• Verified Member
  • Lives in Chattogram
  • From Chattogram
  • Male
  • 01/06/1993
  • Followed by 107 people
Recent Updates
  • দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব ক্ষতি হয়ঃ
    ====================================
    দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ক্ষতিকর কেন? বিজ্ঞান কি বলে?
    চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যে সব মারাত্মক ক্ষতি হয় :

    (১) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোন চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারে না। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। ফলে অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে।

    (২) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।

    (৩) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিডনিতে অতি সহজে পাথর সৃষ্টি হয় ।

    (৪) দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ কমতে থাকে।

    (৫) যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই।

    (৬) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যৌন শক্তি কমতে থাকে এবং পুরুষাঙ্গ নরম ও তেনা তেনা হয়ে যায় এবং সহজে সোজা ও শক্ত হতে চায় না। উত্তেজনার সময় যদিও শক্ত হয় কিছুক্ষন পর কিছু বের না হতেই তা আবার ছোট ও নরম হয়ে যায়।

    (৭) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পরিবেশ দূষিত হয়। সেই দূষিত বায়ু আমাদের দেহে প্রবেশ করে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি করে ।

    (৮) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটা দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে।
    স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বলে উপরোক্ত দৈহিক সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের অতি অবশ্যই বসে প্রস্রাব করা উচিত।

    অথচ সর্বশ্রেষ্ঠ স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন।

    “ওমর (রা:) বলেন- নবী(স:) কোন একদিন আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখে বললেন, হে ওমর তুমি কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করবে না। এরপর আমি আর কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি”। (তিরমীযি হাদীস/১২)
    দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব ক্ষতি হয়ঃ ==================================== দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ক্ষতিকর কেন? বিজ্ঞান কি বলে? চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যে সব মারাত্মক ক্ষতি হয় : (১) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোন চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারে না। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। ফলে অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে। (২) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়। (৩) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিডনিতে অতি সহজে পাথর সৃষ্টি হয় । (৪) দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ কমতে থাকে। (৫) যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই। (৬) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যৌন শক্তি কমতে থাকে এবং পুরুষাঙ্গ নরম ও তেনা তেনা হয়ে যায় এবং সহজে সোজা ও শক্ত হতে চায় না। উত্তেজনার সময় যদিও শক্ত হয় কিছুক্ষন পর কিছু বের না হতেই তা আবার ছোট ও নরম হয়ে যায়। (৭) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পরিবেশ দূষিত হয়। সেই দূষিত বায়ু আমাদের দেহে প্রবেশ করে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি করে । (৮) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটা দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে। স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বলে উপরোক্ত দৈহিক সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের অতি অবশ্যই বসে প্রস্রাব করা উচিত। অথচ সর্বশ্রেষ্ঠ স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন। “ওমর (রা:) বলেন- নবী(স:) কোন একদিন আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখে বললেন, হে ওমর তুমি কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করবে না। এরপর আমি আর কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি”। (তিরমীযি হাদীস/১২)
    4
    0 Comments 0 Shares
  • "ফজরের_সালাতের_১০টি_ফজিলত:-
    এগুলো জানার পর কারো আর ফজর সালাতে গাফেলতি, অলসতা আসবেনা... ইনশাআল্লাহ।

    🔘১.ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী, কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের জন্য ফজর সালাত আদায় কষ্টকর!
    __(বুখারী ৬৫৭,৬৪৪,২৪২০,৭২২৪; মুসলিম ৬৬১)

    🔘২.রাসূল (সাঃ) বলেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়। অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।
    __(সহিহ মুসলিম, তিরমিজি ২১৮৪)

    🔘৩.রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।
    __(বুখারী-মুসলিম)

    🔘৪. রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
    "যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে, আল্লাহ তাআলা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!
    __(সহিহ মুসলিম-১০৯৬)

    🔘৫. রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।
    __(আবু দাউদ ৪৯৪)

