• 0 Comments 0 Shares
  • আল কাউলু মুখতাসার ফি আলামাত আল মাহদি আল মুনতাদার
    ........................................................................................................
    তৃতীয় খন্ড।
    তাবেয়িন ও তাবেদের থেকে যে বর্ননাগুলো এসেছে।
    .
    ৩-১
    আকাশ থেকে একজন উনার নাম ডাক দিবে।
    .
    ৩-২
    উনি বেরুবেন না, যতক্ষন না সূর্য থেকে একটা নিদর্শন উঠে আসে।
    .
    ৩-৩
    দুটো নিদর্শন যেটা আসমান-জমিন সৃষ্টর পর থেকে কখনো হয় নি।
    রমজানের প্রথম রাতে চন্দ্র গ্রহন।
    আর মাসের মাঝে সূর্য গ্রহন।
    .
    ৩-৪
    উনার আগে কালো পতাকা বেরুবে।
    তাদের জামা হবে সাদা।
    নেতা সুয়াইব বিন সালেহ আল-তামিমী।
    সুফিয়ানীর দলকে পরাজিত করবে।
    বাইতুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত জয় করবে।
    তারা মাহদির জন্য রাজত্ব তৈরি করবে।
    উনার খুরুজ আর এই সাহায্য মাঝে সময় হবে ৭২ মাস।
    .
    ৩-৫
    উনি হবেন শ্রেষ্ঠ মানুষদের নেতা।
    উনার সাহায্যকারি আর বায়াতকারি হবে কুফা বাসি,
    ইয়ামেন বাসি, শামের আবদালগন।
    অগ্রে থাকবেন জিব্রাঈল আর মিকাঈল,
    সৃষ্টির সবচেয়ে পছন্দনিয়রা।
    উনার হাত অন্ধ-ফিতানাকে দূর করবে।
    দুনিয়াবাসী শান্তিতে থাকবে।
    শেষে এক মহিলা হজ্জ করবে
    পাচ জন মহিলার সাথে
    যাদের সাথে অন্য কোনো লোক নেই
    এর পরও আল্লাহ ছাড়া তাদের কোনো ভয় নেই।
    .
    ৩-৬
    অন্যান্য নবীদের বইয়ে এটা লিখা আছে যে উনার মাঝে
    না জুলুম থাকবে, না দোষ।
    .
    ৩-৭
    তুরষ্কে উনি সেনা পাঠাবেন এবং তাদের পরাজিত করবেন।
    তাদের মাল ও বন্ধিদের নেবেন।
    এর পর সিরিয়ায় দিকে ছুটে সিরিয়াকে মুক্ত করবে।
    এর সকল কৃতদাসদের মুক্ত করবেন।
    তাদের মূল্য দিয়ে দেবেন।
    .
    ৩-৮
    তারা সঠিক পথে থাকবে ৩৯ বছর ধরে।
    ছোটরা বলবে, “হায় যদি আমি বড় হতাম!”
    বড়রা বলবে, “হায় যদি আমি ছোট হতাম।”
    .
    ৩-৯
    মাহদি থাকবেন ৪০ বছর।
    .
    ৩-১০
    মাহদির হায়াত হবে ৩০।
    একে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
    উনার হায়াত দ্বারা বুঝানো হতে পারে সম্রাজ্য টিকে থাকা।
    ত্রিশ পার হবে ভাঙ্গন থেকে রক্ষায়।
    চল্লিশ পার হবে এটা জোড়া লাগাতে।
    .
    (Note: শেষ পয়েন্টটা যতটুকু বুঝেছি, ভুল হতে পারে। আরবী পাশে দেয়া আছে in any case)
    .
    ৩-১১
    মাহদি থাকবেন ১৪ বছর।
    এর অর্থ হতে পারে, খাছ ভাবে থাকবেন।
    তাহলে আগের বর্ননাগুলোর বিরোধিতা হয় না।
    সুলায়মান বিন ঈসার মতে, উনি বলেন:
    আমার কাছে পৌছেছে যে মাহদি ১৪ বছর বাইতুল মুকাদ্দাসে থাকবেন।
    হতে পারে পূর্বের বর্ননার অর্থ এই।
    .
    ৩-১২
    উনি চল্লিশ বছর থাকবেন
    এর পর নিজের বিছানায় মৃত্যু বরন করবেন।
    .
    ৩-১৩
    মানুষ উনার ঘরে আসবে এমন সময়ে যে
    ফিতনায় তারা রক্ত প্রবাহিত করছে।
    উনাকে বলবে, “আমাদের সাথে দাড়াও!”
    উনি অস্বিকার করতে থাকবেন।
    শেষে উনাকে হত্যার ভয় দেখানো হবে।
    যখন উনাকে হত্যার হুমকি দেয়া হবে তখন
    তাদের সাথে দাড়াবেন।
    কিন্তু হিজামায় যতটুকু রক্ত হয় ততটুকু রক্তপাত উনি করবেন না।
    .
    ৩-১৪
    মানুষ উনার কাছে জড়ো হবে ২০৪ বছর পরে।
    মানে হাজারের পরে।
    বর্ননায় এভাবে আছে।
    .
    ৩-১৫
    মাহদির সৈন্যে এক যুবক থাকবে।
    অল্প বয়স। দাড়ি ছোট ও হলুদ।
    পর্বতের সাথেও যদি সে যুদ্ধ করে তবে সেটা চুর্ন করে দেবে।
    যতক্ষন না সে ইলিয়াতে পৌছে।
    .
    [ টিকাতে: ইলিয়া হলে বাইতুল মুকাদ্দাসের নাম ]
    .
    ৩-১৬
    উনার আগে সিরিয়ার সরকার প্রধানকে হত্যা করা হবে।
    মিশরের সরকার প্রধানকে হত্যা করা হবে।
    সিরিয়া বাসিরা মিশরের গোত্রগুলোকে বন্ধি করবে।
    পূর্ব দিক থেকে এক লোক কালো পতাকা নিয়ে
    সিরিয়া বাসিদের নেতৃত্ব গ্রহন করবে।
    সে মাহদিকে অনুসরনের পথ দেখাবে।
    .
    শব্দ,
    রাইয়াত-পতাকা : رايات
    .
    ৩-১৭
    উনার আগে নেতৃত্বে থাকবেন একজন আফ্রিকান ১২ বছরের জন্য।
    এর পর নেতৃত্ব দেবেন বাদামি রংগের এক লোক।
    এর পর মাহদির দিকে রওনা হবে
    উনার অনুসরনের জন্য আর উনার পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য।
    .
    ৩-১৮
    উনার আগে একটা কালো পতাকা আসবে খুরাসান থেকে, কুফা হয়ে।
    এর পর মক্কার কাছে এলে মক্কাতে উনার কাছে দল পাঠাবে।
    .
    ৩-১৯
    উনার খুরুজের আলামত এই যে বনি আব্বাসের যাতা ঘুরবে।
    পতাকাবাহীরা তাদের ঘোড়ার গায়ে সিরিয়ার জলপাই লাগাবে।
    দুটো গোত্রের পতন হবে : বনু জাফর, বনু আব্বাস।
    কলিজা খেকোর সন্তান, মানে সুফিয়ানি দামেশকের মিম্বরে বসবে।
    আর বরবর জাতী সিরিয়ার রাস্তায় বেরুবে।
    .
    টিকায় :
    কলিজা খেকো বলতে আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দ কে বুঝানো হয়েছে
    বরবর : আফ্রিকার উপজাতিগুলো।
    .
    ৩-২০
    উনার আগে সুফিয়ানি তার ঘোড়া আর বাহিনী নিয়ে বেরুবে।
    সে পূর্বদিকের লোকের কাছে যাবে, খুরাসান পারস্যে আর পারস্যের ভুমিতে।
    তারা বিদ্রোহ করবে। তার সাথে বহুবার যুদ্ধ করবে সংখ্যায়।
    এর পর এক হাশেমির ডান হাতে বায়াত নিবে।
    আল্লাহ তার কাজ ও রাস্তাকে সহজ করে দেবেন।
    এর পর খূরাসানবাসীদের থেকে ৫০০০ লোক বেরুবে।
    যাদের নেতৃত্বে থাকবে শুয়াইব বিন সালেহ আল-তামিমি।
    যিনি অনারব মুসলিম [মাওয়ালি]।
    হলুদ রং।
    অল্প হায়াতের।
    কাউসাজ [মানে যার পুরো মুখে দাড়ি নেই, কিন্তু শুধু থুতনিতে দাড়ি]
    পর্বতের মুখি মুখি হলেও তারা সেটা ধ্বংশ করে দেবে।
    এর পর সুফিয়ানি বাহিনীর মুখোমুখি হবে।
    প্রচন্ড যুদ্ধ হবে তাদের মাঝে।
    সুফিয়ানি জিতবে, এবং হাশেমিরা পলাবে।
    তামিমি পলিয়ে বাইতুল মুকাদ্দাসে পৌছবে।
    *হাশেমি শামের রাস্তায় পৌছলে তাকে তার পদ দেয়া হবে।
    এই হাশেমির ভাই হলো মাহদি, পিতার দিক থেকে।
    বা বলা হয়েছে, চাচাতো ভাই।
    পরাজিত বাহিনির বাকিরা মক্কায় পৌছবে।
    এবং মাহদি যখন বাহির হবে তখণ তারাও বেরিয়ে আসবে।
    .
    এই লাইনের অনুবাদে ভুল থাকতে পারে। ভুল ধরা পড়লে ঠিক করে দেবো ইনশাল্লাহ।
    .
    ৩-২১
    সুফিয়ানির বাহিনী মদিনার পৌছবে। এবং হুকুম দেবে সেখানে যত হাশেমি আছে সবাইকে হত্যা করার জন্য। তাদের হত্যা করা হবে। আর তারা পাহাড়ে জঙ্গলে ছড়িয়ে পড়বে। মাহদি বের হবার পর তারা আবার তার কাছে এসে একত্রিত হবে।
    .
    ৩-২২
    উনার খুরুজের আলামত হলো পশ্চিম দিক থেকে একটা বাহন আসবে যার উপরে থাকবে কিন্দা বংশের এক পঙ্গু লোক।
    .
    ৩-২৩
    মাহদি থাকবেন ২০০ বছর, যেমন আমাদের কাছে বর্ননা এসেছে।
    .
    ৩-২৪
    ইশার সময়ে তিনি মক্কায় বেরুবেন। উনার সাথে থাকবে রাসুলুল্লাহ সা: এর পতাকা, উনার জামা এবং উনার তলোয়ার। নির্দশন, নূর আর প্রকাশ হিসাবে। ইশার নামাজ পড়ে উনি খতবা দেবেন, লম্বা খুতবা। এবং মানুষকে আল্লাহ আর উনার রাসুল সা: এর দিকে দাওয়াহ দেবেন। এর পর উনার জন্য হিজাজের জমিন খুলে দেয়া হবে। এবং সে থেকে নদী বেরুবে বনী হাশেমদের থেকে। কুফা থেকে কালো পতাকা বেরুবে উনার দিকে। এবং উনার বাহিনী ভোরর আলোর সাথে বেরুবে।
    .
    ৩-২৫
    সুফিয়ানি উনার দিকে দ্রুত ছুটবে। সবাইকে এটা করার হুকুম দেবে। এবং রাহবার দরজায় সে জবাই হবে। এর পর সুফিয়ানির মামার গোত্রের মহিলাদের দামেশকের সিড়ির কাছে গনিমতের মত বিক্রি করা হবে।
    .
    [টিকায় : রাহবার দরজা – মালিক বিন তুক। যিনি …pending ]
    .
    ৩-২৬
    মক্কায় অবস্থান করা অবস্থায় উনি যখন ভুমিধ্বসের কথা শুনবেন, তখন ২০ হাজার লোক নিয়ে বেরুবেন। তাদের মাঝে আবদালগন থাকবেন। এর পর উনি নামবেন (ইলিয়াতে, জেরুজালেমে)। সুফিয়ানি যখন ভুমিধ্বসের কথা শুনবেন তখন সে মত বদলিয়ে উনার কাছে আনুগ্যত্য পাঠাবেন। এরপর বনু কলবে তারা মামারা বংশের লোকেরা তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। সে মাহদির খোজে এসে উনাকে কবুল করবে। এর পর তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। বলবে, “এটা আমার আনুগত্যের শেষ।” সবাইকে তাই করতে বলবে। এর পর ইলিয়ার ফ্লোরে তাকে জবাই করা হবে এবং বনু কলবের দিকে গিয়ে তাদের লুট করবে।
    .
    ৩-২৭
    মাহদি বেরুবে না যতক্ষন না অন্ধকার দেখতে পাও।
    .
    ৩-২৮
    মাহদি বেরুবে না, যতক্ষন প্রতি ৯ জনে ৭ জনকে হত্যা না করা হয়।
    .
    ৩-২৯
    মাহদি আল্লাহর উপর সেই রকম ভরসা করে থাকবে যেরকম ঈগল পাখি তার ডানার উপর ভরসা করে।
    .
    Written By Sanjir Habib On Jan-5th, 2018
    0 Comments 0 Shares
  • সম্প্রতি মদ কে আমাদের দেশে বৈধ করার জন্যে উঠে পড়ে লেগেছে কিছু মহল। এ ব্যপারে তারা চেষ্টা করছে দেশের প্রচলিত আইনে শিথিলতা আনার। তাদের যুক্তি (?) এই শিথিলতা আনয়নের মাধ্যমে নাকি যুবকদের মাদক গ্রহণ থেকে ফেরানো যাবে।
    .
    তারা আরও দাবি করে যে মদ ও মাদক নাকি এক নয়। তাদের মতে মাদক থেকে মদকে বের করে দিতে হবে। তবেই যুব সমাজ মদের সুবিধা পেলে মাদক থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। এমনকি তাদের এই ব্লু প্রিন্ট বাস্তবায়নের জন্যে শিল্প মন্ত্রণালয় বিয়ার তৈরির কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। সেই সাথে একশো দুই কোটি টাকার বেশি অর্থ ব্যয়ে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এছাড়াও মদের চাহিদা মেটানোর জন্য মদের উৎপাদনও বাড়াচ্ছে মদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কেরু এন্ড কোং।
    .
    কিন্তু এতে কি আসলেই মাদক সেবন ছেড়ে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে দেশের যুবসমাজ? চলুন তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু (যেখানে মদ আইনগত ভাবে বৈধ) পরিসংখ্যান দেখে নেওয়া যাক। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অন অ্যালকোহল এবিউজ এন্ড অ্যালকোহলিজ্ম এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী-
    .
    ১. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সী হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর একটি কারণ হল অ্যালকোহল।
    ২. গবেষকরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে নিশ্চিত করেছেন যে কলেজ পড়ুয়া প্রতি ৫ জন মহিলার মধ্যে ১ জন কলেজে থাকাকালীন যৌন নিপীড়নের শিকার হন। আর কলেজে বেশিরভাগ যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে অ্যালকোহল এর কারণে।
    ৩. ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮৫,৬৮৮ জন ব্যক্তি লিভার রোগে মৃত্যুবরণ করে যাদের ৪৩.১ শতাংশ মারা যায় অ্যালকোহলের কারণে।
    ৪. গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা অ্যালকোহলের অপব্যবহার করেন তাদের যকৃতের রোগ, হৃদরোগ, হতাশা, স্ট্রোক এবং পাকস্থলীর রক্তপাতের ঝুঁকি বেশি থাকে, সেইসাথে মৌখিক গহ্বর, খাদ্যনালী, স্বরযন্ত্র, ফ্যারিনক্স, লিভার, কোলন এবং মলদ্বারের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে।
    ৫. অ্যালকোহল সেবন সহিংসতা, যানবাহন দুর্ঘটনা, স্তন ক্যান্সার, অরোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার, খাদ্যনালীর ক্যান্সার ইত্যাদির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
    .
    এগুলো ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রে অ্যালকোহল এর কারণে আত্মহত্যা, যৌন নিপীড়ন, বিকৃত যৌন আচরণ, সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতি বছর যার কোন সমাধানে এখনও পৌঁছাতে পারে নি দেশটি।
    .
    এটি তো গেলো শুধু যুক্তরাষ্ট্রের পরিসংখ্যান। পুরো বিশ্বে অ্যালকোহলের প্রভাব নিয়েও পরিসংখ্যান বের করেছে এই সংস্থাটি। যেখানে তারা বলছে-
    .
    ১. ২০১৬ পুরো বিশ্বে ৩০ লাখ মারা যায় অ্যালকোহল সেবনের কারণে। যা সে বছরে পুরো বিশ্বের মোট মৃত্যুর ৫.৩ শতাংশ।
    ২. ২০১৬ সালে, ২০ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের মধ্যে মোট মৃত্যুর প্রায় ১৪ শতাংশই মারা যায় অ্যালকোহল সেবনের কারণে।
    ৩. ২০১৮ সালে WHO এর রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় ২০০ টিরও বেশি রোগের জন্য দায়ী হচ্ছে অ্যালকোহল।
    .
    এখন কথা হচ্ছে এত কিছুর পরও কেন মাদকের সাথে সাথে মদকেও আমাদের যুবসমাজের মাঝে আরও সহজলভ্য করে দিতে চাচ্ছে এই মহল? কি আসলে তাদের উদ্দেশ্য?
    .
    আসলে এরা চায় একটি মদ্যপায়ী যুবসমাজ তথা জাতি গড়ে তুলতে। এরা চায় আমাদের যুব সমাজকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে। সেই সাথে এরা আমাদের যুবসমাজ থেকে কেড়ে নিতে চায় ইসলামী সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ, ধ্বংস করে দিতে চায় তাদের চিন্তাশক্তি, নষ্ট করে দিতে চায় তাদের নৈতিকতা, এবং তাদের উপর চাপিয়ে দিতে চায় পশ্চিমাদের অপসংস্কৃতি।
    .
    সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবী (রহ.) একবার বলেছিলেন, "তুমি যদি যুদ্ধ ছাড়া কোন জাতিকে ধ্বংস করতে চাও, তাহলে সে জাতির তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যভিচার এবং নগ্নতাকে ছড়িয়ে দাও"। আর এতে কোনও সন্দেহ নেই যে মদ ব্যাভিচার ও নগ্নতাকে ছড়িয়ে দেবারই একটি উপকরণ মাত্র।
    সম্প্রতি মদ কে আমাদের দেশে বৈধ করার জন্যে উঠে পড়ে লেগেছে কিছু মহল। এ ব্যপারে তারা চেষ্টা করছে দেশের প্রচলিত আইনে শিথিলতা আনার। তাদের যুক্তি (?) এই শিথিলতা আনয়নের মাধ্যমে নাকি যুবকদের মাদক গ্রহণ থেকে ফেরানো যাবে। . তারা আরও দাবি করে যে মদ ও মাদক নাকি এক নয়। তাদের মতে মাদক থেকে মদকে বের করে দিতে হবে। তবেই যুব সমাজ মদের সুবিধা পেলে মাদক থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। এমনকি তাদের এই ব্লু প্রিন্ট বাস্তবায়নের জন্যে শিল্প মন্ত্রণালয় বিয়ার তৈরির কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। সেই সাথে একশো দুই কোটি টাকার বেশি অর্থ ব্যয়ে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এছাড়াও মদের চাহিদা মেটানোর জন্য মদের উৎপাদনও বাড়াচ্ছে মদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কেরু এন্ড কোং। . কিন্তু এতে কি আসলেই মাদক সেবন ছেড়ে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে দেশের যুবসমাজ? চলুন তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু (যেখানে মদ আইনগত ভাবে বৈধ) পরিসংখ্যান দেখে নেওয়া যাক। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অন অ্যালকোহল এবিউজ এন্ড অ্যালকোহলিজ্ম এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী- . ১. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সী হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর একটি কারণ হল অ্যালকোহল। ২. গবেষকরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে নিশ্চিত করেছেন যে কলেজ পড়ুয়া প্রতি ৫ জন মহিলার মধ্যে ১ জন কলেজে থাকাকালীন যৌন নিপীড়নের শিকার হন। আর কলেজে বেশিরভাগ যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে অ্যালকোহল এর কারণে। ৩. ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮৫,৬৮৮ জন ব্যক্তি লিভার রোগে মৃত্যুবরণ করে যাদের ৪৩.১ শতাংশ মারা যায় অ্যালকোহলের কারণে। ৪. গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা অ্যালকোহলের অপব্যবহার করেন তাদের যকৃতের রোগ, হৃদরোগ, হতাশা, স্ট্রোক এবং পাকস্থলীর রক্তপাতের ঝুঁকি বেশি থাকে, সেইসাথে মৌখিক গহ্বর, খাদ্যনালী, স্বরযন্ত্র, ফ্যারিনক্স, লিভার, কোলন এবং মলদ্বারের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি থাকে। ৫. অ্যালকোহল সেবন সহিংসতা, যানবাহন দুর্ঘটনা, স্তন ক্যান্সার, অরোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার, খাদ্যনালীর ক্যান্সার ইত্যাদির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। . এগুলো ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রে অ্যালকোহল এর কারণে আত্মহত্যা, যৌন নিপীড়ন, বিকৃত যৌন আচরণ, সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতি বছর যার কোন সমাধানে এখনও পৌঁছাতে পারে নি দেশটি। . এটি তো গেলো শুধু যুক্তরাষ্ট্রের পরিসংখ্যান। পুরো বিশ্বে অ্যালকোহলের প্রভাব নিয়েও পরিসংখ্যান বের করেছে এই সংস্থাটি। যেখানে তারা বলছে- . ১. ২০১৬ পুরো বিশ্বে ৩০ লাখ মারা যায় অ্যালকোহল সেবনের কারণে। যা সে বছরে পুরো বিশ্বের মোট মৃত্যুর ৫.৩ শতাংশ। ২. ২০১৬ সালে, ২০ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের মধ্যে মোট মৃত্যুর প্রায় ১৪ শতাংশই মারা যায় অ্যালকোহল সেবনের কারণে। ৩. ২০১৮ সালে WHO এর রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় ২০০ টিরও বেশি রোগের জন্য দায়ী হচ্ছে অ্যালকোহল। . এখন কথা হচ্ছে এত কিছুর পরও কেন মাদকের সাথে সাথে মদকেও আমাদের যুবসমাজের মাঝে আরও সহজলভ্য করে দিতে চাচ্ছে এই মহল? কি আসলে তাদের উদ্দেশ্য? . আসলে এরা চায় একটি মদ্যপায়ী যুবসমাজ তথা জাতি গড়ে তুলতে। এরা চায় আমাদের যুব সমাজকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে। সেই সাথে এরা আমাদের যুবসমাজ থেকে কেড়ে নিতে চায় ইসলামী সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ, ধ্বংস করে দিতে চায় তাদের চিন্তাশক্তি, নষ্ট করে দিতে চায় তাদের নৈতিকতা, এবং তাদের উপর চাপিয়ে দিতে চায় পশ্চিমাদের অপসংস্কৃতি। . সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবী (রহ.) একবার বলেছিলেন, "তুমি যদি যুদ্ধ ছাড়া কোন জাতিকে ধ্বংস করতে চাও, তাহলে সে জাতির তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যভিচার এবং নগ্নতাকে ছড়িয়ে দাও"। আর এতে কোনও সন্দেহ নেই যে মদ ব্যাভিচার ও নগ্নতাকে ছড়িয়ে দেবারই একটি উপকরণ মাত্র।
    1 Comments 0 Shares
  • 🚪তওবার দরজা কি বন্ধ হয়েছে⁉️
    🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎
    🏦 তওবার দরজা অবশ্যই বন্ধ হয়েছে, তবে বিষয়টা বুঝতে হবে, এটা একটি দরজা, নট জানালা, জানালার একদিকে লক থাকে, কিন্তু দরজার উভয় দিকে লক থাকে, সো দরজাটা আমরা নিজেরাই বন্ধ করে দিয়েছি, যেমন পূর্বে কাফের দের কোন শক্তিই মুসলমান দের সাথে যুদ্ধে জিততে পারতো না, কিন্তু বর্তমানে সবখানে মুসলমানরা মার খাচ্ছে, কেন?
    কারণ:-
    🐍 আমরা তথাকখিত জাতী সংঘের সদস্য পদ লাভ করে আল্লাহর স্থলে জাতী সংঘকে বসিয়ে দিয়েছি, এজন্যই আমাদের দোয়া কবুল হচ্ছে না।
    নিশ্চয় তিনি আল্লাহ অসীম ক্ষমতার অধিকারী, প্রতাপশালী।
    .
    মানব দানব সকলের উপর ক্ষমতাধর। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
    .
    وَهُوَ الْقَاهِرُ فَوْقَ عِبَادِهِۦ ۚ وَهُوَ الْحَكِيمُ الْخَبِيرُ
    .
    তিনিই পরাক্রান্ত স্বীয় বান্দাদের উপর। তিনিই জ্ঞানময়, সর্বজ্ঞ।
    [সূরা: আল-আন’আম, আয়াত: ১৮।]
    .
    إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِۦ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذٰلِكَ لِمَن يَشَآءُ ۚ وَمَن يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلٰلًۢا بَعِيدً
    .
    নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমা করেন না তাঁর সাথে শরীক করাকে এবং এ ছাড়া যাকে চান ক্ষমা করেন। আর যে আল্লাহর সাথে শরীক করে সে তো ঘোর পথভ্রষ্টতায় পথভ্রষ্ট হল।
    [সূরা: আন-নিসা, আয়াত: ১১৬]
    .
    🍛 বর্তমানে আমরা অনেকে হালাল উপার্জন করছি না, কেউ-কেউ হালাল উপার্জন করলেও কেউই আর হালাল খাদ্য খাচ্ছি না, বর্তমানে সমস্ত খাদ্যে ফরমালিন, হাইব্রিড, মেডিসিন দ্বারা মোটাতাজা করণ, এক গোত্রের প্রাণী থেকে অন্য গোত্রের প্রানীকে ক্রস পদ্ধতিতে রূপান্তর, ট্রান্সজেন্ডার পদ্ধতি ইত্যাদি যাহা ইয়াজুজ-মাজুজ দ্বারা সৃষ্ট পদ্ধতি গ্রহণ করে হালাল খাদ্য বর্জন করছি।
    .
    আল্লাহ তা'আলা বলেন:
    .
    لَّعَنَهُ اللَّهُ ۘ وَقَالَ لَأَتَّخِذَنَّ مِنْ عِبَادِكَ نَصِيبًا مَّفْرُوضًا
    .
    আল্লাহ তাকে লা‘নত করেছেন এবং সে বলেছে, ‘অবশ্যই আমি তোমার বান্দাদের এক নির্দিষ্ট অংশকে (অনুসারী হিসেবে) গ্রহণ করব’।।
    [সূরা: আন-নিসা, আয়াত: ১১৮।]
    .
    وَلَأُضِلَّنَّهُمْ وَلَأُمَنِّيَنَّهُمْ وَلَءَامُرَنَّهُمْ فَلَيُبَتِّكُنَّ ءَاذَانَ الْأَنْعٰمِ وَلَءَامُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلْقَ اللَّهِ ۚ وَمَن يَتَّخِذِ الشَّيْطٰنَ وَلِيًّا مِّن دُونِ اللَّهِ فَقَدْ خَسِرَ خُسْرَانًا مُّبِينًا
    .
    ‘আর অবশ্যই আমি তাদেরকে পথভ্রষ্ট করব, মিথ্যা আশ্বাস দেব এবং অবশ্যই তাদেরকে আদেশ দেব, ফলে তারা পশুর কান ছিদ্র করবে এবং অবশ্যই তাদেরকে আদেশ করব, ফলে অবশ্যই তারা আল্লাহর সৃষ্টি বিকৃত করবে’। আর যারা আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে, তারা তো স্পষ্টই ক্ষতিগ্রস্ত হল।
    [সূরা: আন-নিসা, আয়াত: ১১৯]
    .
    يَعِدُهُمْ وَيُمَنِّيهِمْ ۖ وَمَا يَعِدُهُمُ الشَّيْطٰنُ إِلَّا غُرُورًا
    .
    ‘সে তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তাদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দেয়। আর শয়তান তাদেরকে কেবল প্রতারণামূলক প্রতিশ্রুতিই দেয়।।
    [সূরা: আন-নিসা, আয়াত: ১২০]
    .
    أُولٰٓئِكَ مَأْوٰىهُمْ جَهَنَّمُ وَلَا يَجِدُونَ عَنْهَا مَحِيصًا
    .
    ‘এদেরই আশ্রয়স্থল জাহান্নাম। আর তারা সেখান থেকে পালাবার জায়গা পাবে না।।
    [সূরা: আন-নিসা, আয়াত: ১২০]
    .
    💊 এসব খাওয়ার ফলে পেশার, আলসার, ডায়াবেটিক, ক্যানসার, এইচআইভি সহ বিভিন্ন অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে, তার থেকে প্রতিকার পেতে গাছ-গাছালি, লতা-পাতার প্রকৃতিক ঔষধ বর্জন করে, সাপ, বিচ্ছু, বানর, শুকর, বেজি সহ বিভিন্ন প্রকার হারাম প্রাণী থেকে তৈরি ঔষধ সেবন করে হালালকে বর্জন করছি।
    .
    আল্লাহ তা'আলা বলেন:
    .
    ظَهَرَ الْفَسَادُ فِى الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِى النَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ الَّذِى عَمِلُوا لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ
    .
    قُلْ سِيرُوا فِى الْأَرْضِ فَانظُرُوا كَيْفَ كَانَ عٰقِبَةُ الَّذِينَ مِن قَبْلُ ۚ كَانَ أَكْثَرُهُم مُّشْرِكِينَ
    .
    রাব্বুল আলামিন ঘোষণা করেছেন- জলে স্থলে যে বিপর্যয় (মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ) তা মানুষের কৃতকর্মের ফল। যার ফলে তাদের কোনো কোনো কর্মের শাস্তি তিনি আস্বাদন করান, যাতে তারা (আল্লাহর পথে) ফিরে আসে। বলুন, তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হয়েছে তা দেখ। তাদের অধিকাংশই ছিল মুশরিক।।
    [সূরা: আল- রুম, আয়াত: ৪১-৪২।]
    .
    💰 সুদ ভিত্তিক ব্যাংকে কেউ চাকুরী করছি, কেউ একাউন্ট করে টাকা সুদে লাগাচ্ছি, কেউ সুদে টাকা নিয়া নিজ প্রয়োজন মিটাচ্ছি, যার মানে আমরা প্রতিনিয়ত আল্লাহ ও তার রাসুলের (সঃ) সাথে যুদ্ধে লিপ্ত আছি (এটা কুরআনের কথা অনুযায়ী)। আর যতক্ষণ না আমরা হালাল উপর্জন, হালাল খাদ্য গ্রহণ করব ও সুদ মুক্ত হব, ততক্ষণ আমাদের কোন ফরিয়াদই আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না। তাহলে দরজাটা নিশ্চয় আমরাই বন্ধ করে দিয়েছি।
    .
    আল্লাহ তা'আলা বলেন:
    .
    ظَهَرَ الْفَسَادُ فِى الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِى النَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ الَّذِى عَمِلُواالَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبٰوا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِى يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطٰنُ مِنَ الْمَسِّ ۚ ذٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوٓا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبٰوا ۗ وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبٰوا ۚ فَمَن جَآءَهُۥ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِۦ فَانتَهٰى فَلَهُۥ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُۥٓ إِلَى اللَّهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُولٰٓئِكَ أَصْحٰبُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خٰلِدُونَ
    .
    যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়। এটা এ জন্য যে, তারা বলে, বেচা-কেনা সুদের মতই। অথচ আল্লাহ বেচা-কেনা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতএব, যার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে উপদেশ আসার পর সে বিরত হল, যা গত হয়েছে তা তার জন্যই ইচ্ছাধীন। আর তার ব্যাপারটি আল্লাহর হাওলায়। আর যারা ফিরে গেল, তারা আগুনের অধিবাসী। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।।
    [সূরা: আল- বাক্কারা, আয়াত: ২৭৫।]
    .
    يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِىَ مِنَ الرِّبٰوٓا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ
    .
    فَإِن لَّمْ تَفْعَلُوا فَأْذَنُوا بِحَرْبٍ مِّنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِۦ ۖ وَإِن تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوٰلِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ
    .
    হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যা অবশিষ্ট আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা মুমিন হও।
    কিন্তু যদি তোমরা তা না কর তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা নাও, আর যদি তোমরা তাওবা কর, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই থাকবে। তোমরা যুলম করবে না এবং তোমাদের যুলম করা হবে না।।
