যুদ্ধ কর... ভালবাস... প্রার্থনা কর বাচার জন্য লড়াই কর তবেই জীবনে সফলতা আসবে
  • Verified Member
  • Male
  • Single
  • Followed by 132 people
Recent Updates
  • 6
    1 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • "কঠোর লকডাউন শুরু"

    দেখে নিন বিস্তারিত

    ঈদুল আজহার সময় মানুষের চলাচল ও পশুরহাটে কেনাবেচার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করেছিল সরকার।

    এ সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আজ সকাল ৬টা থেকে শুরু হলো কঠোর লকডাউন। এ লকডাউন বহাল থাকবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।
    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল ঈদের আগেই।

    আগের লকডাউনে গার্মেন্টস খোলা থাকলেও এবার সবকিছু বন্ধ। কঠোর লকডাউনের আওতায় আসবে সারাদেশ। বন্ধ থাকবে গার্মেন্টস, শিল্প-কলকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে ২৩ দফা নির্দেশনা দিয়ে আজ ভোর ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

    ২৩ দফা নির্দেশনা

    ১. ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে।

    ২. সড়ক, রেল ও নৌ-পথে গণপরিবহণ (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

    ৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

    ৪. সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

    ৫. সব শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

    ৬. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি বন্ধ থাকবে।

    ৭. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

    ৮ ব্যাংকিং/বীমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিকপ্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

    ৯. সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কাজসমূহ ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন।

    ১০. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন-কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহণ/বিক্রয়, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোডিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশাকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

    ১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

    ১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

    ১৩. বন্দরসমুহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

    ১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

    ১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

    ১৭. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন টেকঅ্যাওয়ে) করতে পারবে।

    ১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট/প্রমাণ প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

    ২০ ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

    ২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

    ২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

    ২৩. সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮-এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।
    "কঠোর লকডাউন শুরু" দেখে নিন বিস্তারিত ঈদুল আজহার সময় মানুষের চলাচল ও পশুরহাটে কেনাবেচার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করেছিল সরকার। এ সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আজ সকাল ৬টা থেকে শুরু হলো কঠোর লকডাউন। এ লকডাউন বহাল থাকবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল ঈদের আগেই। আগের লকডাউনে গার্মেন্টস খোলা থাকলেও এবার সবকিছু বন্ধ। কঠোর লকডাউনের আওতায় আসবে সারাদেশ। বন্ধ থাকবে গার্মেন্টস, শিল্প-কলকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে ২৩ দফা নির্দেশনা দিয়ে আজ ভোর ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। ২৩ দফা নির্দেশনা ১. ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে। ২. সড়ক, রেল ও নৌ-পথে গণপরিবহণ (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। ৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। ৪. সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। ৫. সব শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে। ৬. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি বন্ধ থাকবে। ৭. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। ৮ ব্যাংকিং/বীমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিকপ্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। ৯. সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কাজসমূহ ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন। ১০. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন-কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহণ/বিক্রয়, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোডিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশাকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে। ১১. বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। ১২. জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌযান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে। ১৩. বন্দরসমুহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে। ১৪. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে। ১৫. অতি জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১৬. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে। ১৭. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন টেকঅ্যাওয়ে) করতে পারবে। ১৮. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট/প্রমাণ প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে। ২০ ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। ২১. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। ২২. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে। ২৩. সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮-এর আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।
    3
    0 Comments 0 Shares
  • পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা "ঈদ মোবারক "
    পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা "ঈদ মোবারক "
    4
    0 Comments 0 Shares
  • 8
    2 Comments 0 Shares
  • 8 years ago me & my friend
    8 years ago me & my friend
    5
    1 Comments 0 Shares
  • -সোনালী গম্বুজের মসজিদটা নাকি মসজিদুল আকসা না, কালো গম্বুজের মসজিদটাই নাকি আল আকসা!!-

    ফিলিস্তিন বিষয়ক কোন ইস্যু সামনে এলেই ফেসবুকে একটা কথা খুব ভাইরাল হয়- সোনালী গম্বুজের মসজিদটা নাকি মসজিদুল আকসা না, কালো গম্বুজের মসজিদটাই নাকি আল আকসা। ‘ষড়যন্ত্র’ করে নাকি ভিন্ন মসজিদকে আল আকসা বলে চালানো হয়!

    অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার যে অধিকাংশ মুসলিমেরই ধারণা নেই “মসজিদুল আকসা” আসলে কী। আমরা কোনটা ‘ষড়যন্ত্র’ আর কোনটা ‘অজ্ঞতা’ সেটাই বুঝি না। তাই ভুলভাল তথ্যে ভরা ষড়যন্ত্র তত্ত্বগুলো ভাইরাল হয়।
    .
    ‘মসজিদুল আকসা’ যে আসলে কী, সেটা কুরআনেই আছে। আমরা খেয়াল করে পড়ি না বিধায় বুঝি না। কালো গম্বুজের মসজিদটা প্রথম নির্মাণ করেন উমার(রা.), তাঁর খিলাফতকালে ফিলিস্তিন বিজয়ের পরে।

    সোনালী গম্বুজের মসজিদটা (কুব্বাতুস সাখরা/Dome of Rock) নির্মাণ করেন উমাইয়া শাসক আব্দুল মালিক বিন মারওয়ান, ৭২ হিজরিতে। [১] এর একটা মসজিদও রাসুল(ﷺ) এর জীবদ্দশায় ছিলো না। অথচ রাসুল(ﷺ) মসজিদুল আকসায় গিয়েছেন বলে কুরআনে উল্লেখ আছে! তিনি মসজিদুল আকসায় গিয়েছিলেন ইসরা-মিরাজের রাতে।
    .
    “পবিত্র মহান সে সত্তা, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে নিয়ে গিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে #মসজিদুল_আকসা পর্যন্ত, যার আশপাশে আমি বরকত দিয়েছি, যেন আমি তাকে আমার কিছু নিদর্শন দেখাতে পারি। তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।”
    [আল কুরআন, বনী ইস্রাঈল (ইসরা) ১৭ : ১]
    .
    কালো গম্বুজ বা সোনালী গম্বুজ - এই ২ মসজিদ নির্মানেরও আগে থেকে “মসজিদুল আকসা” ছিল বলে আল কুরআন থেকেই প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে! “মসজিদুল আকসা” তাহলে কোনটা? 🤔
    .
    শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবন তাইমিয়া(র.) বলেছেন,
    “মসজিদুল আকসা সেই পুরো এলাকার নাম, যেখানে সুলাইমান(আ.) মসজিদ বানিয়েছিলেন।”
    [মাজমু’আতুর রাসাইল আল কুবরা ২/৬১]
    .
    ফিলিস্তিন বিষয়ক বিশ্বকোষ ‘মাউসুআতুল ফিলাসতিনিয়্যাহ’তে বলা হয়েছে,
    .
    “”মসজিদুল আকসা” এই নামটি ঐতিহাসিকভাবে পুরো হারাম শারিফ এলাকাটিকে এবং এর মাঝের ইমারতগুলোকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।”
    [মাউসুআতুল ফিলাসতিনিয়্যাহ ৪/২০৩] [২]
    .
    Islamqa (Hanafi) ওয়েবসাইটের এক ফতোয়াতে অনেক পূর্বযুগের উলামার রেফারেন্স উল্লেখ করে বলা হয়েছেঃ
    .
    Masjid al-Aqsa covers one-sixth of the south east area of old Jerusalem. The whole area within the compound walls (a total area of 144,000 m2) is Masjid al-Aqsa. Masjid al-Qibli, Dome of the Rock, Masjid al-Buraq are all inside the compound of Masjid al-Aqsa. Some people have a misconception that Masjid a-Qibli is only the Masjid. This is incorrect. The entire compound is a Masjid.