    🔘৬.যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন। অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মতোই স্পষ্ট দেখবে। __(বুখারী-৫৭৩)

    🔘৭. যে ব্যক্তি নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে, সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা।
    __(সহিহ মুসলিম ৬৩৪)

    🔘৮.ফজরের সালাত আদায়কারী, রাসূল (সাঃ)-এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।
    __(সুনানে আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ)

    🔘৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।
    __(জামে তিরমিজি ৪১৬)

    🔘১০. ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে, প্রফুল্ল হয়ে যায়।
    __(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম)

    ❤সুবহানাল্লাহ❤
    মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের উপরোক্ত সব নিয়ামতের ভাগীদার করুন।
    "ফজরের_সালাতের_১০টি_ফজিলত:- এগুলো জানার পর কারো আর ফজর সালাতে গাফেলতি, অলসতা আসবেনা... ইনশাআল্লাহ। 🔘১.ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী, কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের জন্য ফজর সালাত আদায় কষ্টকর! __(বুখারী ৬৫৭,৬৪৪,২৪২০,৭২২৪; মুসলিম ৬৬১) 🔘২.রাসূল (সাঃ) বলেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়। অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন। __(সহিহ মুসলিম, তিরমিজি ২১৮৪) 🔘৩.রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে। __(বুখারী-মুসলিম) 🔘৪. রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে, আল্লাহ তাআলা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন! __(সহিহ মুসলিম-১০৯৬) 🔘৫. রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন। __(আবু দাউদ ৪৯৪) 🔘৬.যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন। অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মতোই স্পষ্ট দেখবে। __(বুখারী-৫৭৩) 🔘৭. যে ব্যক্তি নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে, সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা। __(সহিহ মুসলিম ৬৩৪) 🔘৮.ফজরের সালাত আদায়কারী, রাসূল (সাঃ)-এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন। __(সুনানে আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ) 🔘৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম। __(জামে তিরমিজি ৪১৬) 🔘১০. ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে, প্রফুল্ল হয়ে যায়। __(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম) ❤সুবহানাল্লাহ❤ মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের উপরোক্ত সব নিয়ামতের ভাগীদার করুন।
    7
    0 Comments 0 Shares
  • 💝সবাইকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। 💝
    জিলহজ্ব মাসের ৫টি বিশেষ আমল।

    ১. প্রথম ১০ দিনে নফল রোযা ও রাতে ইবাদত করা
    ২. চুল-নখ না কাটা
    ৩. আরাফার দিন রোজা রাখা
    ৪. তাকবীরে তাশরীক বলা
    ৫.স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা৷

    বিস্তারিত হাদীস সমুহ:
    ১. প্রথম ১০ দিনে নফল রোযা ও রাতে ইবাদত করা:
    জিলহজ্ব মাসের চাঁদ উদিত হওয়ার পর থেকে দশ তারিখ পর্যন্ত দিনে সম্ভব হলে নফল রোযা রাখা ( কুরবানির দিনে রোযা নয়) আর রাতের বেলা বেশী বেশী ইবাদত করা, যথা: নফল নামায, কুরআন তিলাওয়াত, তাসবীহ-তাহলীল, তাওবা-ইস্তিগফার ও রোনাজারী ইত্যাদি ইবাদতের মাধ্যমে রাত কাটানো।

    ফযীলত:
    হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, জিলহজ্বের দশ দিনের ইবাদত আল্লাহর নিকট অন্য দিনের ইবাদতের তুলনায় বেশী প্রিয়,
    প্রত্যেক দিনের রোযা এক বছরের রোযার ন্যায় আর প্রত্যেক রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের ন্যায় ।

    {তিরমিজী শরীফ, সিয়াম অধ্যায়,দশ দিনের আমল পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড,১৫৮ পৃষ্ঠা}

    হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত।
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
    এই দশ দিনের আমল অপেক্ষা অন্য দিনের আমল প্রিয় নয়।

    {বুখারী শরীফ, দুই ঈদ অধ্যায়, আইয়ামে তাশরীক পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড, ১৩২ পৃষ্ঠা

