• সকালে বেচাকেনা না করে কাউকে বাকি দিলে কিংবা সন্ধ্যায় কাউকে বাকি দিলে ব্যাবসায় অমঙ্গল হয় এই ধারনা করা শিরক!
    (আবুদাঊদ ৩৯১০)
    সকালে বেচাকেনা না করে কাউকে বাকি দিলে কিংবা সন্ধ্যায় কাউকে বাকি দিলে ব্যাবসায় অমঙ্গল হয় এই ধারনা করা শিরক! (আবুদাঊদ ৩৯১০)
    0 Comments 0 Shares
  • নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক অন্যায়ভাবে কারো ভূমির সামান্যতম অংশও আত্মসাৎ করবে, কিয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের নীচে তাকে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে।

    ________🏵️🥀🏵️_________
    -(সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩১৯৬)
    নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে লোক অন্যায়ভাবে কারো ভূমির সামান্যতম অংশও আত্মসাৎ করবে, কিয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের নীচে তাকে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। ________🏵️🥀🏵️_________ -(সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩১৯৬)
    0 Comments 0 Shares
  • "হে মু'মিনগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, এবং সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্ৰতা ও মহিমা ঘোষণা কর।"

    --[সূরা আহযাব ৩৩, আয়াত ৪১-৪২]
    "হে মু'মিনগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর, এবং সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্ৰতা ও মহিমা ঘোষণা কর।" --[সূরা আহযাব ৩৩, আয়াত ৪১-৪২]
    0 Comments 0 Shares
  • ধ্বংস হবে ও তা মানুষের জন্য রেখে যাবে”।

    📚[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৯৫৯।]
    ধ্বংস হবে ও তা মানুষের জন্য রেখে যাবে”। 📚[সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৯৫৯।]
    1
    0 Comments 0 Shares
  • নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।( সূরা আয্ - যুমার, আয়াত: ৫৩ )
    নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।( সূরা আয্ - যুমার, আয়াত: ৫৩ )
    1
    0 Comments 0 Shares
  • অাকাশের দিকে তাকায়ে নিজের
    কষ্টগুলো আল্লাহর কাছে বলা

    সুন্নত।।।

    মুসলিম - ২৫৩১
    অাকাশের দিকে তাকায়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহর কাছে বলা সুন্নত।।। মুসলিম - ২৫৩১
    0 Comments 0 Shares
  • তেত্রিশ কোটি দেব দেবীর আসল রহস্য ফাঁস ! আল্লামা লুৎফুর রহমান ওয়াজ

    https://youtu.be/gV6FaLT6jzA
    তেত্রিশ কোটি দেব দেবীর আসল রহস্য ফাঁস ! আল্লামা লুৎফুর রহমান ওয়াজ https://youtu.be/gV6FaLT6jzA
    1
    1 Comments 0 Shares
  • গেটস দ্য স্পিন বোল্ডাক গেট আফগান সময় সকাল সাড়ে আট টায় খোলে এবং রাত সাড়ে ১০ টায় বন্ধ হয়। দ্রষ্টব্য: আইডি কার্ড ছাড়া কেউ পাকিস্তানে প্রবেশ করতে পারে না, তাই যাদের কাছে আইডি কার্ড নেই তারা যেন আসার চেষ্টা না করে।
    গেটস দ্য স্পিন বোল্ডাক গেট আফগান সময় সকাল সাড়ে আট টায় খোলে এবং রাত সাড়ে ১০ টায় বন্ধ হয়। দ্রষ্টব্য: আইডি কার্ড ছাড়া কেউ পাকিস্তানে প্রবেশ করতে পারে না, তাই যাদের কাছে আইডি কার্ড নেই তারা যেন আসার চেষ্টা না করে।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • আপনি ধৈর্য ধরুন,
    যতক্ষণ না আল্লাহ বিচার করেন।