    অর্থঃ পুরাতন জেরুজালেমের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের এলাকার ৬ ভাগের ১ অংশ জুড়ে মসজিদুল আকসা অবস্থিত। সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘেরা পুরো এলাকাটিই (মোট ১৪৪,০০০ বর্গমিটার) ‘মসজিদুল আকসা’। মসজিদুল কিবলি, কুব্বাতুস সাখরা, মসজিদুল বুরাক এই সবগুলোই ‘মসজিদুল আকসা’ এলাকার মধ্যে অবস্থিত। কারো কারো একটি ভুল ধারণা আছে যে মসজিদুল কিবলি (কালো গম্বুজের) বুঝি একমাত্র , মসজিদ (আল আকসা)। এমন ধারণা সঠিক নয়। পুরো এলাকাটিই মসজিদ (আল আকসা)। [৩]
    .
    অর্থাৎ, নির্দিষ্ট কোনো ইমারত না বরং পুরো এলাকাটিই ‘মসজিদুল আকসা’। এর মাঝের যে কোনো ইমারত বা মসজিদ, খালি জায়গা – সবই ‘মসজিদুল আকসা’র অন্তর্ভুক্ত। ঠিক যেমন মক্কায় মসজিদুল হারাম একটা নির্দিষ্ট এলাকা জুড়ে অবস্থিত। এই এলাকার মধ্যে কাবা ঘর আছে, ইমারত আছে, খালি জায়গাও আছে। এই নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সবটাই ‘মসজিদুল হারাম’। মসজিদুল আকসার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই।

    রাসুল(ﷺ) ইসরা-মিরাজের রাতে যখন মসজিদুল আকসায় গিয়েছিলেন, তখন কিন্তু সেখানে কোনো ইমারত ছিলো না। সীমানাপ্রাচীর দিয়ে ঘেরা খালি স্থানটিই ছিলো 'মসজিদ'। [৩.৫] ঐ স্থানেই বহুকাল পূর্বে সুলাইমান(আ.) এবং বনী ইস্রাঈলের নবীদের মসজিদ ছিলো। মসজিদুল আকসা এলাকার মধ্যেই উমার(রা.) একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। সেই মসজিদেরই বর্তমান রূপ কালো গম্বুজের মসজিদটি। এই মসজিদটি উমারী মসজিদ ও কিবলি মসজিদ নামে পরিচিত।

    সোনালী গম্বুজের মসজিদটির নাম কুব্বাতুস সাখরা (Dome of Rock)। উমারী মসজিদ, কুব্বাতুস সাখরা – উভয়ই মসজিদুল আকসা এলাকার মাঝে। কাজেই এর যে কোনোটিতে সলাত আদায় মানেই ‘মসজিদুল আকসা’তে সলাত আদায় করা। এমনকি ঐ এলাকার মাঝের খালিও জায়গায় সলাত আদায় করলেও তা ‘মসজিদুল আকসা’তে সলাত আদায় রূপে গণ্য হবে। বাইতুল মুকাদ্দাস/বাইতুল মাকদিস কথাটি মসজিদুল আকসাকে বোঝাতেই ব্যবহৃত হয়।
    .
    The Palestinian Academic Society for the Study of International Affairs (PASSIA) থেকে প্রকাশিত ট্র্যাভেল গাইডেও জনসাধারণের এই ভুল ধারণার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। ট্র্যাভেল গাইডের ৪-৫ নং পৃষ্ঠায় পুরো আল আকসা এলাকার ছবি উল্লেখ করে এর নিচে বলা হয়েছেঃ
    “Al-Aqsa Mosque is often confused with the silver domed Al-Qibly Mosque which from an Islamic point of view is incorrect as it comprises the entire compound.” [৪]
    .
    কাজেই ফেসবুক বা অন্যান্য স্থানে যেভাবে বলা হয়ঃ কালো মসজিসদটাই ‘আসল’ আল আকসা মসজিদ, অন্য মসজিদটা না!” – এমন কথা নিতান্তই অজ্ঞতাপ্রসূত। উভয় মসজিদই আল আকসা এলাকার ভেতরে। আফসোসের বিষয় হলো আমরা জেরুজালেম ও ফিলিস্তিন বিজয় করতে চাই অথচ আল আকসা মসজিদ কী এটাই জানি না! আমাদের প্রথম কিবলা যে কেমন ছিলো এই ধরণের বেসিক জ্ঞানই আমরা অনেকে আজ পর্যন্ত অর্জন করিনি।
    .
    পোস্টের ছবিটি islamiclandmarks সাইট থেকে নেয়া হয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে চিত্রসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। [৫]
    .
    .
    __ __ __
    [১] https://islamqa.info/en/20903/
    [২] https://www.palestinapedia.net//المسجد-الأقصى/
    [৩] https://islamqa.org/hanafi/askimam/127616
    [৩.৫] এখানে একটা প্রশ্ন আসতে পারে, সেই খালি জায়গা যদি মসজিদুল আকসা হয়, তাহলে ইসরা-মিরাজের পরে রাসুল(ﷺ) এর কাছে কুরাঈশরা কোন 'দরজা'র কথা জিজ্ঞেস করেছিলো যদি সেখানে তখন কোনো মসজিদের ইমারত না থেকে থাকে?