    ২. চুল-নখ না কাটা:
    যারা কুরবানী করবে তাদের জন্য যিলহজ্বের চাঁদ উঠা থেকে কুরবানী করা পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটা মুস্তাহাব।
    হাদীস:
    হযরত উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
    তোমাদের মধ্যে যারা কুরবানী করবে, তারা যেন
    [এই ১০ দিন] চুল ও নখ না কাটে।

    {সুনানে ইবনে মাজাহ, কুরবানী অধ্যায়, যে কুরবানী করবে তার জন্য চুল-নখ না কাটার বর্ণনার অধ্যায়, পৃষ্ঠা-২২৭, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৫২৩৩}

    ৩. আরাফার দিন রোজা রাখা:
    প্রথম নয় দিন বিশেষ করে আরাফার দিন অর্থাৎ নয় জিলহজ্বে নফল রোযা রাখা।
    (তবে আরাফায় উপস্থিত হাজি সাহেবদের জন্য নয়)

    ফযীলত:
    হযরত আবু কাতাদা রা. থেকে বর্ণিত,
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-
    আরাফার দিনের রোযার ব্যাপারে আমি আশাবাদী যে, আল্লাহ তাআলা তার [রোযাদারের] বিগত এক বৎসরের ও সামনের এক বছরের গোনাহ মাফ করে দিবেন।

    {তিরমিজী শরীফ, সাওম অধ্যায়, আরাফার দিনে রোযার ফযীলত পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড, ১৫৭ পৃষ্ঠা, সুনানে ইবনে মাজাহ, ১২৪ পৃষ্ঠা}

    ৪. তাকবীরে তাশরীক বলা-

    যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখের ফজর থেকে ১৩ তারিখের আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর একবার তাকবীর বলা ওয়াজিব।
    পুরুষের জন্য আওয়াজ করে, আর মহিলাদের জন্য নীরবে।

    তাকবীর হল-
    আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ”।

    {ফাতওয়া শামী-তৃতীয় খন্ড, ৬১ পৃষ্ঠা, সালাত অধ্যায়, ঈদ পরিচ্ছেদ, ইলাউস সুনান, সালাত অধ্যায়, তাকবীরাতুত তাশরীক পরিচ্ছেদ, ৮ম খন্ড, ১৪৮ পৃষ্ঠা}

    ৫.স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা:
    ১০, ১১ অথবা ১২ ই যিলহজ্বের যে কোন একদিন,
    কোন ব্যক্তির মালিকানায় যদি নিত্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ, অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা বা এর সমমূল্যের সম্পদ থাকে,
    তাহলে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব।
    পুরুষ-মহিলা সকলের উপরই এ বিধান প্রযোজ্য।

    {ফাতওয়া শামী-৯/৪৫৩, ৪৫৭ ফাতওয়া আলমগীরী-৫/২৯২, সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬}

    ফযীলত:
    যায়েদ বিন আরকাম রা. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবা রা. গণ বললেন,
    হে আল্লাহর রাসূল! এ সকল কুরবানীর ফযীলত কি?
    উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন-
    তোমাদের জাতির পিতা ইবরাহীম আ. এর সুন্নাত।
    তারা (রা.) পুনরায় আবার বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাতে আমাদের জন্য কী সওয়াব রয়েছে?
    উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন-
    কুরবানীর পশুর প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে। তারা (রা.) আবারো প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল!
    ভেড়ার লোমের কি হুকুম?
    (এটাতো গণনা করা সম্ভব নয়),
    তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন-
    ভেড়ার লোমের প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে।

    {সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬}

    কঠোর হুশিয়ারী:
    আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত।
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
    যে ব্যক্তি সক্ষমতা থাকা সত্বেও কুরবানী করলো না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটেও না আসে।
    {সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬}

    আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেন আমাদের সবাইকে আমলগুলো করার তৌফিক দান করেন।
    ইন শা আল্লাহ!