    [সূরা: আল- বাক্কারা, আয়াত: ২৭৮-২৭৯।]
    .
    💵 আমরা দাজ্জাল ও তার দোসরদের দ্বারা সৃষ্ট কাগজের মুদ্রা ব্যবস্থাকে গ্রহণ করে রাসুল (সা) এর সুন্নাহকে বর্জন করছি। বর্তমানে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকে এই সুন্নাহ পালন করতে পারছেন না। কিন্তৃু কেউ কেউ এই সুন্নাহর বিরুদ্ধেও কথা বলছি। তারা কি আদৌ মুসলমান?
    .
    রাসুল (সা) এর সময় ৬টি বস্তু মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হত। এবং তাই এ ছটি বস্তুর অসম বন্টনকে তিনি সুদ বলেছেন। আবু সাইদ খুদরি (রা) থেকে বর্ণিত,রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-‘সোনার বদলে সোনা,রুপার বদলে রুপা,গমের বদলে গম,যবের বদলে যব,খেজুরের বদলে খেজুর এবং লবণের বদলে লবণ বিক্রি করো নগদ নগদ এবং সমান সমান। যে বেশি দিবে অথবা বেশি নিবে সেটা সুদ হিসেবে গণ্য হবে। দাতা-গ্রহীতা এক্ষেত্রে সমান অপরাধী। (মুসলিম : ১৫৮৪)
    .
    এই ৬ টি বস্তুর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। যে বৈশিষ্ট্য গুলো অন্য বস্তুতে পাওয়া গেলে সেটাও সুন্নাহ মুদ্রা হতে পারে, আর পাওয়া না গেলে তা সুন্নাহ মুদ্রা হবে না এমনকি অবস্থাভেদে তা বাতিল বলে সাব্যস্ত হবে। দিনার ও দিরহাম সহ সাময়িক স্থায়িত্ব আছে এমন ভোগ্য পন্য মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। আমরা একে সুন্নাহ মুদ্রা বলতে পারি। আর কাগুজে মুদ্রায় ওই বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় না।
    আবু বকর ইবন আবি মরিয়ম হতে বর্ণিত যে তিনি আল্লাহর নবী (সাঃ)- কে বলতে শুনেছেন, মানবজাতির উপর এমন সময় অবশ্যই আসছে যখন দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) ও দিরহাম (রৌপ্যমুদ্রা) ছাড়া ব্যবহার করার মত বা উপকারী আর কিছুই থাকবে না।- (মুসনাদ, আহমদ)
    .
    ⚖️ বর্তমান পৃথিবীতে আমরা আল্লাহর প্রদত্ত আইন বর্জন করে পেনাল কোড, ফৌজদারী সহ মানুষের সৃষ্ট অসংখ্য আইন প্রয়োগ করছি। আর আল্লাহর প্রদত্ত আইনকে সেকেলে, বর্বরতা বলে মসজিদের ভিতর স্বীমাবদ্ধ করে দিচ্ছি। এমনকি কেউ আল্লাহর প্রদত্ত আইনের বিষয়ে আমাদের সচেতন করতে চাইলে তাকে আমরা জঙ্গী-মৌলবাদ তকমা লাগিয়ে দিচ্ছি।
    .
    আল্লাহ তা'আলা বলেন:
    .
    ظَيَأْكُلُونَ الرِّبٰوا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِى يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطٰنُ مِنَ الْمَسِّ ۚ ذٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوٓا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبٰوا ۗ وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبٰوا ۚ فَمَن جَآءَهُۥ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِۦ فَانتَهٰى فَلَهُۥ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُۥٓ إِلَى اللَّهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُولٰٓئِكَ أَصْحٰبُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خٰلِدُونَ
    .
    যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়। এটা এ জন্য যে, তারা বলে, বেচা-কেনা সুদের মতই। অথচ আল্লাহ বেচা-কেনা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতএব, যার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে উপদেশ আসার পর সে বিরত হল, যা গত হয়েছে তা তার জন্যই ইচ্ছাধীন। আর তার ব্যাপারটি আল্লাহর হাওলায়। আর যারা ফিরে গেল, তারা আগুনের অধিবাসী। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।।
    [সূরা: আল- বাক্কারা, আয়াত: ২৭৫।]
    .
    يٰٓأَشَرَعَ لَكُم مِّنَ الدِّينِ مَا وَصّٰى بِهِۦ نُوحًا وَالَّذِىٓ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ وَمَا وَصَّيْنَا بِهِۦٓ إِبْرٰهِيمَ وَمُوسٰى وَعِيسٰىٓ ۖ أَنْ أَقِيمُوا الدِّينَ وَلَا تَتَفَرَّقُوا فِيهِ ۚ كَبُرَ عَلَى الْمُشْرِكِينَ مَا تَدْعُوهُمْ إِلَيْهِ ۚ اللَّهُ يَجْتَبِىٓ إِلَيْهِ مَن يَشَآءُ وَيَهْدِىٓ إِلَيْهِ مَن يُنِيبُ
    .
    তিনি তোমাদের জন্য দীন বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন; যে বিষয়ে তিনি নূহকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, আর আমি তোমার কাছে যে ওহী পাঠিয়েছি এবং ইবরাহীম, মূসা ও ঈসাকে যে নির্দেশ দিয়েছিলাম তা হল, তোমরা দীন কায়েম করবে এবং এতে বিচ্ছিন্ন হবে না। তুমি মুশরিকদেরকে যেদিকে আহবান করছ তা তাদের কাছে কঠিন মনে হয়; আল্লাহ যাকে চান তার দিকে নিয়ে আসেন। আর যে তাঁর অভিমুখী হয় তাকে তিনি হিদায়াত দান করেন।
    [সূরা: আশ- শুরা, আয়াত: ১৩।]
    .
    يٰٓأَشَرَعَ لَكُم مِّنَ الدِّينِ مَا وَصّٰى بِهِۦ نُوحًا وَالَّذِىٓ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ وَمَا وَصَّيْنَا بِهِۦٓ إِبْرٰهِيمَ أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ ۗ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعٰلَمِينَ
    .
    সৃষ্টি ও নির্দেশ তাঁরই। আল্লাহ মহান, যিনি সকল সৃষ্টির রব।।
    [সূরা: আল- আ’রাফ, আয়াত: ৫৪।]
    .
    🐎 বর্তমানে আমরা আল্লাহপ্রদত্ত বাহন উট, গাধা, ঘোড়া ও গরুকে হঠিয়ে ইয়াজুজ-মাজুজরা নিজস্ব তৈরী বাহন, যা ফোরাত নদীর সোনার পাহাড় (তেল- পেট্রোডলারের মাধ্যমে সোনায় রূপান্তরিত) দিয়ে চলে। আল্লাহ প্রদত্ত বাহন সমূহের নিজস্ব কার্যক্ষমতা আছে এবং তারা বিপদ সংকেত বুঝে। কিন্তু ইয়াজুজ-মাজুজ সৃষ্ট বাহন? না আছে কান, না আছে বোধশক্তি, আর না আছে চক্ষু, না আছে বিবেক। অথচ আমরা মুসলমানরা তাদের সৃষ্ট বাহন গ্রহণ করে সুন্নাতি বাহন বর্জন করছি।
    .
    وَّ الۡخَیۡلَ وَ الۡبِغَالَ وَ الۡحَمِیۡرَ لِتَرۡکَبُوۡهَا وَ زِیۡنَۃً ؕ وَ یَخۡلُقُ مَا لَا تَعۡلَمُوۡنَ
    .
    আর তোমাদের আরোহনের জন্য এবং শোভার জন্য তিনি সৃষ্টি করেছেন ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা এবং তিনি সৃষ্টি করেন এমন অনেক কিছু, যা তোমরা জান না।
    .
    এরপরও আমরা মুসলমান!!!!!
    .
    হে আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদেরকে সরল পথ দেখান। আমিন।।।।
    🚪তওবার দরজা কি বন্ধ হয়েছে⁉️ 🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎🔎 🏦 তওবার দরজা অবশ্যই বন্ধ হয়েছে, তবে বিষয়টা বুঝতে হবে, এটা একটি দরজা, নট জানালা, জানালার একদিকে লক থাকে, কিন্তু দরজার উভয় দিকে লক থাকে, সো দরজাটা আমরা নিজেরাই বন্ধ করে দিয়েছি, যেমন পূর্বে কাফের দের কোন শক্তিই মুসলমান দের সাথে যুদ্ধে জিততে পারতো না, কিন্তু বর্তমানে সবখানে মুসলমানরা মার খাচ্ছে, কেন? কারণ:- 🐍 আমরা তথাকখিত জাতী সংঘের সদস্য পদ লাভ করে আল্লাহর স্থলে জাতী সংঘকে বসিয়ে দিয়েছি, এজন্যই আমাদের দোয়া কবুল হচ্ছে না। নিশ্চয় তিনি আল্লাহ অসীম ক্ষমতার অধিকারী, প্রতাপশালী। . মানব দানব সকলের উপর ক্ষমতাধর। আল্লাহ তা'আলা বলেন: . وَهُوَ الْقَاهِرُ فَوْقَ عِبَادِهِۦ ۚ وَهُوَ الْحَكِيمُ الْخَبِيرُ . তিনিই পরাক্রান্ত স্বীয় বান্দাদের উপর। তিনিই জ্ঞানময়, সর্বজ্ঞ। [সূরা: আল-আন’আম, আয়াত: ১৮।] . إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِۦ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذٰلِكَ لِمَن يَشَآءُ ۚ وَمَن يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلٰلًۢا بَعِيدً . নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমা করেন না তাঁর সাথে শরীক করাকে এবং এ ছাড়া যাকে চান ক্ষমা করেন। আর যে আল্লাহর সাথে শরীক করে সে তো ঘোর পথভ্রষ্টতায় পথভ্রষ্ট হল। [সূরা: আন-নিসা, আয়াত: ১১৬] . 🍛 বর্তমানে আমরা অনেকে হালাল উপার্জন করছি না, কেউ-কেউ হালাল উপার্জন করলেও কেউই আর হালাল খাদ্য খাচ্ছি না, বর্তমানে সমস্ত খাদ্যে ফরমালিন, হাইব্রিড, মেডিসিন দ্বারা মোটাতাজা করণ, এক গোত্রের প্রাণী থেকে অন্য গোত্রের প্রানীকে ক্রস পদ্ধতিতে রূপান্তর, ট্রান্সজেন্ডার পদ্ধতি ইত্যাদি যাহা ইয়াজুজ-মাজুজ দ্বারা সৃষ্ট পদ্ধতি গ্রহণ করে হালাল খাদ্য বর্জন করছি। . আল্লাহ তা'আলা বলেন: . لَّعَنَهُ اللَّهُ ۘ وَقَالَ لَأَتَّخِذَنَّ مِنْ عِبَادِكَ نَصِيبًا مَّفْرُوضًا . আল্লাহ তাকে লা‘নত করেছেন এবং সে বলেছে, ‘অবশ্যই আমি তোমার বান্দাদের এক নির্দিষ্ট অংশকে (অনুসারী হিসেবে) গ্রহণ করব’।। [সূরা: আন-নিসা, আয়াত: ১১৮।] . وَلَأُضِلَّنَّهُمْ وَلَأُمَنِّيَنَّهُمْ وَلَءَامُرَنَّهُمْ فَلَيُبَتِّكُنَّ ءَاذَانَ الْأَنْعٰمِ وَلَءَامُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلْقَ اللَّهِ ۚ وَمَن يَتَّخِذِ الشَّيْطٰنَ وَلِيًّا مِّن دُونِ اللَّهِ فَقَدْ خَسِرَ خُسْرَانًا مُّبِينًا . ‘আর অবশ্যই আমি তাদেরকে পথভ্রষ্ট করব, মিথ্যা আশ্বাস দেব এবং অবশ্যই তাদেরকে আদেশ দেব, ফলে তারা পশুর কান ছিদ্র করবে এবং অবশ্যই তাদেরকে আদেশ করব, ফলে অবশ্যই তারা আল্লাহর সৃষ্টি বিকৃত করবে’। আর যারা আল্লাহর পরিবর্তে শয়তানকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে, তারা তো স্পষ্টই ক্ষতিগ্রস্ত হল। [সূরা: আন-নিসা, আয়াত: ১১৯] . يَعِدُهُمْ وَيُمَنِّيهِمْ ۖ وَمَا يَعِدُهُمُ الشَّيْطٰنُ إِلَّا غُرُورًا . ‘সে তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তাদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দেয়। আর শয়তান তাদেরকে কেবল প্রতারণামূলক প্রতিশ্রুতিই দেয়।। [সূরা: আন-নিসা, আয়াত: ১২০] . أُولٰٓئِكَ مَأْوٰىهُمْ جَهَنَّمُ وَلَا يَجِدُونَ عَنْهَا مَحِيصًا . ‘এদেরই আশ্রয়স্থল জাহান্নাম। আর তারা সেখান থেকে পালাবার জায়গা পাবে না।। [সূরা: আন-নিসা, আয়াত: ১২০] . 💊 এসব খাওয়ার ফলে পেশার, আলসার, ডায়াবেটিক, ক্যানসার, এইচআইভি সহ বিভিন্ন অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে, তার থেকে প্রতিকার পেতে গাছ-গাছালি, লতা-পাতার প্রকৃতিক ঔষধ বর্জন করে, সাপ, বিচ্ছু, বানর, শুকর, বেজি সহ বিভিন্ন প্রকার হারাম প্রাণী থেকে তৈরি ঔষধ সেবন করে হালালকে বর্জন করছি। . আল্লাহ তা'আলা বলেন: . ظَهَرَ الْفَسَادُ فِى الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِى النَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ الَّذِى عَمِلُوا لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ . قُلْ سِيرُوا فِى الْأَرْضِ فَانظُرُوا كَيْفَ كَانَ عٰقِبَةُ الَّذِينَ مِن قَبْلُ ۚ كَانَ أَكْثَرُهُم مُّشْرِكِينَ . রাব্বুল আলামিন ঘোষণা করেছেন- জলে স্থলে যে বিপর্যয় (মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ) তা মানুষের কৃতকর্মের ফল। যার ফলে তাদের কোনো কোনো কর্মের শাস্তি তিনি আস্বাদন করান, যাতে তারা (আল্লাহর পথে) ফিরে আসে। বলুন, তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কী হয়েছে তা দেখ। তাদের অধিকাংশই ছিল মুশরিক।। [সূরা: আল- রুম, আয়াত: ৪১-৪২।] . 💰 সুদ ভিত্তিক ব্যাংকে কেউ চাকুরী করছি, কেউ একাউন্ট করে টাকা সুদে লাগাচ্ছি, কেউ সুদে টাকা নিয়া নিজ প্রয়োজন মিটাচ্ছি, যার মানে আমরা প্রতিনিয়ত আল্লাহ ও তার রাসুলের (সঃ) সাথে যুদ্ধে লিপ্ত আছি (এটা কুরআনের কথা অনুযায়ী)। আর যতক্ষণ না আমরা হালাল উপর্জন, হালাল খাদ্য গ্রহণ করব ও সুদ মুক্ত হব, ততক্ষণ আমাদের কোন ফরিয়াদই আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না। তাহলে দরজাটা নিশ্চয় আমরাই বন্ধ করে দিয়েছি। . আল্লাহ তা'আলা বলেন: . ظَهَرَ الْفَسَادُ فِى الْبَرِّ وَالْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِى النَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ الَّذِى عَمِلُواالَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبٰوا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِى يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطٰنُ مِنَ الْمَسِّ ۚ ذٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوٓا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبٰوا ۗ وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبٰوا ۚ فَمَن جَآءَهُۥ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِۦ فَانتَهٰى فَلَهُۥ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُۥٓ إِلَى اللَّهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُولٰٓئِكَ أَصْحٰبُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خٰلِدُونَ . যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়। এটা এ জন্য যে, তারা বলে, বেচা-কেনা সুদের মতই। অথচ আল্লাহ বেচা-কেনা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতএব, যার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে উপদেশ আসার পর সে বিরত হল, যা গত হয়েছে তা তার জন্যই ইচ্ছাধীন। আর তার ব্যাপারটি আল্লাহর হাওলায়। আর যারা ফিরে গেল, তারা আগুনের অধিবাসী। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।। [সূরা: আল- বাক্কারা, আয়াত: ২৭৫।] . يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَذَرُوا مَا بَقِىَ مِنَ الرِّبٰوٓا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ . فَإِن لَّمْ تَفْعَلُوا فَأْذَنُوا بِحَرْبٍ مِّنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِۦ ۖ وَإِن تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوٰلِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ . হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যা অবশিষ্ট আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা মুমিন হও। কিন্তু যদি তোমরা তা না কর তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা নাও, আর যদি তোমরা তাওবা কর, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই থাকবে। তোমরা যুলম করবে না এবং তোমাদের যুলম করা হবে না।। [সূরা: আল- বাক্কারা, আয়াত: ২৭৮-২৭৯।] . 💵 আমরা দাজ্জাল ও তার দোসরদের দ্বারা সৃষ্ট কাগজের মুদ্রা ব্যবস্থাকে গ্রহণ করে রাসুল (সা) এর সুন্নাহকে বর্জন করছি। বর্তমানে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকে এই সুন্নাহ পালন করতে পারছেন না। কিন্তৃু কেউ কেউ এই সুন্নাহর বিরুদ্ধেও কথা বলছি। তারা কি আদৌ মুসলমান? . রাসুল (সা) এর সময় ৬টি বস্তু মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হত। এবং তাই এ ছটি বস্তুর অসম বন্টনকে তিনি সুদ বলেছেন। আবু সাইদ খুদরি (রা) থেকে বর্ণিত,রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-‘সোনার বদলে সোনা,রুপার বদলে রুপা,গমের বদলে গম,যবের বদলে যব,খেজুরের বদলে খেজুর এবং লবণের বদলে লবণ বিক্রি করো নগদ নগদ এবং সমান সমান। যে বেশি দিবে অথবা বেশি নিবে সেটা সুদ হিসেবে গণ্য হবে। দাতা-গ্রহীতা এক্ষেত্রে সমান অপরাধী। (মুসলিম : ১৫৮৪) . এই ৬ টি বস্তুর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। যে বৈশিষ্ট্য গুলো অন্য বস্তুতে পাওয়া গেলে সেটাও সুন্নাহ মুদ্রা হতে পারে, আর পাওয়া না গেলে তা সুন্নাহ মুদ্রা হবে না এমনকি অবস্থাভেদে তা বাতিল বলে সাব্যস্ত হবে। দিনার ও দিরহাম সহ সাময়িক স্থায়িত্ব আছে এমন ভোগ্য পন্য মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। আমরা একে সুন্নাহ মুদ্রা বলতে পারি। আর কাগুজে মুদ্রায় ওই বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় না। আবু বকর ইবন আবি মরিয়ম হতে বর্ণিত যে তিনি আল্লাহর নবী (সাঃ)- কে বলতে শুনেছেন, মানবজাতির উপর এমন সময় অবশ্যই আসছে যখন দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) ও দিরহাম (রৌপ্যমুদ্রা) ছাড়া ব্যবহার করার মত বা উপকারী আর কিছুই থাকবে না।- (মুসনাদ, আহমদ) . ⚖️ বর্তমান পৃথিবীতে আমরা আল্লাহর প্রদত্ত আইন বর্জন করে পেনাল কোড, ফৌজদারী সহ মানুষের সৃষ্ট অসংখ্য আইন প্রয়োগ করছি। আর আল্লাহর প্রদত্ত আইনকে সেকেলে, বর্বরতা বলে মসজিদের ভিতর স্বীমাবদ্ধ করে দিচ্ছি। এমনকি কেউ আল্লাহর প্রদত্ত আইনের বিষয়ে আমাদের সচেতন করতে চাইলে তাকে আমরা জঙ্গী-মৌলবাদ তকমা লাগিয়ে দিচ্ছি। . আল্লাহ তা'আলা বলেন: . ظَيَأْكُلُونَ الرِّبٰوا لَا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِى يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطٰنُ مِنَ الْمَسِّ ۚ ذٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوٓا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبٰوا ۗ وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبٰوا ۚ فَمَن جَآءَهُۥ مَوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّهِۦ فَانتَهٰى فَلَهُۥ مَا سَلَفَ وَأَمْرُهُۥٓ إِلَى اللَّهِ ۖ وَمَنْ عَادَ فَأُولٰٓئِكَ أَصْحٰبُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خٰلِدُونَ . যারা সুদ খায়, তারা তার ন্যায় (কবর থেকে) উঠবে, যাকে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দেয়। এটা এ জন্য যে, তারা বলে, বেচা-কেনা সুদের মতই। অথচ আল্লাহ বেচা-কেনা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতএব, যার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে উপদেশ আসার পর সে বিরত হল, যা গত হয়েছে তা তার জন্যই ইচ্ছাধীন। আর তার ব্যাপারটি আল্লাহর হাওলায়। আর যারা ফিরে গেল, তারা আগুনের অধিবাসী। তারা সেখানে স্থায়ী হবে।। [সূরা: আল- বাক্কারা, আয়াত: ২৭৫।] . يٰٓأَشَرَعَ لَكُم مِّنَ الدِّينِ مَا وَصّٰى بِهِۦ نُوحًا وَالَّذِىٓ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ وَمَا وَصَّيْنَا بِهِۦٓ إِبْرٰهِيمَ وَمُوسٰى وَعِيسٰىٓ ۖ أَنْ أَقِيمُوا الدِّينَ وَلَا تَتَفَرَّقُوا فِيهِ ۚ كَبُرَ عَلَى الْمُشْرِكِينَ مَا تَدْعُوهُمْ إِلَيْهِ ۚ اللَّهُ يَجْتَبِىٓ إِلَيْهِ مَن يَشَآءُ وَيَهْدِىٓ إِلَيْهِ مَن يُنِيبُ . তিনি তোমাদের জন্য দীন বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন; যে বিষয়ে তিনি নূহকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, আর আমি তোমার কাছে যে ওহী পাঠিয়েছি এবং ইবরাহীম, মূসা ও ঈসাকে যে নির্দেশ দিয়েছিলাম তা হল, তোমরা দীন কায়েম করবে এবং এতে বিচ্ছিন্ন হবে না। তুমি মুশরিকদেরকে যেদিকে আহবান করছ তা তাদের কাছে কঠিন মনে হয়; আল্লাহ যাকে চান তার দিকে নিয়ে আসেন। আর যে তাঁর অভিমুখী হয় তাকে তিনি হিদায়াত দান করেন। [সূরা: আশ- শুরা, আয়াত: ১৩।] . يٰٓأَشَرَعَ لَكُم مِّنَ الدِّينِ مَا وَصّٰى بِهِۦ نُوحًا وَالَّذِىٓ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ وَمَا وَصَّيْنَا بِهِۦٓ إِبْرٰهِيمَ أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ ۗ تَبَارَكَ اللَّهُ رَبُّ الْعٰلَمِينَ . সৃষ্টি ও নির্দেশ তাঁরই। আল্লাহ মহান, যিনি সকল সৃষ্টির রব।। [সূরা: আল- আ’রাফ, আয়াত: ৫৪।] . 🐎 বর্তমানে আমরা আল্লাহপ্রদত্ত বাহন উট, গাধা, ঘোড়া ও গরুকে হঠিয়ে ইয়াজুজ-মাজুজরা নিজস্ব তৈরী বাহন, যা ফোরাত নদীর সোনার পাহাড় (তেল- পেট্রোডলারের মাধ্যমে সোনায় রূপান্তরিত) দিয়ে চলে। আল্লাহ প্রদত্ত বাহন সমূহের নিজস্ব কার্যক্ষমতা আছে এবং তারা বিপদ সংকেত বুঝে। কিন্তু ইয়াজুজ-মাজুজ সৃষ্ট বাহন? না আছে কান, না আছে বোধশক্তি, আর না আছে চক্ষু, না আছে বিবেক। অথচ আমরা মুসলমানরা তাদের সৃষ্ট বাহন গ্রহণ করে সুন্নাতি বাহন বর্জন করছি। . وَّ الۡخَیۡلَ وَ الۡبِغَالَ وَ الۡحَمِیۡرَ لِتَرۡکَبُوۡهَا وَ زِیۡنَۃً ؕ وَ یَخۡلُقُ مَا لَا تَعۡلَمُوۡنَ . আর তোমাদের আরোহনের জন্য এবং শোভার জন্য তিনি সৃষ্টি করেছেন ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা এবং তিনি সৃষ্টি করেন এমন অনেক কিছু, যা তোমরা জান না। . এরপরও আমরা মুসলমান!!!!! . হে আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদেরকে সরল পথ দেখান। আমিন।।।।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 🔹 জ্বীনদের সাথে কি মানুষের বিয়ে হয়? 👀
    🔸 জ্বীন কি বাচ্চা প্রসব করে? নাকি ডিম পারে? 👀
    🔹 জ্বীনদের বংশবিস্তার ও মানুষের সাথে বিয়েঃ 👀
    ====================================
    পবিত্র কোরআন শরীফে বলা হয়েছেঃ
    "তবে কি তোমরা আমাকে ছেড়ে শয়তানকে এবং ওর বংশধরকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহন করছো? ওরা তো তোমাদের দুশমন"
    সূত্রঃ [সুরা কা’হফ: ৫০]
    অন্য এক আয়াতে আল্লাহ পাক বলেনঃ
    "তথায় থাকবে আনতনয়ন রমনীগন, কোন জ্বীন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহার করেনি।"
    সূত্রঃ [সুরা আর-রহমান: ৫৬]
    এ থেকে বোঝা যায় যে জ্বীনেরাও বংশবিস্তার করে ও জ্বীনদেরও শারীরিক চাহিদা ঠিক আছে মানুষের মতই। নইলে কেনো হুরদের সাথে জ্বীণ ও মানুষের স্পর্শের কথা পবিত্র কোরানে থাকবে?
    অন্যদিকে বিখ্যাত মুফাসসির তাবেঈ হযরত কাতাদাহ (রঃ) বলেনঃ
    "জ্বীনদের বংশবিস্তার সেইভাবেই চালু আছে যেভাবে মানুষেরা চালাচ্ছে। তবে তাদের জন্মহার মানুষের তুলনায় অনেক বেশী।" - সূত্রঃ ইবনে হাতীম ও কিতাবুল উযমাহ।
    হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলেনঃ
    "আল্লাহ মানুষ ও জ্বীন জাতিদের ১০ টি ভাগে ভাগ করেছেন, তার মধ্যে ৯ ভাগ জ্বীন ও ১ ভাগ মানুষ" অর্থাৎ এর অনুপাত দ্বারায় ১০:১ এ - সূত্রঃ ইবনে আবী হাতীম ও ইবনে জারীর।
    এর দ্বারা বোঝা যায় যে মানুষের ১ টি সন্তানের বিপরীতে জ্বীনদের ৯ টি সন্তান হয়।
    হযরত সাবিত (রহঃ) বলেনঃ
    ইবলীস শয়তানকে আল্লাহ লানত (অভিশাপ) দেবার পর শয়তান আল্লাহর কাছে বেশ কিছু জিনিস চায় তার সারা জীবনের আমলের বদলে।
    জিনের সাথে মানুষের বিয়ে শাদীঃ
    =======================
    জিনের সাথে মানুষের এবং মানুষের সাথে জিনের বিয়ে শাদী হতে পারে। উভয় জাতের মিলনে সন্তান ও হতে পারে। রানী বিলকিসের পিতা মাতার একজন জিন ছিলো।
    কথিত আছে যে, বিলকিসের পায়ের অগ্রভাগ চতুস্পদ জন্তুর মতো ছিলো। আর তার পায়ের গোছতে পশম ছিলো। হযরত সুলাইমান (আঃ) তাকে বিয়ে করে জিনকে আদেশ করেছিলেন পায়ের এই অবস্থা ঠিক করে দিতে। আল্লামা সুয়তী (রাঃ). বলেন ‘হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত নবী করীম করীস (সাঃ). এরশাদ ফরমান, বিলকিসের পিতামাতা যে কোন একজন জীন ছিল। হযরত যুবাইর ইবনে মুহাম্মদ (রা:). বলেন বিলকিসের মা ফারিয়াহ জিন জাতির ছিলো।
    জ্বীন-ইনসানের আপোসে মিলন কি সম্ভব? এ ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে এখতেলাফ রয়েছে। ইমাম সুয়ূতী, ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) সহ আরোও অনেকে জ্বীন-ইনসানের মাঝে বিবাহ ও মিলন ঘটতে পারে বলে মত প্রকাশ করেছেন। পক্ষান্তরে অন্য কিছু উলামা বলেন, জ্বীন-ইনসানের মাঝে বিবাহ ও মিলন সম্ভব নয়।
    যেহেতু মহান আল্লাহ মানুষের নিজেদের মধ্য থেকে সঙ্গিনী সৃষ্টি করে অনুগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে আর একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতেই তোমাদের সঙ্গিনীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা ওদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাস ও মায়া-মমতা সৃষ্টি করেছেন। চিন্তাশীল স¤প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে। {সূরা আর রূম, আয়াত: ২১}
    #হযরত কাতাদাহ ও হাসান (রা:). মতে জীনের সাথে মানুষের বিয়ে মাকরূহ।
    #হানাফী মাযহাব এর মতে জিনদের সাথে বিয়েশাদী জায়েজ নয়।
    #ইমাম সালাবী (রহঃ) বলেছেন মানুষের বিয়ে এবং গর্ভ হওয়া জিন ও মানুষের উভয়ের মধ্যে ঘটতে পারে।
    #আল্লামা সালাবী (রহঃ) বলেছেন মানুষ ও জিনেরা যৌথ মিলনজাত বাচ্চাকে বলা হয় খুন্নাস।
    জিনরা সকলে মুসলিম নয়। তাদের মধ্যে অমুসলিম জিন রয়েছে। মুসলিম জিনরা মসজিদে নামাজ পড়তে আসে। গভীর রাতে একাকী মসজিদে অনেকেই জিনদের দেখেছেন বলে জানা যায়। মানুষের আকৃতিতেই তারা নামাজ পড়ে থাকে।
    ইবলিস আল্লাহকে বলেনঃ হে প্রভু! আপনি আদমকে সৃষ্টি করেছেন ও আমাদের মধ্যে শত্রুতা ঘটিয়েছেন। অতএব আদমের উপর কতৃত্ব অর্জনের জন্যে আমাকে আদমের উপর শক্তিশালী করে দিন। আল্লাহ বলেনঃ "মানুষের বুক হবে তোর বাসা", ইবলিস বলে আরো বাড়িয়ে দিন, আল্লাহ বলেনঃ "তোর ১০ টা বাচ্চা না হওয়া পর্যন্ত আদমের কোনো বাচ্চা হবে না", ইবলিস বললো হে প্রভু আরো বাড়িয়ে দিন, আল্লাহ বললেনঃ "তুই মানুষের প্রতি নিজের পদাতিক বাহীনি নিয়ে আসবি ও মানুষের সম্পদ ও সন্তানে শরীক হয়ে যাবি"।
    অতএব বোঝাই যাচ্ছে জ্বীনদের সংখ্যা মানুষের তুলনায় ১০ গুন আর উপরুক্ত আয়াত ও হাদিস থেকে এটা প্রমানিত জ্বীন ও মানুষের মধ্যে বিবাহ হয়, জ্বীন মানুষের সন্তান ও সম্পদের মধ্যে তাদের অংশ করিয়ে নিতে পারে। - সূত্রঃ শুয়াবুল ঈমান ও বায়হাক্বী।
    প্রশ্ন হতে পারে মানুষের সম্পদ ও সন্তানের মধ্যে শয়তান কিভাবে শরীক হবে? এ প্রশ্নের জবাবে,
    ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ
    “ধন–সম্পদ হারাম পন্থায় উপার্জন করা অথবা হারাম কাজে ব্যয় করাই হচ্ছে ধন সম্পদে শয়তানের শরীকানা। সন্তান সন্ততির মধ্যে শয়তান কয়েকভাবে শরীক হতে পারে। সন্তান অবৈধ ও জারজ হলে, সন্তানের মুশরিক সুলভ নাম রাখা হলে, তাদের লালন–পালনে অবৈধ পন্থায় বা হারাম উর্পাজন করলে।”
    🔸 জ্বীন কি বাচ্চা প্রসব করে? নাকি ডিম পারে? 👀
    এ ব্যাপারে হযরত শাআবী (রহঃ) বলেনঃ
    "ইবলিস ৫ টি ডিমের জনক ছিলো, ওর সমস্ত বংশধর এই ৫টি ডিম থেকেই জন্মেছে। আর শয়তানের বংশধর বিপুল সংখ্যক তথা 'রবীয়াহ ও মুযির (الربيعة و موهير)' (আরবের বৃহত্তম ২ টি গোত্র) গোত্রের চাইতেও বেশী এবং তারা মানুষেকে পথভ্রষ্ট করতে সদা তৎপর" এখানে রবীয়াহ ও মুযির বংশের নাম এসেছে তাদের বৃহত্তর সংখ্যা বোঝাতে যেহেতু তখনকার সময়ে বৃহত্তর সংখ্যা নির্নয়ের ব্যাবস্থা ছিলোনা। - সূত্রঃ ইবনে আবী হাতীম।