    সূরা ইউনুসঃ১০৯
    আপনি ধৈর্য ধরুন, যতক্ষণ না আল্লাহ বিচার করেন। সূরা ইউনুসঃ১০৯
    0 Comments 0 Shares
  • নিশ্চয়ই তাদের উপর শয়তানের কোনো শক্তি নেই যারা ঈমান আনে এবং স্বীয় প্রতিপালকের উপর ভরসা করে।

    (সূরা আন -নাহল :৯৯)
    নিশ্চয়ই তাদের উপর শয়তানের কোনো শক্তি নেই যারা ঈমান আনে এবং স্বীয় প্রতিপালকের উপর ভরসা করে। (সূরা আন -নাহল :৯৯)
    0 Comments 0 Shares
  • আলহামদুলিল্লাহ
    আলহামদুলিল্লাহ
    1
    0 Comments 0 Shares
  • সূরা আল মুজাম্মিল (المزّمّل), আয়াত: ৬

    إِنَّ نَاشِئَةَ ٱلَّيْلِ هِىَ أَشَدُّ وَطْـًٔا وَأَقْوَمُ قِيلًا

    উচ্চারণঃ ইন্না না-শিআতাল্লাইলি হিয়া আশাদ্দুওয়াত‘আওঁ ওয়া আকওয়ামুকীলা-।

    অর্থঃ নিশ্চয় এবাদতের জন্যে রাত্রিতে উঠা প্রবৃত্তি দলনে সহায়ক এবং স্পষ্ট উচ্চারণের অনুকূল।
    সূরা আল মুজাম্মিল (المزّمّل), আয়াত: ৬ إِنَّ نَاشِئَةَ ٱلَّيْلِ هِىَ أَشَدُّ وَطْـًٔا وَأَقْوَمُ قِيلًا উচ্চারণঃ ইন্না না-শিআতাল্লাইলি হিয়া আশাদ্দুওয়াত‘আওঁ ওয়া আকওয়ামুকীলা-। অর্থঃ নিশ্চয় এবাদতের জন্যে রাত্রিতে উঠা প্রবৃত্তি দলনে সহায়ক এবং স্পষ্ট উচ্চারণের অনুকূল।
    0 Comments 0 Shares
  • শোক সংবাদ,৪,৮,২০২১ বুধবার রাতে,লতুয়ামুড়া পশ্চিম পাড়া,কসবা,মোঃ আঃ কাইউম হুজুর, চলে গেলেন না ফেরার দেশে, ওনি আমার ছোট কালের উস্তাদ ছিলেন,আমাকে খুব আদর করতেন, আল্লাহ তায়ালা ওনাকে জান্নাত দান করুন,মরহুমের জানাযার নামায আজ বাদ যোহর চন্ডিদ্বার ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হইবে।
    শোক সংবাদ,৪,৮,২০২১ বুধবার রাতে,লতুয়ামুড়া পশ্চিম পাড়া,কসবা,মোঃ আঃ কাইউম হুজুর, চলে গেলেন না ফেরার দেশে, ওনি আমার ছোট কালের উস্তাদ ছিলেন,আমাকে খুব আদর করতেন, আল্লাহ তায়ালা ওনাকে জান্নাত দান করুন,মরহুমের জানাযার নামায আজ বাদ যোহর চন্ডিদ্বার ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হইবে।
    2
    0 Comments 0 Shares
  • রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন,
    যে কেউ ইচ্ছে করে আমার উপর মিথ্যারোপ করল, জাহান্নামে সে তার স্থান করে নিল.।
    [বুখারীঃ ৩৪৬১]
    রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে কেউ ইচ্ছে করে আমার উপর মিথ্যারোপ করল, জাহান্নামে সে তার স্থান করে নিল.। [বুখারীঃ ৩৪৬১]
    1
    0 Comments 0 Shares
  • বিপদের সময় সূরা ফালাক্ক পড়া সুন্নাত।