    এর সংক্ষিপ্ত উত্তর হচ্ছেঃ সেখানে পুরো আল আকসা এলাকা যে সীমানাপ্রাচীর দ্বারা ঘেরা ছিল, সেই সীমানাপ্রাচীরের দরজার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে দলিলসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এখানেঃ https://is.gd/2yRYYs
    [৪] http://www.passia.org/media/filer_public/5d/18/5d18192f-efb4-4d3d-abc5-08f7d2122576/aqsa-en-compressed.pdf
    [৫] https://www.islamiclandmarks.com/palestine-masjid-al-aqsa/masjid-al-aqsa

    মূল- মু. মুশফিকুর রহমান মিনার©
    -সোনালী গম্বুজের মসজিদটা নাকি মসজিদুল আকসা না, কালো গম্বুজের মসজিদটাই নাকি আল আকসা!!- ফিলিস্তিন বিষয়ক কোন ইস্যু সামনে এলেই ফেসবুকে একটা কথা খুব ভাইরাল হয়- সোনালী গম্বুজের মসজিদটা নাকি মসজিদুল আকসা না, কালো গম্বুজের মসজিদটাই নাকি আল আকসা। ‘ষড়যন্ত্র’ করে নাকি ভিন্ন মসজিদকে আল আকসা বলে চালানো হয়! অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার যে অধিকাংশ মুসলিমেরই ধারণা নেই “মসজিদুল আকসা” আসলে কী। আমরা কোনটা ‘ষড়যন্ত্র’ আর কোনটা ‘অজ্ঞতা’ সেটাই বুঝি না। তাই ভুলভাল তথ্যে ভরা ষড়যন্ত্র তত্ত্বগুলো ভাইরাল হয়। . ‘মসজিদুল আকসা’ যে আসলে কী, সেটা কুরআনেই আছে। আমরা খেয়াল করে পড়ি না বিধায় বুঝি না। কালো গম্বুজের মসজিদটা প্রথম নির্মাণ করেন উমার(রা.), তাঁর খিলাফতকালে ফিলিস্তিন বিজয়ের পরে। সোনালী গম্বুজের মসজিদটা (কুব্বাতুস সাখরা/Dome of Rock) নির্মাণ করেন উমাইয়া শাসক আব্দুল মালিক বিন মারওয়ান, ৭২ হিজরিতে। [১] এর একটা মসজিদও রাসুল(ﷺ) এর জীবদ্দশায় ছিলো না। অথচ রাসুল(ﷺ) মসজিদুল আকসায় গিয়েছেন বলে কুরআনে উল্লেখ আছে! তিনি মসজিদুল আকসায় গিয়েছিলেন ইসরা-মিরাজের রাতে। . “পবিত্র মহান সে সত্তা, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে নিয়ে গিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে #মসজিদুল_আকসা পর্যন্ত, যার আশপাশে আমি বরকত দিয়েছি, যেন আমি তাকে আমার কিছু নিদর্শন দেখাতে পারি। তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।” [আল কুরআন, বনী ইস্রাঈল (ইসরা) ১৭ : ১] . কালো গম্বুজ বা সোনালী গম্বুজ - এই ২ মসজিদ নির্মানেরও আগে থেকে “মসজিদুল আকসা” ছিল বলে আল কুরআন থেকেই প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে! “মসজিদুল আকসা” তাহলে কোনটা? 