    হযরত সালমান ফারেশী (রাঃ) বলেনঃ
    "নবী করিম (সাঃ) তাকে উপদেশ দিয়ে বলেন, তুমি তাদের মতো হয়ো না, যারা সবার আগে বাজারে প্রবেশ করে অথবা যারা সবার শেষে বাজার থেকে বের হয়। কেননা বাজার এমন জায়গা যেখানে শয়তান ডিম থেকে বাচ্চা প্রসব করে রেখেছে। এ থেকেও জানা যায় যে, ডিম থেকে শয়তানের বংশ বৃদ্ধি পায়। আর বংশ বৃদ্ধির জন্য বিবাহ–শাদী একান্ত আবশ্যক।
    আল্লাহ তায়ালা এরশাদ ফরমান-
    অর্থাৎ: এই জান্নাতী লোকদের পূর্বে তাদের (হূর) কে কোন মানুষ স্পর্শ করেনি।
    উল্লেখিত আয়াতে ব্যাখ্যা হল নেককার মানুষের ন্যায় নেককার জ্বীনেরাও বেহেশতে যাবে। সেখানে পুরুষ মানুষের জন্য নারী মানুষ, পুরুষ জ্বীনের জন্য নারী জ্বীন হবে। আয়াতের বক্তব্য হল এ সমস্ত রমণীগণকে ইতিপূর্বে কোন মানুষ বা জ্বীন স্পর্শ করেনি। উল্লেখিত আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, জ্বীণেরা সহবাসও করে। জ্বীনরা প্রসব করেনা তারা ডিম পারে ও তারাও বিবাহ করে।
    জ্বীনরা কি বিবাহ বা মানুষের সাথে জিনাহ/ব্যাভিচার করে?
    উত্তরঃ জ্বীন ও মানুষের বিয়ে সম্ভব, শুধু তাই নয় জ্বীন দ্বারা ধর্ষনের আলামত ও অনেক পাওয়া যায়।
    কোরআনে মানুষ ও জ্বীনদের বিবাহ নিয়ে একটি আয়াত উল্লেখ করলামঃ
    "তুই সত্যচ্যুত করে তাদের মধ্য থেকে যাকে পারিস স্বীয় আওয়ায দ্বারা, স্বীয় অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে তাদেরকে আক্রমণ কর, তাদের অর্থ-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে শরীক হয়ে যা এবং তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দে। ছলনা ছাড়া শয়তান তাদেরকে কোন প্রতিশ্রুতি দেয় না।" - সূত্রঃ [সুরা বনী-ইসরাঈল: ৬৪]
    বিখ্যাত ঈমাম সা-আলাবী (রহঃ) এর মতে জ্বীন ও মানুষ উভয়েরই গর্ভধারন ক্ষমতা থাকে। আর কোরানের এই আয়াত দ্বারাই প্রমানিত যে জ্বীন ছলনার আশ্রয় নিয়ে মানুষের সাথে ব্যাভিচারে লিপ্ত হয়।
    এখন স্বভাবতই প্রশ্ন আসতে পারে এটা কিভাবে সম্ভব?
    হযরত মুজাহিদ (রহঃ) বলেনঃ
    "কোনো মানুষ যদি নিজের স্ত্রীর সাথে সহবাস সম্পাদনের সময় 'বিসমিল্লাহ (بسم الله)' না পরে জ্বীন তখন পুরুষের শরীরে প্রবেশ করার অনুমতি পেয়ে যায়, ও জ্বীন পুরুষের প্রস্রাবের ছিদ্র পথে জড়িয়ে থাকার মাধ্যমে পূর্ন সহবাস সম্পাদন করে থাকে।"
    শুধু কি তাই?
    হযরত ইবনে আব্বাস (রহঃ) বলেনঃ
    হিজড়া হলো জ্বীনদের সন্তান। স্বভাবতই প্রশ্ন করার কথা এটা কিভাবে সম্ভব?
    হ্যা সম্ভব, হযরত ইবনে আব্বাস (রহঃ) এ ব্যাপারে আরো বলেনঃ "আল্লাহ ও তার রাসূল (সাঃ) সরাসরি নিষেধ করেছেন যে মানুষ যেনো তার স্ত্রীর (বিশেষ সময়ে) তার সাথে সহবাস না করে। যদি করে তাহলে শয়তান গোপনকার্য চালানোর সময় পুরুষের আগে আগে থাকে এবং সেই শয়তানের দ্বারা ঐ মহিলা গর্ভবতী হলে হিজড়া সন্তান জন্ম নেয়"। আগে আগে থাকে বলতে গোপনাঙ্গে জড়িয়ে থাকে। (উল্লেখ্য এতে হিজড়াদের কোনো দোষ নেই, এবং তারা শয়তান ও না। তারা জ্বীন ও মানুষের সঙ্কর সন্তান, তাদের উপরও ইসলামের পূর্ন বিধান আছে, তাদের মধ্যে কারো পুরুষ অংশ বেশী হলে তারা পুরুষের ন্যায় ইসলামের বিধান পালন করবে আর নারীর ন্যায় হলে নারীদের মত পালন করবে। তবে তাদের সমাজ থেকে বের করে দেয়া জাহেলীয়াতের কাজ। ইসলাম হিজড়াদের উপর এ বিধান কখনই আরোপ করেনি। ইসলাম তাদেরও পূর্ন মর্যাদা দিয়েছে।) - সূত্রঃ ত্বরত্বসী, কিতাবুল তাহরীম...মুখান্নাস হাদীস ২৬
    আল্লামা সাআলাবী (রহঃ) বলেনঃ
    মানুষ আর জ্বীনের যৌথ মিলনে যে সঙ্কর প্রজাতি মানুষের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় "খুন্নাস (الكونات)" বা খান্নাস। সূরাতুল নাস এ (মিন শাররিল ওয়াস ওয়াসিল খান্নাস) এই খান্নাস থেকে বাচার জন্যে আল্লাহর কাছে দুয়া প্রার্থনা করা হয়। - সূত্রঃ ফিকাতুল লিগাহ
    অতএব স্বামী-স্ত্রীদের অবশ্যই উচিত ঘুমাতে যাবার আগে "বিসমিল্লাহ" পড়া অন্যথায় শয়তান তাদের সাথে মিশে যায়। - সূত্রঃ "جميع يحتفظ بحقه إسماعيل"
    একটি ঘটনাঃ
    আমরা সবাই জানি হযরত সুলাইমান (আঃ) ছিলেন জ্বীনদের সরদার। সুলাইমানের বিবির/বউ নাম ছিলো বিলকীস। রানী বিলকীস বিনতে শারাহীল ছিলেন তৎকালীন ইয়েমেনের সাবার রানী। উনি সূর্যপূজা করতেন। আল্লাহর কাছ থেকে সুলাইমানের উপর নির্দেশ আসে বিলকীস কে মুসলমান বানাতে, বিলকীস ছিলেন প্রভূত বিত্তবৈভবের মালিক। রানীর একটি বিশাল সিংহাসন ছিল যা স্বর্ণ, রৌপ্য ও বিভিন্ন প্রকার মূল্যবান পাথর দ্বারা সুসজ্জিত ছিল।
    হযরত সুলাইমান (আঃ) রানীর নিকট এই মর্মে পত্র প্রেরণ করেছিলেন যে, সে যেন কুফর ও শিরক বর্জন করে 'আল্লাহ এক' বলে বিশ্বাস করে এবং ক্ষমতার অহমিকা পরিত্যাগ করে তাঁর আনুগত্য স্বীকার করে তাঁর নিকট উপস্থিত হয়। এদিকে হযরত সুলাইমান (আঃ) দরবারের লোকদেরকে বলেন, হে পারিষদ বর্গ ইয়ামানের রানী আত্মসমর্পণ করে আমার নিকট আসার পূর্বে তোমাদের মধ্যে কে তার সিংহাসন আমার নিকট নিয়ে আসতে পারবে? এক শক্তিশালী জ্বীন বলল, আপনার মজলিস শেষ হওয়ার পূর্বেই আমি তা আপনার নিকট এনে দিতে পারব। হযরত সুলাইমান (আঃ) এর একজন নিকটতম জ্বীণ সাহাবী ও ইতিহাস লেখক বললেন, আপনার চোখের পলক ফেলার পূর্বেই আমি তা আপনার নিকট নিয়ে আসতে পারবো। ইনি আসমানী কিতাবের জ্ঞানসম্পন্ন ছিলেন এবং তাঁর ইসমে আযম (আল্লাহর কিছু গুনবাচক নাম যা পাঠ করলে গায়েবী শক্তি লাভ করা যায়) জানা ছিল। মুহূর্তের মধ্যে সে সিংহাসন নিয়ে আসল। এ থেকে বোঝা যায় যে জ্বীনদের শক্তি বা ক্ষমতা কত বিশাল।
    রানী বিলকীস হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর দরবারে উপস্থিত হলেন। তিনি এখানে তাঁর নিজ সিংহাসন দেখে বিস্মিত হলেন এবং এক আল্লাহর প্রতি নিজের ঈমান প্রকাশ করলেন। রানী হযরত সুলাইমানের আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান, প্রজ্ঞা, ঐশ্বর্য ও অভূতপূর্ব ক্ষমতার প্রতাপ লক্ষ্য করে পাঠ করেছিলেনঃ-
    "হে আমার প্রতিপালক, আমি তো নিজের প্রতি জুলুম করেছিলাম। আমি সুলাইমানের সঙ্গে বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করছি।" - সূত্রঃ [সূরা নামল : ৪৪] তাছাড়া সূরা নামাল এ এব্যাপারে বিশদ বর্ননা করা আছে। তাফসিরে কোরআন থেকে দেখে নিয়েন।
    আমার এ ঘটনা এখানে আনার একটাই উদ্দেশ্য সেটা হলো, কে ছিলেন এই বিলকীসের মা বাবা?
    উত্তরঃ বিলকীসের মা-বাবার মধ্যে কেউ একজন ছিলেন জ্বীন।
    প্রখ্যাত ইবনুল কালবী বলেনঃ
    "বিলকীসের বাবা জ্বীনদের এক মেয়েকে বিবাহ করেছিলেন, আর যাকে বিবাহ করেছিলেন তার নাম হলো 'রেহানা বিনতে সুকুন (روهينا فلانة بنت) (সুকুন ছিলেন একজন পরী) যার গর্ভেই বিলকীসের জন্ম হয়। বিলকীসের জন্মগত নাম ছিলো 'বিলকীমাহ'"
    বর্নিত আছে যে বিলকীসের পায়ের সামনের অংশ ছিলো চতুষ্পদ জন্তুর মত (ঘোড়া) এমনকি তার পায়ের গোড়ালিতে লোমও ছিলো। আর তাই হযরত সুলাইমান (আঃ) তাকে বিয়ে করার পর জ্বীন শয়তানদের নির্দেশ দিয়ে বলেনঃ
    "তোমরা তার (বিলকিসের) জন্যে হাম্মাম (গোসলখানা) ও লোম বিনাশকারী পাউডার বানাও" - সূত্রঃ ইবনুল কালবী
    এব্যাপারে আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিত আছে রাসূল (সা:) বলেছেনঃ
    "বিলকীসের পিতা-মাতার মধ্যে একজন ছিলেন জ্বীন" - সূত্রঃ আবু আশ-শাঈখ, ইবনে আসাকির মীযানুল-ইহতিদাল ৩১৪৩, কানযুল উম্মাল ২৯১৬ ও কামিল ইবনে আদী ১২০৯।
    হযরত মুজাহিদ (রহঃ) বলেনঃ
    "সাবার এর রানী বিলকীসের মা ছিলেন জ্বীন"। - সূত্রঃ ইবনে মুনযির ও আবী শাঈবাহ।
    হযরত যিবাইর বিন মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ
    "বিলকীসের মা 'ফারিয়াহ' ছিলো জ্বীন" - সূত্রঃ ইবনে আবী হাতীম।
    হযরত জুরাইজ (রহঃ) বলেনঃ
    "বিলকীসের মা ফারিয়াহ ছিলেন 'বিলফানাহ'(জ্বীনদের একটি গোত্র)" - সূত্রঃ ইবনে আবী হাতীম।
    হযরত উসমান বিন হাযির (রহঃ) বলেনঃ
    "বিলকীসের মা ফারিয়াহ এর পূর্ন নাম ছিলো 'বিলকীমাহ বিনতে সাইসান' অন্য যায়গায় আছে 'রায়হানা বিনতে সুকান'" - সূত্রঃ হাকীম, তিরমিযী, ইবনে মারদুইয়াহ।
    ইবনে আসকির (রহঃ) একজন জ্বীনকে প্রশ্ন করেনঃ
    "বিলকীসের মা বা বাবার মধ্যে কেউ কি জ্বীন ছিলো?"
    জ্বীনটি উত্তর দেয়ঃ
    "জ্বীনরা বাচ্চা দেয় না" অর্থাৎ বিলকিস পরীর ডিম থেকে জন্মলাভ করে। - সূত্রঃ ইবনে আসাকির।
    এ থেকে এটা স্পষ্ট যে...
    অর্থাৎ জ্বীনরা সরাসরি বাচ্চা দেয় না তারা ডিম পারে। আর নারী জ্বীনই শুধু বাচ্চা দেয়। মানুষ মহিলা কখনই জ্বীন পুরুষের সাথে গোপনকার্য সম্পাদনে গর্ভবতী হয়না, পুরুষ জ্বীনদের মানুষ মহিলাকে গর্ভবতী করতে হলে অবশ্যই মানুষ পুরুষের সাহায্যের দরকার হয়।
    হযরত আয়েশা (রাঃ) বর্ননা করেন রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ
    "নিশ্চই তোমাদের মধ্যে 'মুগরবীন' আছে। রাসূল (সাঃ) জিজ্ঞাস করা হলো মুগরবীন কারা? রাসূল (সাঃ) বললেনঃ যেসব মানুষের মধ্যে জ্বীনেরা মিশে থাকে" - সূত্রঃ হাকীম, তিরমিযী, কানযুল উম্মাল ১৬:৪৫৪ হাদীস-৪৪৯০০
    এ ব্যাপারে কোরআনে বলা হয়েছেঃ
    "(ওহে শয়তান) তুই শরীক হয়ে যা মানুষের সন্তান ও সম্পদের সাথে" - সূত্রঃ বনী-ইসরাঈল, আয়াতঃ ৬৪
    ইবনে আসীর (রহঃ) বলেনঃ
    "জ্বীনদের মধ্যে অন্য প্রজাতির নির্যার (স্পার্ম) শামীল হয়ে যাবার কারনে অথবা দূরবর্তী বংশে জন্মানোর কারনে তাদের 'মুগরবীন' বলা হয়" আর এই মুগরবীনরাই মানুষকে জিনাহ-ব্যাভিচারে লিপ্ত করে। - সূত্রঃ ইবনুল আসীর ৩:৩৪৯
    হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেনঃ
    "খুদরী ও আলী, নাহরওয়ানে হুদুদিয়াদের হত্যার সময় সামনে ছিলেন। হযরত আলী (রাঃ) 'তালীদ'কে খুজলেন কিন্তু পেলেননা, উনি সবাইকে তালীদকে খোজার আদেশ দিলেন। এক ব্যাক্তি হঠাত ঐ মজলিসে বলে উঠিলেন তালীদ হলেন 'কাউস' আলী ঐ কাউসের মায়ের কাছে জানতে পারলেন যে কাউস জ্বীনের সন্তান" - সূত্রঃ নুযহাতুল মুযাকারাহ
    বিঃদ্র "এই হাদীসটি নিয়ে আমি চিন্তিত, এর তেমন কোনো সঠিক ব্যাখ্যা আমি পাইনি, আমার মতে হাদিসটি জাল বা দুর্বল হতে পারে।"
    আমরা যে "ব্লাডি ম্যারীর" আর "এমিলি রোজের" নাম জানি তাদের এক্সোরসিজমের মূল কারন কিন্তু জ্বীন দ্বারা ফিজিক্যালী পোজেষ্ট হওয়া।
    🔹 জ্বীনদের সাথে কি মানুষের বিয়ে হয়? 👀 🔸 জ্বীন কি বাচ্চা প্রসব করে? নাকি ডিম পারে? 👀 🔹 জ্বীনদের বংশবিস্তার ও মানুষের সাথে বিয়েঃ 👀 ==================================== পবিত্র কোরআন শরীফে বলা হয়েছেঃ "তবে কি তোমরা আমাকে ছেড়ে শয়তানকে এবং ওর বংশধরকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহন করছো? ওরা তো তোমাদের দুশমন" সূত্রঃ [সুরা কা’হফ: ৫০] অন্য এক আয়াতে আল্লাহ পাক বলেনঃ "তথায় থাকবে আনতনয়ন রমনীগন, কোন জ্বীন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহার করেনি।" সূত্রঃ [সুরা আর-রহমান: ৫৬] এ থেকে বোঝা যায় যে জ্বীনেরাও বংশবিস্তার করে ও জ্বীনদেরও শারীরিক চাহিদা ঠিক আছে মানুষের মতই। নইলে কেনো হুরদের সাথে জ্বীণ ও মানুষের স্পর্শের কথা পবিত্র কোরানে থাকবে? অন্যদিকে বিখ্যাত মুফাসসির তাবেঈ হযরত কাতাদাহ (রঃ) বলেনঃ "জ্বীনদের বংশবিস্তার সেইভাবেই চালু আছে যেভাবে মানুষেরা চালাচ্ছে। তবে তাদের জন্মহার মানুষের তুলনায় অনেক বেশী।" - সূত্রঃ ইবনে হাতীম ও কিতাবুল উযমাহ। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলেনঃ "আল্লাহ মানুষ ও জ্বীন জাতিদের ১০ টি ভাগে ভাগ করেছেন, তার মধ্যে ৯ ভাগ জ্বীন ও ১ ভাগ মানুষ" অর্থাৎ এর অনুপাত দ্বারায় ১০:১ এ - সূত্রঃ ইবনে আবী হাতীম ও ইবনে জারীর। এর দ্বারা বোঝা যায় যে মানুষের ১ টি সন্তানের বিপরীতে জ্বীনদের ৯ টি সন্তান হয়। হযরত সাবিত (রহঃ) বলেনঃ ইবলীস শয়তানকে আল্লাহ লানত (অভিশাপ) দেবার পর শয়তান আল্লাহর কাছে বেশ কিছু জিনিস চায় তার সারা জীবনের আমলের বদলে। জিনের সাথে মানুষের বিয়ে শাদীঃ ======================= জিনের সাথে মানুষের এবং মানুষের সাথে জিনের বিয়ে শাদী হতে পারে। উভয় জাতের মিলনে সন্তান ও হতে পারে। রানী বিলকিসের পিতা মাতার একজন জিন ছিলো। কথিত আছে যে, বিলকিসের পায়ের অগ্রভাগ চতুস্পদ জন্তুর মতো ছিলো। আর তার পায়ের গোছতে পশম ছিলো। হযরত সুলাইমান (আঃ) তাকে বিয়ে করে জিনকে আদেশ করেছিলেন পায়ের এই অবস্থা ঠিক করে দিতে। আল্লামা সুয়তী (রাঃ). বলেন ‘হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত নবী করীম করীস (সাঃ). এরশাদ ফরমান, বিলকিসের পিতামাতা যে কোন একজন জীন ছিল। হযরত যুবাইর ইবনে মুহাম্মদ (রা:). বলেন বিলকিসের মা ফারিয়াহ জিন জাতির ছিলো। জ্বীন-ইনসানের আপোসে মিলন কি সম্ভব? এ ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে এখতেলাফ রয়েছে। ইমাম সুয়ূতী, ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) সহ আরোও অনেকে জ্বীন-ইনসানের মাঝে বিবাহ ও মিলন ঘটতে পারে বলে মত প্রকাশ করেছেন। পক্ষান্তরে অন্য কিছু উলামা বলেন, জ্বীন-ইনসানের মাঝে বিবাহ ও মিলন সম্ভব নয়। যেহেতু মহান আল্লাহ মানুষের নিজেদের মধ্য থেকে সঙ্গিনী সৃষ্টি করে অনুগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে আর একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতেই তোমাদের সঙ্গিনীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা ওদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাস ও মায়া-মমতা সৃষ্টি করেছেন। চিন্তাশীল স¤প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে। {সূরা আর রূম, আয়াত: ২১} #হযরত কাতাদাহ ও হাসান (রা:). মতে জীনের সাথে মানুষের বিয়ে মাকরূহ। #হানাফী মাযহাব এর মতে জিনদের সাথে বিয়েশাদী জায়েজ নয়। #ইমাম সালাবী (রহঃ) বলেছেন মানুষের বিয়ে এবং গর্ভ হওয়া জিন ও মানুষের উভয়ের মধ্যে ঘটতে পারে। #আল্লামা সালাবী (রহঃ) বলেছেন মানুষ ও জিনেরা যৌথ মিলনজাত বাচ্চাকে বলা হয় খুন্নাস। জিনরা সকলে মুসলিম নয়। তাদের মধ্যে অমুসলিম জিন রয়েছে। মুসলিম জিনরা মসজিদে নামাজ পড়তে আসে। গভীর রাতে একাকী মসজিদে অনেকেই জিনদের দেখেছেন বলে জানা যায়। মানুষের আকৃতিতেই তারা নামাজ পড়ে থাকে। ইবলিস আল্লাহকে বলেনঃ হে প্রভু! আপনি আদমকে সৃষ্টি করেছেন ও আমাদের মধ্যে শত্রুতা ঘটিয়েছেন। অতএব আদমের উপর কতৃত্ব অর্জনের জন্যে আমাকে আদমের উপর শক্তিশালী করে দিন। আল্লাহ বলেনঃ "মানুষের বুক হবে তোর বাসা", ইবলিস বলে আরো বাড়িয়ে দিন, আল্লাহ বলেনঃ "তোর ১০ টা বাচ্চা না হওয়া পর্যন্ত আদমের কোনো বাচ্চা হবে না", ইবলিস বললো হে প্রভু আরো বাড়িয়ে দিন, আল্লাহ বললেনঃ "তুই মানুষের প্রতি নিজের পদাতিক বাহীনি নিয়ে আসবি ও মানুষের সম্পদ ও সন্তানে শরীক হয়ে যাবি"। অতএব বোঝাই যাচ্ছে জ্বীনদের সংখ্যা মানুষের তুলনায় ১০ গুন আর উপরুক্ত আয়াত ও হাদিস থেকে এটা প্রমানিত জ্বীন ও মানুষের মধ্যে বিবাহ হয়, জ্বীন মানুষের সন্তান ও সম্পদের মধ্যে তাদের অংশ করিয়ে নিতে পারে। - সূত্রঃ শুয়াবুল ঈমান ও বায়হাক্বী। প্রশ্ন হতে পারে মানুষের সম্পদ ও সন্তানের মধ্যে শয়তান কিভাবে শরীক হবে? এ প্রশ্নের জবাবে, ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ “ধন–সম্পদ হারাম পন্থায় উপার্জন করা অথবা হারাম কাজে ব্যয় করাই হচ্ছে ধন সম্পদে শয়তানের শরীকানা। সন্তান সন্ততির মধ্যে শয়তান কয়েকভাবে শরীক হতে পারে। সন্তান অবৈধ ও জারজ হলে, সন্তানের মুশরিক সুলভ নাম রাখা হলে, তাদের লালন–পালনে অবৈধ পন্থায় বা হারাম উর্পাজন করলে।” 🔸 জ্বীন কি বাচ্চা প্রসব করে? নাকি ডিম পারে? 👀 এ ব্যাপারে হযরত শাআবী (রহঃ) বলেনঃ "ইবলিস ৫ টি ডিমের জনক ছিলো, ওর সমস্ত বংশধর এই ৫টি ডিম থেকেই জন্মেছে। আর শয়তানের বংশধর বিপুল সংখ্যক তথা 'রবীয়াহ ও মুযির (الربيعة و موهير)' (আরবের বৃহত্তম ২ টি গোত্র) গোত্রের চাইতেও বেশী এবং তারা মানুষেকে পথভ্রষ্ট করতে সদা তৎপর" এখানে রবীয়াহ ও মুযির বংশের নাম এসেছে তাদের বৃহত্তর সংখ্যা বোঝাতে যেহেতু তখনকার সময়ে বৃহত্তর সংখ্যা নির্নয়ের ব্যাবস্থা ছিলোনা। - সূত্রঃ ইবনে আবী হাতীম। হযরত সালমান ফারেশী (রাঃ) বলেনঃ "নবী করিম (সাঃ) তাকে উপদেশ দিয়ে বলেন, তুমি তাদের মতো হয়ো না, যারা সবার আগে বাজারে প্রবেশ করে অথবা যারা সবার শেষে বাজার থেকে বের হয়। কেননা বাজার এমন জায়গা যেখানে শয়তান ডিম থেকে বাচ্চা প্রসব করে রেখেছে। এ থেকেও জানা যায় যে, ডিম থেকে শয়তানের বংশ বৃদ্ধি পায়। আর বংশ বৃদ্ধির জন্য বিবাহ–শাদী একান্ত আবশ্যক। আল্লাহ তায়ালা এরশাদ ফরমান- অর্থাৎ: এই জান্নাতী লোকদের পূর্বে তাদের (হূর) কে কোন মানুষ স্পর্শ করেনি। উল্লেখিত আয়াতে ব্যাখ্যা হল নেককার মানুষের ন্যায় নেককার জ্বীনেরাও বেহেশতে যাবে। সেখানে পুরুষ মানুষের জন্য নারী মানুষ, পুরুষ জ্বীনের জন্য নারী জ্বীন হবে। আয়াতের বক্তব্য হল এ সমস্ত রমণীগণকে ইতিপূর্বে কোন মানুষ বা জ্বীন স্পর্শ করেনি। উল্লেখিত আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, জ্বীণেরা সহবাসও করে। জ্বীনরা প্রসব করেনা তারা ডিম পারে ও তারাও বিবাহ করে। জ্বীনরা কি বিবাহ বা মানুষের সাথে জিনাহ/ব্যাভিচার করে? উত্তরঃ জ্বীন ও মানুষের বিয়ে সম্ভব, শুধু তাই নয় জ্বীন দ্বারা ধর্ষনের আলামত ও অনেক পাওয়া যায়। কোরআনে মানুষ ও জ্বীনদের বিবাহ নিয়ে একটি আয়াত উল্লেখ করলামঃ "তুই সত্যচ্যুত করে তাদের মধ্য থেকে যাকে পারিস স্বীয় আওয়ায দ্বারা, স্বীয় অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে তাদেরকে আক্রমণ কর, তাদের অর্থ-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে শরীক হয়ে যা এবং তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দে। ছলনা ছাড়া শয়তান তাদেরকে কোন প্রতিশ্রুতি দেয় না।" - সূত্রঃ [সুরা বনী-ইসরাঈল: ৬৪] বিখ্যাত ঈমাম সা-আলাবী (রহঃ) এর মতে জ্বীন ও মানুষ উভয়েরই গর্ভধারন ক্ষমতা থাকে। আর কোরানের এই আয়াত দ্বারাই প্রমানিত যে জ্বীন ছলনার আশ্রয় নিয়ে মানুষের সাথে ব্যাভিচারে লিপ্ত হয়। এখন স্বভাবতই প্রশ্ন আসতে পারে এটা কিভাবে সম্ভব? হযরত মুজাহিদ (রহঃ) বলেনঃ "কোনো মানুষ যদি নিজের স্ত্রীর সাথে সহবাস সম্পাদনের সময় 'বিসমিল্লাহ (بسم الله)' না পরে জ্বীন তখন পুরুষের শরীরে প্রবেশ করার অনুমতি পেয়ে যায়, ও জ্বীন পুরুষের প্রস্রাবের ছিদ্র পথে জড়িয়ে থাকার মাধ্যমে পূর্ন সহবাস সম্পাদন করে থাকে।" শুধু কি তাই? হযরত ইবনে আব্বাস (রহঃ) বলেনঃ হিজড়া হলো জ্বীনদের সন্তান। স্বভাবতই প্রশ্ন করার কথা এটা কিভাবে সম্ভব? হ্যা সম্ভব, হযরত ইবনে আব্বাস (রহঃ) এ ব্যাপারে আরো বলেনঃ "আল্লাহ ও তার রাসূল (সাঃ) সরাসরি নিষেধ করেছেন যে মানুষ যেনো তার স্ত্রীর (বিশেষ সময়ে) তার সাথে সহবাস না করে। যদি করে তাহলে শয়তান গোপনকার্য চালানোর সময় পুরুষের আগে আগে থাকে এবং সেই শয়তানের দ্বারা ঐ মহিলা গর্ভবতী হলে হিজড়া সন্তান জন্ম নেয়"। আগে আগে থাকে বলতে গোপনাঙ্গে জড়িয়ে থাকে। (উল্লেখ্য এতে হিজড়াদের কোনো দোষ নেই, এবং তারা শয়তান ও না। তারা জ্বীন ও মানুষের সঙ্কর সন্তান, তাদের উপরও ইসলামের পূর্ন বিধান আছে, তাদের মধ্যে কারো পুরুষ অংশ বেশী হলে তারা পুরুষের ন্যায় ইসলামের বিধান পালন করবে আর নারীর ন্যায় হলে নারীদের মত পালন করবে। তবে তাদের সমাজ থেকে বের করে দেয়া জাহেলীয়াতের কাজ। ইসলাম হিজড়াদের উপর এ বিধান কখনই আরোপ করেনি। ইসলাম তাদেরও পূর্ন মর্যাদা দিয়েছে।) - সূত্রঃ ত্বরত্বসী, কিতাবুল তাহরীম...মুখান্নাস হাদীস ২৬ আল্লামা সাআলাবী (রহঃ) বলেনঃ মানুষ আর জ্বীনের যৌথ মিলনে যে সঙ্কর প্রজাতি মানুষের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় "খুন্নাস (الكونات)" বা খান্নাস। সূরাতুল নাস এ (মিন শাররিল ওয়াস ওয়াসিল খান্নাস) এই খান্নাস থেকে বাচার জন্যে আল্লাহর কাছে দুয়া প্রার্থনা করা হয়। - সূত্রঃ ফিকাতুল লিগাহ অতএব স্বামী-স্ত্রীদের অবশ্যই উচিত ঘুমাতে যাবার আগে "বিসমিল্লাহ" পড়া অন্যথায় শয়তান তাদের সাথে মিশে যায়। - সূত্রঃ "جميع يحتفظ بحقه إسماعيل" একটি ঘটনাঃ আমরা সবাই জানি হযরত সুলাইমান (আঃ) ছিলেন জ্বীনদের সরদার। সুলাইমানের বিবির/বউ নাম ছিলো বিলকীস। রানী বিলকীস বিনতে শারাহীল ছিলেন তৎকালীন ইয়েমেনের সাবার রানী। উনি সূর্যপূজা করতেন। আল্লাহর কাছ থেকে সুলাইমানের উপর নির্দেশ আসে বিলকীস কে মুসলমান বানাতে, বিলকীস ছিলেন প্রভূত বিত্তবৈভবের মালিক। রানীর একটি বিশাল সিংহাসন ছিল যা স্বর্ণ, রৌপ্য ও বিভিন্ন প্রকার মূল্যবান পাথর দ্বারা সুসজ্জিত ছিল। হযরত সুলাইমান (আঃ) রানীর নিকট এই মর্মে পত্র প্রেরণ করেছিলেন যে, সে যেন কুফর ও শিরক বর্জন করে 'আল্লাহ এক' বলে বিশ্বাস করে এবং ক্ষমতার অহমিকা পরিত্যাগ করে তাঁর আনুগত্য স্বীকার করে তাঁর নিকট উপস্থিত হয়। এদিকে হযরত সুলাইমান (আঃ) দরবারের লোকদেরকে বলেন, হে পারিষদ বর্গ ইয়ামানের রানী আত্মসমর্পণ করে আমার নিকট আসার পূর্বে তোমাদের মধ্যে কে তার সিংহাসন আমার নিকট নিয়ে আসতে পারবে? এক শক্তিশালী জ্বীন বলল, আপনার মজলিস শেষ হওয়ার পূর্বেই আমি তা আপনার নিকট এনে দিতে পারব। হযরত সুলাইমান (আঃ) এর একজন নিকটতম জ্বীণ সাহাবী ও ইতিহাস লেখক বললেন, আপনার চোখের পলক ফেলার পূর্বেই আমি তা আপনার নিকট নিয়ে আসতে পারবো। ইনি আসমানী কিতাবের জ্ঞানসম্পন্ন ছিলেন এবং তাঁর ইসমে আযম (আল্লাহর কিছু গুনবাচক নাম যা পাঠ করলে গায়েবী শক্তি লাভ করা যায়) জানা ছিল। মুহূর্তের মধ্যে সে সিংহাসন নিয়ে আসল। এ থেকে বোঝা যায় যে জ্বীনদের শক্তি বা ক্ষমতা কত বিশাল। রানী বিলকীস হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর দরবারে উপস্থিত হলেন। তিনি এখানে তাঁর নিজ সিংহাসন দেখে বিস্মিত হলেন এবং এক আল্লাহর প্রতি নিজের ঈমান প্রকাশ করলেন। রানী হযরত সুলাইমানের আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান, প্রজ্ঞা, ঐশ্বর্য ও অভূতপূর্ব ক্ষমতার প্রতাপ লক্ষ্য করে পাঠ করেছিলেনঃ- "হে আমার প্রতিপালক, আমি তো নিজের প্রতি জুলুম করেছিলাম। আমি সুলাইমানের সঙ্গে বিশ্বজাহানের প্রতিপালক আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করছি।" - সূত্রঃ [সূরা নামল : ৪৪] তাছাড়া সূরা নামাল এ এব্যাপারে বিশদ বর্ননা করা আছে। তাফসিরে কোরআন থেকে দেখে নিয়েন। আমার এ ঘটনা এখানে আনার একটাই উদ্দেশ্য সেটা হলো, কে ছিলেন এই বিলকীসের মা বাবা? উত্তরঃ বিলকীসের মা-বাবার মধ্যে কেউ একজন ছিলেন জ্বীন। প্রখ্যাত ইবনুল কালবী বলেনঃ "বিলকীসের বাবা জ্বীনদের এক মেয়েকে বিবাহ করেছিলেন, আর যাকে বিবাহ করেছিলেন তার নাম হলো 'রেহানা বিনতে সুকুন (روهينا فلانة بنت) (সুকুন ছিলেন একজন পরী) যার গর্ভেই বিলকীসের জন্ম হয়। বিলকীসের জন্মগত নাম ছিলো 'বিলকীমাহ'" বর্নিত আছে যে বিলকীসের পায়ের সামনের অংশ ছিলো চতুষ্পদ জন্তুর মত (ঘোড়া) এমনকি তার পায়ের গোড়ালিতে লোমও ছিলো। আর তাই হযরত সুলাইমান (আঃ) তাকে বিয়ে করার পর জ্বীন শয়তানদের নির্দেশ দিয়ে বলেনঃ "তোমরা তার (বিলকিসের) জন্যে হাম্মাম (গোসলখানা) ও লোম বিনাশকারী পাউডার বানাও" - সূত্রঃ ইবনুল কালবী এব্যাপারে আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিত আছে রাসূল (সা:) বলেছেনঃ "বিলকীসের পিতা-মাতার মধ্যে একজন ছিলেন জ্বীন" - সূত্রঃ আবু আশ-শাঈখ, ইবনে আসাকির মীযানুল-ইহতিদাল ৩১৪৩, কানযুল উম্মাল ২৯১৬ ও কামিল ইবনে আদী ১২০৯। হযরত মুজাহিদ (রহঃ) বলেনঃ "সাবার এর রানী বিলকীসের মা ছিলেন জ্বীন"। - সূত্রঃ ইবনে মুনযির ও আবী শাঈবাহ। হযরত যিবাইর বিন মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেনঃ "বিলকীসের মা 'ফারিয়াহ' ছিলো জ্বীন" - সূত্রঃ ইবনে আবী হাতীম। হযরত জুরাইজ (রহঃ) বলেনঃ "বিলকীসের মা ফারিয়াহ ছিলেন 'বিলফানাহ'(জ্বীনদের একটি গোত্র)" - সূত্রঃ ইবনে আবী হাতীম। হযরত উসমান বিন হাযির (রহঃ) বলেনঃ "বিলকীসের মা ফারিয়াহ এর পূর্ন নাম ছিলো 'বিলকীমাহ বিনতে সাইসান' অন্য যায়গায় আছে 'রায়হানা বিনতে সুকান'" - সূত্রঃ হাকীম, তিরমিযী, ইবনে মারদুইয়াহ। ইবনে আসকির (রহঃ) একজন জ্বীনকে প্রশ্ন করেনঃ "বিলকীসের মা বা বাবার মধ্যে কেউ কি জ্বীন ছিলো?" জ্বীনটি উত্তর দেয়ঃ "জ্বীনরা বাচ্চা দেয় না" অর্থাৎ বিলকিস পরীর ডিম থেকে জন্মলাভ করে। - সূত্রঃ ইবনে আসাকির। এ থেকে এটা স্পষ্ট যে... অর্থাৎ জ্বীনরা সরাসরি বাচ্চা দেয় না তারা ডিম পারে। আর নারী জ্বীনই শুধু বাচ্চা দেয়। মানুষ মহিলা কখনই জ্বীন পুরুষের সাথে গোপনকার্য সম্পাদনে গর্ভবতী হয়না, পুরুষ জ্বীনদের মানুষ মহিলাকে গর্ভবতী করতে হলে অবশ্যই মানুষ পুরুষের সাহায্যের দরকার হয়। হযরত আয়েশা (রাঃ) বর্ননা করেন রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ "নিশ্চই তোমাদের মধ্যে 'মুগরবীন' আছে। রাসূল (সাঃ) জিজ্ঞাস করা হলো মুগরবীন কারা? রাসূল (সাঃ) বললেনঃ যেসব মানুষের মধ্যে জ্বীনেরা মিশে থাকে" - সূত্রঃ হাকীম, তিরমিযী, কানযুল উম্মাল ১৬:৪৫৪ হাদীস-৪৪৯০০ এ ব্যাপারে কোরআনে বলা হয়েছেঃ "(ওহে শয়তান) তুই শরীক হয়ে যা মানুষের সন্তান ও সম্পদের সাথে" - সূত্রঃ বনী-ইসরাঈল, আয়াতঃ ৬৪ ইবনে আসীর (রহঃ) বলেনঃ "জ্বীনদের মধ্যে অন্য প্রজাতির নির্যার (স্পার্ম) শামীল হয়ে যাবার কারনে অথবা দূরবর্তী বংশে জন্মানোর কারনে তাদের 'মুগরবীন' বলা হয়" আর এই মুগরবীনরাই মানুষকে জিনাহ-ব্যাভিচারে লিপ্ত করে। - সূত্রঃ ইবনুল আসীর ৩:৩৪৯ হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেনঃ "খুদরী ও আলী, নাহরওয়ানে হুদুদিয়াদের হত্যার সময় সামনে ছিলেন। হযরত আলী (রাঃ) 'তালীদ'কে খুজলেন কিন্তু পেলেননা, উনি সবাইকে তালীদকে খোজার আদেশ দিলেন। এক ব্যাক্তি হঠাত ঐ মজলিসে বলে উঠিলেন তালীদ হলেন 'কাউস' আলী ঐ কাউসের মায়ের কাছে জানতে পারলেন যে কাউস জ্বীনের সন্তান" - সূত্রঃ নুযহাতুল মুযাকারাহ বিঃদ্র "এই হাদীসটি নিয়ে আমি চিন্তিত, এর তেমন কোনো সঠিক ব্যাখ্যা আমি পাইনি, আমার মতে হাদিসটি জাল বা দুর্বল হতে পারে।" আমরা যে "ব্লাডি ম্যারীর" আর "এমিলি রোজের" নাম জানি তাদের এক্সোরসিজমের মূল কারন কিন্তু জ্বীন দ্বারা ফিজিক্যালী পোজেষ্ট হওয়া।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • █▒▒▒ ব্রেকিং/Breaking ▒▒▒█]

    ** ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ।
    ** অর্ধেক জনবল নিয়ে চলবে অফিস-আদালত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
    ** মসজিদ, বাজারসহ সবস্থানে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।
    ** ১০০ জনের বেশি লোক নিয়ে অনুষ্ঠান-সমাবেশ নিষিদ্ধ।
    ** অফিস ও কারখানায় কর্মরতদের টিকা সনদ বাধ্যতামূলক।
    ** বইমেলা, বাণিজ্যমেলা ও পর্যটন কেন্দ্রে টিকা সনদ দেখাতে হবে।
    ** করোনা রোধে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ৫ নির্দেশনা জারি।
    █▒▒▒ ব্রেকিং/Breaking ▒▒▒█] ** ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। ** অর্ধেক জনবল নিয়ে চলবে অফিস-আদালত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ** মসজিদ, বাজারসহ সবস্থানে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। ** ১০০ জনের বেশি লোক নিয়ে অনুষ্ঠান-সমাবেশ নিষিদ্ধ। ** অফিস ও কারখানায় কর্মরতদের টিকা সনদ বাধ্যতামূলক। ** বইমেলা, বাণিজ্যমেলা ও পর্যটন কেন্দ্রে টিকা সনদ দেখাতে হবে। ** করোনা রোধে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ৫ নির্দেশনা জারি।
    1
    1 Comments 0 Shares
  • জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সাহাবী হযরত তালহা (রা:) প্রতিদিন নবীজীর পেছনে ফজরের নামাজ পড়েন। কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে সাথে তিনি মসজিদে না বসে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যান। এভাবে কয়েকদিন চলার পর অন্যান্য সাহাবিরা এটা নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন যে, প্রতিদিন সালাম ফিরিয়েই তালহা চলে যান।
    অথচ নবীজী (সা:) ফজরের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে বসে বয়ান করেন। অন্যান্য সব সাহাবিরাও রাসূলের কাছে বসে থাকেন। এক পর্যায়ে এই কথা নবীজীর কানে পৌঁছালো।
    ❤️নবীজী সাহাবিদের বললেন:-আগামিকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে দেখা করে। পরের দিন নামাজে আসলে তালহাকে একথা জানিয়ে দেয়া হল। ফজরের নামাজ শেষ। তালহা বসে আছেন নবীজীর সাথে দেখা করার জন্য। একপর্যায়ে নবীজী তালহাকে ডাকলেন। ➡️নবীজী অতি মোলায়েম কন্ঠে তালহাকে বললেন,তালহা! আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি..?
    আমি কি তোমার কোন হক নষ্ট করেছি..? ✔️একথা শুনে তালহা কেদে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা:) আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি আমার কোন হক নষ্ট করেননি। নবীজী (সা:) বললেন,তাহলে তালহা ! তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে চলে যাও কেন..? 😰তালহা কেদে কেদে বললেন, রাসুল (সা:) আমার এবং আমার স্ত্রীর সতর ডাকার জন্য একটি মাত্র জামা আছে। যেটা পরে আমি যখন নামাজ পড়ি আমার স্ত্রী তখন উলঙ্গ থাকেন। 😰স্ত্রী যখন নামাজ পড়েন আমি তখন উলঙ্গ থাকি। এক্ষেত্রে ফজরের নামাজের সময় একটু অসুবিধা হয়ে যায় ইয়া আল্লাহর রাসুল (সা:) ফজরের নামাজে আসার সময় আমি আমার স্ত্রীকে একটা গুহায় রেখে আসি। এমতাবস্থায় আমি যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি তাহলে তো আমার স্ত্রীর নামাজটা কাজা হয়ে যাবে ইয়া আল্লাহর রাসূল। এজন্য আমি নামাজ শেষে দৌড়ে চলে যাই। তালহার কথা শুনে আল্লাহর রাসুল দরদর করে কাঁদছেন। ❤️নবীজীর দাড়ি বেয়ে বেয়ে চোখের পানি পড়তেছে। সাথে সাথে নবীজী তালহাকে জানিয়ে দিলেন,তালহারে !
    নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে।
    আল্লাহু আকবার সুবহান আল্লাহ্ (মুসনাদে আহমদ)
    ➡️দেখুন একটা মাত্র পোশাক ছিল তালহা (রা:) এবং তার স্ত্রীর তারপরও আল্লাহর প্রতি কোন অভিযোগ ছিল না, এবাদতের প্রতি কোন অজুহাত ছিলো না আর আমাদের কত অভিযোগ কত অজুহাত আল্লাহর প্রতি। আল্লাহ্ মাফ করুন।
    (আমিন)
    জান্নাতের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সাহাবী হযরত তালহা (রা:) প্রতিদিন নবীজীর পেছনে ফজরের নামাজ পড়েন। কিন্তু নামাজে সালাম ফিরানোর সাথে সাথে তিনি মসজিদে না বসে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যান। এভাবে কয়েকদিন চলার পর অন্যান্য সাহাবিরা এটা নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন যে, প্রতিদিন সালাম ফিরিয়েই তালহা চলে যান। অথচ নবীজী (সা:) ফজরের পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে বসে বয়ান করেন। অন্যান্য সব সাহাবিরাও রাসূলের কাছে বসে থাকেন। এক পর্যায়ে এই কথা নবীজীর কানে পৌঁছালো। ❤️নবীজী সাহাবিদের বললেন:-আগামিকাল ফজরের নামাজ শেষে তালহা যেন আমার সাথে দেখা করে। পরের দিন নামাজে আসলে তালহাকে একথা জানিয়ে দেয়া হল। ফজরের নামাজ শেষ। তালহা বসে আছেন নবীজীর সাথে দেখা করার জন্য। একপর্যায়ে নবীজী তালহাকে ডাকলেন। ➡️নবীজী অতি মোলায়েম কন্ঠে তালহাকে বললেন,তালহা! আমি কি তোমাকে কোন কষ্ট দিয়েছি..? আমি কি তোমার কোন হক নষ্ট করেছি..? ✔️একথা শুনে তালহা কেদে ফেললেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা:) আমার জীবন আপনার জন্য উৎসর্গ হোক। আপনি আমার কোন হক নষ্ট করেননি। নবীজী (সা:) বললেন,তাহলে তালহা ! তুমি প্রতিদিন নামাজ শেষে আমার কাছে না বসে চলে যাও কেন..? 😰তালহা কেদে কেদে বললেন, রাসুল (সা:) আমার এবং আমার স্ত্রীর সতর ডাকার জন্য একটি মাত্র জামা আছে। যেটা পরে আমি যখন নামাজ পড়ি আমার স্ত্রী তখন উলঙ্গ থাকেন। 😰স্ত্রী যখন নামাজ পড়েন আমি তখন উলঙ্গ থাকি। এক্ষেত্রে ফজরের নামাজের সময় একটু অসুবিধা হয়ে যায় ইয়া আল্লাহর রাসুল (সা:) ফজরের নামাজে আসার সময় আমি আমার স্ত্রীকে একটা গুহায় রেখে আসি। এমতাবস্থায় আমি যদি নামাজ শেষে এখানে বসে থাকি তাহলে তো আমার স্ত্রীর নামাজটা কাজা হয়ে যাবে ইয়া আল্লাহর রাসূল। এজন্য আমি নামাজ শেষে দৌড়ে চলে যাই। তালহার কথা শুনে আল্লাহর রাসুল দরদর করে কাঁদছেন। ❤️নবীজীর দাড়ি বেয়ে বেয়ে চোখের পানি পড়তেছে। সাথে সাথে নবীজী তালহাকে জানিয়ে দিলেন,তালহারে ! নিশ্চয়ই তুমি জান্নাতে যাবে। আল্লাহু আকবার সুবহান আল্লাহ্ (মুসনাদে আহমদ) ➡️দেখুন একটা মাত্র পোশাক ছিল তালহা (রা:) এবং তার স্ত্রীর তারপরও আল্লাহর প্রতি কোন অভিযোগ ছিল না, এবাদতের প্রতি কোন অজুহাত ছিলো না আর আমাদের কত অভিযোগ কত অজুহাত আল্লাহর প্রতি। আল্লাহ্ মাফ করুন। (আমিন)
    1
    0 Comments 0 Shares
  • আসুন বাঙ্গালির আরেকটি বিজয়ের শপথ করি।
    .
    'পশ্চিম বঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মনিপুর, নাগালান্দ, আরুনাচল, আন্দামান, বিহার, ঊরিসসা, ছোটনাগপুর এবং আরাকান' বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
    বঙ্গবিভাগ-১৯৪৭ বা বাংলাবিভাগ-১৯৪৭ বা বঙ্গভঙ্গ-১৯৪৭ বাংলার রাজনৈতিক ভূগোলে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন। ১৯৪৭ সালের বঙ্গভঙ্গ ভারত বিভক্তির ফলশ্রুতিতে সম্পন্ন হয়। বাংলা বিভক্ত হওয়ার ধারণাটি অবশ্য কার্জন থেকে শুরু হয়নি। ১৭৬৫ সালের পর থেকেই বিহার ও উড়িষ্যা বাংলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ফলে সরকারী প্রশাসনিক এলাকা হিসেবে বাংলা অতিরিক্ত বড় হয়ে যায় এবং বৃটিশ সরকারের পক্ষে এটির সুষ্ঠু শাসনক্রিয়া দুরূহ হয়ে পড়ে। বঙ্গভঙ্গের সূত্রপাত ওখান থেকেই। এর ফলে বঙ্গ প্রদেশ দুই অংশে বিভক্ত হয়ে পরে যার পূর্বাঞ্চল পাকিস্তানে এবং পশ্চিমাঞ্চল ভারতের সাথে যুক্ত হয়। পূর্ববঙ্গের নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান রাখা হয় এবং যা পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ গঠন করা হয়।
    ;
    বঙ্গ প্রদেশের আয়তন ছিল ১,৮৯,০০০ বর্গ মাইল এবং জনসংখ্যা ছিল ৭৮.৫ মিলিয়ন। বঙ্গের পূর্বাঞ্চল ভৌগোলিক এবং অপ্রতুল যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে পশ্চিমাঞ্চল হতে প্রায় বিচ্ছিন্ন ছিল। ১৮৩৬ সালে উত্তরাঞ্চলের প্রদেশগুলোকে বঙ্গ থেকে পৃথক করে একজন লেফটেন্যান্ট গভর্ণরের অধিনে ন্যস্ত করা হয় এবং ১৮৫৪ সালে বঙ্গের প্রশাসনিক দায়িত্ব হতে গভর্নর-জেনারেল-ইন-কাউন্সিলকে অব্যাহতি দিয়ে একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নরের উপর অর্পণ করা হয়। ১৮৭৪ সালে সিলেটসহ আসামকে বঙ্গ হতে বিচ্ছিন্ন করে চিফ-কমিশনারশীপ গঠন করা হয় এবং ১৮৯৮ সালে লুসাই পাহাড়কে এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
    ;
    ১৯০৩ সালে প্রথম বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাবসমূহ বিবেচনা করা হয়। তখন বঙ্গ হতে চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করা এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহ জেলাদ্বয়কে আসাম প্রদেশে অন্তর্ভুক্ত করার একটি প্রস্তাবও ছিল। তেমনিভাবে ছোট নাগপুরকে মধ্যপ্রদেশের সঙ্গে আত্তিকরণেরও একটি প্রস্তাব ছিল। ১৯০৪ সালের জানুয়ারিতে সরকারীভাবে এই পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয় এবং ফেব্রুয়ারিতে লর্ড কার্জন বঙ্গের পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে এক সরকারী সফরের মাধ্যমে এই বিভক্তির ব্যাপারে জনমত যাচাইয়ের চেষ্টা করেন। তিনি বিভিন্ন জেলার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে এই বিভক্তির বিষয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বক্তৃতা দেন।
    ;
    পার্বত্য ত্রিপুরা রাজ্য, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও রাজশাহী (দার্জিলিং বাদে) বিভাগ এবং মালদা জেলা, আসাম প্রদেশের সঙ্গে একীভূত হয়ে এই নতুন প্রদেশ গঠন করবে। এর ফলে বঙ্গ শুধু তার বৃহৎ পূর্বাঞ্চলই হারাবে না, তাকে হিন্দীভাষী পাঁচটি রাজ্যও মধ্যপ্রদেশকে ছেড়ে দিতে হবে। অন্যদিকে পশ্চিমে সম্বলপুর এবং মধ্যপ্রদেশের পাঁচটি ওড়িয়া-ভাষী রাজ্যের সামান্য অংশ বঙ্গকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। ফলে বঙ্গের আয়তন দাঁড়ায় ১,৪১,৫৮০ বর্গ মাইল এবং জনসংখ্যা ৫৪ মিলিয়ন যার মধ্যে ৪২ মিলিয়ন হিন্দু ও ৯ মিলিয়ন মুসলিম।
    ;
    নতুন প্রদেশটির নামকরণ করা হয় “পূর্ব বঙ্গ ও আসাম” যার রাজধানী হবে ঢাকা এবং অনুষঙ্গী সদর দফতর হবে চট্টগ্রাম। এর আয়তন হবে ১,০৬,৫৪০ বর্গ মাইল এবং জনসংখ্যা হবে ৩১ মিলিয়ন যাদের মধ্যে ১৮ মিলিয়ন মুসলিম ও ১২ মিলিয়ন হিন্দু। এর প্রশাসন একটি আইন পরিষদ ও দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি রাজস্ব বোর্ড নিয়ে গঠিত হবে এবং কলকাতা হাইকোর্টের এখতিয়ার বজায় থাকবে। সরকার নির্দেশ দেয় যে পূর্ব বঙ্গ ও আসামের পশ্চিম সীমানা স্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট থাকবে সাথেসাথে এর ভৌগোলিক, জাতিক, ভাষিক ও সামাজিক বৈশিষ্টাবলিও নির্দিষ্ট থাকবে। সরকার তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ১৯শে জুলাই, ১৯০৫ সালে এবং বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় একই বছরের ১৬ই অক্টোবর।
    ;
    এই ঘটনা এক প্রচণ্ড রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে। পূর্ব বঙ্গের মুসলিমদের এই ধারণা হয় যে নতুন প্রদেশের ফলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ বেড়ে যাবে। যদিও পশ্চিম বঙ্গের জনগণ এই বিভক্তি মেনে নিতে পারল না এবং প্রচুর পরিমাণে জাতীয়তাবাদী লেখা এই সময় প্রকাশিত হয়। ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বঙ্গভঙ্গ রদ করার প্রস্তাবকদের জন্য এক মর্মস্পর্শী গান আমার সোনার বাংলা লেখেন, যা অনেক পরে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে পরিণত হয়।
    এই সকল রাজনৈতিক প্রতিবাদের ফলশ্রুতিতে ১৯১১ সালে বঙ্গ আবার একত্রিত হয়। ভাষাতাত্ত্বিক এক নতুন বিভক্তির মাধ্যমে হিন্দি, ওড়িয়া এবং অসমি অঞ্চলগুলো বঙ্গ হতে বিচ্ছিন্ন করে আলাদা প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনা হয়। এরই সাথে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে নয়া দিল্লীতে স্থানান্তর করা হয়।
    পশ্চিমবঙ্গ পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা প্রায় নয় কোটি দশ লক্ষ। জনসংখ্যার ভিত্তিতে এটি ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম রাজ্য এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য। পশ্চিমবঙ্গের আয়তন ৩৪,২৬৭ মাইল (৮৮,৭৫০ কিমি)। এই রাজ্যের সীমানায় নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ রাষ্ট্র এবং ভারতের ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, বিহার, সিকিম ও আসাম রাজ্য অবস্থিত। এই রাজ্যের রাজধানী কলকাতা। উত্তরের হিমালয় পর্বতশ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত কয়েকটি অঞ্চলকে বাদ দিলে এ রাজ্যের অধিকাংশ এলাকাই গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলের অন্তর্গত।
    ;
    অধুনা যে ভূখণ্ডটি পশ্চিমবঙ্গ নামে পরিচিত, সেটি প্রাচীনকালে বঙ্গ, রাঢ়, পুণ্ড্র ও সুহ্ম জনপদের অন্তর্গত ছিল। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে অশোক এই অঞ্চল জয় করেন। খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীতে পশ্চিমবঙ্গ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে পশ্চিমবঙ্গে সুলতানি শাসনের গোড়াপত্তন হয়। এরপর অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে। ব্রিটিশ শাসনে কলকাতা একটি প্রধান শহর হিসেবে বিকাশ লাভ করেছিল। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশক অবধি কলকাতাই ছিল ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী। আবার এই সময়েই পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাবে কলকাতাকে কেন্দ্র করে বাংলার সমাজ, সংস্কৃতি ও হিন্দুধর্মে একটি সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়; এটি বাংলার নবজাগরণ নামে পরিচিত। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ্বে পশ্চিমবঙ্গ ছিল ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ বাংলা প্রদেশ ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজিত হলে হিন্দুপ্রধান পশ্চিমবঙ্গ একটি অঙ্গরাজ্যের আকারে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ্বে পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থী মতবাদ ও আন্দোলন প্রসার লাভ করে।
    ;
    উক্ত ইতিহাসের আলোকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় কলকাতা, উত্তর দিনাজপুর, আসাম, ত্রিপুরা, ওড়িশা-র প্রকৃত মালিক ছিল বাংলাদেশ। ভারতের বিগত সরকার এ রাজ্যগুলো তাঁদের দখলে নিয়ে নেয়, তাই প্রকৃত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারতের উচিত বাংলাদেশের অংশ বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দিয়ে আগ্রাসী বক্তব্য ও মনোভাব পরিহার করা।
    ;
    দেশমাতৃকার প্রশ্নে যেমন ১৯৭১ সালে গর্জে উঠেছিল আগ্রাসী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, তেমনি প্রয়োজনে বাঙ্গালিরা আবারো গর্জে উঠবে ভারতীও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। বাঙালি রক্ত দিতে জানে, মৃত্যুকে তারা পরোয়া করে না, দেশমাতৃকা রক্ষায় বাঙ্গালী সময়মত সময়োচিত জবাব দিবে। আমরা আমাদের কলকাতা, উত্তর দিনাজপুর, আসাম, ত্রিপুরা, ওড়িশা ফেরত চাই আমরা অখণ্ড বাংলা দেখতে চাই।
    আসুন বাঙ্গালির আরেকটি বিজয়ের শপথ করি। . 'পশ্চিম বঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মনিপুর, নাগালান্দ, আরুনাচল, আন্দামান, বিহার, ঊরিসসা, ছোটনাগপুর এবং আরাকান' বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বঙ্গবিভাগ-১৯৪৭ বা বাংলাবিভাগ-১৯৪৭ বা বঙ্গভঙ্গ-১৯৪৭ বাংলার রাজনৈতিক ভূগোলে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন। ১৯৪৭ সালের বঙ্গভঙ্গ ভারত বিভক্তির ফলশ্রুতিতে সম্পন্ন হয়। বাংলা বিভক্ত হওয়ার ধারণাটি অবশ্য কার্জন থেকে শুরু হয়নি। ১৭৬৫ সালের পর থেকেই বিহার ও উড়িষ্যা বাংলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ফলে সরকারী প্রশাসনিক এলাকা হিসেবে বাংলা অতিরিক্ত বড় হয়ে যায় এবং বৃটিশ সরকারের পক্ষে এটির সুষ্ঠু শাসনক্রিয়া দুরূহ হয়ে পড়ে। বঙ্গভঙ্গের সূত্রপাত ওখান থেকেই। এর ফলে বঙ্গ প্রদেশ দুই অংশে বিভক্ত হয়ে পরে যার পূর্বাঞ্চল পাকিস্তানে এবং পশ্চিমাঞ্চল ভারতের সাথে যুক্ত হয়। পূর্ববঙ্গের নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান রাখা হয় এবং যা পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ গঠন করা হয়। ; বঙ্গ প্রদেশের আয়তন ছিল ১,৮৯,০০০ বর্গ মাইল এবং জনসংখ্যা ছিল ৭৮.৫ মিলিয়ন। বঙ্গের পূর্বাঞ্চল ভৌগোলিক এবং অপ্রতুল যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে পশ্চিমাঞ্চল হতে প্রায় বিচ্ছিন্ন ছিল। ১৮৩৬ সালে উত্তরাঞ্চলের প্রদেশগুলোকে বঙ্গ থেকে পৃথক করে একজন লেফটেন্যান্ট গভর্ণরের অধিনে ন্যস্ত করা হয় এবং ১৮৫৪ সালে বঙ্গের প্রশাসনিক দায়িত্ব হতে গভর্নর-জেনারেল-ইন-কাউন্সিলকে অব্যাহতি দিয়ে একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নরের উপর অর্পণ করা হয়। ১৮৭৪ সালে সিলেটসহ আসামকে বঙ্গ হতে বিচ্ছিন্ন করে চিফ-কমিশনারশীপ গঠন করা হয় এবং ১৮৯৮ সালে লুসাই পাহাড়কে এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ; ১৯০৩ সালে প্রথম বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাবসমূহ বিবেচনা করা হয়। তখন বঙ্গ হতে চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করা এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহ জেলাদ্বয়কে আসাম প্রদেশে অন্তর্ভুক্ত করার একটি প্রস্তাবও ছিল। তেমনিভাবে ছোট নাগপুরকে মধ্যপ্রদেশের সঙ্গে আত্তিকরণেরও একটি প্রস্তাব ছিল। ১৯০৪ সালের জানুয়ারিতে সরকারীভাবে এই পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয় এবং ফেব্রুয়ারিতে লর্ড কার্জন বঙ্গের পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে এক সরকারী সফরের মাধ্যমে এই বিভক্তির ব্যাপারে জনমত যাচাইয়ের চেষ্টা করেন। তিনি বিভিন্ন জেলার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে এই বিভক্তির বিষয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বক্তৃতা দেন। ; পার্বত্য ত্রিপুরা রাজ্য, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও রাজশাহী (দার্জিলিং বাদে) বিভাগ এবং মালদা জেলা, আসাম প্রদেশের সঙ্গে একীভূত হয়ে এই নতুন প্রদেশ গঠন করবে। এর ফলে বঙ্গ শুধু তার বৃহৎ পূর্বাঞ্চলই হারাবে না, তাকে হিন্দীভাষী পাঁচটি রাজ্যও মধ্যপ্রদেশকে ছেড়ে দিতে হবে। অন্যদিকে পশ্চিমে সম্বলপুর এবং মধ্যপ্রদেশের পাঁচটি ওড়িয়া-ভাষী রাজ্যের সামান্য অংশ বঙ্গকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। ফলে বঙ্গের আয়তন দাঁড়ায় ১,৪১,৫৮০ বর্গ মাইল এবং জনসংখ্যা ৫৪ মিলিয়ন যার মধ্যে ৪২ মিলিয়ন হিন্দু ও ৯ মিলিয়ন মুসলিম। ; নতুন প্রদেশটির নামকরণ করা হয় “পূর্ব বঙ্গ ও আসাম” যার রাজধানী হবে ঢাকা এবং অনুষঙ্গী সদর দফতর হবে চট্টগ্রাম। এর আয়তন হবে ১,০৬,৫৪০ বর্গ মাইল এবং জনসংখ্যা হবে ৩১ মিলিয়ন যাদের মধ্যে ১৮ মিলিয়ন মুসলিম ও ১২ মিলিয়ন হিন্দু। এর প্রশাসন একটি আইন পরিষদ ও দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি রাজস্ব বোর্ড নিয়ে গঠিত হবে এবং কলকাতা হাইকোর্টের এখতিয়ার বজায় থাকবে। সরকার নির্দেশ দেয় যে পূর্ব বঙ্গ ও আসামের পশ্চিম সীমানা স্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট থাকবে সাথেসাথে এর ভৌগোলিক, জাতিক, ভাষিক ও সামাজিক বৈশিষ্টাবলিও নির্দিষ্ট থাকবে। সরকার তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ১৯শে জুলাই, ১৯০৫ সালে এবং বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় একই বছরের ১৬ই অক্টোবর। ; এই ঘটনা এক প্রচণ্ড রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে। পূর্ব বঙ্গের মুসলিমদের এই ধারণা হয় যে নতুন প্রদেশের ফলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাদের সুযোগ বেড়ে যাবে। যদিও পশ্চিম বঙ্গের জনগণ এই বিভক্তি মেনে নিতে পারল না এবং প্রচুর পরিমাণে জাতীয়তাবাদী লেখা এই সময় প্রকাশিত হয়। ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বঙ্গভঙ্গ রদ করার প্রস্তাবকদের জন্য এক মর্মস্পর্শী গান আমার সোনার বাংলা লেখেন, যা অনেক পরে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে পরিণত হয়। এই সকল রাজনৈতিক প্রতিবাদের ফলশ্রুতিতে ১৯১১ সালে বঙ্গ আবার একত্রিত হয়। ভাষাতাত্ত্বিক এক নতুন বিভক্তির মাধ্যমে হিন্দি, ওড়িয়া এবং অসমি অঞ্চলগুলো বঙ্গ হতে বিচ্ছিন্ন করে আলাদা প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনা হয়। এরই সাথে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে নয়া দিল্লীতে স্থানান্তর করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা প্রায় নয় কোটি দশ লক্ষ। জনসংখ্যার ভিত্তিতে এটি ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম রাজ্য এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য। পশ্চিমবঙ্গের আয়তন ৩৪,২৬৭ মাইল (৮৮,৭৫০ কিমি)। এই রাজ্যের সীমানায় নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ রাষ্ট্র এবং ভারতের ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, বিহার, সিকিম ও আসাম রাজ্য অবস্থিত। এই রাজ্যের রাজধানী কলকাতা। উত্তরের হিমালয় পর্বতশ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত কয়েকটি অঞ্চলকে বাদ দিলে এ রাজ্যের অধিকাংশ এলাকাই গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলের অন্তর্গত। ; অধুনা যে ভূখণ্ডটি পশ্চিমবঙ্গ নামে পরিচিত, সেটি প্রাচীনকালে বঙ্গ, রাঢ়, পুণ্ড্র ও সুহ্ম জনপদের অন্তর্গত ছিল। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে অশোক এই অঞ্চল জয় করেন। খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীতে পশ্চিমবঙ্গ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে পশ্চিমবঙ্গে সুলতানি শাসনের গোড়াপত্তন হয়। এরপর অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে। ব্রিটিশ শাসনে কলকাতা একটি প্রধান শহর হিসেবে বিকাশ লাভ করেছিল। বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশক অবধি কলকাতাই ছিল ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী। আবার এই সময়েই পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাবে কলকাতাকে কেন্দ্র করে বাংলার সমাজ, সংস্কৃতি ও হিন্দুধর্মে একটি সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়; এটি বাংলার নবজাগরণ নামে পরিচিত। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ্বে পশ্চিমবঙ্গ ছিল ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্র। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ বাংলা প্রদেশ ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজিত হলে হিন্দুপ্রধান পশ্চিমবঙ্গ একটি অঙ্গরাজ্যের আকারে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ্বে পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থী মতবাদ ও আন্দোলন প্রসার লাভ করে। ; উক্ত ইতিহাসের আলোকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় কলকাতা, উত্তর দিনাজপুর, আসাম, ত্রিপুরা, ওড়িশা-র প্রকৃত মালিক ছিল বাংলাদেশ। ভারতের বিগত সরকার এ রাজ্যগুলো তাঁদের দখলে নিয়ে নেয়, তাই প্রকৃত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারতের উচিত বাংলাদেশের অংশ বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দিয়ে আগ্রাসী বক্তব্য ও মনোভাব পরিহার করা। ; দেশমাতৃকার প্রশ্নে যেমন ১৯৭১ সালে গর্জে উঠেছিল আগ্রাসী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, তেমনি প্রয়োজনে বাঙ্গালিরা আবারো গর্জে উঠবে ভারতীও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। বাঙালি রক্ত দিতে জানে, মৃত্যুকে তারা পরোয়া করে না, দেশমাতৃকা রক্ষায় বাঙ্গালী সময়মত সময়োচিত জবাব দিবে। আমরা আমাদের কলকাতা, উত্তর দিনাজপুর, আসাম, ত্রিপুরা, ওড়িশা ফেরত চাই আমরা অখণ্ড বাংলা দেখতে চাই।
    2
    0 Comments 0 Shares
  • জ্বীনের উপদ্রব
    .
    জ্বিন যখন মানুষের উপর শক্তিশালী হয়ে উঠে এবং নিজের প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
    জ্বিন আল্লাহর সৃষ্টি এক অদৃশ্য জাতি। একজন মানুষ যখন জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত হয়। হতে পারে আক্রান্ত অদেখাভাবে জ্বিনের ক্ষতি সাধন বা যাদু প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে। জ্বিনের প্রাথমিক ধাপ থাকে কিভাবে ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করবে। অধিকাংশ সময় আমরা যে গুলি অনুসরণ করি না। যেমনঃ
    (১) হাই তোলার সময় মুখে হাত রেখে হাই রোধ করি না এবং দোয়া পড়িনা। হাদিসে আছে হাই উঠলে যদি দোয়া বা রোধ করা না হয় শয়তান তখন হাসে। সে সময় সুযোগ হয়ে যায় বেতরে প্রবেশ করার।
    (২) খাবার খেতে বসে খাবারের শুরুতে দোয়া পাঠ না করা এবং অবশিষ্ট খাবার ঢেকে রাখার সময় বিসমিল্লাহ বলে ঢেকে না রাখা। হাদিসে আছে যে অবশিষ্ট খাবার ঢেকে রাখার সময় বিসমিল্লাহ বলে ঢেকে রাখে না সে খাবারে শয়তান সামিল হয়ে যায়। এবং সে খাবার বক্ষণ করার সময় শয়তান ভেতরে প্রবেশ করে।
    (৩) অতিরিক্ত রাগান্বিত অবস্থায় জ্বিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। ভীত এবং হাই হুতাশ থাকা অবস্থায় জ্বিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। কখনও এরা নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে শক্তিশালী হয়ে উঠে এবং ব্যক্তিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। আরও অনেক দিক রয়েছে।
    জ্বিন হচ্ছে নিশাচর প্রাণী। এরা দিনের বেলায় ঘুমায় এবং মাগরিবের আগে জেগে উঠে, এবং চলাফেরা শুরু করে। রাসুল সাঃ স্পষ্ট ভাবে বলেছেন মাগরিবের আগে শিশুদের যেন বাহির হতে না দেওয়া হয় এবং বিসমিল্লাহ বলে ঘরের দর্জা জানালা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর কারণ এ সময় জ্বিন তাদের চলাফেরা শুরু করে। যারা জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত তাদের এক‌টি দিক দেখা যায় আসরের পর হতেই তাদের সমস্যা গুলি বেড়ে যায়, এবং সারারাত বলবৎ থাকে। আর আক্রান্ত ব্যক্তিদের দেখা যায় সারা রাত জেগে থাকে। রাত জেগে থাকা আক্রান্ত ঐ সব ব্যক্তি বেশিরভাগ সময় কাটান কেউ নেটে বিচরণ করে কেউ মোবাইলে গেইমস খেলে অথবা কেউ টিভি দেখে। অনেকে এমন আছে ঘুমানো চেষ্টা করে বা ঘুমিয়ে আছে অথচ জাগ্রত মনে হচ্ছে। মনে রাখবেন ছোট ছোট গুনাহ হতে কিন্তু এক সময় বড় গুনাহের দিকে দাবিত হতে থাকে।
