• Verified Member
  • Teacher and Business at Rajshahi
  • Studied Islamic History And Culture at Islamic Arabic University
    Class of Honers Final Year
  • Male
  • 17/11/1998
  • Followed by 108 people
Social Links
Recent Updates
  • #তিনকাজে_বিলম্ব_করিও_নাঃ সাবধান সবাই
     (১) নামাজ এর ওয়াক্ত হলে।
     (২) মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত হলে। ও
     (৩) লাশ এর জানাযা হয়ে গেলে।
    .
    ★তিনটি জিনিস একবার আসেঃ
     (১) মাতা-পিতা
     (২) সৌন্দর্য্য
     (৩) যৌবন।
    .
    ★তিনটি জিনিস ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ
     (১) বন্দুকের গুলি
     (২) মুখের কথা
     (৩) শরীরের রূহ।
    .
    ★তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ
     (১) সু-সন্তান
     (২) সদকা
     (৩) ইলম।
    .
    ★তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ
     (১) চুরি
     (২) চোগলখোরী
     (৩) মিথ্যা।
    .
    ★তিনটি জিনিস পেরেশানিতে রাখেঃ
     (১) হিংসা
     (২) অভাব
     (৩) সন্দেহ।
    .
    ★তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখঃ
     (১) উপদেশ
     (২) উপকার
     (৩) মৃত্যু।
    .
    ★তিনটি জিনিসকে আয়ত্বে রেখঃ
     (১) রাগ
     (২) জিহব্বা
     (৩) অন্তর।
    .
    ★তিনটি জিনিস অভ্যাস করঃ
     (১) নামাজ
     (২) সত্য বলা
     (৩) হালাল রিযিক।
    .
    ★তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকঃ
     (১) মিথ্যা
     (২) অহংকার
     (৩) অভিশাপ।
    .
    ★তিনটি জিনিসের জন্য যুদ্ধ করঃ
     (১) দেশ
     (২) জাতি
     (৩) সত্য।
    .
    ★তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার
    করঃ
     (১) কলম
     (২) কসম
     (৩) কদম
    .
    ★তিনটি জিনিস ধ্বংস হয়ে যায়ঃ
     (১)হিংসা
     (২) লোভ
     (৩) অহঙ্কার