    (মিসকাতুল মাসাবীহঃ ২১৬৪)
    বিপদের সময় সূরা ফালাক্ক পড়া সুন্নাত। (মিসকাতুল মাসাবীহঃ ২১৬৪)
    2
    0 Comments 0 Shares
  • একশ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করার উদ্দেশে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং উহাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। এদের জন্য রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি।

    সূরা লোকমান
    আয়াত ৬
    একশ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করার উদ্দেশে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং উহাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। এদের জন্য রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি। সূরা লোকমান আয়াত ৬
    1
    0 Comments 0 Shares
  • ~আপনার ভবিষ্যৎ আপনার অতীতের চেয়ে ভালো হবে!🥀

    -[সূরা আদ-দোহা:০৪]🌸
    ~আপনার ভবিষ্যৎ আপনার অতীতের চেয়ে ভালো হবে!🥀 -[সূরা আদ-দোহা:০৪]🌸
    1
    0 Comments 0 Shares
  • কবর থেকে বেশি ভয়ংকর জায়গা আমি কখনো দেখিনি।
    হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
    (তিরমিজি-২৩০৮)
    কবর থেকে বেশি ভয়ংকর জায়গা আমি কখনো দেখিনি। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) (তিরমিজি-২৩০৮)
    1
    0 Comments 0 Shares
  • জান্নাতের সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে-দীদারে এলাহি
    অর্থাৎ আল্লাহ্ কে স্বচক্ষে দেখা।

    (সূরা-ইয়াসিন:৫৮)?
    জান্নাতের সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে-দীদারে এলাহি অর্থাৎ আল্লাহ্ কে স্বচক্ষে দেখা। (সূরা-ইয়াসিন:৫৮)?
    2
    0 Comments 0 Shares
  • মুসলিম সমাজে যারা অশ্লীলতা ছড়িয়ে বেড়ায়, পরকালীন শাস্তির পাশাপাশি দুনিয়াতেও তাদের লাঞ্ছিত হতে হয়।

    সুরা নূর- ১৯
    মুসলিম সমাজে যারা অশ্লীলতা ছড়িয়ে বেড়ায়, পরকালীন শাস্তির পাশাপাশি দুনিয়াতেও তাদের লাঞ্ছিত হতে হয়। সুরা নূর- ১৯
    0 Comments 0 Shares
  • যিনি সৃষ্টি করেছেন সাত আসমান- একটির উপর আরেকটি। তোমরা মহা দয়াময়ের সৃষ্টিকার্যে কোনরূপ অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তোমরা আবার দৃষ্টি ফিরিয়ে দেখ, কোন দোষ-ত্রুটি দেখতে পাও কি?

    সূরা মুলক _ ৩
    যিনি সৃষ্টি করেছেন সাত আসমান- একটির উপর আরেকটি। তোমরা মহা দয়াময়ের সৃষ্টিকার্যে কোনরূপ অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। তোমরা আবার দৃষ্টি ফিরিয়ে দেখ, কোন দোষ-ত্রুটি দেখতে পাও কি? সূরা মুলক _ ৩
    1
    0 Comments 0 Shares
  • তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ‘ইবাদত কর।
    —আল হিজর - ৯৯
    তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ‘ইবাদত কর। —আল হিজর - ৯৯
    1
    0 Comments 0 Shares
  • "অচিরেই আমি তাদেরকে ধীরেধীরে এমনভাবে পাকরাও করবো যে,তারা জানতেও পারবে না"