    শয়তানের প্রথম কাজ হচ্ছে ইবাদতে বাধা প্রধান করা। এজন্য শয়তান প্রথমে নফল ইবাদতের প্রতি হামলা করে থাকে পরে আস্তে আস্তে ফরজ ইবাদতে হামলা করে থাকে।
    এজন্য দেখা যায় যারা জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত তাদের অধিকাংশ ফজরের আগে ঘুমিয়ে পড়ে এবং দিনের বেলায় তাদের ঘুমানোর প্রবণতা বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে ফজরের নামাজ ও মাগরিবের নামাজ মিস করিয়ে দেয় এবং মাসনুন আমল মিস করিয়ে দেয়। ব্যক্তি যখন এসব ফরজ ইবাদত এবং আমল মিস করে তখন নিজের নিরাপত্তা হারিয়ে ফেলে এভাবেই জ্বিন ব্যক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং শক্তিশালী হয়ে উঠে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। এজন্য আক্রান্ত ব্যক্তির উচিত ফরজ ইবাদতের প্রতি মনযোগী হওয়া। এক ওয়াক্ত নামাজের পর পরবর্তী নামাজের প্রতি আগ্রহ থাকা এবং যত্নবান হওয়া।
    যারা জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত এবং রাত্রি জেগে থাকে তাদের মাঝে কিছু লক্ষণ দেখা যায়।
    (১) অনিদ্রা : সারারাত শুধু বিশ্রাম নেয়াই হয়, ঘুম হয় না।
    (২) উদ্বেগ জনিত : রাতে বার বার ঘুম ভেঙে যাওয়া।
    (৩) দুঃস্বপ্ন : কোনো প্রাণিকে আক্রমণ করতে অথবা ধাওয়া করতে দেখা।
    (৪) স্বপ্নে নিজেকে অনেক উঁচু কোনো যায়গা থেকে পড়ে যেতে দেখা।
    (৫) ক্রমাগত স্বপ্নে কোনো গোরস্থান অথবা পরিত্যক্ত জায়গায় নিজেকে চলাচল করতে দেখা।
    (৬) স্বপ্নে ভয়ংকর প্রাণী দেখা।
    (৭) ঘুমের মধ্যে অতিরিক্ত হাসি, কান্না, চিৎকার, গোঙানি।
    (৮) নিয়মিত ঘুমের ঘোরে হাঁটা।
    (৯) বোবা ধরা : ঘুমের মাঝে কেউ চেপে ধরেছে, নড়াচড়া করতে না পারা।
    (১০) কোন শারীরিক সমস্যা ছাড়াই তীব্র মাথা ব্যথা।
    (১১) আল্লাহ, রাসুল সাঃ এবং ইসলাম ধর্মের নিয়ম-কানুন গুলোর উপরে তীব্র বিতৃষ্ণা। নামাজ, তিলাওয়াত, জিকির আযকার ইত্যাদি।
    (১২) সবসময় প্রচন্ড অমনোযোগী, অলস এবং মানসিকভাবে বিক্ষিপ্ত থাকা।
    (১৩) কোন শারীরিক সমস্যা ছাড়াই প্রায়ই তীব্র খিঁচুনি।
    (১৪) কোন শারীরিক সমস্যা ছাড়াই শরীরের বিশেষ কোন একটি অঙ্গে তীব্র ব্যথা।
    (১৫) বুক ধরফর করা, অস্বস্তি লাগা।
    (১৬) স্বপ্নে সাপ দেখা।
    (১৭) নিয়মিত স্বপ্নে খাবার খেতে থাকা।
    (১৮) নিয়মিত দুঃস্বপ্ন দেখা।
    জ্বীনের উপদ্রব . জ্বিন যখন মানুষের উপর শক্তিশালী হয়ে উঠে এবং নিজের প্রভাব বিস্তার করে থাকে। জ্বিন আল্লাহর সৃষ্টি এক অদৃশ্য জাতি। একজন মানুষ যখন জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত হয়। হতে পারে আক্রান্ত অদেখাভাবে জ্বিনের ক্ষতি সাধন বা যাদু প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে। জ্বিনের প্রাথমিক ধাপ থাকে কিভাবে ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করবে। অধিকাংশ সময় আমরা যে গুলি অনুসরণ করি না। যেমনঃ (১) হাই তোলার সময় মুখে হাত রেখে হাই রোধ করি না এবং দোয়া পড়িনা। হাদিসে আছে হাই উঠলে যদি দোয়া বা রোধ করা না হয় শয়তান তখন হাসে। সে সময় সুযোগ হয়ে যায় বেতরে প্রবেশ করার। (২) খাবার খেতে বসে খাবারের শুরুতে দোয়া পাঠ না করা এবং অবশিষ্ট খাবার ঢেকে রাখার সময় বিসমিল্লাহ বলে ঢেকে না রাখা। হাদিসে আছে যে অবশিষ্ট খাবার ঢেকে রাখার সময় বিসমিল্লাহ বলে ঢেকে রাখে না সে খাবারে শয়তান সামিল হয়ে যায়। এবং সে খাবার বক্ষণ করার সময় শয়তান ভেতরে প্রবেশ করে। (৩) অতিরিক্ত রাগান্বিত অবস্থায় জ্বিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। ভীত এবং হাই হুতাশ থাকা অবস্থায় জ্বিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। কখনও এরা নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে শক্তিশালী হয়ে উঠে এবং ব্যক্তিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। আরও অনেক দিক রয়েছে। জ্বিন হচ্ছে নিশাচর প্রাণী। এরা দিনের বেলায় ঘুমায় এবং মাগরিবের আগে জেগে উঠে, এবং চলাফেরা শুরু করে। রাসুল সাঃ স্পষ্ট ভাবে বলেছেন মাগরিবের আগে শিশুদের যেন বাহির হতে না দেওয়া হয় এবং বিসমিল্লাহ বলে ঘরের দর্জা জানালা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর কারণ এ সময় জ্বিন তাদের চলাফেরা শুরু করে। যারা জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত তাদের এক‌টি দিক দেখা যায় আসরের পর হতেই তাদের সমস্যা গুলি বেড়ে যায়, এবং সারারাত বলবৎ থাকে। আর আক্রান্ত ব্যক্তিদের দেখা যায় সারা রাত জেগে থাকে। রাত জেগে থাকা আক্রান্ত ঐ সব ব্যক্তি বেশিরভাগ সময় কাটান কেউ নেটে বিচরণ করে কেউ মোবাইলে গেইমস খেলে অথবা কেউ টিভি দেখে। অনেকে এমন আছে ঘুমানো চেষ্টা করে বা ঘুমিয়ে আছে অথচ জাগ্রত মনে হচ্ছে। মনে রাখবেন ছোট ছোট গুনাহ হতে কিন্তু এক সময় বড় গুনাহের দিকে দাবিত হতে থাকে। শয়তানের প্রথম কাজ হচ্ছে ইবাদতে বাধা প্রধান করা। এজন্য শয়তান প্রথমে নফল ইবাদতের প্রতি হামলা করে থাকে পরে আস্তে আস্তে ফরজ ইবাদতে হামলা করে থাকে। এজন্য দেখা যায় যারা জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত তাদের অধিকাংশ ফজরের আগে ঘুমিয়ে পড়ে এবং দিনের বেলায় তাদের ঘুমানোর প্রবণতা বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে ফজরের নামাজ ও মাগরিবের নামাজ মিস করিয়ে দেয় এবং মাসনুন আমল মিস করিয়ে দেয়। ব্যক্তি যখন এসব ফরজ ইবাদত এবং আমল মিস করে তখন নিজের নিরাপত্তা হারিয়ে ফেলে এভাবেই জ্বিন ব্যক্তির উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং শক্তিশালী হয়ে উঠে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। এজন্য আক্রান্ত ব্যক্তির উচিত ফরজ ইবাদতের প্রতি মনযোগী হওয়া। এক ওয়াক্ত নামাজের পর পরবর্তী নামাজের প্রতি আগ্রহ থাকা এবং যত্নবান হওয়া। যারা জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত এবং রাত্রি জেগে থাকে তাদের মাঝে কিছু লক্ষণ দেখা যায়। (১) অনিদ্রা : সারারাত শুধু বিশ্রাম নেয়াই হয়, ঘুম হয় না। (২) উদ্বেগ জনিত : রাতে বার বার ঘুম ভেঙে যাওয়া। (৩) দুঃস্বপ্ন : কোনো প্রাণিকে আক্রমণ করতে অথবা ধাওয়া করতে দেখা। (৪) স্বপ্নে নিজেকে অনেক উঁচু কোনো যায়গা থেকে পড়ে যেতে দেখা। (৫) ক্রমাগত স্বপ্নে কোনো গোরস্থান অথবা পরিত্যক্ত জায়গায় নিজেকে চলাচল করতে দেখা। (৬) স্বপ্নে ভয়ংকর প্রাণী দেখা। (৭) ঘুমের মধ্যে অতিরিক্ত হাসি, কান্না, চিৎকার, গোঙানি। (৮) নিয়মিত ঘুমের ঘোরে হাঁটা। (৯) বোবা ধরা : ঘুমের মাঝে কেউ চেপে ধরেছে, নড়াচড়া করতে না পারা। (১০) কোন শারীরিক সমস্যা ছাড়াই তীব্র মাথা ব্যথা। (১১) আল্লাহ, রাসুল সাঃ এবং ইসলাম ধর্মের নিয়ম-কানুন গুলোর উপরে তীব্র বিতৃষ্ণা। নামাজ, তিলাওয়াত, জিকির আযকার ইত্যাদি। (১২) সবসময় প্রচন্ড অমনোযোগী, অলস এবং মানসিকভাবে বিক্ষিপ্ত থাকা। (১৩) কোন শারীরিক সমস্যা ছাড়াই প্রায়ই তীব্র খিঁচুনি। (১৪) কোন শারীরিক সমস্যা ছাড়াই শরীরের বিশেষ কোন একটি অঙ্গে তীব্র ব্যথা। (১৫) বুক ধরফর করা, অস্বস্তি লাগা। (১৬) স্বপ্নে সাপ দেখা। (১৭) নিয়মিত স্বপ্নে খাবার খেতে থাকা। (১৮) নিয়মিত দুঃস্বপ্ন দেখা।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • পৃথিবীতে কোনো মানুষই স্বাধীন নয়, তেয়াত্তর কাতারের মধ্যে বাহাত্তর কাতারই শয়তানের অধীন, একটি মাত্র কাতার আল্লাহ্ তা'আলার অধীন!!!
    আর এই বাহাত্তর কাতারের কেউ অমুসলিম নয়, কিছু মুনাফিক, অধিকাংশই অর্ধ-মুসলিম!!!
    পৃথিবীতে কোনো মানুষই স্বাধীন নয়, তেয়াত্তর কাতারের মধ্যে বাহাত্তর কাতারই শয়তানের অধীন, একটি মাত্র কাতার আল্লাহ্ তা'আলার অধীন!!! আর এই বাহাত্তর কাতারের কেউ অমুসলিম নয়, কিছু মুনাফিক, অধিকাংশই অর্ধ-মুসলিম!!!
    3
    0 Comments 0 Shares
  • আল কাউলু মুখতাসার ফি আলামাত আল মাহদি আল মুনতাদার
    ........................................................................................................
    তৃতীয় খন্ড।
    তাবেয়িন ও তাবেদের থেকে যে বর্ননাগুলো এসেছে।
    .
    ৩-১
    আকাশ থেকে একজন উনার নাম ডাক দিবে।
    .
    ৩-২
    উনি বেরুবেন না, যতক্ষন না সূর্য থেকে একটা নিদর্শন উঠে আসে।
    .
    ৩-৩
    দুটো নিদর্শন যেটা আসমান-জমিন সৃষ্টর পর থেকে কখনো হয় নি।
    রমজানের প্রথম রাতে চন্দ্র গ্রহন।
    আর মাসের মাঝে সূর্য গ্রহন।
    .
    ৩-৪
    উনার আগে কালো পতাকা বেরুবে।
    তাদের জামা হবে সাদা।
    নেতা সুয়াইব বিন সালেহ আল-তামিমী।
    সুফিয়ানীর দলকে পরাজিত করবে।
    বাইতুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত জয় করবে।
    তারা মাহদির জন্য রাজত্ব তৈরি করবে।
    উনার খুরুজ আর এই সাহায্য মাঝে সময় হবে ৭২ মাস।
    .
    ৩-৫
    উনি হবেন শ্রেষ্ঠ মানুষদের নেতা।
    উনার সাহায্যকারি আর বায়াতকারি হবে কুফা বাসি,
    ইয়ামেন বাসি, শামের আবদালগন।
    অগ্রে থাকবেন জিব্রাঈল আর মিকাঈল,
    সৃষ্টির সবচেয়ে পছন্দনিয়রা।
    উনার হাত অন্ধ-ফিতানাকে দূর করবে।
    দুনিয়াবাসী শান্তিতে থাকবে।
    শেষে এক মহিলা হজ্জ করবে
    পাচ জন মহিলার সাথে
    যাদের সাথে অন্য কোনো লোক নেই
    এর পরও আল্লাহ ছাড়া তাদের কোনো ভয় নেই।
    .
    ৩-৬
    অন্যান্য নবীদের বইয়ে এটা লিখা আছে যে উনার মাঝে
    না জুলুম থাকবে, না দোষ।
    .
    ৩-৭
    তুরষ্কে উনি সেনা পাঠাবেন এবং তাদের পরাজিত করবেন।
    তাদের মাল ও বন্ধিদের নেবেন।
    এর পর সিরিয়ায় দিকে ছুটে সিরিয়াকে মুক্ত করবে।
    এর সকল কৃতদাসদের মুক্ত করবেন।
    তাদের মূল্য দিয়ে দেবেন।
    .
    ৩-৮
    তারা সঠিক পথে থাকবে ৩৯ বছর ধরে।
    ছোটরা বলবে, “হায় যদি আমি বড় হতাম!”
    বড়রা বলবে, “হায় যদি আমি ছোট হতাম।”
    .
    ৩-৯
    মাহদি থাকবেন ৪০ বছর।
    .
    ৩-১০
    মাহদির হায়াত হবে ৩০।
    একে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
    উনার হায়াত দ্বারা বুঝানো হতে পারে সম্রাজ্য টিকে থাকা।
    ত্রিশ পার হবে ভাঙ্গন থেকে রক্ষায়।
    চল্লিশ পার হবে এটা জোড়া লাগাতে।
    .
    (Note: শেষ পয়েন্টটা যতটুকু বুঝেছি, ভুল হতে পারে। আরবী পাশে দেয়া আছে in any case)
    .
    ৩-১১
    মাহদি থাকবেন ১৪ বছর।
    এর অর্থ হতে পারে, খাছ ভাবে থাকবেন।
    তাহলে আগের বর্ননাগুলোর বিরোধিতা হয় না।
    সুলায়মান বিন ঈসার মতে, উনি বলেন:
    আমার কাছে পৌছেছে যে মাহদি ১৪ বছর বাইতুল মুকাদ্দাসে থাকবেন।
    হতে পারে পূর্বের বর্ননার অর্থ এই।
    .
    ৩-১২
    উনি চল্লিশ বছর থাকবেন
    এর পর নিজের বিছানায় মৃত্যু বরন করবেন।
    .
    ৩-১৩
    মানুষ উনার ঘরে আসবে এমন সময়ে যে
    ফিতনায় তারা রক্ত প্রবাহিত করছে।
    উনাকে বলবে, “আমাদের সাথে দাড়াও!”
    উনি অস্বিকার করতে থাকবেন।
    শেষে উনাকে হত্যার ভয় দেখানো হবে।
    যখন উনাকে হত্যার হুমকি দেয়া হবে তখন
    তাদের সাথে দাড়াবেন।
    কিন্তু হিজামায় যতটুকু রক্ত হয় ততটুকু রক্তপাত উনি করবেন না।
    .
    ৩-১৪
    মানুষ উনার কাছে জড়ো হবে ২০৪ বছর পরে।
    মানে হাজারের পরে।
    বর্ননায় এভাবে আছে।
    .
    ৩-১৫
    মাহদির সৈন্যে এক যুবক থাকবে।
    অল্প বয়স। দাড়ি ছোট ও হলুদ।
    পর্বতের সাথেও যদি সে যুদ্ধ করে তবে সেটা চুর্ন করে দেবে।
    যতক্ষন না সে ইলিয়াতে পৌছে।
    .
    [ টিকাতে: ইলিয়া হলে বাইতুল মুকাদ্দাসের নাম ]
    .
    ৩-১৬
    উনার আগে সিরিয়ার সরকার প্রধানকে হত্যা করা হবে।
    মিশরের সরকার প্রধানকে হত্যা করা হবে।
    সিরিয়া বাসিরা মিশরের গোত্রগুলোকে বন্ধি করবে।
    পূর্ব দিক থেকে এক লোক কালো পতাকা নিয়ে
    সিরিয়া বাসিদের নেতৃত্ব গ্রহন করবে।
    সে মাহদিকে অনুসরনের পথ দেখাবে।
    .
    শব্দ,
    রাইয়াত-পতাকা : رايات
    .
    ৩-১৭
    উনার আগে নেতৃত্বে থাকবেন একজন আফ্রিকান ১২ বছরের জন্য।
    এর পর নেতৃত্ব দেবেন বাদামি রংগের এক লোক।
    এর পর মাহদির দিকে রওনা হবে
    উনার অনুসরনের জন্য আর উনার পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য।
    .
    ৩-১৮
    উনার আগে একটা কালো পতাকা আসবে খুরাসান থেকে, কুফা হয়ে।
    এর পর মক্কার কাছে এলে মক্কাতে উনার কাছে দল পাঠাবে।
    .
    ৩-১৯
    উনার খুরুজের আলামত এই যে বনি আব্বাসের যাতা ঘুরবে।
    পতাকাবাহীরা তাদের ঘোড়ার গায়ে সিরিয়ার জলপাই লাগাবে।
    দুটো গোত্রের পতন হবে : বনু জাফর, বনু আব্বাস।
    কলিজা খেকোর সন্তান, মানে সুফিয়ানি দামেশকের মিম্বরে বসবে।
    আর বরবর জাতী সিরিয়ার রাস্তায় বেরুবে।
    .
    টিকায় :
    কলিজা খেকো বলতে আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দ কে বুঝানো হয়েছে
    বরবর : আফ্রিকার উপজাতিগুলো।
    .
    ৩-২০
    উনার আগে সুফিয়ানি তার ঘোড়া আর বাহিনী নিয়ে বেরুবে।
    সে পূর্বদিকের লোকের কাছে যাবে, খুরাসান পারস্যে আর পারস্যের ভুমিতে।
    তারা বিদ্রোহ করবে। তার সাথে বহুবার যুদ্ধ করবে সংখ্যায়।
    এর পর এক হাশেমির ডান হাতে বায়াত নিবে।
    আল্লাহ তার কাজ ও রাস্তাকে সহজ করে দেবেন।
    এর পর খূরাসানবাসীদের থেকে ৫০০০ লোক বেরুবে।
    যাদের নেতৃত্বে থাকবে শুয়াইব বিন সালেহ আল-তামিমি।
    যিনি অনারব মুসলিম [মাওয়ালি]।
    হলুদ রং।
    অল্প হায়াতের।
    কাউসাজ [মানে যার পুরো মুখে দাড়ি নেই, কিন্তু শুধু থুতনিতে দাড়ি]
    পর্বতের মুখি মুখি হলেও তারা সেটা ধ্বংশ করে দেবে।
    এর পর সুফিয়ানি বাহিনীর মুখোমুখি হবে।
    প্রচন্ড যুদ্ধ হবে তাদের মাঝে।
    সুফিয়ানি জিতবে, এবং হাশেমিরা পলাবে।
    তামিমি পলিয়ে বাইতুল মুকাদ্দাসে পৌছবে।
    *হাশেমি শামের রাস্তায় পৌছলে তাকে তার পদ দেয়া হবে।
    এই হাশেমির ভাই হলো মাহদি, পিতার দিক থেকে।
    বা বলা হয়েছে, চাচাতো ভাই।
    পরাজিত বাহিনির বাকিরা মক্কায় পৌছবে।
    এবং মাহদি যখন বাহির হবে তখণ তারাও বেরিয়ে আসবে।
    .
    এই লাইনের অনুবাদে ভুল থাকতে পারে। ভুল ধরা পড়লে ঠিক করে দেবো ইনশাল্লাহ।
    .
    ৩-২১
    সুফিয়ানির বাহিনী মদিনার পৌছবে। এবং হুকুম দেবে সেখানে যত হাশেমি আছে সবাইকে হত্যা করার জন্য। তাদের হত্যা করা হবে। আর তারা পাহাড়ে জঙ্গলে ছড়িয়ে পড়বে। মাহদি বের হবার পর তারা আবার তার কাছে এসে একত্রিত হবে।
    .
    ৩-২২
    উনার খুরুজের আলামত হলো পশ্চিম দিক থেকে একটা বাহন আসবে যার উপরে থাকবে কিন্দা বংশের এক পঙ্গু লোক।
    .
    ৩-২৩
    মাহদি থাকবেন ২০০ বছর, যেমন আমাদের কাছে বর্ননা এসেছে।
    .
    ৩-২৪
    ইশার সময়ে তিনি মক্কায় বেরুবেন। উনার সাথে থাকবে রাসুলুল্লাহ সা: এর পতাকা, উনার জামা এবং উনার তলোয়ার। নির্দশন, নূর আর প্রকাশ হিসাবে। ইশার নামাজ পড়ে উনি খতবা দেবেন, লম্বা খুতবা। এবং মানুষকে আল্লাহ আর উনার রাসুল সা: এর দিকে দাওয়াহ দেবেন। এর পর উনার জন্য হিজাজের জমিন খুলে দেয়া হবে। এবং সে থেকে নদী বেরুবে বনী হাশেমদের থেকে। কুফা থেকে কালো পতাকা বেরুবে উনার দিকে। এবং উনার বাহিনী ভোরর আলোর সাথে বেরুবে।
    .
    ৩-২৫
    সুফিয়ানি উনার দিকে দ্রুত ছুটবে। সবাইকে এটা করার হুকুম দেবে। এবং রাহবার দরজায় সে জবাই হবে। এর পর সুফিয়ানির মামার গোত্রের মহিলাদের দামেশকের সিড়ির কাছে গনিমতের মত বিক্রি করা হবে।
    .
    [টিকায় : রাহবার দরজা – মালিক বিন তুক। যিনি …pending ]
    .
    ৩-২৬
    মক্কায় অবস্থান করা অবস্থায় উনি যখন ভুমিধ্বসের কথা শুনবেন, তখন ২০ হাজার লোক নিয়ে বেরুবেন। তাদের মাঝে আবদালগন থাকবেন। এর পর উনি নামবেন (ইলিয়াতে, জেরুজালেমে)। সুফিয়ানি যখন ভুমিধ্বসের কথা শুনবেন তখন সে মত বদলিয়ে উনার কাছে আনুগ্যত্য পাঠাবেন। এরপর বনু কলবে তারা মামারা বংশের লোকেরা তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। সে মাহদির খোজে এসে উনাকে কবুল করবে। এর পর তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। বলবে, “এটা আমার আনুগত্যের শেষ।” সবাইকে তাই করতে বলবে। এর পর ইলিয়ার ফ্লোরে তাকে জবাই করা হবে এবং বনু কলবের দিকে গিয়ে তাদের লুট করবে।
    .
    ৩-২৭
    মাহদি বেরুবে না যতক্ষন না অন্ধকার দেখতে পাও।
    .
    ৩-২৮
    মাহদি বেরুবে না, যতক্ষন প্রতি ৯ জনে ৭ জনকে হত্যা না করা হয়।
    .
    ৩-২৯
    মাহদি আল্লাহর উপর সেই রকম ভরসা করে থাকবে যেরকম ঈগল পাখি তার ডানার উপর ভরসা করে।
    .
    Written By Sanjir Habib On Jan-5th, 2018
    আল কাউলু মুখতাসার ফি আলামাত আল মাহদি আল মুনতাদার ........................................................................................................ তৃতীয় খন্ড। তাবেয়িন ও তাবেদের থেকে যে বর্ননাগুলো এসেছে। . ৩-১ আকাশ থেকে একজন উনার নাম ডাক দিবে। . ৩-২ উনি বেরুবেন না, যতক্ষন না সূর্য থেকে একটা নিদর্শন উঠে আসে। . ৩-৩ দুটো নিদর্শন যেটা আসমান-জমিন সৃষ্টর পর থেকে কখনো হয় নি। রমজানের প্রথম রাতে চন্দ্র গ্রহন। আর মাসের মাঝে সূর্য গ্রহন। . ৩-৪ উনার আগে কালো পতাকা বেরুবে। তাদের জামা হবে সাদা। নেতা সুয়াইব বিন সালেহ আল-তামিমী। সুফিয়ানীর দলকে পরাজিত করবে। বাইতুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত জয় করবে। তারা মাহদির জন্য রাজত্ব তৈরি করবে। উনার খুরুজ আর এই সাহায্য মাঝে সময় হবে ৭২ মাস। . ৩-৫ উনি হবেন শ্রেষ্ঠ মানুষদের নেতা। উনার সাহায্যকারি আর বায়াতকারি হবে কুফা বাসি, ইয়ামেন বাসি, শামের আবদালগন। অগ্রে থাকবেন জিব্রাঈল আর মিকাঈল, সৃষ্টির সবচেয়ে পছন্দনিয়রা। উনার হাত অন্ধ-ফিতানাকে দূর করবে। দুনিয়াবাসী শান্তিতে থাকবে। শেষে এক মহিলা হজ্জ করবে পাচ জন মহিলার সাথে যাদের সাথে অন্য কোনো লোক নেই এর পরও আল্লাহ ছাড়া তাদের কোনো ভয় নেই। . ৩-৬ অন্যান্য নবীদের বইয়ে এটা লিখা আছে যে উনার মাঝে না জুলুম থাকবে, না দোষ। . ৩-৭ তুরষ্কে উনি সেনা পাঠাবেন এবং তাদের পরাজিত করবেন। তাদের মাল ও বন্ধিদের নেবেন। এর পর সিরিয়ায় দিকে ছুটে সিরিয়াকে মুক্ত করবে। এর সকল কৃতদাসদের মুক্ত করবেন। তাদের মূল্য দিয়ে দেবেন। . ৩-৮ তারা সঠিক পথে থাকবে ৩৯ বছর ধরে। ছোটরা বলবে, “হায় যদি আমি বড় হতাম!” বড়রা বলবে, “হায় যদি আমি ছোট হতাম।” . ৩-৯ মাহদি থাকবেন ৪০ বছর। . ৩-১০ মাহদির হায়াত হবে ৩০। একে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। উনার হায়াত দ্বারা বুঝানো হতে পারে সম্রাজ্য টিকে থাকা। ত্রিশ পার হবে ভাঙ্গন থেকে রক্ষায়। চল্লিশ পার হবে এটা জোড়া লাগাতে। . (Note: শেষ পয়েন্টটা যতটুকু বুঝেছি, ভুল হতে পারে। আরবী পাশে দেয়া আছে in any case) . ৩-১১ মাহদি থাকবেন ১৪ বছর। এর অর্থ হতে পারে, খাছ ভাবে থাকবেন। তাহলে আগের বর্ননাগুলোর বিরোধিতা হয় না। সুলায়মান বিন ঈসার মতে, উনি বলেন: আমার কাছে পৌছেছে যে মাহদি ১৪ বছর বাইতুল মুকাদ্দাসে থাকবেন। হতে পারে পূর্বের বর্ননার অর্থ এই। . ৩-১২ উনি চল্লিশ বছর থাকবেন এর পর নিজের বিছানায় মৃত্যু বরন করবেন। . ৩-১৩ মানুষ উনার ঘরে আসবে এমন সময়ে যে ফিতনায় তারা রক্ত প্রবাহিত করছে। উনাকে বলবে, “আমাদের সাথে দাড়াও!” উনি অস্বিকার করতে থাকবেন। শেষে উনাকে হত্যার ভয় দেখানো হবে। যখন উনাকে হত্যার হুমকি দেয়া হবে তখন তাদের সাথে দাড়াবেন। কিন্তু হিজামায় যতটুকু রক্ত হয় ততটুকু রক্তপাত উনি করবেন না। . ৩-১৪ মানুষ উনার কাছে জড়ো হবে ২০৪ বছর পরে। মানে হাজারের পরে। বর্ননায় এভাবে আছে। . ৩-১৫ মাহদির সৈন্যে এক যুবক থাকবে। অল্প বয়স। দাড়ি ছোট ও হলুদ। পর্বতের সাথেও যদি সে যুদ্ধ করে তবে সেটা চুর্ন করে দেবে। যতক্ষন না সে ইলিয়াতে পৌছে। . [ টিকাতে: ইলিয়া হলে বাইতুল মুকাদ্দাসের নাম ] . ৩-১৬ উনার আগে সিরিয়ার সরকার প্রধানকে হত্যা করা হবে। মিশরের সরকার প্রধানকে হত্যা করা হবে। সিরিয়া বাসিরা মিশরের গোত্রগুলোকে বন্ধি করবে। পূর্ব দিক থেকে এক লোক কালো পতাকা নিয়ে সিরিয়া বাসিদের নেতৃত্ব গ্রহন করবে। সে মাহদিকে অনুসরনের পথ দেখাবে। . শব্দ, রাইয়াত-পতাকা : رايات . ৩-১৭ উনার আগে নেতৃত্বে থাকবেন একজন আফ্রিকান ১২ বছরের জন্য। এর পর নেতৃত্ব দেবেন বাদামি রংগের এক লোক। এর পর মাহদির দিকে রওনা হবে উনার অনুসরনের জন্য আর উনার পক্ষে যুদ্ধ করার জন্য। . ৩-১৮ উনার আগে একটা কালো পতাকা আসবে খুরাসান থেকে, কুফা হয়ে। এর পর মক্কার কাছে এলে মক্কাতে উনার কাছে দল পাঠাবে। . ৩-১৯ উনার খুরুজের আলামত এই যে বনি আব্বাসের যাতা ঘুরবে। পতাকাবাহীরা তাদের ঘোড়ার গায়ে সিরিয়ার জলপাই লাগাবে। দুটো গোত্রের পতন হবে : বনু জাফর, বনু আব্বাস। কলিজা খেকোর সন্তান, মানে সুফিয়ানি দামেশকের মিম্বরে বসবে। আর বরবর জাতী সিরিয়ার রাস্তায় বেরুবে। . টিকায় : কলিজা খেকো বলতে আবু সুফিয়ানের স্ত্রী হিন্দ কে বুঝানো হয়েছে বরবর : আফ্রিকার উপজাতিগুলো। . ৩-২০ উনার আগে সুফিয়ানি তার ঘোড়া আর বাহিনী নিয়ে বেরুবে। সে পূর্বদিকের লোকের কাছে যাবে, খুরাসান পারস্যে আর পারস্যের ভুমিতে। তারা বিদ্রোহ করবে। তার সাথে বহুবার যুদ্ধ করবে সংখ্যায়। এর পর এক হাশেমির ডান হাতে বায়াত নিবে। আল্লাহ তার কাজ ও রাস্তাকে সহজ করে দেবেন। এর পর খূরাসানবাসীদের থেকে ৫০০০ লোক বেরুবে। যাদের নেতৃত্বে থাকবে শুয়াইব বিন সালেহ আল-তামিমি। যিনি অনারব মুসলিম [মাওয়ালি]। হলুদ রং। অল্প হায়াতের। কাউসাজ [মানে যার পুরো মুখে দাড়ি নেই, কিন্তু শুধু থুতনিতে দাড়ি] পর্বতের মুখি মুখি হলেও তারা সেটা ধ্বংশ করে দেবে। এর পর সুফিয়ানি বাহিনীর মুখোমুখি হবে। প্রচন্ড যুদ্ধ হবে তাদের মাঝে। সুফিয়ানি জিতবে, এবং হাশেমিরা পলাবে। তামিমি পলিয়ে বাইতুল মুকাদ্দাসে পৌছবে। *হাশেমি শামের রাস্তায় পৌছলে তাকে তার পদ দেয়া হবে। এই হাশেমির ভাই হলো মাহদি, পিতার দিক থেকে। বা বলা হয়েছে, চাচাতো ভাই। পরাজিত বাহিনির বাকিরা মক্কায় পৌছবে। এবং মাহদি যখন বাহির হবে তখণ তারাও বেরিয়ে আসবে। . এই লাইনের অনুবাদে ভুল থাকতে পারে। ভুল ধরা পড়লে ঠিক করে দেবো ইনশাল্লাহ। . ৩-২১ সুফিয়ানির বাহিনী মদিনার পৌছবে। এবং হুকুম দেবে সেখানে যত হাশেমি আছে সবাইকে হত্যা করার জন্য। তাদের হত্যা করা হবে। আর তারা পাহাড়ে জঙ্গলে ছড়িয়ে পড়বে। মাহদি বের হবার পর তারা আবার তার কাছে এসে একত্রিত হবে। . ৩-২২ উনার খুরুজের আলামত হলো পশ্চিম দিক থেকে একটা বাহন আসবে যার উপরে থাকবে কিন্দা বংশের এক পঙ্গু লোক। . ৩-২৩ মাহদি থাকবেন ২০০ বছর, যেমন আমাদের কাছে বর্ননা এসেছে। . ৩-২৪ ইশার সময়ে তিনি মক্কায় বেরুবেন। উনার সাথে থাকবে রাসুলুল্লাহ সা: এর পতাকা, উনার জামা এবং উনার তলোয়ার। নির্দশন, নূর আর প্রকাশ হিসাবে। ইশার নামাজ পড়ে উনি খতবা দেবেন, লম্বা খুতবা। এবং মানুষকে আল্লাহ আর উনার রাসুল সা: এর দিকে দাওয়াহ দেবেন। এর পর উনার জন্য হিজাজের জমিন খুলে দেয়া হবে। এবং সে থেকে নদী বেরুবে বনী হাশেমদের থেকে। কুফা থেকে কালো পতাকা বেরুবে উনার দিকে। এবং উনার বাহিনী ভোরর আলোর সাথে বেরুবে। . ৩-২৫ সুফিয়ানি উনার দিকে দ্রুত ছুটবে। সবাইকে এটা করার হুকুম দেবে। এবং রাহবার দরজায় সে জবাই হবে। এর পর সুফিয়ানির মামার গোত্রের মহিলাদের দামেশকের সিড়ির কাছে গনিমতের মত বিক্রি করা হবে। . [টিকায় : রাহবার দরজা – মালিক বিন তুক। যিনি …pending ] . ৩-২৬ মক্কায় অবস্থান করা অবস্থায় উনি যখন ভুমিধ্বসের কথা শুনবেন, তখন ২০ হাজার লোক নিয়ে বেরুবেন। তাদের মাঝে আবদালগন থাকবেন। এর পর উনি নামবেন (ইলিয়াতে, জেরুজালেমে)। সুফিয়ানি যখন ভুমিধ্বসের কথা শুনবেন তখন সে মত বদলিয়ে উনার কাছে আনুগ্যত্য পাঠাবেন। এরপর বনু কলবে তারা মামারা বংশের লোকেরা তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। সে মাহদির খোজে এসে উনাকে কবুল করবে। এর পর তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। বলবে, “এটা আমার আনুগত্যের শেষ।” সবাইকে তাই করতে বলবে। এর পর ইলিয়ার ফ্লোরে তাকে জবাই করা হবে এবং বনু কলবের দিকে গিয়ে তাদের লুট করবে। . ৩-২৭ মাহদি বেরুবে না যতক্ষন না অন্ধকার দেখতে পাও। . ৩-২৮ মাহদি বেরুবে না, যতক্ষন প্রতি ৯ জনে ৭ জনকে হত্যা না করা হয়। . ৩-২৯ মাহদি আল্লাহর উপর সেই রকম ভরসা করে থাকবে যেরকম ঈগল পাখি তার ডানার উপর ভরসা করে। . Written By Sanjir Habib On Jan-5th, 2018
    3
    0 Comments 1 Shares
  • বলো! অন্ধ হলে কি প্রলয় থেমে থাকে?
    তুমি অন্ধ, তুমি দেখতে পারোনা, তাই বলে কি বিপ্লব থেমে থাকবে?
    বলো! অন্ধ হলে কি প্রলয় থেমে থাকে? তুমি অন্ধ, তুমি দেখতে পারোনা, তাই বলে কি বিপ্লব থেমে থাকবে?
    3
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 1 Shares
  • "ইভিএমের জন্য নৌকা হলো ধন্য"
    "ইভিএমের জন্য নৌকা হলো ধন্য"
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • গ্রামের মন মুগ্ধকর ছবি।
    2
    0 Comments 0 Shares
  • অত্যান্ত মজার বিষয় হচ্ছে আলাদীনের দুবাই অফিসটা সালাহুদ্বীন আইয়ুবী রোড়ে। যদিও সরকারী ভাবে এই রোডটি সালাহ আল-দ্বীন ষ্ট্রীট নামে পরিচিত...
    2
    0 Comments 0 Shares
  • যে অভাবগ্রস্থ অবস্থায় ধৈর্য ধারন করে সেই হলো পরহেজগার
    (বাকারা-১৭৭)
    2
    0 Comments 0 Shares
  • যে অভাবগ্রস্থ অবস্থায় ধৈর্য ধারন করে সেই হলো পরহেজগার
    (বাকারা-১৭৭)
    যে অভাবগ্রস্থ অবস্থায় ধৈর্য ধারন করে সেই হলো পরহেজগার (বাকারা-১৭৭)
    4
    0 Comments 1 Shares
  • অত্যান্ত মজার বিষয় হচ্ছে আলাদীনের দুবাই অফিসটা সালাহুদ্বীন আইয়ুবী রোড়ে। যদিও সরকারী ভাবে এই রোডটি সালাহ আল-দ্বীন ষ্ট্রীট নামে পরিচিত...
    অত্যান্ত মজার বিষয় হচ্ছে আলাদীনের দুবাই অফিসটা সালাহুদ্বীন আইয়ুবী রোড়ে। যদিও সরকারী ভাবে এই রোডটি সালাহ আল-দ্বীন ষ্ট্রীট নামে পরিচিত...
    7
    2 Comments 1 Shares
  • 6
    0 Comments 0 Shares
  • বাবা এবং বাবার ছোট রাজকন্যা
    বাবা এবং বাবার ছোট রাজকন্যা
    10
    2 Comments 0 Shares
  • 👉Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