    সবাই কথা গুলো আমল করি ইনশাল্লাহ।।।।
    #তিনকাজে_বিলম্ব_করিও_নাঃ সাবধান সবাই  (১) নামাজ এর ওয়াক্ত হলে।  (২) মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত হলে। ও  (৩) লাশ এর জানাযা হয়ে গেলে। . ★তিনটি জিনিস একবার আসেঃ  (১) মাতা-পিতা  (২) সৌন্দর্য্য  (৩) যৌবন। . ★তিনটি জিনিস ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ  (১) বন্দুকের গুলি  (২) মুখের কথা  (৩) শরীরের রূহ। . ★তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ  (১) সু-সন্তান  (২) সদকা  (৩) ইলম। . ★তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ  (১) চুরি  (২) চোগলখোরী  (৩) মিথ্যা। . ★তিনটি জিনিস পেরেশানিতে রাখেঃ  (১) হিংসা  (২) অভাব  (৩) সন্দেহ। . ★তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখঃ  (১) উপদেশ  (২) উপকার  (৩) মৃত্যু। . ★তিনটি জিনিসকে আয়ত্বে রেখঃ  (১) রাগ  (২) জিহব্বা  (৩) অন্তর। . ★তিনটি জিনিস অভ্যাস করঃ  (১) নামাজ  (২) সত্য বলা  (৩) হালাল রিযিক। . ★তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকঃ  (১) মিথ্যা  (২) অহংকার  (৩) অভিশাপ। . ★তিনটি জিনিসের জন্য যুদ্ধ করঃ  (১) দেশ  (২) জাতি  (৩) সত্য। . ★তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করঃ  (১) কলম  (২) কসম  (৩) কদম . ★তিনটি জিনিস ধ্বংস হয়ে যায়ঃ  (১)হিংসা  (২) লোভ  (৩) অহঙ্কার সবাই কথা গুলো আমল করি ইনশাল্লাহ।।।।
    0 Comments 0 Shares
  • ০১। মূর্খ লোকের সাথে তর্ক করবেন না, এরা আপনাকে তাদের লেভেলে নামিয়ে নিয়ে যাবে।
    .
    ০২। পরিবার দেখে বিয়ে করুন। অসভ্য, গোয়ার বা ভন্ড পরিবার আপনাকে তাদের লেভেলে নামিয়ে নিবে।
    .
    ০৩। নিজের ভাই বোন ছাড়া কাউকে বড় অংকের টাকা ধার দিবেন না। তাতে সম্পর্ক নষ্ট হবে। ভাই বোনের কাছ থেকে টাকা ফেরৎ না পেলেও ততো দুঃখ থাকবে না কারণ সেটা আপনার আপনজনই খেয়েছে কিন্তু অন্যের কাছ থেকে ফেরৎ না পেলে দুঃখের সীমা থাকবে না।
    .
    ০৪। বন্ধুর প্রশংসা পেয়ে আনন্দিত হবে না অথবা শত্রুর সমালোচনা দেখে বিচলিত হবেন না, দুটোই মূল্যহীন।
    .
    ০৫। পৃথিবীতে কেউ বিজি না, আসলে সব নির্ভর করে গুরুত্বের উপর। কাজেই যে আপনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, তাকে গুরুত্ব দিন, জীবন অনেক সুন্দর ও উপভোগ্য মনে হবে।
    .
    ০৬। কারো অনুপ্রেরণার জন্য অপেক্ষা করবেন না, কিছু একটা শুরু করুন।
    .
    ০৭। সুযোগের জন্য অপেক্ষা করবেন না, সুযোগ তৈরি করে নিন, স্বার্থ বিনে কেউ সুযোগ দিবে না।
    .
    ০৮। সবাই সফল হবেন না, এটা মেনে নিন। সফল তারাই হয় যারা এর পিছনে লেগে থাকে, খরচ করে। সেটা হতে পারে, সময়, সেটা হতে পারে অর্থ কিংবা দুটোই।
    .
    ০৯। নারাজ মুডে থাকবেন না, হাসুন, হাসিই আপনার সাইনবোর্ড, আপনার ব্রান্ডিং।
    .
    ১০। অপরের কাজ দেখে তাকে অনুকরণ বা অনুসরণ করবেন না, সফল কোন লোকই অন্য কারও মতো নয়, সবাই নিজের মতো।
    .
    ১১। অপরের নামে তার অগোচরে বাজে আলাপ করবেন না, এরকম যারা করে তাদের প্রশ্রয় দিবেন না, কারন, তারা আপনার অগোচরে আপনার নামেও বাজে কথা বলবে।
    .
    ১২। কারো কাছ থেকে প্রতিদান আশা করবেন না, দিতে শিখুন। লিডাররা শুধু দিয়েই যায়, এটাই নিয়ম।
    .
    ১৩। শর্টকাটে সফল হওয়ার চেষ্টা করবেন না, সফলতার কোন শর্টকাট নেই। ধাপে ধাপে এগোন।
    .
    ১৪। কিছুতেই আশাহত হবেন না। মনে রাখবেন, মানুষ তার আশার সমান সুন্দর, বিশ্বাসের সমান বড়।
    .
    ১৫। বন্ধুদের অশ্রদ্ধা করবেন না, কাউকে ভালো কাজে নিরুৎসাহিত করবেন না।
    পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন।
    আপনার যদি কমেন্ট করতে কষ্ট হয়, তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন।
    ০১। মূর্খ লোকের সাথে তর্ক করবেন না, এরা আপনাকে তাদের লেভেলে নামিয়ে নিয়ে যাবে। . ০২। পরিবার দেখে বিয়ে করুন। অসভ্য, গোয়ার বা ভন্ড পরিবার আপনাকে তাদের লেভেলে নামিয়ে নিবে। . ০৩। নিজের ভাই বোন ছাড়া কাউকে বড় অংকের টাকা ধার দিবেন না। তাতে সম্পর্ক নষ্ট হবে। ভাই বোনের কাছ থেকে টাকা ফেরৎ না পেলেও ততো দুঃখ থাকবে না কারণ সেটা আপনার আপনজনই খেয়েছে কিন্তু অন্যের কাছ থেকে ফেরৎ না পেলে দুঃখের সীমা থাকবে না। . ০৪। বন্ধুর প্রশংসা পেয়ে আনন্দিত হবে না অথবা শত্রুর সমালোচনা দেখে বিচলিত হবেন না, দুটোই মূল্যহীন। . ০৫। পৃথিবীতে কেউ বিজি না, আসলে সব নির্ভর করে গুরুত্বের উপর। কাজেই যে আপনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, তাকে গুরুত্ব দিন, জীবন অনেক সুন্দর ও উপভোগ্য মনে হবে। . ০৬। কারো অনুপ্রেরণার জন্য অপেক্ষা করবেন না, কিছু একটা শুরু করুন। . ০৭। সুযোগের জন্য অপেক্ষা করবেন না, সুযোগ তৈরি করে নিন, স্বার্থ বিনে কেউ সুযোগ দিবে না। . ০৮। সবাই সফল হবেন না, এটা মেনে নিন। সফল তারাই হয় যারা এর পিছনে লেগে থাকে, খরচ করে। সেটা হতে পারে, সময়, সেটা হতে পারে অর্থ কিংবা দুটোই। . ০৯। নারাজ মুডে থাকবেন না, হাসুন, হাসিই আপনার সাইনবোর্ড, আপনার ব্রান্ডিং। . ১০। অপরের কাজ দেখে তাকে অনুকরণ বা অনুসরণ করবেন না, সফল কোন লোকই অন্য কারও মতো নয়, সবাই নিজের মতো। . ১১। অপরের নামে তার অগোচরে বাজে আলাপ করবেন না, এরকম যারা করে তাদের প্রশ্রয় দিবেন না, কারন, তারা আপনার অগোচরে আপনার নামেও বাজে কথা বলবে। . ১২। কারো কাছ থেকে প্রতিদান আশা করবেন না, দিতে শিখুন। লিডাররা শুধু দিয়েই যায়, এটাই নিয়ম। . ১৩। শর্টকাটে সফল হওয়ার চেষ্টা করবেন না, সফলতার কোন শর্টকাট নেই। ধাপে ধাপে এগোন। . ১৪। কিছুতেই আশাহত হবেন না। মনে রাখবেন, মানুষ তার আশার সমান সুন্দর, বিশ্বাসের সমান বড়। . ১৫। বন্ধুদের অশ্রদ্ধা করবেন না, কাউকে ভালো কাজে নিরুৎসাহিত করবেন না। পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন। আপনার যদি কমেন্ট করতে কষ্ট হয়, তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন।
    4
    1 Comments 0 Shares
  • খেলাফতের বাইয়াত নেয়ার পর হযরত উমর ইবনে আবদুৃল আযীয(র) জনসাধারণের সামনে যে ভাষণ দেন তা নিম্নরুপঃ
    হে লোকেরা!পবিত্র কুরআনের পর আর কোন গ্রন্থ নেই এবং রাসুলুল্লাহ(সা)-এর পর আর কোন নবী নেই।আমি কোন জিনিসের সূচনাকারী নই,বরং সমাপ্তকারী।
    আমি মুবতাবি(বিদআতী)নই,বরং মুত্তাবি(অনুসরণকারী)। আমি কোন অবস্হাতেই তোমাদের চাইতে উকৃষ্ট নই।

    অবশ্য আমার কাঁধের বোঝা তোমদের চেয়ে অনেক ভারি।যে ব্যক্তি জালিম বাদশা হতে পালায়ণ করে সে জালিম হতে পারে না।

    স্বরণ রেখ,আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধে কোন সৃষ্টির(মানুষের)আনুগত্য বৈধ নয়।
    তিনি খেলাফতে অধিষ্ঠিত হবার সাথে সাথেই একটি নির্দশ জারি করেন যে,এখন থেকে হযরত আলী(রা.)সম্পর্কে কেউ যেন কোনরুপ অপ্রীতিকর ও শিষ্টাচার বিরোধী কোন শব্দ ব্যবহার না করে।

    তখন পর্যন্ত বনু উমাইয়াদের মধ্যে সাধারণভাবে এই রেওয়াজ চলে আসছিল যে,তারা হযরত আলী(রা.)-কে মন্দ বলত এবং জুমআর খুতবায় তাঁকে গালিগালাজ করতে দ্বিধা করত না।"ইসলামের ইতিহাস ২য় খন্ড,১৭৬ পৃষ্টা।

    অবশ্য হযরত আলী(রা.)-কে মন্দ বলা এবং জুমআর খুতবায় গালিগালাজ করার রীতি চালু হয় হযরত মুয়াবিয়া(রা.)এর শাসনামলে।তিনিই এই রীতি চালু করেন এবং হযরত উমর ইবনে আবদুল আযীয(র.) এই জঘন্য রীতির পরিসমাপ্তি ঘটান।

    এই জঘন্য রীতি নীতি এদেশের একটি গোষ্ঠীর জন্য অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়। শুধু তাই নয়,তারা আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধে সৃষ্টির আনুগত্যকে প্রাধান্য দেয়।