🤔 . শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবন তাইমিয়া(র.) বলেছেন, “মসজিদুল আকসা সেই পুরো এলাকার নাম, যেখানে সুলাইমান(আ.) মসজিদ বানিয়েছিলেন।” [মাজমু’আতুর রাসাইল আল কুবরা ২/৬১] . ফিলিস্তিন বিষয়ক বিশ্বকোষ ‘মাউসুআতুল ফিলাসতিনিয়্যাহ’তে বলা হয়েছে, . “”মসজিদুল আকসা” এই নামটি ঐতিহাসিকভাবে পুরো হারাম শারিফ এলাকাটিকে এবং এর মাঝের ইমারতগুলোকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।” [মাউসুআতুল ফিলাসতিনিয়্যাহ ৪/২০৩] [২] . Islamqa (Hanafi) ওয়েবসাইটের এক ফতোয়াতে অনেক পূর্বযুগের উলামার রেফারেন্স উল্লেখ করে বলা হয়েছেঃ . Masjid al-Aqsa covers one-sixth of the south east area of old Jerusalem. The whole area within the compound walls (a total area of 144,000 m2) is Masjid al-Aqsa. Masjid al-Qibli, Dome of the Rock, Masjid al-Buraq are all inside the compound of Masjid al-Aqsa. Some people have a misconception that Masjid a-Qibli is only the Masjid. This is incorrect. The entire compound is a Masjid. অর্থঃ পুরাতন জেরুজালেমের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের এলাকার ৬ ভাগের ১ অংশ জুড়ে মসজিদুল আকসা অবস্থিত। সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘেরা পুরো এলাকাটিই (মোট ১৪৪,০০০ বর্গমিটার) ‘মসজিদুল আকসা’। মসজিদুল কিবলি, কুব্বাতুস সাখরা, মসজিদুল বুরাক এই সবগুলোই ‘মসজিদুল আকসা’ এলাকার মধ্যে অবস্থিত। কারো কারো একটি ভুল ধারণা আছে যে মসজিদুল কিবলি (কালো গম্বুজের) বুঝি একমাত্র , মসজিদ (আল আকসা)। এমন ধারণা সঠিক নয়। পুরো এলাকাটিই মসজিদ (আল আকসা)। [৩] . অর্থাৎ, নির্দিষ্ট কোনো ইমারত না বরং পুরো এলাকাটিই ‘মসজিদুল আকসা’। এর মাঝের যে কোনো ইমারত বা মসজিদ, খালি জায়গা – সবই ‘মসজিদুল আকসা’র অন্তর্ভুক্ত। ঠিক যেমন মক্কায় মসজিদুল হারাম একটা নির্দিষ্ট এলাকা জুড়ে অবস্থিত। এই এলাকার মধ্যে কাবা ঘর আছে, ইমারত আছে, খালি জায়গাও আছে। এই নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সবটাই ‘মসজিদুল হারাম’। মসজিদুল আকসার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। রাসুল(ﷺ) ইসরা-মিরাজের রাতে যখন মসজিদুল আকসায় গিয়েছিলেন, তখন কিন্তু সেখানে কোনো ইমারত ছিলো না। সীমানাপ্রাচীর দিয়ে ঘেরা খালি স্থানটিই ছিলো 'মসজিদ'। [৩.৫] ঐ স্থানেই বহুকাল পূর্বে সুলাইমান(আ.) এবং বনী ইস্রাঈলের নবীদের মসজিদ ছিলো। মসজিদুল আকসা এলাকার মধ্যেই উমার(রা.) একটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। সেই মসজিদেরই বর্তমান রূপ কালো গম্বুজের মসজিদটি। এই মসজিদটি উমারী মসজিদ ও কিবলি মসজিদ নামে পরিচিত। সোনালী গম্বুজের মসজিদটির নাম কুব্বাতুস সাখরা (Dome of Rock)। উমারী মসজিদ, কুব্বাতুস