    وَّ یَعۡلَمَ الَّذِیۡنَ یُجَادِلُوۡنَ فِیۡۤ اٰیٰتِنَا ؕ مَا لَہُمۡ مِّنۡ مَّحِیۡصٍ ﴿۳۵﴾

    আর আমার নিদর্শন সম্পর্কে যারা বির্তক করে তারা যেন জানতে পারে যে, তাদের কোন নিস্কৃতি নেই।

    And those who dispute (polytheists, etc. with Our Messenger Muhammad SAW) as regards Our Ayat (proofs, signs, verses, etc. of Islamic Monotheism) may know that there is no place of refuge for them (from Allah's punishment).

    🌿🏵️🍇🌿🏵️🍇🌿🏵️🍇🌿
    🟪(QS. Ash-Shuraa 42: Verse 35)
    #Al_Quran
    👉Allah Subhanahu Wa Ta'ala said: وَّ یَعۡلَمَ الَّذِیۡنَ یُجَادِلُوۡنَ فِیۡۤ اٰیٰتِنَا ؕ مَا لَہُمۡ مِّنۡ مَّحِیۡصٍ ﴿۳۵﴾ আর আমার নিদর্শন সম্পর্কে যারা বির্তক করে তারা যেন জানতে পারে যে, তাদের কোন নিস্কৃতি নেই। And those who dispute (polytheists, etc. with Our Messenger Muhammad SAW) as regards Our Ayat (proofs, signs, verses, etc. of Islamic Monotheism) may know that there is no place of refuge for them (from Allah's punishment). 🌿🏵️🍇🌿🏵️🍇🌿🏵️🍇🌿 🟪(QS. Ash-Shuraa 42: Verse 35) #Al_Quran
    5
    0 Comments 0 Shares
  • 👉Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