    এখন তোমাকেই ঠিক করতে হবে যে,গ্রোত্রপ্রীতির অন্ধ অহমিকায় আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধে গিয়ে তাগুতের আনগত্য মেনে নিয়ে তাগুতের খাঁটি বান্দা হবে, না তাগুতকে বর্জন করে আল্লাহর বান্দা হবে?
    খেলাফতের বাইয়াত নেয়ার পর হযরত উমর ইবনে আবদুৃল আযীয(র) জনসাধারণের সামনে যে ভাষণ দেন তা নিম্নরুপঃ হে লোকেরা!পবিত্র কুরআনের পর আর কোন গ্রন্থ নেই এবং রাসুলুল্লাহ(সা)-এর পর আর কোন নবী নেই।আমি কোন জিনিসের সূচনাকারী নই,বরং সমাপ্তকারী। আমি মুবতাবি(বিদআতী)নই,বরং মুত্তাবি(অনুসরণকারী)। আমি কোন অবস্হাতেই তোমাদের চাইতে উকৃষ্ট নই। অবশ্য আমার কাঁধের বোঝা তোমদের চেয়ে অনেক ভারি।যে ব্যক্তি জালিম বাদশা হতে পালায়ণ করে সে জালিম হতে পারে না। স্বরণ রেখ,আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধে কোন সৃষ্টির(মানুষের)আনুগত্য বৈধ নয়। তিনি খেলাফতে অধিষ্ঠিত হবার সাথে সাথেই একটি নির্দশ জারি করেন যে,এখন থেকে হযরত আলী(রা.)সম্পর্কে কেউ যেন কোনরুপ অপ্রীতিকর ও শিষ্টাচার বিরোধী কোন শব্দ ব্যবহার না করে। তখন পর্যন্ত বনু উমাইয়াদের মধ্যে সাধারণভাবে এই রেওয়াজ চলে আসছিল যে,তারা হযরত আলী(রা.)-কে মন্দ বলত এবং জুমআর খুতবায় তাঁকে গালিগালাজ করতে দ্বিধা করত না।"ইসলামের ইতিহাস ২য় খন্ড,১৭৬ পৃষ্টা। অবশ্য হযরত আলী(রা.)-কে মন্দ বলা এবং জুমআর খুতবায় গালিগালাজ করার রীতি চালু হয় হযরত মুয়াবিয়া(রা.)এর শাসনামলে।তিনিই এই রীতি চালু করেন এবং হযরত উমর ইবনে আবদুল আযীয(র.) এই জঘন্য রীতির পরিসমাপ্তি ঘটান। এই জঘন্য রীতি নীতি এদেশের একটি গোষ্ঠীর জন্য অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়। শুধু তাই নয়,তারা আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধে সৃষ্টির আনুগত্যকে প্রাধান্য দেয়। এখন তোমাকেই ঠিক করতে হবে যে,গ্রোত্রপ্রীতির অন্ধ অহমিকায় আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধে গিয়ে তাগুতের আনগত্য মেনে নিয়ে তাগুতের খাঁটি বান্দা হবে, না তাগুতকে বর্জন করে আল্লাহর বান্দা হবে?
    1
    0 Comments 0 Shares
  • জনপ্রিয় বক্তা মুফতি আমির হামজা গ্রেফতার

    আলোচিত ধর্মীয় বক্তা মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) একটি দল।

    সোমবার রাতে সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, সোমবার বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ডাবিরাভিটা গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হামজাকে গ্রেফতার করা হয়।

    কোন কারণে বা কোন মামলায় এই আলোচিত বক্তাকে গ্রেফতার করা হলো সে বিষয়ে জানা গেছে, সন্ত্রাসবিরোধী একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    তবে সিটিটিসি সূত্র বলছে, আমির হামজার বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে মদদ দেওয়া এবং রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানির অভিযোগও রয়েছে। ওয়াজ মাহফিলে ইসলামের নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ইউটিউবে প্রকাশিত তার বেশকিছু বক্তব্য শুনে কিশোর-তরুণরা জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    সম্প্রতি নাশকতার মামলায় হেফাজতের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার অভিযান শুরু হয়। সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, আমির হামজা আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাকে খুঁজছে পুলিশ।

    এমন সংবাদ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এক বিবৃতিতে আমি হামজা বলেন- ‘আমি চোর নই, যে পালিয়ে বেড়াব’।

    আমির হামজাকে কেন খুঁজছে পুলিশ সে জবাব গত ১৫ মে ঢাকার কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের তৎকালীন উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান।

    তিনি জানিয়েছিলেন, গত ৫ মে তলোয়ার নিয়ে সংসদ ভবনে হামলা চালানোর চেষ্টায় সাকিব নামে একজনকে আটক করা হয়। সাকিবকে আটকের পর শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়। ওই মামলায় সাকিবসহ আলী হাসান ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান গুনবীকে আসামি করা হয়।

    মামলার এজাহারে বলা হয়, আলী হাসান উসামা, মাহমুদুল হাসান গুনবী এবং আমির হামজার উগ্রবাদী জিহাদি হামলার বার্তা সংবলিত ভিডিও মোবাইল ফোনে দেখে সাকিব উগ্রবাদে আসক্ত হয়।

    ডিসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আরো জানিয়েছিলেন, সাকিবকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান এক ইসলামী বক্তার নির্দেশে তিনি এই পরিকল্পনা করেছিলেন। কয়েকজনের ওয়াজ ও বক্তব্য শুনে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হন তিনি। আমরা সেসব বক্তাকে চিহ্নিত ও গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।

    তারই অংশ হিসেবে সোমবার গ্রেফতার হলেন মুফতি আমির হামজা।

    উল্লেখ্য, কুষ্টিয়ার আঞ্চলিক ভাষায় ওয়াজকারী আমির হামজা খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া থেকে আল-কোরআনের ওপর অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন তিনি।
    জনপ্রিয় বক্তা মুফতি আমির হামজা গ্রেফতার আলোচিত ধর্মীয় বক্তা মুফতি আমির হামজাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) একটি দল। সোমবার রাতে সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ডাবিরাভিটা গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হামজাকে গ্রেফতার করা হয়। কোন কারণে বা কোন মামলায় এই আলোচিত বক্তাকে গ্রেফতার করা হলো সে বিষয়ে জানা গেছে, সন্ত্রাসবিরোধী একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তবে সিটিটিসি সূত্র বলছে, আমির হামজার বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে মদদ দেওয়া এবং রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানির অভিযোগও রয়েছে। ওয়াজ মাহফিলে ইসলামের নামে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ইউটিউবে প্রকাশিত তার বেশকিছু বক্তব্য শুনে কিশোর-তরুণরা জঙ্গিবাদের দিকে ঝুঁকছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি নাশকতার মামলায় হেফাজতের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার অভিযান শুরু হয়। সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, আমির হামজা আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাকে খুঁজছে পুলিশ। এমন সংবাদ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এক বিবৃতিতে আমি হামজা বলেন- ‘আমি চোর নই, যে পালিয়ে বেড়াব’। আমির হামজাকে কেন খুঁজছে পুলিশ সে জবাব গত ১৫ মে ঢাকার কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের তৎকালীন উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান। তিনি জানিয়েছিলেন, গত ৫ মে তলোয়ার নিয়ে সংসদ ভবনে হামলা চালানোর চেষ্টায় সাকিব নামে একজনকে আটক করা হয়। সাকিবকে আটকের পর শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়। ওই মামলায় সাকিবসহ আলী হাসান ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান গুনবীকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে বলা হয়, আলী হাসান উসামা, মাহমুদুল হাসান গুনবী এবং আমির হামজার উগ্রবাদী জিহাদি হামলার বার্তা সংবলিত ভিডিও মোবাইল ফোনে দেখে সাকিব উগ্রবাদে আসক্ত হয়। ডিসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আরো জানিয়েছিলেন, সাকিবকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান এক ইসলামী বক্তার নির্দেশে তিনি এই পরিকল্পনা করেছিলেন। কয়েকজনের ওয়াজ ও বক্তব্য শুনে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হন তিনি। আমরা সেসব বক্তাকে চিহ্নিত ও গ্রেফতারের চেষ্টা করছি। তারই অংশ হিসেবে সোমবার গ্রেফতার হলেন মুফতি আমির হামজা। উল্লেখ্য, কুষ্টিয়ার আঞ্চলিক ভাষায় ওয়াজকারী আমির হামজা খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া থেকে আল-কোরআনের ওপর অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন তিনি।
    2
    0 Comments 0 Shares
  • মুসলিম মাত্রই জানতে হবে।
    মুসলিম মাত্রই জানতে হবে।
    অধিকাংশ মানুষই জানেই না কেনো মুসলমানদের নিকট মসজিদুল আকসা এতোটা গুরুত্বপূর্ণ??

