে ৩০%+ নিয়োগ হি'ন্দু হয়। যত কুকর্ম এই জা'নোয়ার গুলো করতেছে। ইতিমধ্যে মি'ডিয়া ও পু'লিশ হামলাকারীর পরিচয় গোপন করা শুরু করে দিয়েছে। ও পরকিয়া বলে ঘটনাকে অন্যদিকে নেওয়ার চেষ্টা করতেছে। সে হি'ন্দু ও পু'লিশ কমর্কতা। ছবিতে সৌ'মেন রা'য় শ'টগান হাতে নিয়ে হা'মলা করার ছবি।
    এস আইয়ের গুলিতে বাচ্চা সহ মুসলিম দম্পতি খুন। কুষ্টিয়াতে হি'ন্দু পু'লিশ কমর্কতা সৌ'মেন রায় প্রকাশ্যে গু'লি করে মু'সলিম স্বামী-স্ত্রীসহ ৬ বছরের শিশুকে হ'ত্যা করেছে। হ'ত্যাকারী সৌ'মেন রায় এর সাথে ওই নারীর কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়েছিলো জানা যাচ্ছে। পরে সৌ'মেনের সাথে ডির্ভোস হয়ে যায়। এই থেকে বুঝা যাচ্ছে ওই নারী আগে হি'ন্দু ছিলো, পরে মুসলিম হয়ে নাম আসমা রেখেছিলো। এরপর শাকিল নামক এক যুবককে বিয়ে করে কুষ্টিয়ার শহরে বসবাস করতেছিলো। সেটা সৌ'মেন রায় মেনে নিতে না পেরে আজ প্রকাশ্যে সবাই গু'লি করে হ'ত্য| করে। বাংলাদেশে পুলিশে ৩০%+ নিয়োগ হি'ন্দু হয়। যত কুকর্ম এই জা'নোয়ার গুলো করতেছে। ইতিমধ্যে মি'ডিয়া ও পু'লিশ হামলাকারীর পরিচয় গোপন করা শুরু করে দিয়েছে। ও পরকিয়া বলে ঘটনাকে অন্যদিকে নেওয়ার চেষ্টা করতেছে। সে হি'ন্দু ও পু'লিশ কমর্কতা। ছবিতে সৌ'মেন রা'য় শ'টগান হাতে নিয়ে হা'মলা করার ছবি।
    4
    2 Comments 0 Shares
  • ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন তার নামেই ড্যামিয়েন টারেল;ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে থাপ্পড় মারা এইসেই যুবক যে একজন মধ্যযুগীয় ইতিহাসপ্রেমী, পছন্দ করেন তলোয়ারচালনা ও মার্শাল আর্টসও।

    দিন দুয়েক আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাখোঁকে তিনিই চড় মেরেছিলেন। অবশ্য টারেলের ভাষ্যমতে, মাখোঁ তাদের এলাকায় আসার আগে প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্যে ডিম কিংবা ক্রিমভর্তি থালা ছুড়ে মারার চিন্তাই ছিল তার। থাপ্পড় মারাটা আসলে হুট করেই হয়ে গেছে!

    একজন সরকারি কর্মকর্তার গায়ে হাত তোলার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি, যার সর্বোচ্চ সাজা তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৪৫,০০০ ইউরো (প্রায় সাড়ে ৪৬ লক্ষ টাকা)। সেই তুলনায় টারেল অল্পের উপর দিয়েই ছাড়া পেয়ে যাচ্ছেন। তাকে ১৮ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হলেও সেখান থেকে আবার ১৪ মাস মওকুফ করে দেয়া হয়েছে। ফলে ৪ মাস জেল খেটেই মুক্তি পাবেন তিনি।

    জনাব মাখোঁ তার এই চড় খাওয়াকে যেমন একটি 'বিচ্ছিন্ন ঘটনা' হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তেমনই আবার একে 'স্টুপিড, ভায়োলেন্ট অ্যাক্ট' বলতেও ছাড়েননি।
    ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন তার নামেই ড্যামিয়েন টারেল;ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে থাপ্পড় মারা এইসেই যুবক যে একজন মধ্যযুগীয় ইতিহাসপ্রেমী, পছন্দ করেন তলোয়ারচালনা ও মার্শাল আর্টসও। দিন দুয়েক আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাখোঁকে তিনিই চড় মেরেছিলেন। অবশ্য টারেলের ভাষ্যমতে, মাখোঁ তাদের এলাকায় আসার আগে প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্যে ডিম কিংবা ক্রিমভর্তি থালা ছুড়ে মারার চিন্তাই ছিল তার। থাপ্পড় মারাটা আসলে হুট করেই হয়ে গেছে! একজন সরকারি কর্মকর্তার গায়ে হাত তোলার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি, যার সর্বোচ্চ সাজা তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৪৫,০০০ ইউরো (প্রায় সাড়ে ৪৬ লক্ষ টাকা)। সেই তুলনায় টারেল অল্পের উপর দিয়েই ছাড়া পেয়ে যাচ্ছেন। তাকে ১৮ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হলেও সেখান থেকে আবার ১৪ মাস মওকুফ করে দেয়া হয়েছে। ফলে ৪ মাস জেল খেটেই মুক্তি পাবেন তিনি। জনাব মাখোঁ তার এই চড় খাওয়াকে যেমন একটি 'বিচ্ছিন্ন ঘটনা' হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তেমনই আবার একে 'স্টুপিড, ভায়োলেন্ট অ্যাক্ট' বলতেও ছাড়েননি।
    3
    0 Comments 0 Shares
  • নবীর দুশমন ম্যাক্রোঁকে জনসম্মুখে থাপ্পড় দেওয়া "ড্যামিয়েন ট্যারেল"কে আদালতে হাজির করা হচ্ছে!

    আল্লাহ তা'আলা তাকে হেদায়েত দান করুক।
    " আমিন"

    মজার বিষয় হলো,
    সে ইচ্ছে করে বা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ম্যাক্রোঁকে থাপ্পর দেয়নি বরং নিজের অজান্তেই থাপ্পর দিয়ে বসে।

    আল্লাহ তা'আলা এভাবেই তার নবীর দুশমনকে জনসম্মুখে অপমান করে থাকেন।
    নবীর দুশমন ম্যাক্রোঁকে জনসম্মুখে থাপ্পড় দেওয়া "ড্যামিয়েন ট্যারেল"কে আদালতে হাজির করা হচ্ছে! আল্লাহ তা'আলা তাকে হেদায়েত দান করুক। " আমিন" মজার বিষয় হলো, সে ইচ্ছে করে বা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ম্যাক্রোঁকে থাপ্পর দেয়নি বরং নিজের অজান্তেই থাপ্পর দিয়ে বসে। আল্লাহ তা'আলা এভাবেই তার নবীর দুশমনকে জনসম্মুখে অপমান করে থাকেন।
    4
    1 Comments 0 Shares
  • আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো স্পীড।যেমন টা পূর্বে কখনো পাইনি।
    আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো স্পীড।যেমন টা পূর্বে কখনো পাইনি।
    5
    1 Comments 0 Shares
  • দখলদার ইসরাইল নিজ থেকেই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা দিয়েছে, ঘোষণার পর উক্ত জয়ের জন্য মহান রবের দরবারে সেজদায় লুটিয়ে পড়েন হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া।
    দখলদার ইসরাইল নিজ থেকেই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা দিয়েছে, ঘোষণার পর উক্ত জয়ের জন্য মহান রবের দরবারে সেজদায় লুটিয়ে পড়েন হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া।
    2
    0 Comments 0 Shares
More Stories