    __সুরা-আল আরাফ_১৮২__
    "অচিরেই আমি তাদেরকে ধীরেধীরে এমনভাবে পাকরাও করবো যে,তারা জানতেও পারবে না" __সুরা-আল আরাফ_১৮২__
    1
    0 Comments 0 Shares
  • রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
    ‘যে ব্যক্তি ছক্কা-পাঞ্জা খেলে সে যেন শূকরের গোশত ও রক্তে স্বীয় হাত রঞ্জিত করে’।
    [মুসলিমঃ ২২৬০]
    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি ছক্কা-পাঞ্জা খেলে সে যেন শূকরের গোশত ও রক্তে স্বীয় হাত রঞ্জিত করে’। [মুসলিমঃ ২২৬০]
    1
    0 Comments 0 Shares
  • This exclusive Uno A Cero Las Vegas shirt is only available for a limited time. Buy now & receive discounted shipping when you buy 2 or more… #LasVegas #UnoACero #Soccer #GoldCup #USAChampion2021 #USAChampion Shop Now: https://teechip.com/uno-a-cero-t-shirt
    This exclusive Uno A Cero Las Vegas shirt is only available for a limited time. Buy now & receive discounted shipping when you buy 2 or more… #LasVegas #UnoACero #Soccer #GoldCup #USAChampion2021 #USAChampion Shop Now: https://teechip.com/uno-a-cero-t-shirt
    TEECHIP.COM
    Uno A Cero T Shirt
    Uno A Cero T Shirt shirts, apparel, posters are available at TeeChip.
    1 Comments 0 Shares
  • সূরা কাহাফে লুকানো রহস্য ও দাজ্জাল!👿
    কখনো ভেবে দেখেছেন কি কেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের প্রতি জুমু’আর দিন সূরা কাহাফ পাঠ করতে বলেছেন? আসুন জানার চেষ্টা করি,
    :
    :
    এই সূরাটিতে মোট চারটি শিক্ষণীয় ঘটনা আছে, প্রতিটি ঘটনাতেই আছে বুদ্ধিমান লোকদের জন্য উপদেশ। আসুন সেই ঘটনাগুলো ও তার শিক্ষাগুলো কি জানার চেষ্টা করিঃ
    .
    ১) গুহাবাসী যুবকদের ঘটনাঃ সূরার শুরুতেই সেই গুহাবাসী যুবকদের ঘটনার বর্ণণা দেয়া হয়েছে যারা এমন একটি জনপদে বসবাস করত যার অধিবাসীরা ছিল অবিশ্বাসী ও সীমালংঘনকারী। কাজেই যুবকেরা সেই নষ্ট সমাজের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নিলেন, ‘এদের সাথে আর নয়’। তারা আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও আল্লাহর দীনের প্রতি ভালোবাসা থেকে উজ্জিবীত হয়ে সেখান থেকে হিজরত করলেন। আল্লাহ তাদেরকে গুহাতে আশ্রয় দিলেন এবং সূর্যালোক থেকে নিরাপদে রাখলেন। বহু বছর পর যখন তাদের ঘুম ভাঙ্গলো তাঁরা দেখলেন সেই জনপদের অবিশ্বাসী লোকেরা বিদায় নিয়েছে এবং ভালো লোকদের দ্বারা মন্দ লোকেরা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
    :
    :
    শিক্ষাঃ ঈমানের উপর পরীক্ষা।
    _______
    .
    ২) দুইটি বাগানের মালিক ব্যক্তির ঘটনাঃ একজন লোক যাকে আল্লাহ দুইটি প্রাচুর্যময় সুন্দর বাগান দিয়ে ধন্য করেছিলেন, কিন্তু লোকটি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে ভুলে গেল এমনকি পরকালের অস্তিত্ব সম্পর্কে আল্লাহর ওয়াদার উপর সন্দেহ পোষণ করল। কাজেই, এই অকৃতজ্ঞ লোকটির বাগানকে আল্লাহ তায়ালা বিরান করে দিলেন-সে অনুতপ্ত হল, কিন্তু ইতোমধ্যে অনেক দেরি হয়ে গেছে এবং তার এই অসময়ের অনুশোচনা তার কোন উপকারে আসল না।