    যেখানে ইহুদিরা সমগ্র ফিলিস্তিনই দখল করে নিয়েছে, সেখানে মাত্র ১৪ একর জায়গার জন্য কেনো এতো অত্যাচার নির্যাতনের পরেও ফিলিস্তিনের মুসলমানরা বারবার মসজিদের দিকে ধাবিত হচ্ছে!!

    ১. এখানেই রয়েছে হযরত ইব্রাহিম এবং মূসা (আ) সহ অসংখ্য নবী রাসুলের কবর।

    ২. এখানেই আল্লাহর বন্ধু প্রিয় নবী রাসুল ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া ছাল্লাম সকল নবী রাসুলদের এবং ফেরেস্তাদেরকে নিয়ে নামাজ পড়ছিলেন। সেই জামাতের ইমাম ছিলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া ছাল্লাম, এবং এই জামাতে মতান্তরে প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার নবী রাসুল ছিলেন।

    ৩. এখান থেকেই হজরত মুহাম্মদ ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া ছাল্লাম বোরাকে করে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিলেন।

    ৪. এই মসজিদের নির্মাণের সাথে জড়িয়ে আছে হজরত আদম আঃ এবং সুলাইমান আঃ এর নাম।

    ৫. এর সাথে জড়িয়ে আছে খলিফা হজরত উমর (রা) এর সেই বিখ্যাত উটের বিরল ঘটনা।

    ৬. এখানের সাথেই জড়িয়ে আছে দ্যা গ্রেট সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর অসংখ্য স্মৃতি।

    ৭. এই মসজিদের পাথরের গায়ে লেখা রয়েছে সম্পূর্ণ সূরা ইয়াসিন।

    ৮. এই মসজিদের জন্য জ্বীনদের দ্বারা পাথর উত্তোলন করা হয়েছে সাগরের তলদেশ থেকে। যা কিনা কোন মানুষের পক্ষে অসম্ভব!!!

    ৯. এই মসজিদে ২ রাকাআ'ত নামাজ আদায় করার জন্য ২৫ হাজার রাকাআ'ত নামাজের সওয়াব লিখা হবে।

    ১০. পবিত্র কোরআনে সবচেয়ে বেশি মহান আল্লাহ এই মসজিদ নিয়ে আলোচনা করছেন।

    তোমাদের কেউ যদি কোনো খারাপ কাজ বা বিষয় দেখে তাহলে সে যেন হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে দেয়, যদি তা করতে অপারগ হয় তাহলে যেন মুখ দিয়ে তার প্রতিবাদ করে, যদি তাও করতে সক্ষম না হয় তাহলে যেন অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করে, আর এটাই হচ্ছে ঈমানের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বলতম স্তর। (বুখারি, হাদিস নং: ১৯৪)

    আল্লাহ পাক ঘুমন্ত মুসলিম রাষ্ট্র প্রধানদের বিবেককে জাগ্রত করুন।

    আমিন।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • স্বামী-স্ত্রীসহ ৮ জন জামায়াত শিবিরের ৮ নেতাকর্মী আটক

    স্টাফ রিপোর্টার:

    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় জিহাদি বইসহ জামায়াত-শিবিরের ৮ নেতাকর্মীকে আটক করেছে উল্লাপাড়া পুলিশ। গতকাল সোমবার ইফতারের পূর্ব মূহুর্তে পৌর এলাকার ঝিকিড়া থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। তারা উল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন পদে দায়িত্বরত ছিলেন।

    আটককৃতরা হলেন পৌরসভার ঝিকিড়া মহল্লার হাজী আবুল হোসেন সরকারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৪৫), তার স্ত্রী এলিজা পারভীন (৩০), পশ্চিমপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মো. শায়েক মাহমুদ (২৭), রামকান্তপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে হাফিজুল ইসলাম (৩০), বেতকান্দি গ্রামের মাজেদ আলী ফকিরের ছেলে শাহিন দুলাল (৪৬), কয়ড়া কৃষ্ণপুর গ্রামের গাজীউল রহমানের ছেলে রায়হান আলী (৪২), সলঙ্গা থানার পুস্তিগাছা গ্রামের মৃত আবু তাহেরর ছেলে আফসার আলী (৪৭) ও শাহজাদপুর থানার মৃত রইচ উদ্দিনের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩৭)।

    উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিপক কুমার দাস বলেন, নাশকতা সৃষ্টির জন্য জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় পুলিশ অভিযান চালায়। এসময় বেশ কয়েকটি জিহাদি বইসহ জামায়াত-শিবিরের ৮ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
    স্বামী-স্ত্রীসহ ৮ জন জামায়াত শিবিরের ৮ নেতাকর্মী আটক স্টাফ রিপোর্টার: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় জিহাদি বইসহ জামায়াত-শিবিরের ৮ নেতাকর্মীকে আটক করেছে উল্লাপাড়া পুলিশ। গতকাল সোমবার ইফতারের পূর্ব মূহুর্তে পৌর এলাকার ঝিকিড়া থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। তারা উল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন পদে দায়িত্বরত ছিলেন। আটককৃতরা হলেন পৌরসভার ঝিকিড়া মহল্লার হাজী আবুল হোসেন সরকারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৪৫), তার স্ত্রী এলিজা পারভীন (৩০), পশ্চিমপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মো. শায়েক মাহমুদ (২৭), রামকান্তপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে হাফিজুল ইসলাম (৩০), বেতকান্দি গ্রামের মাজেদ আলী ফকিরের ছেলে শাহিন দুলাল (৪৬), কয়ড়া কৃষ্ণপুর গ্রামের গাজীউল রহমানের ছেলে রায়হান আলী (৪২), সলঙ্গা থানার পুস্তিগাছা গ্রামের মৃত আবু তাহেরর ছেলে আফসার আলী (৪৭) ও শাহজাদপুর থানার মৃত রইচ উদ্দিনের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩৭)। উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিপক কুমার দাস বলেন, নাশকতা সৃষ্টির জন্য জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় পুলিশ অভিযান চালায়। এসময় বেশ কয়েকটি জিহাদি বইসহ জামায়াত-শিবিরের ৮ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
    9
    0 Comments 0 Shares
  • স্ত্রীর সাথে করণীয় কিছু সুন্নাহ স্বামীর জন্য উপদেশ:-