    বিঃদ্র-

    বছরে পাঁচটি দিন এমন রয়েছে, যেদিনগুলোয় রোজা রাখা হারাম বা নিষিদ্ধ।

    দিনগুলো হলো-

    ১. ঈদুল ফিতরের (১ শাওয়াল) দিন।

    ২. ঈদুল আজহার (১০ জিলহজ) দিন।

    ৩. ঈদুল আজহার পরের তিন দিন।

    অর্থাৎ জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ।
    💝সবাইকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। 💝 জিলহজ্ব মাসের ৫টি বিশেষ আমল। ১. প্রথম ১০ দিনে নফল রোযা ও রাতে ইবাদত করা ২. চুল-নখ না কাটা ৩. আরাফার দিন রোজা রাখা ৪. তাকবীরে তাশরীক বলা ৫.স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা৷ বিস্তারিত হাদীস সমুহ: ১. প্রথম ১০ দিনে নফল রোযা ও রাতে ইবাদত করা: জিলহজ্ব মাসের চাঁদ উদিত হওয়ার পর থেকে দশ তারিখ পর্যন্ত দিনে সম্ভব হলে নফল রোযা রাখা ( কুরবানির দিনে রোযা নয়) আর রাতের বেলা বেশী বেশী ইবাদত করা, যথা: নফল নামায, কুরআন তিলাওয়াত, তাসবীহ-তাহলীল, তাওবা-ইস্তিগফার ও রোনাজারী ইত্যাদি ইবাদতের মাধ্যমে রাত কাটানো। ফযীলত: হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, জিলহজ্বের দশ দিনের ইবাদত আল্লাহর নিকট অন্য দিনের ইবাদতের তুলনায় বেশী প্রিয়, প্রত্যেক দিনের রোযা এক বছরের রোযার ন্যায় আর প্রত্যেক রাতের ইবাদত লাইলাতুল কদরের ইবাদতের ন্যায় । {তিরমিজী শরীফ, সিয়াম অধ্যায়,দশ দিনের আমল পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড,১৫৮ পৃষ্ঠা} হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, এই দশ দিনের আমল অপেক্ষা অন্য দিনের আমল প্রিয় নয়। {বুখারী শরীফ, দুই ঈদ অধ্যায়, আইয়ামে তাশরীক পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড, ১৩২ পৃষ্ঠা ২. চুল-নখ না কাটা: যারা কুরবানী করবে তাদের জন্য যিলহজ্বের চাঁদ উঠা থেকে কুরবানী করা পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটা মুস্তাহাব। হাদীস: হযরত উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তোমাদের মধ্যে যারা কুরবানী করবে, তারা যেন [এই ১০ দিন] চুল ও নখ না কাটে। {সুনানে ইবনে মাজাহ, কুরবানী অধ্যায়, যে কুরবানী করবে তার জন্য চুল-নখ না কাটার বর্ণনার অধ্যায়, পৃষ্ঠা-২২৭, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-৫২৩৩} ৩. আরাফার দিন রোজা রাখা: প্রথম নয় দিন বিশেষ করে আরাফার দিন অর্থাৎ নয় জিলহজ্বে নফল রোযা রাখা। (তবে আরাফায় উপস্থিত হাজি সাহেবদের জন্য নয়) ফযীলত: হযরত আবু কাতাদা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- আরাফার দিনের রোযার ব্যাপারে আমি আশাবাদী যে, আল্লাহ তাআলা তার [রোযাদারের] বিগত এক বৎসরের ও সামনের এক বছরের গোনাহ মাফ করে দিবেন। {তিরমিজী শরীফ, সাওম অধ্যায়, আরাফার দিনে রোযার ফযীলত পরিচ্ছেদ, ১ম খন্ড, ১৫৭ পৃষ্ঠা, সুনানে ইবনে মাজাহ, ১২৪ পৃষ্ঠা} ৪. তাকবীরে তাশরীক বলা- যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখের ফজর থেকে ১৩ তারিখের আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর একবার তাকবীর বলা ওয়াজিব। পুরুষের জন্য আওয়াজ করে, আর মহিলাদের জন্য নীরবে। তাকবীর হল- আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ”। {ফাতওয়া শামী-তৃতীয় খন্ড, ৬১ পৃষ্ঠা, সালাত অধ্যায়, ঈদ পরিচ্ছেদ, ইলাউস সুনান, সালাত অধ্যায়, তাকবীরাতুত তাশরীক পরিচ্ছেদ, ৮ম খন্ড, ১৪৮ পৃষ্ঠা} ৫.স্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা: ১০, ১১ অথবা ১২ ই যিলহজ্বের যে কোন একদিন, কোন ব্যক্তির মালিকানায় যদি নিত্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ, অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা বা এর সমমূল্যের সম্পদ থাকে, তাহলে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। পুরুষ-মহিলা সকলের উপরই এ বিধান প্রযোজ্য। {ফাতওয়া শামী-৯/৪৫৩, ৪৫৭ ফাতওয়া আলমগীরী-৫/২৯২, সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬} ফযীলত: যায়েদ বিন আরকাম রা. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবা রা. গণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ সকল কুরবানীর ফযীলত কি? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন- তোমাদের জাতির পিতা ইবরাহীম আ. এর সুন্নাত। তারা (রা.) পুনরায় আবার বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাতে আমাদের জন্য কী সওয়াব রয়েছে? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন- কুরবানীর পশুর প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে। তারা (রা.) আবারো প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ভেড়ার লোমের কি হুকুম? (এটাতো গণনা করা সম্ভব নয়), তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন- ভেড়ার লোমের প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে। {সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬} কঠোর হুশিয়ারী: আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি সক্ষমতা থাকা সত্বেও কুরবানী করলো না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটেও না আসে। {সুনানে ইবনে মাজাহ-২২৬} আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেন আমাদের সবাইকে আমলগুলো করার তৌফিক দান করেন। ইন শা আল্লাহ! বিঃদ্র- বছরে পাঁচটি দিন এমন রয়েছে, যেদিনগুলোয় রোজা রাখা হারাম বা নিষিদ্ধ। দিনগুলো হলো- ১. ঈদুল ফিতরের (১ শাওয়াল) দিন। ২. ঈদুল আজহার (১০ জিলহজ) দিন। ৩. ঈদুল আজহার পরের তিন দিন। অর্থাৎ জিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ।
    5
    0 Comments 0 Shares
  • কুসুম গরম পানির পানের উপকারীতা