সাখরা – উভয়ই মসজিদুল আকসা এলাকার মাঝে। কাজেই এর যে কোনোটিতে সলাত আদায় মানেই ‘মসজিদুল আকসা’তে সলাত আদায় করা। এমনকি ঐ এলাকার মাঝের খালিও জায়গায় সলাত আদায় করলেও তা ‘মসজিদুল আকসা’তে সলাত আদায় রূপে গণ্য হবে। বাইতুল মুকাদ্দাস/বাইতুল মাকদিস কথাটি মসজিদুল আকসাকে বোঝাতেই ব্যবহৃত হয়। . The Palestinian Academic Society for the Study of International Affairs (PASSIA) থেকে প্রকাশিত ট্র্যাভেল গাইডেও জনসাধারণের এই ভুল ধারণার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। ট্র্যাভেল গাইডের ৪-৫ নং পৃষ্ঠায় পুরো আল আকসা এলাকার ছবি উল্লেখ করে এর নিচে বলা হয়েছেঃ “Al-Aqsa Mosque is often confused with the silver domed Al-Qibly Mosque which from an Islamic point of view is incorrect as it comprises the entire compound.” [৪] . কাজেই ফেসবুক বা অন্যান্য স্থানে যেভাবে বলা হয়ঃ কালো মসজিসদটাই ‘আসল’ আল আকসা মসজিদ, অন্য মসজিদটা না!” – এমন কথা নিতান্তই অজ্ঞতাপ্রসূত। উভয় মসজিদই আল আকসা এলাকার ভেতরে। আফসোসের বিষয় হলো আমরা জেরুজালেম ও ফিলিস্তিন বিজয় করতে চাই অথচ আল আকসা মসজিদ কী এটাই জানি না! আমাদের প্রথম কিবলা যে কেমন ছিলো এই ধরণের বেসিক জ্ঞানই আমরা অনেকে আজ পর্যন্ত অর্জন করিনি। . পোস্টের ছবিটি islamiclandmarks সাইট থেকে নেয়া হয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে চিত্রসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। [৫] . . __ __ __ [১] https://islamqa.info/en/20903/ [২] https://www.palestinapedia.net//المسجد-الأقصى/ [৩] https://islamqa.org/hanafi/askimam/127616 [৩.৫] এখানে একটা প্রশ্ন আসতে পারে, সেই খালি জায়গা যদি মসজিদুল আকসা হয়, তাহলে ইসরা-মিরাজের পরে রাসুল(ﷺ) এর কাছে কুরাঈশরা কোন 'দরজা'র কথা জিজ্ঞেস করেছিলো যদি সেখানে তখন কোনো মসজিদের ইমারত না থেকে থাকে? এর সংক্ষিপ্ত উত্তর হচ্ছেঃ সেখানে পুরো আল আকসা এলাকা যে সীমানাপ্রাচীর দ্বারা ঘেরা ছিল, সেই সীমানাপ্রাচীরের দরজার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে দলিলসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এখানেঃ https://is.gd/2yRYYs [৪] http://www.passia.org/media/filer_public/5d/18/5d18192f-efb4-4d3d-abc5-08f7d2122576/aqsa-en-compressed.pdf [৫] https://www.islamiclandmarks.com/palestine-masjid-al-aqsa/masjid-al-aqsa মূল- মু. মুশফিকুর রহমান মিনার©
    4
    0 Comments 0 Shares
  • বালুবোঝাই বাল্কহেড ও স্পিডবোট সংঘর্ষ, ২৬ মরদেহ উদ্ধার