    ★স্ত্রী গ্লাসের যে স্থানে ঠোঁট রেখে পানি পান করে সেই স্থানে ঠোঁট রেখে পানি পান করা সুন্নাহ।
    (মুসলিমঃ৫৭৯)

    ★স্ত্রীর কাছে চুল আঁচড়ে নেয়া সুন্নাহ। আয়েশা (রাঃ) রাসূল (ﷺ) এর চুল আঁচড়ে দিতেন
    (বুখারীঃ২৯৫, মুসলিমঃ৫৭১)

    ★স্ত্রীর ব্যাবহার করা মেসওয়াক দিয়ে মেসওয়াক করা সুন্নাহ। রাসূল সাঃ যখন মৃত্যু সজ্জায়, তখন রাসূল সাঃ আয়েশা রাঃ এর কোলে শুয়ে ছিলেন এবং রাসূল (ﷺ) বার বার মেসওয়াকের দিকে তাকাচ্ছিলেন, কিন্তু রাসূল সাঃ এতোটাই অসুস্থ ছিলেন যে মেসওয়াক চিবোতে পারবেন না, তাই আয়েশা (রাঃ) মেসওয়াক চিবিয়ে দেন এবং রাসূল (ﷺ) ঐ মেসওয়াক দিয়ে মেসওয়াক করেন। হাদীসে এভাবে লালা একত্রিত হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে (বুখারীঃ৫২২৬)

    ★স্ত্রীর সাথে একই সাথে গোসল করা সুন্নাহ। আয়েশা (রাঃ) এর সাথে এবং কখনো মাইমুনা (রাঃ) এর সাথে রাসূল (ﷺ) পবিত্রতার গোসল করতেন
    (মুসলিমঃ৬২০, নাসাঈঃ৩৮০)

    ★স্ত্রীর মুখের খাবার খাওয়া সুন্নাহ। আয়েশা (রাঃ) হাড় যুক্ত গোশত খাওয়ার পর রাসূল (ﷺ) আয়েশা রাঃ এর খাওয়া হাড় চুষে খেতেন। (মুসলিমঃ৫৭৯)

    ★স্ত্রীর সাথে খেলায় প্রতিযোগিতা করা সুন্নাহ। রাসূল (ﷺ) এবং আয়েশা (রাঃ) রাত্রীতে সবাই ঘুমোলে দৌড় প্রতিযোগিতা করতেন।
    (ইবনে মাজাহঃ১৯৭৯,আবু দাঊদঃ২৫৭৮)

    ★স্ত্রীর প্রশংসা করা সুন্নাহ। রাসূল (ﷺ) আয়েশা (রাঃ) সবার সেরা, এবং খাদিজা (রাঃ) এর ভালোবাসার প্রশংসা করতেন (বুখারীঃ৫২২৯, ৩৪১১)

    ★স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া বা সফরে যাওয়া সুন্নাহ। স্ত্রীদের সফরে নিয়ে যেতে রাসূল (ﷺ) লটারী করতেন, যার নাম আসতো তাকে নিয়ে ঘুরতে যেতেন। (বুখারীঃ২৫৯৩)

    ★শাওয়াল মাসে বিবাহ করা সুন্নাহ। (তিরমিযিঃ১০৯৩)

    ★স্ত্রীকে সুন্দর নামে ডাকা সুন্নাহ। (রাসূল (ﷺ) আয়েশা (রাঃ) কে হূমায়রা বলে ডাকতেন)

    ★স্ত্রী কে কখনো মারধর না করা সুন্নাহ। রাসূল (ﷺ) কখনো কারো উপর প্রতিশোধ নিতেন না, এবং স্ত্রীদের ও মার ধর করতেন না। (বুখারীঃ৫২০৪, বুখারীঃ ৬১২৬)

    ★স্ত্রীর কোলে মাথা রেখে কোরআন তেলায়ত করা সুন্নাহ। (বুখারীঃ২৯৭)

    ★স্ত্রীর কাজকর্মে সহযোগিতা করা সুন্নাহ। (বুখারীঃ ৬৭৬)

    ★হায়েয অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সাধারণ মেলামেশা করা সুন্নাহ। (বুখারীঃ৩০০)

    ★স্ত্রীর মুখে খাবারের লোকমা তুলে দেয়া সুন্নাহ। এবং স্ত্রীকে খাবার খাইয়ে দিলে তা সদকা হিসেবে কবুল হয়, এবং তার প্রতিদান রয়েছে। (আবু দাঊদঃ২৮৬৪)