    একদল জাপানি চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে কুসুম গরম পানি ১০০% কার্যকরঃ
    ০১. মাইগ্রেন
    ০২. উচ্চ রক্তচাপ
    ০৩. নিম্ন রক্তচাপ
    ০৪. জয়েন্ট এর ব্যথা
    ০৫. হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি এবং হ্রাস
    ০৭. কোলেস্টেরলের মাত্রা
    ০৮. কাশি
    ০৯. শারীরিক অস্বস্তি
    ১০. গাটের ব্যথা
    ১১. হাঁপানি
    ১২. কাশি
    ১৩. শিরায় বাধা
    ১৪. জরায়ু ও মূত্র সম্পর্কিত রোগ
    ১৫. পেটের সমস্যা
    ১৬. ক্ষুধার সমস্যা
    ১৭. মাথা ব্যথা

    *কীভাবে গরম পানি পান করবেন?*
    নিয়মিত রাত ১০-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে প্রায় ২ গ্লাস গরম পানি পান করতে হবে, প্রথম দিকে ২ গ্লাস পানি পান করতে সক্ষম নাও হতে পারে কেউ তবে আস্তে আস্তে এটি করতে পারবে।

    *বিঃদ্রঃ: গরম পানি পান করার পরে ৪৫ মিনিট কোনো কিছুই খাওয়া যাবে না।*

    গরম পানি থেরাপি যুক্তি সঙ্গত সময়ের মধ্যে যে সমস্ত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলির সমাধান করবে, নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো : -

    ৩০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস
    ৩০ দিনের মধ্যে রক্তচাপ
    ১০ দিনের মধ্যে পেটের সমস্যা
    ০৯ মাসের মধ্যে সমস্ত ধরণের ক্যান্সার
    ০৬ মাসের মধ্যে শিরার বাধার সমস্যা
    ১০ দিনের মধ্যে ক্ষুধা জাতীয় সমস্যা
    ১০ দিনের মধ্যে জরায়ু এবং এর সম্পর্কিত রোগগুলি
    ১০ দিনের মধ্যে নাক, কান এবং গলার সমস্যা
    ১৫ দিনের মধ্যে মহিলাদের সমস্যা
    ৩০ দিনের মধ্যে হৃদরোগ জাতীয় সমস্যা
    ০৩ দিনর মধ্যে মাথা ব্যাথা / মাইগ্রেন সমস্যা
    ০৪ মাসের মধ্যে কোলেস্টেরল সমস্যা
    ০৯ মাসের মধ্যে মৃগী এবং পক্ষাঘাত সমস্যা
    ০৪ মাসের মধ্যে হাঁপানি সমস্যা

    *ঠান্ডা পানি পান করা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! যদি অল্প বয়সে ঠাণ্ডা পানি প্রভাবিত না করে, তবে এটি বৃদ্ধ বয়সে ক্ষতি করবেই।*

    *ঠান্ডা পানি হার্টের ৪টি শিরা বন্ধ করে দেয় এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। হার্ট অ্যাটাকের মূল কারণ হ'ল কোল্ড ড্রিঙ্কস।

    *এটি লিভারেও সমস্যা তৈরি করে। এটি লিভারের সাথে ফ্যাট আটকে রাখে। লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের অপেক্ষায় থাকা বেশিরভাগ মানুষ ঠান্ডা পানি পান করার কারণে এর শিকার হয়েছেন।

    *ঠান্ডা পানি পেটের অভ্যন্তরীণ দেয়ালকে প্রভাবিত করে। এটি বৃহত অন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং ফলস্বরূপ ক্যান্সারে রুপ নেয়।