    :
    :
    শিক্ষাঃ সম্পদের উপর পরীক্ষা।
    _______
    .
    ৩) খিজির ও মুসা আলাইহি সালাম এর ঘটনাঃ যখন মূসা আলাইহি সালামের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, “এই পৃথিবীতে সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তি কে?” তিনি উত্তর করেছিলেন, “আমি”…কিন্তু আল্লাহ তাঁর কাছে উন্মোচন করে দিলেন যে, এমন এক ব্যক্তি আছেন যাকে আল্লাহ তাঁর চেয়েও বেশি জ্ঞান দান করেছেন। মুসা আলাইহি সালাম সেই ব্যক্তির সাথে ভ্রমণ করলেন এবং দেখলেন, শিখলেন কিভাবে অনেক সময় আল্লাহ তাঁর অসীম জ্ঞানের কারণে এমন অনেক ঘটনা ঘটান যেগুলো আমাদের চোখে খারাপ বলে মনে হয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেগুলো মানুষের ভালোর জন্যেই করা হয়।
    :
    :
    শিক্ষাঃ জ্ঞানের উপর পরীক্ষা।
    _______
    .
    ৪) যুলকারনাইনঃ এটা সেই ক্ষমতাধর বাদশাহর ঘটনা যাকে একই সাথে জ্ঞান এবং ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছিল এবং তিনি সেই উভয় দানের শুকরিয়াস্বরুপ মানুষের উপকারে এবং কল্যাণে তা ব্যয় করতেন। তিনি জনপদের লোকদের ইয়াজুজ মাজুজ এর সমস্যার সমাধান করে দিলেন এবং একটি বিশাল প্রাচীর নির্মাণ করে দিলেন।
    :
    :
    শিক্ষাঃ ক্ষমতার উপর পরীক্ষা।
    _______________
    :
    :
    সূরাটির মাঝামাঝি আল্লাহ স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন ইবলিসের কথা যে এই পরীক্ষাগুলোকে আরও কঠিন করে দেয়–
    .
    .
    وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ كَانَ مِنَ الْجِنِّ فَفَسَقَ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِ أَفَتَتَّخِذُونَهُ وَذُرِّيَّتَهُ أَوْلِيَاءَ مِنْ دُونِي وَهُمْ لَكُمْ عَدُوٌّ بِئْسَ لِلظَّالِمِينَ بَدَلًا
    .
    .
    “যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললাম - ‘আদমকে সেজদা কর’, তখন সবাই সেজদা করল ইবলীস ব্যতীত। সে ছিল জিনদের একজন। সে তার পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল। অতএব তোমরা কি আমার পরিবর্তে তাকে এবং তার বংশধরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করছ? অথচ তারা তোমাদের শত্রু। এটা জালেমদের জন্যে খুবই নিকৃষ্ট বদল।”
    .
    ®(সূরা কাহাফ, আয়াত : ৫০)
    _______________
    :
    :
    আসুন, এবারে জেনে নেয়া যাক, সূরা কাহাফ এবং দাজ্জালের মধ্যে কিসের সম্পর্ক?
    .
    দাজ্জাল আবির্ভুত হবে শেষ সময়ে কিয়ামতের একটি বড় লক্ষণ হিসেবে, সে এই চারটি ফিতনা একত্রে নিয়ে আসবে–
    .
    ••► সে মানুষকে আদেশ করবে যেন আল্লাহকে বাদ দিয়ে তার ইবাদত করে - [ঈমানের উপর পরীক্ষা]
    .
    ••► তাকে বৃষ্টি বর্ষণ/ অনাবৃষ্টি সৃষ্টির ক্ষমতা দেয়া হবে এবং সে মানুষকে তার সম্পদ দিয়ে লোভ দেখাবে - [সম্পদের উপর পরীক্ষা]
    .
    ••► সে মানুষকে পরীক্ষায় ফেলে দিবে তার ‘জ্ঞান’ এবং নানারকম সংবাদ প্রদান করে - [জ্ঞানের উপর পরীক্ষা]