    وَّ یَعۡلَمَ الَّذِیۡنَ یُجَادِلُوۡنَ فِیۡۤ اٰیٰتِنَا ؕ مَا لَہُمۡ مِّنۡ مَّحِیۡصٍ ﴿۳۵﴾

    আর আমার নিদর্শন সম্পর্কে যারা বির্তক করে তারা যেন জানতে পারে যে, তাদের কোন নিস্কৃতি নেই।

    And those who dispute (polytheists, etc. with Our Messenger Muhammad SAW) as regards Our Ayat (proofs, signs, verses, etc. of Islamic Monotheism) may know that there is no place of refuge for them (from Allah's punishment).

    🌿🏵️🍇🌿🏵️🍇🌿🏵️🍇🌿
    🟪(QS. Ash-Shuraa 42: Verse 35)
    #Al_Quran
    👉Allah Subhanahu Wa Ta'ala said: وَّ یَعۡلَمَ الَّذِیۡنَ یُجَادِلُوۡنَ فِیۡۤ اٰیٰتِنَا ؕ مَا لَہُمۡ مِّنۡ مَّحِیۡصٍ ﴿۳۵﴾ আর আমার নিদর্শন সম্পর্কে যারা বির্তক করে তারা যেন জানতে পারে যে, তাদের কোন নিস্কৃতি নেই। And those who dispute (polytheists, etc. with Our Messenger Muhammad SAW) as regards Our Ayat (proofs, signs, verses, etc. of Islamic Monotheism) may know that there is no place of refuge for them (from Allah's punishment). 🌿🏵️🍇🌿🏵️🍇🌿🏵️🍇🌿 🟪(QS. Ash-Shuraa 42: Verse 35) #Al_Quran
    5
    0 Comments 0 Shares
  • This exclusive Bills Run The East Shirt is only available for a limited time. Buy now & receive discounted shipping when you buy 2 or more... #BuffaloBills #Buffalo #BillsRunTheEast #AFC #EastDivisionChampions #Nfl

    Get It Now: https://teechip.com/Bills-Run-The-East-t-shirt
    This exclusive Bills Run The East Shirt is only available for a limited time. Buy now & receive discounted shipping when you buy 2 or more... #BuffaloBills #Buffalo #BillsRunTheEast #AFC #EastDivisionChampions #Nfl Get It Now: https://teechip.com/Bills-Run-The-East-t-shirt
    TeeChip | Custom prints store | T-shirts, mugs, face masks, posters
    Shop custom printed shirts and apparel online with TeeChip. Buy phone cases, pillowcases & bedding, Mugs, posters, face masks | Shop Custom merch from Artists
    2
    0 Comments 0 Shares
  • হযরত আবু মুসা আল আশআরী রা. হতে বর্ণিত,
    নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেছেন-
    ●কুরআন তিলাওয়াতকারী একজন মুমিনের উপমা সুগন্ধি লেবুর মতো যার স্বাদ মিষ্টি।
    ●আর ঐ মুমিন যে কুরআন তিলাওয়াত করেনা তার উপমা খেজুরের মতো যা খেতে সুস্বাদু কিন্তু কোন সুগন্ধ নেই।
    ●কুরআন তিলাওয়াতকারী একজন মুনাফিকের উপমা ঐ তুলসী পাতার ন্যায় যার সুগন্ধ আছে কিন্তু স্বাদ তিক্ত।
    ●আর ঐ মুনাফিক যে কুরআন তিলাওয়াত করেনা তার উপমা মাকাল ফলের মতো যার স্বাদ তিক্ত এবং কোন সুগন্ধ নেই।
    সহীহ বুখারী, হা- ৪৬৯০, ই.ফা.

    প্রথম দুটো পয়েন্ট খেয়াল করুন। কুরআন তিলাওয়াতকারী মুমিন এবং যে মুমিন কুরআন তিলাওয়াত করেনা উভয়কেই এমন ফলের সাথে তুলনা করা হয়েছে যা খেতে সুস্বাদু। এই স্বাদের নাম ঈমান। আর ঈমানের স্বাদ হুব্বে মুস্তফা ﷺ।

    সূত্র- 40 Hadith on the virtues of the Quran.
    Mullah Ali Bin Sultan Al-Qari (Rh.)
    হযরত আবু মুসা আল আশআরী রা. হতে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেছেন- ●কুরআন তিলাওয়াতকারী একজন মুমিনের উপমা সুগন্ধি লেবুর মতো যার স্বাদ মিষ্টি। ●আর ঐ মুমিন যে কুরআন তিলাওয়াত করেনা তার উপমা খেজুরের মতো যা খেতে সুস্বাদু কিন্তু কোন সুগন্ধ নেই। ●কুরআন তিলাওয়াতকারী একজন মুনাফিকের উপমা ঐ তুলসী পাতার ন্যায় যার সুগন্ধ আছে কিন্তু স্বাদ তিক্ত। ●আর ঐ মুনাফিক যে কুরআন তিলাওয়াত করেনা তার উপমা মাকাল ফলের মতো যার স্বাদ তিক্ত এবং কোন সুগন্ধ নেই। সহীহ বুখারী, হা- ৪৬৯০, ই.ফা. প্রথম দুটো পয়েন্ট খেয়াল করুন। কুরআন তিলাওয়াতকারী মুমিন এবং যে মুমিন কুরআন তিলাওয়াত করেনা উভয়কেই এমন ফলের সাথে তুলনা করা হয়েছে যা খেতে সুস্বাদু। এই স্বাদের নাম ঈমান। আর ঈমানের স্বাদ হুব্বে মুস্তফা ﷺ। সূত্র- 40 Hadith on the virtues of the Quran. Mullah Ali Bin Sultan Al-Qari (Rh.)
    4
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • Rent a car service
    Rent a car service
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 6
    0 Comments 0 Shares
  • 6
    0 Comments 0 Shares
  • গ্রামের মন মুগ্ধকর ছবি।
    গ্রামের মন মুগ্ধকর ছবি।
    5
    0 Comments 1 Shares
  • Ambulance service Potuakhali
    Ambulance service Potuakhali
    1
    0 Comments 0 Shares
  • This exclusive Click Click We Can’t Expect God To Do All The Work Shirt is only available for a limited time. Buy now & receive discounted shipping when you buy 2 or more… #WeCantExpectGodtoDoAlltheWork #NewVegas #Fallout #JoshuaGraham #45caliberpistol

    Get It Now: https://teechip.com/we-can-t-expect-god-to-do-all-the-work
    This exclusive Click Click We Can’t Expect God To Do All The Work Shirt is only available for a limited time. Buy now & receive discounted shipping when you buy 2 or more… #WeCantExpectGodtoDoAlltheWork #NewVegas #Fallout #JoshuaGraham #45caliberpistol Get It Now: https://teechip.com/we-can-t-expect-god-to-do-all-the-work
    TEECHIP.COM
    Click We Can’t Expect God To Do All The Work T Shirt
    Click We Can’t Expect God To Do All The Work T Shirt shirts, apparel, posters are available at TeeChip.
    2
    1 Comments 0 Shares
  • বিগত বছরগুলিতে, চীন অত্যাবশ্যক প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে খুব দ্রুত অগ্রসর হতে সক্ষম হয়েছে। এটি আমেরিকান পর্যবেক্ষকদের বিস্মিত করেছে (শাটারস্টক) মুহাম্মদ আল-মিনশাউই 3/1/2022 অনেক আমেরিকান সার্কেল চীনের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নিয়ে ক্রমবর্ধমানভাবে উদ্বিগ্ন, এবং একটি নতুন রিপোর্ট জারি করা হয়েছে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি দ্বারা চীনের প্রযুক্তিগতভাবে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়, এটি ঐতিহ্যগত আমেরিকান নেতৃত্বকে ছাড়িয়ে গেছে। দুই মাস আগে, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) এর পরিচালক বিল বার্নস ঘোষণা করেছিলেন যে সংস্থা দুটি প্রধান নতুন "গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র" তৈরি করবে, একটি চীনে এবং অন্যটি উন্নত প্রযুক্তির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে।
    বিগত বছরগুলিতে, চীন অত্যাবশ্যক প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে খুব দ্রুত অগ্রসর হতে সক্ষম হয়েছে। এটি আমেরিকান পর্যবেক্ষকদের বিস্মিত করেছে (শাটারস্টক) মুহাম্মদ আল-মিনশাউই 3/1/2022 অনেক আমেরিকান সার্কেল চীনের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নিয়ে ক্রমবর্ধমানভাবে উদ্বিগ্ন, এবং একটি নতুন রিপোর্ট জারি করা হয়েছে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি দ্বারা চীনের প্রযুক্তিগতভাবে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয়, এটি ঐতিহ্যগত আমেরিকান নেতৃত্বকে ছাড়িয়ে গেছে। দুই মাস আগে, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) এর পরিচালক বিল বার্নস ঘোষণা করেছিলেন যে সংস্থা দুটি প্রধান নতুন "গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র" তৈরি করবে, একটি চীনে এবং অন্যটি উন্নত প্রযুক্তির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে।
    5
    0 Comments 0 Shares
  • তুষার জমে বিদ্যুত বিভ্রাট এবং যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে.. আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন এবং তার প্রতিবেশী কয়েকটি রাজ্যে তুষার ঝড় আঘাত হেনেছে রিপোর্ট: নাসের আল-হুসেইনি দ্য হারভেস্ট https://t.co/KPnPZDfeQp

    তুষার জমে বিদ্যুত বিভ্রাট এবং যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে.. আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন এবং তার প্রতিবেশী কয়েকটি রাজ্যে তুষার ঝড় আঘাত হেনেছে রিপোর্ট: নাসের আল-হুসেইনি দ্য হারভেস্ট https://t.co/KPnPZDfeQp
    4
    0 Comments 0 Shares
  • 5
    0 Comments 0 Shares
  • 5
    1 Comments 0 Shares
  • আসসালামু আলাইকুম
    আসসালামু আলাইকুম
    4
    2 Comments 0 Shares
  • আগের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।
    আগের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।
    5
    0 Comments 0 Shares
  • 7
    0 Comments 0 Shares
  • নতুন বছরে মহান সৃষ্টিকর্তা সবার জীবনে কল্যাণ ও বারাকাহ তে ভরপুর করে দিন!
    পৃথিবী সুস্থ হয়ে উঠুক..
    অশ্লীলতা দূর হয়ে যাক..
    নতুন বছরে মহান সৃষ্টিকর্তা সবার জীবনে কল্যাণ ও বারাকাহ তে ভরপুর করে দিন! পৃথিবী সুস্থ হয়ে উঠুক.. অশ্লীলতা দূর হয়ে যাক..
    5
    0 Comments 0 Shares
  • Before you sleep:
    3
    0 Comments 0 Shares
  • - ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর লঞ্চ ট্রাজেডি।💔🥀😥
    3
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • Rent a car app available in Google play store
    Rent a car app available in Google play store
    1
    0 Comments 0 Shares
  • #Omicron
    NY COVID Cases Shatter All-Time Daily Record With 74K Positives; Omicron Taxes Hospitals
    When is omicron most contagious? 90% of transmissions occur in the two to three days before symptoms start and the two to three days after they appear, the CDC says.
    #Omicron NY COVID Cases Shatter All-Time Daily Record With 74K Positives; Omicron Taxes Hospitals When is omicron most contagious? 90% of transmissions occur in the two to three days before symptoms start and the two to three days after they appear, the CDC says.
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 1 Shares
  • - ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর লঞ্চ ট্রাজেডি।💔🥀😥
    - ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর লঞ্চ ট্রাজেডি।💔🥀😥
    2
    0 Comments 1 Shares
  • দোয়া চাই সকলের কাছে।
    আমার অতি নিকট আত্মীয় দুইটা ফ্যামিলির সকলেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। মহান আল্লাহ যেন তাদেরকে শেফায়ে কামেলা দান করেন আমিন..
    দোয়া চাই সকলের কাছে। আমার অতি নিকট আত্মীয় দুইটা ফ্যামিলির সকলেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। মহান আল্লাহ যেন তাদেরকে শেফায়ে কামেলা দান করেন আমিন..
    2
    0 Comments 0 Shares
  • বরগুনার লঞ্চে আগুন লেগে মৃতদের আল্লাহ শাহাদাতের মর্যাদা দান করুন। আমিন
    বরগুনার লঞ্চে আগুন লেগে মৃতদের আল্লাহ শাহাদাতের মর্যাদা দান করুন। আমিন
    5
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • মাশাআল্লাহ আলাদীন আগের চেয়ে অনেক দ্রুত চলে।
    মাশাআল্লাহ আলাদীন আগের চেয়ে অনেক দ্রুত চলে।
    6
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • Rent a car service
    Rent a car service
    Home Page
    1
    0 Comments 0 Shares

  • وَمَا تَسْقُطُ مِن وَرَقَةٍ إِلَّا يَعْلَمُهَا
    আর তাঁর অজ্ঞাতসারে একটি পাতাও ঝরে না। [আনআম-৫৯]
    وَمَا تَسْقُطُ مِن وَرَقَةٍ إِلَّا يَعْلَمُهَا আর তাঁর অজ্ঞাতসারে একটি পাতাও ঝরে না। [আনআম-৫৯]
    5
    0 Comments 0 Shares
  • https://carnibo.com/listings/শাহ-আলী-ট্রান্সপোর্ট-ঢাক/
    https://carnibo.com/listings/শাহ-আলী-ট্রান্সপোর্ট-ঢাক/
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • Before you sleep:
    Before you sleep:
    5
    0 Comments 1 Shares
  • On December 15th the Vancouver Park Board made things official by installing a sign that deems the area around the local shipwreck as Barge Chilling Beach, and this forest green t-shirt celebrities that move. #BargeChillingBeach #VancouverPark #Vancouver

    Shop Now: https://teechip.com/barge-chilling-beach-t-shirts
    On December 15th the Vancouver Park Board made things official by installing a sign that deems the area around the local shipwreck as Barge Chilling Beach, and this forest green t-shirt celebrities that move. #BargeChillingBeach #VancouverPark #Vancouver Shop Now: https://teechip.com/barge-chilling-beach-t-shirts
    TEECHIP.COM
    Barge Chilling Beach T Shirts
    Barge Chilling Beach T Shirts shirts, apparel, posters are available at TeeChip.
    1
    0 Comments 0 Shares
  • আমার সালাত তো দূরের কথা, খোদ আমাকেও আল্লাহর প্রয়োজন নেই। আল্লাহকেই আমার প্রয়োজন।
    আমার স্বার্থেই সালাত আদায় করতে হবে।
    আমার সালাত তো দূরের কথা, খোদ আমাকেও আল্লাহর প্রয়োজন নেই। আল্লাহকেই আমার প্রয়োজন। আমার স্বার্থেই সালাত আদায় করতে হবে।
    4
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.behance.net/MdAlauddinPatawari
    https://www.behance.net/MdAlauddinPatawari
    WWW.BEHANCE.NET
    Md.Alauddin Patawari on Behance
    Hello, This is Alauddin. I am a full-time professional freelancer. And a web developer. Expert in WordPress, Wix, Shopify, Squarespace & Magento. I can develop & design any type of website on WordPress such as an online shopping store, restaurant, school website, and Business Website. I completed long-term training from CodersTrust Bangladesh on Web development & Responsive Design and attend many practical projects. Also completed long-term training from CodemanBd Bangladesh on WordPress, Wix, Shopify, Squarespace & Magento. I can create your website with SEO friendly also can do a high-quality project and work with my own responsibility for all types of organizations, able to work confidently. Your satisfaction is my success. Also, I can do Graphic design, Logo Design, I can do Photo editing, background removing, Background replacing, Photo retouching, Clipping path. I am organized, reliable, dedicated, and a person of integrity. I believe success is when one exceeds customers' expectations. Customers are the most valuable asset of any organization. I do hope you will be 100% satisfied to work with me. If you have any questions or queries in your mind or need a custom offer, don't hesitate to discuss it with me and feel free to contact me. Contact me: 🌐 https://alauddinpro.com/ 📧 info@alauddinpro.com 👍 https://www.google.com/Md.Alauddin Patawari 🌐 https://mdalauddinpatawari.blogspot.com/ 👍 https://www.facebook.com/md.alauddin.patawari.1/ 👍 https://twitter.com/alauddinPatwari 👍 https://www.linkedin.com/in/md-alauddin-patawari/ 👍 https://www.instagram.com/md.alauddin.patawari/
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.upwork.com/freelancers/~0154eed3add4401ee1
    https://www.upwork.com/freelancers/~0154eed3add4401ee1
    1
    0 Comments 0 Shares
  • https://www.upwork.com/workwith/mdalauddinpatawari
    https://www.upwork.com/workwith/mdalauddinpatawari
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • আলাদীনের ভিআইপি সদস্যদের নিয়ে আজ বাংলাদেশ টাইম রাত ৯টায় গুগল মিট এ এক ভার্চুয়াল লাইভ প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ ভিআইপি সদস্যদের যথা সময়ে লিংক পাঠানো হবে..
    আলাদীনের ভিআইপি সদস্যদের নিয়ে আজ বাংলাদেশ টাইম রাত ৯টায় গুগল মিট এ এক ভার্চুয়াল লাইভ প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ ভিআইপি সদস্যদের যথা সময়ে লিংক পাঠানো হবে..
    8
    1 Comments 0 Shares
  • ১৫ই ডিসেম্বর আলাদীনের কার্যক্রম ব্যাপক জোরদার করার কথা ছিল। আলহামদুলিল্লাহ, মহান রবের কাছে শুকরিয়া পুর্ব পরিকল্পিত এই দিনটি আলাদীনের জন্য অত্যন্ত একটি সফল দিন হিসেবে কর্মদিবস পালন করেছে। আজ ১৬ই ডিসেম্বর যেন ১৫ই ডিসেম্বরের চেয়ে ভাল কর্ম দিবস পালন করতে পারি সেই প্রার্থনাই করি মহান রবের কাছে...
    ১৫ই ডিসেম্বর আলাদীনের কার্যক্রম ব্যাপক জোরদার করার কথা ছিল। আলহামদুলিল্লাহ, মহান রবের কাছে শুকরিয়া পুর্ব পরিকল্পিত এই দিনটি আলাদীনের জন্য অত্যন্ত একটি সফল দিন হিসেবে কর্মদিবস পালন করেছে। আজ ১৬ই ডিসেম্বর যেন ১৫ই ডিসেম্বরের চেয়ে ভাল কর্ম দিবস পালন করতে পারি সেই প্রার্থনাই করি মহান রবের কাছে...
    9
    1 Comments 0 Shares
  • Rent a car service Dhaka
    Rent a car service Dhaka
    Mahim Rent A Car Service Dhaka
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    0 Comments 0 Shares
  • তুষারপাতে জমে যাওয়া বরফে
    অজু করার মূহুর্তে শাহজাদাদের একজন।

    আর আপনি আমি,
    ফজরের ঠান্ডা পানির ভয়ে
    নামাজও আদায় করতে উঠতে পারিনা।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • "প্রকাশ্যে কারো ভুল দেখলে গোপনে পরামর্শ দিন। শয়তান আপনাকে প্রতারিত করতে দেবেন না এবং তাকে গীবত করার জন্য আপনাকে নেতৃত্ব দেবেন না।"

    ইমাম গাজ্জালী
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 👉সকাল ও সন্ধ্যা বেলা কোন দু'আ পড়বে- সে সস্পর্কে।

    মূসা ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি সকাল বেলা এ দু'আ পড়তেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নাম নিয়ে সকালে উপনীত হলাম এবং সন্ধ্যায় পৌছবো। আমি তোমার নাম নিয়ে জীবিত থাকি এবং তোমার নাম নিয়ে মারা যাব, আর তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে। আর তিনি সন্ধ্যার সময় বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ্‌! আমি তোমার নাম নিয়ে সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি, তোমার নাম নিয়ে বেঁচে থাকি, তোমার নাম নিয়ে মারা যাব, আর তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে।

    Narrated AbuHurayrah: The Prophet (ﷺ) used to say in the morning: "O Allah, by Thee we come to the morning, by Thee we come to the evening, by Thee are we resurrected." In the evening he would say: "O Allah, by Thee we come to the evening, by Thee we die, and to Thee are we resurrected."

    🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿

    গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
    অধ্যায়ঃ ৩৭/ নিদ্রা সম্পর্কীয় (كتاب النوم)
    হাদিস নম্বরঃ ৪৯৮৪
    হাদিসের মানঃ সহিহ্
    #Al_Hadith
    1
    0 Comments 0 Shares
  • আরেহ!
    আমরা তো তাদের চেয়েও উন্নত,
    আমাদের নামটা দেয়নি কেনো? 😪
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • আরেহ!
    আমরা তো তাদের চেয়েও উন্নত,
    আমাদের নামটা দেয়নি কেনো? 😪
    আরেহ! আমরা তো তাদের চেয়েও উন্নত, আমাদের নামটা দেয়নি কেনো? 😪
    4
    0 Comments 1 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 👉সকাল ও সন্ধ্যা বেলা কোন দু'আ পড়বে- সে সস্পর্কে।

    মূসা ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি সকাল বেলা এ দু'আ পড়তেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নাম নিয়ে সকালে উপনীত হলাম এবং সন্ধ্যায় পৌছবো। আমি তোমার নাম নিয়ে জীবিত থাকি এবং তোমার নাম নিয়ে মারা যাব, আর তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে। আর তিনি সন্ধ্যার সময় বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ্‌! আমি তোমার নাম নিয়ে সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি, তোমার নাম নিয়ে বেঁচে থাকি, তোমার নাম নিয়ে মারা যাব, আর তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে।

    Narrated AbuHurayrah: The Prophet (ﷺ) used to say in the morning: "O Allah, by Thee we come to the morning, by Thee we come to the evening, by Thee are we resurrected." In the evening he would say: "O Allah, by Thee we come to the evening, by Thee we die, and to Thee are we resurrected."

    🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿

    গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
    অধ্যায়ঃ ৩৭/ নিদ্রা সম্পর্কীয় (كتاب النوم)
    হাদিস নম্বরঃ ৪৯৮৪
    হাদিসের মানঃ সহিহ্
    #Al_Hadith
    👉সকাল ও সন্ধ্যা বেলা কোন দু'আ পড়বে- সে সস্পর্কে। মূসা ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি সকাল বেলা এ দু'আ পড়তেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নাম নিয়ে সকালে উপনীত হলাম এবং সন্ধ্যায় পৌছবো। আমি তোমার নাম নিয়ে জীবিত থাকি এবং তোমার নাম নিয়ে মারা যাব, আর তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে। আর তিনি সন্ধ্যার সময় বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ্‌! আমি তোমার নাম নিয়ে সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি, তোমার নাম নিয়ে বেঁচে থাকি, তোমার নাম নিয়ে মারা যাব, আর তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে। Narrated AbuHurayrah: The Prophet (ﷺ) used to say in the morning: "O Allah, by Thee we come to the morning, by Thee we come to the evening, by Thee are we resurrected." In the evening he would say: "O Allah, by Thee we come to the evening, by Thee we die, and to Thee are we resurrected." 🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿 গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ) অধ্যায়ঃ ৩৭/ নিদ্রা সম্পর্কীয় (كتاب النوم) হাদিস নম্বরঃ ৪৯৮৪ হাদিসের মানঃ সহিহ্ #Al_Hadith
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 👉সকাল ও সন্ধ্যা বেলা কোন দু'আ পড়বে- সে সস্পর্কে।

    মূসা ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি সকাল বেলা এ দু'আ পড়তেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নাম নিয়ে সকালে উপনীত হলাম এবং সন্ধ্যায় পৌছবো। আমি তোমার নাম নিয়ে জীবিত থাকি এবং তোমার নাম নিয়ে মারা যাব, আর তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে। আর তিনি সন্ধ্যার সময় বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ্‌! আমি তোমার নাম নিয়ে সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি, তোমার নাম নিয়ে বেঁচে থাকি, তোমার নাম নিয়ে মারা যাব, আর তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে।

    Narrated AbuHurayrah: The Prophet (ﷺ) used to say in the morning: "O Allah, by Thee we come to the morning, by Thee we come to the evening, by Thee are we resurrected." In the evening he would say: "O Allah, by Thee we come to the evening, by Thee we die, and to Thee are we resurrected."

    🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿

    গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ)
    অধ্যায়ঃ ৩৭/ নিদ্রা সম্পর্কীয় (كتاب النوم)
    হাদিস নম্বরঃ ৪৯৮৪
    হাদিসের মানঃ সহিহ্
    #Al_Hadith
    👉সকাল ও সন্ধ্যা বেলা কোন দু'আ পড়বে- সে সস্পর্কে। মূসা ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি সকাল বেলা এ দু'আ পড়তেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নাম নিয়ে সকালে উপনীত হলাম এবং সন্ধ্যায় পৌছবো। আমি তোমার নাম নিয়ে জীবিত থাকি এবং তোমার নাম নিয়ে মারা যাব, আর তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে। আর তিনি সন্ধ্যার সময় বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ্‌! আমি তোমার নাম নিয়ে সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি, তোমার নাম নিয়ে বেঁচে থাকি, তোমার নাম নিয়ে মারা যাব, আর তোমার কাছেই ফিরে যেতে হবে। Narrated AbuHurayrah: The Prophet (ﷺ) used to say in the morning: "O Allah, by Thee we come to the morning, by Thee we come to the evening, by Thee are we resurrected." In the evening he would say: "O Allah, by Thee we come to the evening, by Thee we die, and to Thee are we resurrected." 🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿🍂🌼🌿 গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইফাঃ) অধ্যায়ঃ ৩৭/ নিদ্রা সম্পর্কীয় (كتاب النوم) হাদিস নম্বরঃ ৪৯৮৪ হাদিসের মানঃ সহিহ্ #Al_Hadith
    3
    0 Comments 1 Shares
  • 👉🏻Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

    তুমি কখনো সেখানে দাড়াবে না, তবে যে মসজিদের ভিত্তি রাখা হয়েছে তাকওয়ার উপর প্রথম দিন থেকে, সেটিই তোমার দাঁড়াবার যোগ্য স্থান। সেখানে রয়েছে এমন লোক, যারা পবিত্রতাকে ভালবাসে। আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন।

    Do not stand [for prayer] within it - ever. A mosque founded on righteousness from the first day is more worthy for you to stand in. Within it are men who love to purify themselves; and Allah loves those who purify themselves.

    🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹

    👉🏻 সূরাঃ আত-তাওবাহ, আয়াতঃ ১০৮
    #Al_Quran
    👉🏻Allah Subhanahu Wa Ta'ala said: তুমি কখনো সেখানে দাড়াবে না, তবে যে মসজিদের ভিত্তি রাখা হয়েছে তাকওয়ার উপর প্রথম দিন থেকে, সেটিই তোমার দাঁড়াবার যোগ্য স্থান। সেখানে রয়েছে এমন লোক, যারা পবিত্রতাকে ভালবাসে। আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন। Do not stand [for prayer] within it - ever. A mosque founded on righteousness from the first day is more worthy for you to stand in. Within it are men who love to purify themselves; and Allah loves those who purify themselves. 🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹 👉🏻 সূরাঃ আত-তাওবাহ, আয়াতঃ ১০৮ #Al_Quran
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 👉🏻Allah Subhanahu Wa Ta'ala said:

    তুমি কখনো সেখানে দাড়াবে না, তবে যে মসজিদের ভিত্তি রাখা হয়েছে তাকওয়ার উপর প্রথম দিন থেকে, সেটিই তোমার দাঁড়াবার যোগ্য স্থান। সেখানে রয়েছে এমন লোক, যারা পবিত্রতাকে ভালবাসে। আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন।

    Do not stand [for prayer] within it - ever. A mosque founded on righteousness from the first day is more worthy for you to stand in. Within it are men who love to purify themselves; and Allah loves those who purify themselves.

    🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹

    👉🏻 সূরাঃ আত-তাওবাহ, আয়াতঃ ১০৮
    #Al_Quran
    👉🏻Allah Subhanahu Wa Ta'ala said: তুমি কখনো সেখানে দাড়াবে না, তবে যে মসজিদের ভিত্তি রাখা হয়েছে তাকওয়ার উপর প্রথম দিন থেকে, সেটিই তোমার দাঁড়াবার যোগ্য স্থান। সেখানে রয়েছে এমন লোক, যারা পবিত্রতাকে ভালবাসে। আর আল্লাহ পবিত্র লোকদের ভালবাসেন। Do not stand [for prayer] within it - ever. A mosque founded on righteousness from the first day is more worthy for you to stand in. Within it are men who love to purify themselves; and Allah loves those who purify themselves. 🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹🌨️🌹 👉🏻 সূরাঃ আত-তাওবাহ, আয়াতঃ ১০৮ #Al_Quran
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • ফিলিপাইনে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ছিল
    তার কাছে খৃষ্টান বাচ্ছা & অনেক ফ্যামিলি
    খৃষ্টান ধর্মীয় শিক্ষা নিতে আসতো।

    খৃষ্টান পাদ্রী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে
    & তিনি তার ভক্তদেরো ইসলাম ধর্মের দাওয়াত দিয়ে
    সবাইকে ইসলাম ধর্মে নিয়ে আসে।
    খৃষ্টান ধর্মীয় স্থাপনাটা অবশেষে মসজিদে রুপান্তর হলো।
    আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।
    ফিলিপাইনে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ছিল তার কাছে খৃষ্টান বাচ্ছা & অনেক ফ্যামিলি খৃষ্টান ধর্মীয় শিক্ষা নিতে আসতো। খৃষ্টান পাদ্রী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে & তিনি তার ভক্তদেরো ইসলাম ধর্মের দাওয়াত দিয়ে সবাইকে ইসলাম ধর্মে নিয়ে আসে। খৃষ্টান ধর্মীয় স্থাপনাটা অবশেষে মসজিদে রুপান্তর হলো। আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।
    4
    0 Comments 0 Shares
  • Rent A Car In Pollobi Mirpur
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    1 Comments 0 Shares
  • 👉🏻 ইতিকাফে ইচ্ছুক ব্যক্তি কখন ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করবে

    ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফ করার ইচ্ছা করলে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায়ের পর ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করতেন। একবার তিনি (মসজিদের অভ্যন্তরে) তাঁবু খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তদানুযায়ী তা খাটানো হল। তিনি রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করার সংকল্প করলেন। উম্মুল মু'মিনীন যায়নাব (রাযিঃ)-ও তার তাবু খাটিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অপরাপর স্ত্রীগণও নিজ নিজ তাঁবুগুলো খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হল। ফজরের সালাত শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকিয়ে তাঁবুগুলো খুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন এবং তা তুলে ফেলা হল। তিনি রমযানের ইতিকাফ ভঙ্গ করলেন এবং শাওওয়াল মাসের প্রথম দশকে কাযা করলেন।*
    🟩(ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৫২, ইসলামীক সেন্টার ২৬৫১)

    'A'isha (Allah be pleased with her) reported that when the Messenger of Allah (ﷺ) decided to observe i'tikaf, he prayed in the morning and then went to the place of his i'tikaf, and he commanded that a tent should be pitched for him, and it was pitched. He (once) decided to observe i'tikaf in the last ten days of Ramadan. Zainab (the wife of the Holy Prophet) commanded that a tent should be pitched for her. It was pitched accordingly. And some other wives of Allah's Apostle (ﷺ) commanded that tents should be pitched for them too. And they were pitched. When the Messenger of Allah (may peace he upon him) offered the morning prayer, he looked and found (so many) tents. Thereupon he said: What is this virtue that these (ladies) have decided to acquire? He commanded his tent to be struck and abandoned i'tikaf in the month of Ramadan and postponed it to the first ten days of Shawwal.

    রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেয়াল করলেন, এতে স্ত্রীদের অহংকার এসে গিয়েছিল এবং তাদের মধ্যে ইতিকাফ করার মর্যাদা লোপ পায়, তারা বরং অন্যের দেখাদেখি ইতিকাফ করতে তাবু খাটায়। ফলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে ইতিকাফ স্থগিত করে তার পরিবর্তে শাওওয়াল মাসে ইতিকাফ পূর্ণ করেন।

    🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇

    গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
    অধ্যায়ঃ ১৫। ই’তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
    হাদিস নম্বরঃ ২৬৭৫
    হাদিসের মানঃ সহিহ্
    #Al_Hadith
    👉🏻 ইতিকাফে ইচ্ছুক ব্যক্তি কখন ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করবে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফ করার ইচ্ছা করলে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায়ের পর ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করতেন। একবার তিনি (মসজিদের অভ্যন্তরে) তাঁবু খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তদানুযায়ী তা খাটানো হল। তিনি রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করার সংকল্প করলেন। উম্মুল মু'মিনীন যায়নাব (রাযিঃ)-ও তার তাবু খাটিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অপরাপর স্ত্রীগণও নিজ নিজ তাঁবুগুলো খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হল। ফজরের সালাত শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকিয়ে তাঁবুগুলো খুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন এবং তা তুলে ফেলা হল। তিনি রমযানের ইতিকাফ ভঙ্গ করলেন এবং শাওওয়াল মাসের প্রথম দশকে কাযা করলেন।* 🟩(ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৫২, ইসলামীক সেন্টার ২৬৫১) 'A'isha (Allah be pleased with her) reported that when the Messenger of Allah (ﷺ) decided to observe i'tikaf, he prayed in the morning and then went to the place of his i'tikaf, and he commanded that a tent should be pitched for him, and it was pitched. He (once) decided to observe i'tikaf in the last ten days of Ramadan. Zainab (the wife of the Holy Prophet) commanded that a tent should be pitched for her. It was pitched accordingly. And some other wives of Allah's Apostle (ﷺ) commanded that tents should be pitched for them too. And they were pitched. When the Messenger of Allah (may peace he upon him) offered the morning prayer, he looked and found (so many) tents. Thereupon he said: What is this virtue that these (ladies) have decided to acquire? He commanded his tent to be struck and abandoned i'tikaf in the month of Ramadan and postponed it to the first ten days of Shawwal. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেয়াল করলেন, এতে স্ত্রীদের অহংকার এসে গিয়েছিল এবং তাদের মধ্যে ইতিকাফ করার মর্যাদা লোপ পায়, তারা বরং অন্যের দেখাদেখি ইতিকাফ করতে তাবু খাটায়। ফলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে ইতিকাফ স্থগিত করে তার পরিবর্তে শাওওয়াল মাসে ইতিকাফ পূর্ণ করেন। 🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇 গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী) অধ্যায়ঃ ১৫। ই’তিকাফ (كتاب الاعتكاف) হাদিস নম্বরঃ ২৬৭৫ হাদিসের মানঃ সহিহ্ #Al_Hadith
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 👉🏻 ইতিকাফে ইচ্ছুক ব্যক্তি কখন ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করবে

    ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফ করার ইচ্ছা করলে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায়ের পর ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করতেন। একবার তিনি (মসজিদের অভ্যন্তরে) তাঁবু খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তদানুযায়ী তা খাটানো হল। তিনি রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করার সংকল্প করলেন। উম্মুল মু'মিনীন যায়নাব (রাযিঃ)-ও তার তাবু খাটিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অপরাপর স্ত্রীগণও নিজ নিজ তাঁবুগুলো খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হল। ফজরের সালাত শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকিয়ে তাঁবুগুলো খুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন এবং তা তুলে ফেলা হল। তিনি রমযানের ইতিকাফ ভঙ্গ করলেন এবং শাওওয়াল মাসের প্রথম দশকে কাযা করলেন।*
    🟩(ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৫২, ইসলামীক সেন্টার ২৬৫১)

    'A'isha (Allah be pleased with her) reported that when the Messenger of Allah (ﷺ) decided to observe i'tikaf, he prayed in the morning and then went to the place of his i'tikaf, and he commanded that a tent should be pitched for him, and it was pitched. He (once) decided to observe i'tikaf in the last ten days of Ramadan. Zainab (the wife of the Holy Prophet) commanded that a tent should be pitched for her. It was pitched accordingly. And some other wives of Allah's Apostle (ﷺ) commanded that tents should be pitched for them too. And they were pitched. When the Messenger of Allah (may peace he upon him) offered the morning prayer, he looked and found (so many) tents. Thereupon he said: What is this virtue that these (ladies) have decided to acquire? He commanded his tent to be struck and abandoned i'tikaf in the month of Ramadan and postponed it to the first ten days of Shawwal.

    রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেয়াল করলেন, এতে স্ত্রীদের অহংকার এসে গিয়েছিল এবং তাদের মধ্যে ইতিকাফ করার মর্যাদা লোপ পায়, তারা বরং অন্যের দেখাদেখি ইতিকাফ করতে তাবু খাটায়। ফলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে ইতিকাফ স্থগিত করে তার পরিবর্তে শাওওয়াল মাসে ইতিকাফ পূর্ণ করেন।

    🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇

    গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী)
    অধ্যায়ঃ ১৫। ই’তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
    হাদিস নম্বরঃ ২৬৭৫
    হাদিসের মানঃ সহিহ্
    #Al_Hadith
    👉🏻 ইতিকাফে ইচ্ছুক ব্যক্তি কখন ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করবে ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফ করার ইচ্ছা করলে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায়ের পর ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করতেন। একবার তিনি (মসজিদের অভ্যন্তরে) তাঁবু খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তদানুযায়ী তা খাটানো হল। তিনি রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করার সংকল্প করলেন। উম্মুল মু'মিনীন যায়নাব (রাযিঃ)-ও তার তাবু খাটিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অপরাপর স্ত্রীগণও নিজ নিজ তাঁবুগুলো খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হল। ফজরের সালাত শেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকিয়ে তাঁবুগুলো খুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন এবং তা তুলে ফেলা হল। তিনি রমযানের ইতিকাফ ভঙ্গ করলেন এবং শাওওয়াল মাসের প্রথম দশকে কাযা করলেন।* 🟩(ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৬৫২, ইসলামীক সেন্টার ২৬৫১) 'A'isha (Allah be pleased with her) reported that when the Messenger of Allah (ﷺ) decided to observe i'tikaf, he prayed in the morning and then went to the place of his i'tikaf, and he commanded that a tent should be pitched for him, and it was pitched. He (once) decided to observe i'tikaf in the last ten days of Ramadan. Zainab (the wife of the Holy Prophet) commanded that a tent should be pitched for her. It was pitched accordingly. And some other wives of Allah's Apostle (ﷺ) commanded that tents should be pitched for them too. And they were pitched. When the Messenger of Allah (may peace he upon him) offered the morning prayer, he looked and found (so many) tents. Thereupon he said: What is this virtue that these (ladies) have decided to acquire? He commanded his tent to be struck and abandoned i'tikaf in the month of Ramadan and postponed it to the first ten days of Shawwal. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেয়াল করলেন, এতে স্ত্রীদের অহংকার এসে গিয়েছিল এবং তাদের মধ্যে ইতিকাফ করার মর্যাদা লোপ পায়, তারা বরং অন্যের দেখাদেখি ইতিকাফ করতে তাবু খাটায়। ফলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে ইতিকাফ স্থগিত করে তার পরিবর্তে শাওওয়াল মাসে ইতিকাফ পূর্ণ করেন। 🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇🌿🍇 গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী) অধ্যায়ঃ ১৫। ই’তিকাফ (كتاب الاعتكاف) হাদিস নম্বরঃ ২৬৭৫ হাদিসের মানঃ সহিহ্ #Al_Hadith
    2
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়। অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না।
    🟨(সূরাঃ আল বাকারাহ, আয়াতঃ ৯)

    🟩English Translation: Fain would they deceive Allah and those who believe, but they only deceive themselves, and realise (it) not!
    #Al_Quran

    🌿🌾🌿🌾🌿🌾🌿🌾🌿
    তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়। অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না। 🟨(সূরাঃ আল বাকারাহ, আয়াতঃ ৯) 🟩English Translation: Fain would they deceive Allah and those who believe, but they only deceive themselves, and realise (it) not! #Al_Quran 🌿🌾🌿🌾🌿🌾🌿🌾🌿
    2
    0 Comments 0 Shares
  • তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়। অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না।
    🟨(সূরাঃ আল বাকারাহ, আয়াতঃ ৯)

    🟩English Translation: Fain would they deceive Allah and those who believe, but they only deceive themselves, and realise (it) not!
    #Al_Quran

    🌿🌾🌿🌾🌿🌾🌿🌾🌿
    তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়। অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না। 🟨(সূরাঃ আল বাকারাহ, আয়াতঃ ৯) 🟩English Translation: Fain would they deceive Allah and those who believe, but they only deceive themselves, and realise (it) not! #Al_Quran 🌿🌾🌿🌾🌿🌾🌿🌾🌿
    4
    0 Comments 0 Shares
  • আলহামদুলিল্লাহ..
    আগামী ১৫ই ডিসেম্বর থেকে আলাদীনের দুবাই অফিস এর নেতৃত্বে আলাদীন সোশ্যালের সকল কার্যক্রম ব্যাপক আকারে শুরু হতে যাচ্ছে..
    আলহামদুলিল্লাহ.. আগামী ১৫ই ডিসেম্বর থেকে আলাদীনের দুবাই অফিস এর নেতৃত্বে আলাদীন সোশ্যালের সকল কার্যক্রম ব্যাপক আকারে শুরু হতে যাচ্ছে..
    12
    1 Comments 0 Shares
  • 👉পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত

    নাওয়াস ইবনে সাম‘আন রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, “কুরআন ও ইহজগতে তার উপর আমলকারীদেরকে (বিচারের দিন মহান আল্লাহর সামনে) পেশ করা হবে। সূরা বাকারাহ ও সূরা আলে ইমরান তার আগে আগে থাকবে এবং তাদের পাঠকারীদের স্বপক্ষে (প্রভুর সঙ্গে) বাদানুবাদে লিপ্ত হবে।
    ⬛(মুসলিম)

    👉The Excellence of Reciting the Qur'an

    An-Nawwas bin Sam'an (May Allah be pleased with him) reported: I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying, "The Qur'an and its people who applied it, will be brought on the Day of Resurrection preceded with Surat Al-Baqarah and Surat Al-'Imran arguing on behalf of those who applied them."
    🟧[Muslim].

    🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼

    গ্রন্থঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন
    অধ্যায়ঃ ৮/ বিভিন্ন নেক আমলের ফযীলত প্রসঙ্গে (كتاب الفضائل)
    হাদিস নম্বরঃ ৯৯৯
    মুসলিম ৮০৫, তিরমিযী ২৮৮৩, আহমাদ ১৭১৮৫
    হাদিসের মানঃ সহিহ্
    #Al_Hadith
    👉পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত নাওয়াস ইবনে সাম‘আন রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, “কুরআন ও ইহজগতে তার উপর আমলকারীদেরকে (বিচারের দিন মহান আল্লাহর সামনে) পেশ করা হবে। সূরা বাকারাহ ও সূরা আলে ইমরান তার আগে আগে থাকবে এবং তাদের পাঠকারীদের স্বপক্ষে (প্রভুর সঙ্গে) বাদানুবাদে লিপ্ত হবে। ⬛(মুসলিম) 👉The Excellence of Reciting the Qur'an An-Nawwas bin Sam'an (May Allah be pleased with him) reported: I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying, "The Qur'an and its people who applied it, will be brought on the Day of Resurrection preceded with Surat Al-Baqarah and Surat Al-'Imran arguing on behalf of those who applied them." 🟧[Muslim]. 🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼 গ্রন্থঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন অধ্যায়ঃ ৮/ বিভিন্ন নেক আমলের ফযীলত প্রসঙ্গে (كتاب الفضائل) হাদিস নম্বরঃ ৯৯৯ মুসলিম ৮০৫, তিরমিযী ২৮৮৩, আহমাদ ১৭১৮৫ হাদিসের মানঃ সহিহ্ #Al_Hadith
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 👉পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত

    নাওয়াস ইবনে সাম‘আন রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, “কুরআন ও ইহজগতে তার উপর আমলকারীদেরকে (বিচারের দিন মহান আল্লাহর সামনে) পেশ করা হবে। সূরা বাকারাহ ও সূরা আলে ইমরান তার আগে আগে থাকবে এবং তাদের পাঠকারীদের স্বপক্ষে (প্রভুর সঙ্গে) বাদানুবাদে লিপ্ত হবে।
    ⬛(মুসলিম)

    👉The Excellence of Reciting the Qur'an

    An-Nawwas bin Sam'an (May Allah be pleased with him) reported: I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying, "The Qur'an and its people who applied it, will be brought on the Day of Resurrection preceded with Surat Al-Baqarah and Surat Al-'Imran arguing on behalf of those who applied them."
    🟧[Muslim].

    🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼

    গ্রন্থঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন
    অধ্যায়ঃ ৮/ বিভিন্ন নেক আমলের ফযীলত প্রসঙ্গে (كتاب الفضائل)
    হাদিস নম্বরঃ ৯৯৯
    মুসলিম ৮০৫, তিরমিযী ২৮৮৩, আহমাদ ১৭১৮৫
    হাদিসের মানঃ সহিহ্
    #Al_Hadith
    👉পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত নাওয়াস ইবনে সাম‘আন রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, “কুরআন ও ইহজগতে তার উপর আমলকারীদেরকে (বিচারের দিন মহান আল্লাহর সামনে) পেশ করা হবে। সূরা বাকারাহ ও সূরা আলে ইমরান তার আগে আগে থাকবে এবং তাদের পাঠকারীদের স্বপক্ষে (প্রভুর সঙ্গে) বাদানুবাদে লিপ্ত হবে। ⬛(মুসলিম) 👉The Excellence of Reciting the Qur'an An-Nawwas bin Sam'an (May Allah be pleased with him) reported: I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying, "The Qur'an and its people who applied it, will be brought on the Day of Resurrection preceded with Surat Al-Baqarah and Surat Al-'Imran arguing on behalf of those who applied them." 🟧[Muslim]. 🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼🍂🌼 গ্রন্থঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন অধ্যায়ঃ ৮/ বিভিন্ন নেক আমলের ফযীলত প্রসঙ্গে (كتاب الفضائل) হাদিস নম্বরঃ ৯৯৯ মুসলিম ৮০৫, তিরমিযী ২৮৮৩, আহমাদ ১৭১৮৫ হাদিসের মানঃ সহিহ্ #Al_Hadith
    3
    0 Comments 0 Shares
Directory
Gold Member