    (জাপানি ডাঃ মেনসাহ-আসরে হতে সংগৃহীত)।
    কুসুম গরম পানির পানের উপকারীতা একদল জাপানি চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে কুসুম গরম পানি ১০০% কার্যকরঃ ০১. মাইগ্রেন ০২. উচ্চ রক্তচাপ ০৩. নিম্ন রক্তচাপ ০৪. জয়েন্ট এর ব্যথা ০৫. হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি এবং হ্রাস ০৭. কোলেস্টেরলের মাত্রা ০৮. কাশি ০৯. শারীরিক অস্বস্তি ১০. গাটের ব্যথা ১১. হাঁপানি ১২. কাশি ১৩. শিরায় বাধা ১৪. জরায়ু ও মূত্র সম্পর্কিত রোগ ১৫. পেটের সমস্যা ১৬. ক্ষুধার সমস্যা ১৭. মাথা ব্যথা *কীভাবে গরম পানি পান করবেন?* নিয়মিত রাত ১০-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে প্রায় ২ গ্লাস গরম পানি পান করতে হবে, প্রথম দিকে ২ গ্লাস পানি পান করতে সক্ষম নাও হতে পারে কেউ তবে আস্তে আস্তে এটি করতে পারবে। *বিঃদ্রঃ: গরম পানি পান করার পরে ৪৫ মিনিট কোনো কিছুই খাওয়া যাবে না।* গরম পানি থেরাপি যুক্তি সঙ্গত সময়ের মধ্যে যে সমস্ত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলির সমাধান করবে, নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো : - ৩০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস ৩০ দিনের মধ্যে রক্তচাপ ১০ দিনের মধ্যে পেটের সমস্যা ০৯ মাসের মধ্যে সমস্ত ধরণের ক্যান্সার ০৬ মাসের মধ্যে শিরার বাধার সমস্যা ১০ দিনের মধ্যে ক্ষুধা জাতীয় সমস্যা ১০ দিনের মধ্যে জরায়ু এবং এর সম্পর্কিত রোগগুলি ১০ দিনের মধ্যে নাক, কান এবং গলার সমস্যা ১৫ দিনের মধ্যে মহিলাদের সমস্যা ৩০ দিনের মধ্যে হৃদরোগ জাতীয় সমস্যা ০৩ দিনর মধ্যে মাথা ব্যাথা / মাইগ্রেন সমস্যা ০৪ মাসের মধ্যে কোলেস্টেরল সমস্যা ০৯ মাসের মধ্যে মৃগী এবং পক্ষাঘাত সমস্যা ০৪ মাসের মধ্যে হাঁপানি সমস্যা *ঠান্ডা পানি পান করা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! যদি অল্প বয়সে ঠাণ্ডা পানি প্রভাবিত না করে, তবে এটি বৃদ্ধ বয়সে ক্ষতি করবেই।* *ঠান্ডা পানি হার্টের ৪টি শিরা বন্ধ করে দেয় এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। হার্ট অ্যাটাকের মূল কারণ হ'ল কোল্ড ড্রিঙ্কস। *এটি লিভারেও সমস্যা তৈরি করে। এটি লিভারের সাথে ফ্যাট আটকে রাখে। লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের অপেক্ষায় থাকা বেশিরভাগ মানুষ ঠান্ডা পানি পান করার কারণে এর শিকার হয়েছেন। *ঠান্ডা পানি পেটের অভ্যন্তরীণ দেয়ালকে প্রভাবিত করে। এটি বৃহত অন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং ফলস্বরূপ ক্যান্সারে রুপ নেয়। (জাপানি ডাঃ মেনসাহ-আসরে হতে সংগৃহীত)।
    6
    0 Comments 0 Shares
  • ইমাম বায়হাকী (রহঃ) বর্ণনা করেছেন-
    قال الحسین بن علی رضی الله عنھما کان رسول الله صلی الله علیه وسلم یقول من اعتکف عشر رمضان کان کحجتین و عمرتین
    হযরত হোসাইন ইবনে আলী (রাঃ)থেকে বর্ণিত,রাসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন,যে ব্যক্তি রমজানের শেষ দশদিন ই'তিকাফ থাকবে সে যেন দু'টি হজ্ব ও দু'টি ওমরা পালন করেছে।
    (আল্লামা শা'রানী (রহঃ),কাশফুল গুম্মাহ,খন্ড,১পৃষ্ঠা-২১২)
    ইমাম বায়হাকী (রহঃ) বর্ণনা করেছেন- قال الحسین بن علی رضی الله عنھما کان رسول الله صلی الله علیه وسلم یقول من اعتکف عشر رمضان کان کحجتین و عمرتین হযরত হোসাইন ইবনে আলী (রাঃ)থেকে বর্ণিত,রাসূলে পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন,যে ব্যক্তি রমজানের শেষ দশদিন ই'তিকাফ থাকবে সে যেন দু'টি হজ্ব ও দু'টি ওমরা পালন করেছে। (আল্লামা শা'রানী (রহঃ),কাশফুল গুম্মাহ,খন্ড,১পৃষ্ঠা-২১২)
    5
    0 Comments 0 Shares
  • 6
    0 Comments 0 Shares
  • 7
    43 1 Comments 0 Shares
  • যারা দোয়া কুনুত জানেন না, তাদের জন্য দোয়া কুনুতের পরিবর্তে তিনটি অপসনের যেকোনো একটি-