    .
    ••► সে পৃথিবীর এক বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করবে - [ক্ষমতার উপর পরীক্ষা]
    :
    :
    কিভাবে আমরা এই সকল ফিতনা থেকে বাঁচতে পারি? সূরা কাহাফেই আছে এর উত্তর -
    • ফিতনা হতে বাঁচার প্রথম উপায়ঃ সৎ সঙ্গ
    .
    “আপনি নিজেকে তাদের সংসর্গে আবদ্ধ রাখুন যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের পালনকর্তাকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আহবান করে এবং আপনি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবেন না। যার মনকে আমার স্মরণ থেকে গাফেল করে দিয়েছি, যে, নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে এবং যার কার্য কলাপ হচ্ছে সীমা অতিক্রম করা, আপনি তার অনুগত্য করবেন না।
    ®(সূরা কাহাফ, আয়াত : ২৮)
    :
    :
    • ফিতনা হতে বাঁচার দ্বিতীয় উপায়ঃ এই পার্থিব জীবনের বাস্তবতা উপলব্ধি করা
    .
    “তাদের কাছে পার্থিব জীবনের উপমা বর্ণনা করুন। তা পানির ন্যায়, যা আমি আকাশ থেকে নাযিল করি। অতঃপর এর সংমিশ্রণে শ্যামল সবুজ ভূমিজ লতা-পাতা নির্গত হয়; অতঃপর তা এমন শুস্ক চুর্ণ-বিচুর্ণ হয় যে, বাতাসে উড়ে যায়। আল্লাহ এ সবকিছুর উপর শক্তিমান।”
    ®(সূরা কাহাফ, আয়াত : ৪৫)
    :
    :
    • ফিতনা হতে বাঁচার তৃতীয় উপায়ঃ ধৈর্য্যশীল থাকা
    .
    “মূসা বললেনঃ আল্লাহ চাহেন তো আপনি আমাকে ধৈর্য্যশীল পাবেন এবং আমি আপনার কোন আদেশ অমান্য করব না”।
    ®(সূরা কাহাফ, আয়াত ৬৯)
    :
    :
    • ফিতনা হতে বাঁচার চতুর্থ উপায়ঃ সৎ কর্ম সম্পাদন
    .
    “বলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহই একমাত্র ইলাহ। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে শরীক না করে।.”
    ®(সূরা কাহাফ, আয়াত ১১০)
    :
    :
    • ফিতনা হতে বাঁচার পঞ্চম উপায়ঃ আল্লাহর দিকে আহবান
    .
    “আপনার প্রতি আপনার পালনকর্তার যে, কিতাব প্রত্যাদিষ্ট করা হয়েছে, তা পাঠ করুন। তাঁর বাক্য পরিবর্তন করার কেউ নাই। তাঁকে ব্যতীত আপনি কখনই কোন আশ্রয় স্থল পাবেন না।”
    ®(সূরা কাহাফ, আয়াত ২৭)
    :
    :
    • ফিতনা হতে বাঁচার ষষ্ঠ উপায়ঃ পরকালের স্মরণ
    .
    “যেদিন আমি পর্বতসমূহকে পরিচালনা করব এবং আপনি পৃথিবীকে দেখবেন একটি উম্মুক্ত প্রান্তর এবং আমি মানুষকে একত্রিত করব অতঃপর তাদের কাউকে ছাড়ব না। তারা আপনার পালনকর্তার সামনে পেশ হবে সারিবদ্ধ ভাবে এবং বলা হবেঃ তোমরা আমার কাছে এসে গেছ; যেমন তোমাদেরকে প্রথম বার সৃষ্টি করেছিলাম। না, তোমরা তো বলতে যে, আমি তোমাদের জন্যে কোন প্রতিশ্রুত সময় নির্দিষ্ট করব না। আর আমলনামা সামনে রাখা হবে। তাতে যা আছে; তার কারণে আপনি অপরাধীদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত দেখবেন। তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এ কেমন আমলনামা। এ যে ছোট বড় কোন কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে। তারা তাদের কৃতকর্মকে সামনে উপস্থিত পাবে। আপনার পালনকর্তা কারও প্রতি জুলুম করবেন না।”