    মাদারীপুরের শিবচরে থেমে থাকা বালুবোঝাই বাল্কহেডে স্পিডবোটের ধাক্কায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও পাঁচজনকে।

    শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহতদের মধ্যে ২৪ জনের লাশ নদীর পাড়ে রয়েছে। দু’জন হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যাওয়ায় সেখানেই তাদের লাশ রাখা হয়েছে।

    সোমবার (০৩ মে) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন।

    ওসি জানান, শিমুলিয়া থেকে সোমবার সকাল পৌনে ৭টায় স্পিডবোটটি ছেড়ে আসে। এ সময় কাঁঠালবাড়ীর পুরাতন ঘাটে থেমে থাকা বালুবোঝাই একটি বাল্কহেডে ধাক্কা দিয়ে ডুবে যায় স্পিডবোটটি। এ সময় সব যাত্রী পানিতে পড়ে যান। পরে নদী থেকে একে একে ২৪টি লাশ উদ্ধার করা হয়। ৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

    স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এখনও উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ওসি মিরাজ।
    বালুবোঝাই বাল্কহেড ও স্পিডবোট সংঘর্ষ, ২৬ মরদেহ উদ্ধার মাদারীপুরের শিবচরে থেমে থাকা বালুবোঝাই বাল্কহেডে স্পিডবোটের ধাক্কায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও পাঁচজনকে। শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতদের মধ্যে ২৪ জনের লাশ নদীর পাড়ে রয়েছে। দু’জন হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যাওয়ায় সেখানেই তাদের লাশ রাখা হয়েছে। সোমবার (০৩ মে) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন। ওসি জানান, শিমুলিয়া থেকে সোমবার সকাল পৌনে ৭টায় স্পিডবোটটি ছেড়ে আসে। এ সময় কাঁঠালবাড়ীর পুরাতন ঘাটে থেমে থাকা বালুবোঝাই একটি বাল্কহেডে ধাক্কা দিয়ে ডুবে যায় স্পিডবোটটি। এ সময় সব যাত্রী পানিতে পড়ে যান। পরে নদী থেকে একে একে ২৪টি লাশ উদ্ধার করা হয়। ৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এখনও উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ওসি মিরাজ।
    6
    0 Comments 0 Shares
  • #Bangladesh
    ব্রেকিং নিউজঃ

    মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নিয়ে মুসলিম বৃদ্ধকে হত্যা করেছে মুরতাদ পুলিশ

    ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের গোপালীয়া গ্রামের মৃত ইমানউদ্দিন মোল্যার ছেলে আবুল হোসেন মোল্যা নামের ৫০ বছরের এক মুসলিম বৃদ্ধকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নিয়ে হত্যা করেছে বাংলাদেশের মুরতাদ পুলিশ৷

    তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের বাবা।

    এদিকে, এ মৃত্যুর সংবাদ তার বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের মাঝে চলছে আহাজারি ও কান্নার রোল।

    সূত্র জানায়, আবুল হোসেনকে গত ৫ এপ্রিল রাতে সালথায় সংঘটিত কথিত সহিংস ঘটনার জন্য গত ১৬ এপ্রিল গ্রেফতার করে মুরতাদ পুলিশ।

    গত ২৮ এপ্রিল পাঁচ দিনের রিমান্ডে তাকে ফরিদপুর ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়। সেখানে তার রিমান্ড চলছিল।

    মুরতাদ গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত হিন্দু কর্মকর্তা (ওসি) সুনীল কুমার কর্মকারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান৷
    #Bangladesh ব্রেকিং নিউজঃ মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নিয়ে মুসলিম বৃদ্ধকে হত্যা করেছে মুরতাদ পুলিশ ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের গোপালীয়া গ্রামের মৃত ইমানউদ্দিন মোল্যার ছেলে আবুল হোসেন মোল্যা নামের ৫০ বছরের এক মুসলিম বৃদ্ধকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নিয়ে হত্যা করেছে বাংলাদেশের মুরতাদ পুলিশ৷ তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের বাবা। এদিকে, এ মৃত্যুর সংবাদ তার বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের মাঝে চলছে আহাজারি ও কান্নার রোল। সূত্র জানায়, আবুল হোসেনকে গত ৫ এপ্রিল রাতে সালথায় সংঘটিত কথিত সহিংস ঘটনার জন্য গত ১৬ এপ্রিল গ্রেফতার করে মুরতাদ পুলিশ। গত ২৮ এপ্রিল পাঁচ দিনের রিমান্ডে তাকে ফরিদপুর ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়। সেখানে তার রিমান্ড চলছিল। মুরতাদ গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত হিন্দু কর্মকর্তা (ওসি) সুনীল কুমার কর্মকারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান৷
    9
    0 Comments 0 Shares
More Stories