    ক) اللهم اغفر لي (আল্লাহুম্মাগ ফিরলী) তিনবার বলবেন।
    খ) ربنا آتنا في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة وقنا عذاب النار
    (রাব্বানা আতিনা ফীদ দুনিয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আখিরাতে হাসানাতাঁও ওয়া কিনা আযাবান নার) একবার বলবেন।
    গ) يا رب (ইয়া রাব্বি) তিনবার বলবেন।
    সূত্র, নুরুল ইযাহ।
    যারা দোয়া কুনুত জানেন না, তাদের জন্য দোয়া কুনুতের পরিবর্তে তিনটি অপসনের যেকোনো একটি- ক) اللهم اغفر لي (আল্লাহুম্মাগ ফিরলী) তিনবার বলবেন। খ) ربنا آتنا في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة وقنا عذاب النار (রাব্বানা আতিনা ফীদ দুনিয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আখিরাতে হাসানাতাঁও ওয়া কিনা আযাবান নার) একবার বলবেন। গ) يا رب (ইয়া রাব্বি) তিনবার বলবেন। সূত্র, নুরুল ইযাহ।
    3
    0 Comments 0 Shares
  • হযরত উমর রা. বলেন, দুনিয়ার কেউ যদি আপনাকে না চেনে, কিন্তু আল্লাহর কাছে আপনি প্রিয় তাহলে আপনি জীবনে শতভাগ সফল। আর কেউ যদি গোটা পৃথিবীর মধ্যে খ্যাতি অর্জন করে কিন্তু আল্লাহর নিকট সে অপ্রিয়, তাহলে সে জীবনে শতভাগ ব্যর্থ। (তারীখুল খুলাফা)
    হযরত উমর রা. বলেন, দুনিয়ার কেউ যদি আপনাকে না চেনে, কিন্তু আল্লাহর কাছে আপনি প্রিয় তাহলে আপনি জীবনে শতভাগ সফল। আর কেউ যদি গোটা পৃথিবীর মধ্যে খ্যাতি অর্জন করে কিন্তু আল্লাহর নিকট সে অপ্রিয়, তাহলে সে জীবনে শতভাগ ব্যর্থ। (তারীখুল খুলাফা)
    4
    0 Comments 0 Shares
  • দারিদ্রতা আসে চার জিনিসের কারণে:
    ১। তাড়াহুড়া করে নামায পড়ার কারণে।
    ২। দাঁড়িয়ে পেশাব করার কারণে।
    ৩। পেশাবের জায়গায় অজু করার কারণে।
    ৪। দাঁড়িয়ে পানি পান করার কারেণ।

    *সচ্ছলতা আসে সাত জিনিসের কারণে:

    ১। আল কুরআন তেলাওয়াত করার কারণে
    ২। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার কারণে
    ৩। আল্লাহর কাছে শোকরিয়া করার কারণে।
    ৪। দারিদ্র ও অক্ষমদের সাহায্যের কারণে।
    কারণ।
    ৫। গুনাহে ক্ষমা প্রার্থনা করার কারণে।
    ৬। পিতা মাতা ও আত্মীয় স্বজনে সাথে
    সাথে সদাচরণ করার কারণে।
    ৭। সকালে সুরা ইয়াসিন এবং সন্ধ্যায় সুরা ওয়াক্বিয়া তিলাওয়াত করার কারণে।
    তিরমিযি (৫৫৬৭৩)
    দারিদ্রতা আসে চার জিনিসের কারণে: ১। তাড়াহুড়া করে নামায পড়ার কারণে। ২। দাঁড়িয়ে পেশাব করার কারণে। ৩। পেশাবের জায়গায় অজু করার কারণে। ৪। দাঁড়িয়ে পানি পান করার কারেণ। *সচ্ছলতা আসে সাত জিনিসের কারণে: ১। আল কুরআন তেলাওয়াত করার কারণে ২। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার কারণে ৩। আল্লাহর কাছে শোকরিয়া করার কারণে। ৪। দারিদ্র ও অক্ষমদের সাহায্যের কারণে। কারণ। ৫। গুনাহে ক্ষমা প্রার্থনা করার কারণে। ৬। পিতা মাতা ও আত্মীয় স্বজনে সাথে সাথে সদাচরণ করার কারণে। ৭। সকালে সুরা ইয়াসিন এবং সন্ধ্যায় সুরা ওয়াক্বিয়া তিলাওয়াত করার কারণে। তিরমিযি (৫৫৬৭৩)
    3
    0 Comments 0 Shares
More Stories