    ★স্ত্রীর রাগ অভিমান এবং মন বোঝার চেষ্টা করা সুন্নাহ। রাসূল (ﷺ) বলেন আয়েশা তুমি আমার উপর রেগে থাকলে আমি বুঝতে পারি, আয়েশা (রাঃ) বলেন হে আল্লাহর রাসূল কিভাবে বোঝেন আপনি? রাসূল (ﷺ) বলেন তুমি যখন আমার উপর রেগে থাকো তখন বলো “হে ঈবরাহিম (আঃ) এর প্রভু” আল্লাহ কে এভাবে ডাকো, আর যখন খোশ মেজাজে থাকো তখন বলো, (“হে মুহাম্মদ (ﷺ) এর প্রভু” আল্লাহ কে এভাবে ডাকো।
    (বুখারীঃ৫২২৮)
    স্ত্রীর সাথে করণীয় কিছু সুন্নাহ স্বামীর জন্য উপদেশ:- ★স্ত্রী গ্লাসের যে স্থানে ঠোঁট রেখে পানি পান করে সেই স্থানে ঠোঁট রেখে পানি পান করা সুন্নাহ। (মুসলিমঃ৫৭৯) ★স্ত্রীর কাছে চুল আঁচড়ে নেয়া সুন্নাহ। আয়েশা (রাঃ) রাসূল (ﷺ) এর চুল আঁচড়ে দিতেন (বুখারীঃ২৯৫, মুসলিমঃ৫৭১) ★স্ত্রীর ব্যাবহার করা মেসওয়াক দিয়ে মেসওয়াক করা সুন্নাহ। রাসূল সাঃ যখন মৃত্যু সজ্জায়, তখন রাসূল সাঃ আয়েশা রাঃ এর কোলে শুয়ে ছিলেন এবং রাসূল (ﷺ) বার বার মেসওয়াকের দিকে তাকাচ্ছিলেন, কিন্তু রাসূল সাঃ এতোটাই অসুস্থ ছিলেন যে মেসওয়াক চিবোতে পারবেন না, তাই আয়েশা (রাঃ) মেসওয়াক চিবিয়ে দেন এবং রাসূল (ﷺ) ঐ মেসওয়াক দিয়ে মেসওয়াক করেন। হাদীসে এভাবে লালা একত্রিত হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে (বুখারীঃ৫২২৬) ★স্ত্রীর সাথে একই সাথে গোসল করা সুন্নাহ। আয়েশা (রাঃ) এর সাথে এবং কখনো মাইমুনা (রাঃ) এর সাথে রাসূল (ﷺ) পবিত্রতার গোসল করতেন (মুসলিমঃ৬২০, নাসাঈঃ৩৮০) ★স্ত্রীর মুখের খাবার খাওয়া সুন্নাহ। আয়েশা (রাঃ) হাড় যুক্ত গোশত খাওয়ার পর রাসূল (ﷺ) আয়েশা রাঃ এর খাওয়া হাড় চুষে খেতেন। (মুসলিমঃ৫৭৯) ★স্ত্রীর সাথে খেলায় প্রতিযোগিতা করা সুন্নাহ। রাসূল (ﷺ) এবং আয়েশা (রাঃ) রাত্রীতে সবাই ঘুমোলে দৌড় প্রতিযোগিতা করতেন। (ইবনে মাজাহঃ১৯৭৯,আবু দাঊদঃ২৫৭৮) ★স্ত্রীর প্রশংসা করা সুন্নাহ। রাসূল (ﷺ) আয়েশা (রাঃ) সবার সেরা, এবং খাদিজা (রাঃ) এর ভালোবাসার প্রশংসা করতেন (বুখারীঃ৫২২৯, ৩৪১১) ★স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া বা সফরে যাওয়া সুন্নাহ। স্ত্রীদের সফরে নিয়ে যেতে রাসূল (ﷺ) লটারী করতেন, যার নাম আসতো তাকে নিয়ে ঘুরতে যেতেন। (বুখারীঃ২৫৯৩) ★শাওয়াল মাসে বিবাহ করা সুন্নাহ। (তিরমিযিঃ১০৯৩) ★স্ত্রীকে সুন্দর নামে ডাকা সুন্নাহ। (রাসূল (ﷺ) আয়েশা (রাঃ) কে হূমায়রা বলে ডাকতেন) ★স্ত্রী কে কখনো মারধর না করা সুন্নাহ। রাসূল (ﷺ) কখনো কারো উপর প্রতিশোধ নিতেন না, এবং স্ত্রীদের ও মার ধর করতেন না। (বুখারীঃ৫২০৪, বুখারীঃ ৬১২৬) ★স্ত্রীর কোলে মাথা রেখে কোরআন তেলায়ত করা সুন্নাহ। (বুখারীঃ২৯৭) ★স্ত্রীর কাজকর্মে সহযোগিতা করা সুন্নাহ। (বুখারীঃ ৬৭৬) ★হায়েয অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সাধারণ মেলামেশা করা সুন্নাহ। (বুখারীঃ৩০০) ★স্ত্রীর মুখে খাবারের লোকমা তুলে দেয়া সুন্নাহ। এবং স্ত্রীকে খাবার খাইয়ে দিলে তা সদকা হিসেবে কবুল হয়, এবং তার প্রতিদান রয়েছে। (আবু দাঊদঃ২৮৬৪) ★স্ত্রীর রাগ অভিমান এবং মন বোঝার চেষ্টা করা সুন্নাহ। রাসূল (ﷺ) বলেন আয়েশা তুমি আমার উপর রেগে থাকলে আমি বুঝতে পারি, আয়েশা (রাঃ) বলেন হে আল্লাহর রাসূল কিভাবে বোঝেন আপনি? রাসূল (ﷺ) বলেন তুমি যখন আমার উপর রেগে থাকো তখন বলো “হে ঈবরাহিম (আঃ) এর প্রভু” আল্লাহ কে এভাবে ডাকো, আর যখন খোশ মেজাজে থাকো তখন বলো, (“হে মুহাম্মদ (ﷺ) এর প্রভু” আল্লাহ কে এভাবে ডাকো। (বুখারীঃ৫২২৮)
    5
    0 Comments 0 Shares
  • 💕💕💕স্বামীর ভালবাসা ও প্রীতি অর্জন💕💕💕

    💥মুসলিম নারীদেরকে কিছু
    মূল্যবান উপদেশঃ

    (১) বিভিন্ন উপলক্ষে স্বামীর হাতে,
    কপালে চুম্বন করা।
    (২) স্বামী বাইরে থেকে এলে সাথে
    সাথে স্বাগতম জানানোর জন্য দরজায়
    এগিয়ে আসা। তার হাতে কোন বস্তু
    থাকলে তা নিজের হাতে নেয়ার
    চেষ্টা করা।
    (৩) সময় ও মেজাজ বুঝে স্বামীর সামনে
    প্রেম-ভালবাসা মিশ্রিত বাক্যালাপ
    করা। তার সামনে তার প্রশংসা করা।
    সম্মান ও শ্রদ্ধা মূলক আচরণ করা।
    (৪) স্বামীর পোশাক-আশাকের
    পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষ খেয়াল
    রাখা। (পরিচ্ছন্ন পুরুষ মানেই তার স্ত্রী
    পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন)। রান্নার ক্ষেত্রে
    স্বামী যা পছন্দ করেন তা নিজ হাতে
    প্রস্তুত করতে সচেষ্ট থাকা।
    (৫) সর্বদা স্বামীর সামনে হাসি মুখে
    থাকা।
    (৬) স্বামীর জন্য নিজেকে সুসজ্জিত
    রাখা। শরীরে দুর্গন্ধ থাকলে বা
    রান্না ঘরের পোষাকে তার সম্মুখে
    না যাওয়া। মাসিক ঋতুর সময়ও সুসজ্জিত
    অবস্থায় থাকা।
    (৭) স্বামীর সামনে কখনই নিজের
    কন্ঠকে উঁচু না করা। নারীর সৌন্দর্য
    তার নম্র কন্ঠে।
    (৮) সন্তানদের সামনে স্বামীর প্রশংসা
    ও গুণগান করা।
    (৯) নিজের এবং স্বামীর পিতা-
    মাতা, ভাই-বোন ও আত্মীয়-স্বজনদের
    সামনে আল্লাহর কৃতজ্ঞতার সাথে
    সাথে স্বামীর প্রশংসা করা ও তার
    শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা। কখনই তার বিরুদ্ধে
    তাদের নিকট অভিযোগ না করা।
    (১০) সুযোগ বুঝে স্বামীকে নিজ হাতে
    লোকমা তুলে খাওয়ানো।
    (১১) কখনো স্বামীর আভ্যন্তরীন গোপন
    বিষয় অনুসন্ধান না করা। কেননা পবিত্র
    কুরআনের সুরা হুজুরাতের ১৩নং আয়াতে
    আল্লাহ্ বলেন, তোমরা কারো গোপন
    বিষয় অনুসন্ধান কর না।” আর নবী
    (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
    বলেন, তোমরা কারো প্রতি কুধারণা
    থেকে বেঁচে থাক। কেননা ধারণা
    সবচেয়ে বড় মিথ্যা।”
    (১২) স্বামী কখনো রাগান্বিত হলে চুপ
    থাকার চেষ্টা করা। সম্ভব হলে তার
    রাগ থামানোর চেষ্টা করা। যদি সে
    নাহক রেগে থাকে তবে অন্য সময় তার
    মেজাজ বুঝে সমঝোতার ব্যবস্থা করা।
    (১৩) স্বামীর মাতাকে নিজের পক্ষ
    থেকে (সাধ্যানুযায়ী) কিছু হাদিয়া-
    উপহার প্রদান করা।
    (১৪) সম্পদশালী হয়ে থাকলে স্বামীর
    অভাব অনটনের সময় তাকে সহযোগিতা
    করা।
    (১৫) স্বামীর অনুমতি ছাড়া; কখনই নিজ
    গৃহ থেকে বের না হওয়া।
    (১৬) স্বামীর নির্দেশ পালন, তার এবং
    তার সংসারের খেদমত প্রভৃতির
    মাধ্যমে আল্লাহর কাছে প্রতিদানের
    আশা করা।

    আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আমাদের
    সকল মুসলিম মেয়েদেরকে মূল্যবান এই
    নসীহতগুলো মেনে চলার তৌফিক দাণ
    করুক।
    💕💕💕স্বামীর ভালবাসা ও প্রীতি অর্জন💕💕💕 💥মুসলিম নারীদেরকে কিছু মূল্যবান উপদেশঃ (১) বিভিন্ন উপলক্ষে স্বামীর হাতে, কপালে চুম্বন করা। (২) স্বামী বাইরে থেকে এলে সাথে সাথে স্বাগতম জানানোর জন্য দরজায় এগিয়ে আসা। তার হাতে কোন বস্তু থাকলে তা নিজের হাতে নেয়ার চেষ্টা করা। (৩) সময় ও মেজাজ বুঝে স্বামীর সামনে প্রেম-ভালবাসা মিশ্রিত বাক্যালাপ করা। তার সামনে তার প্রশংসা করা। সম্মান ও শ্রদ্ধা মূলক আচরণ করা। (৪) স্বামীর পোশাক-আশাকের পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা। (পরিচ্ছন্ন পুরুষ মানেই তার স্ত্রী পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন)। রান্নার ক্ষেত্রে স্বামী যা পছন্দ করেন তা নিজ হাতে প্রস্তুত করতে সচেষ্ট থাকা। (৫) সর্বদা স্বামীর সামনে হাসি মুখে থাকা। (৬) স্বামীর জন্য নিজেকে সুসজ্জিত রাখা। শরীরে দুর্গন্ধ থাকলে বা রান্না ঘরের পোষাকে তার সম্মুখে না যাওয়া। মাসিক ঋতুর সময়ও সুসজ্জিত অবস্থায় থাকা। (৭) স্বামীর সামনে কখনই নিজের কন্ঠকে উঁচু না করা। নারীর সৌন্দর্য তার নম্র কন্ঠে। (৮) সন্তানদের সামনে স্বামীর প্রশংসা ও গুণগান করা। (৯) নিজের এবং স্বামীর পিতা- মাতা, ভাই-বোন ও আত্মীয়-স্বজনদের সামনে আল্লাহর কৃতজ্ঞতার সাথে সাথে স্বামীর প্রশংসা করা ও তার শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরা। কখনই তার বিরুদ্ধে তাদের নিকট অভিযোগ না করা। (১০) সুযোগ বুঝে স্বামীকে নিজ হাতে লোকমা তুলে খাওয়ানো। (১১) কখনো স্বামীর আভ্যন্তরীন গোপন বিষয় অনুসন্ধান না করা। কেননা পবিত্র কুরআনের সুরা হুজুরাতের ১৩নং আয়াতে আল্লাহ্ বলেন, তোমরা কারো গোপন বিষয় অনুসন্ধান কর না।” আর নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা কারো প্রতি কুধারণা থেকে বেঁচে থাক। কেননা ধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।” (১২) স্বামী কখনো রাগান্বিত হলে চুপ থাকার চেষ্টা করা। সম্ভব হলে তার রাগ থামানোর চেষ্টা করা। যদি সে নাহক রেগে থাকে তবে অন্য সময় তার মেজাজ বুঝে সমঝোতার ব্যবস্থা করা। (১৩) স্বামীর মাতাকে নিজের পক্ষ থেকে (সাধ্যানুযায়ী) কিছু হাদিয়া- উপহার প্রদান করা। (১৪) সম্পদশালী হয়ে থাকলে স্বামীর অভাব অনটনের সময় তাকে সহযোগিতা করা। (১৫) স্বামীর অনুমতি ছাড়া; কখনই নিজ গৃহ থেকে বের না হওয়া। (১৬) স্বামীর নির্দেশ পালন, তার এবং তার সংসারের খেদমত প্রভৃতির মাধ্যমে আল্লাহর কাছে প্রতিদানের আশা করা। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সকল মুসলিম মেয়েদেরকে মূল্যবান এই নসীহতগুলো মেনে চলার তৌফিক দাণ করুক।
    3
    0 Comments 0 Shares
  • পশ্চিম বাংলার নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ

    তৃতীয়বারের মত বিধানসভার নির্বাচনে তৃনমুল কংগ্রেস দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করেছে। এবারের নির্বাচনের শুরুতে ক্ষমতাসীন বিজেপি আদাজল খেয়ে নেমেছিল যেভাবেই হোক পশ্চিম বাংলা কে দখল করতে হবে।

    তারা তৃনমুলের অনেক প্রভাবশালী নেতাকে দলে ভিড়ায় এবং সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে তৃনমুল কংগ্রেস কে কোনঠাসা করার চেষ্টা করে। এছাড়াও বিপুল টাকা কড়ি খরচ করে টালিউডের বেশকিছু নায়ক-নায়িকাদের প্রার্থী করে এবং মিডিয়ার মাধ্যমে এমন একটা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করে যে পশ্চিম বাংলায় বিজেপির জোয়ারে তৃনমুল একেবারে ভেসে গেছে।

    মোদি এবং অমিতশাহ সহ বিজেপির বহু ডাকসাইটে নেতা বিভিন্ন জনসভায় উস্কানীমূলক বক্তব্য দিতে থাকে এমনকি মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর উপর হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মক ভাবে জখম করে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ফোর্স দিয়ে বেপরোয়া গুলি চালিয়ে বহু তৃনমুল সমর্থক কে হতাহত করে একটা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে।

    অপরদিক সংখ্যালগু মুসলিম ভোট যাতে একচেটিয়া তৃনমুল না পায় তৎজন্য ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস ছিদ্দিকীকে কৌশলে মাঠে নামায়।
    বিজেপির এসব কার্যক্রমে একপর্যায়ে সবাই ধারণা করছিলো দিদি মনে হয় এবার আর ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে না।

    কিন্তু সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায় মোদির বাংলাদেশ সফরের পর।মোদির সফরের সংহিস প্রতিবাদ বিক্ষোভে শুধু পশ্চিম বাংলায় নয় বরং সমগ্র ভারতে মোদি তথা বিজেপি লজ্জাজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয় এবং রাজনৈতিকভাবে বিজেপি কোনঠাসা হয়ে পড়ে।

    সবচেয়ে বড় কথা হলো মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে বিশ/ একুশজন মাদ্রাসা ছাত্র কে হত্যা,বহু সংখ্যক কে আহত করা, বিভিন্ন স্থানে মসজিদ ও মাদ্রাসায় হামলা সহ বহু আলেম-ওলামা কে গ্রেফতারের বিষয়টি পশ্চিম বাংলার মুসলিম ভোটাররা ভালোভাবে নেয়নি, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে নির্বাচনে।

    এছাড়াও বিজেপির দুঃশাসনসহ নাগরিকত্ব নির্ধারণ ইস্যুটিও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বিজেপির ভোটে। সবমিলিয়ে বিজেপির উগ্র সাম্প্রদায়িক নীতি কে প্রত্যাখ্যান করায় পশ্চিম বাংলার ভোটারদের কে অভিনন্দন জানাই।
    পশ্চিম বাংলার নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ তৃতীয়বারের মত বিধানসভার নির্বাচনে তৃনমুল কংগ্রেস দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করেছে। এবারের নির্বাচনের শুরুতে ক্ষমতাসীন বিজেপি আদাজল খেয়ে নেমেছিল যেভাবেই হোক পশ্চিম বাংলা কে দখল করতে হবে। তারা তৃনমুলের অনেক প্রভাবশালী নেতাকে দলে ভিড়ায় এবং সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে তৃনমুল কংগ্রেস কে কোনঠাসা করার চেষ্টা করে। এছাড়াও বিপুল টাকা কড়ি খরচ করে টালিউডের বেশকিছু নায়ক-নায়িকাদের প্রার্থী করে এবং মিডিয়ার মাধ্যমে এমন একটা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করে যে পশ্চিম বাংলায় বিজেপির জোয়ারে তৃনমুল একেবারে ভেসে গেছে। মোদি এবং অমিতশাহ সহ বিজেপির বহু ডাকসাইটে নেতা বিভিন্ন জনসভায় উস্কানীমূলক বক্তব্য দিতে থাকে এমনকি মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর উপর হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মক ভাবে জখম করে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ফোর্স দিয়ে বেপরোয়া গুলি চালিয়ে বহু তৃনমুল সমর্থক কে হতাহত করে একটা ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। অপরদিক সংখ্যালগু মুসলিম ভোট যাতে একচেটিয়া তৃনমুল না পায় তৎজন্য ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস ছিদ্দিকীকে কৌশলে মাঠে নামায়। বিজেপির এসব কার্যক্রমে একপর্যায়ে সবাই ধারণা করছিলো দিদি মনে হয় এবার আর ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে না। কিন্তু সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায় মোদির বাংলাদেশ সফরের পর।মোদির সফরের সংহিস প্রতিবাদ বিক্ষোভে শুধু পশ্চিম বাংলায় নয় বরং সমগ্র ভারতে মোদি তথা বিজেপি লজ্জাজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয় এবং রাজনৈতিকভাবে বিজেপি কোনঠাসা হয়ে পড়ে। সবচেয়ে বড় কথা হলো মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে বিশ/ একুশজন মাদ্রাসা ছাত্র কে হত্যা,বহু সংখ্যক কে আহত করা, বিভিন্ন স্থানে মসজিদ ও মাদ্রাসায় হামলা সহ বহু আলেম-ওলামা কে গ্রেফতারের বিষয়টি পশ্চিম বাংলার মুসলিম ভোটাররা ভালোভাবে নেয়নি, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে নির্বাচনে। এছাড়াও বিজেপির দুঃশাসনসহ নাগরিকত্ব নির্ধারণ ইস্যুটিও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বিজেপির ভোটে। সবমিলিয়ে বিজেপির উগ্র সাম্প্রদায়িক নীতি কে প্রত্যাখ্যান করায় পশ্চিম বাংলার ভোটারদের কে অভিনন্দন জানাই।
    4
    0 Comments 0 Shares
  • পর্দা
    মোঃ নিজাম উদ্দিন

    ঐ দেখা যায় পর্দার তলে-
    পা বেরিয়া আছে-
    - শয়তানেরাও হার মেনে যায়
    এসব লোকের কাছে-

    -রোজা এলেই পর্দা করে
    খায় লুকিয়ে এরা-
    - এদের দেখে ইবলিশ বলে,
    'আমার চেয়েও সেরা'-

    -পরিবারের সবার সাথে
    বাসায় যখন থাকে-
    -চোরের মতো খাবার খোঁজে
    গন্ধটা নেয় নাকে-

    -ইফতারিতে ভুল করে না
    সবার আগেই আসে-
    -হরেকরকম খাবার দেখে
    মিটমিটিয়ে হাসে-

    -এটাই হলো ওদের স্বভাব
    কী আর হবে বলে-
    -সৃষ্টির সেরা মানুষ হয়েও
    জানোয়ারের দলে-
    পর্দা মোঃ নিজাম উদ্দিন ঐ দেখা যায় পর্দার তলে- পা বেরিয়া আছে- - শয়তানেরাও হার মেনে যায় এসব লোকের কাছে- -রোজা এলেই পর্দা করে খায় লুকিয়ে এরা- - এদের দেখে ইবলিশ বলে, 'আমার চেয়েও সেরা'- -পরিবারের সবার সাথে বাসায় যখন থাকে- -চোরের মতো খাবার খোঁজে গন্ধটা নেয় নাকে- -ইফতারিতে ভুল করে না সবার আগেই আসে- -হরেকরকম খাবার দেখে মিটমিটিয়ে হাসে- -এটাই হলো ওদের স্বভাব কী আর হবে বলে- -সৃষ্টির সেরা মানুষ হয়েও জানোয়ারের দলে-
    6
    1 Comments 0 Shares
More Stories