    ®(সূরা কাহাফ, আয়াত ৪৭-৪৯)
    :
    :
    আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সবাইকে যেন সকল প্রকার ফিতনা হতে রক্ষা করেন। আমিন।
    :
    :
    পরিশিষ্টঃ
    ________
    .
    মুসনাদে আহমাদে রয়েছে যে – যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করে, তাকে দাজ্জালের ফিতনা হতে রক্ষা করা হয়; জামে তিরমিযীতে তিনটি আয়াতের বর্ণনা রয়েছে। সহীহ মুসলিমে শেষ দশটি আয়াতের বর্ণনা আছে। সুনান নাসায়ীতে সাধারণভাবে দশটি আয়াতের বর্ণনা রয়েছে। [ইবন কাসীর]
    :
    :
    আবুদ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, (তিনি বলেছেন) আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন - যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।
    ®(মুসলিম : ১৭৬০ ইফা)
    :
    :
    বারা ইবনে আযিব থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ এক ব্যক্তি ‘সূরা কাহাফ’ পড়েছিলো। সেই সময়ে তার কাছে মজবুত লম্বা দুটি রশি দিয়ে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল। এই সময় একখণ্ড মেঘ তার মাথার উপরে এসে হাজির হলো। মেঘ খণ্ডটি ঘুরছিলো এবং নিকটবর্তী হচ্ছিল। এ দেখে তার ঘোড়াটি ছুটে পালাচ্ছিল। সকাল বেলা সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে ঐ বিষয়টি বর্ণনা করলো। একথা শুনে তিনি বললেনঃ এটি ছিল (আল্লাহর তরফ থেকে) রহমত বা প্রশান্তি (সাকিনা) যা কুর’আন পাঠের কারণে নাযিল হয়েছিলো।
    ®(মুসলিম : ১৭৩৩ ইফা)
    :
    :
    আবদুল্লাহ ইবনে ‘আব্বাস থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেছেন); রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে যেভাবে কুর’আন মাজীদের সূরা শিখাতেন ঠিক তেমনিভাবে এই দুয়াটিও শিখাতেন। দুয়াটি হলঃ ‘আল্লাহুম্মা ইন্না না’উযুবিকা মিন আযাবি জাহান্নাম ওয়া আউযুবিকা মিন আযাবিল কাবর, ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জাল, ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতা”- হে আল্লাহ ! আমরা তোমার কাছে জাহান্নামের আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি তোমার কাছে জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই।
    ®(মুসলিম : ইফা ১২২০)
    জ্ঞাণ ছড়িয়ে পড়ুক সবার সাথে...শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে ইন-শা-আল্লাহ।
    ▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
    সূরা কাহাফে লুকানো রহস্য ও দাজ্জাল!👿 কখনো ভেবে দেখেছেন কি কেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের প্রতি জুমু’আর দিন সূরা কাহাফ পাঠ করতে বলেছেন? আসুন জানার চেষ্টা করি, : : এই সূরাটিতে মোট চারটি শিক্ষণীয় ঘটনা আছে, প্রতিটি ঘটনাতেই আছে বুদ্ধিমান লোকদের জন্য উপদেশ। আসুন সেই ঘটনাগুলো ও তার শিক্ষাগুলো কি জানার চেষ্টা করিঃ . ১) গুহাবাসী যুবকদের ঘটনাঃ সূরার শুরুতেই সেই গুহাবাসী যুবকদের ঘটনার বর্ণণা দেয়া হয়েছে যারা এমন একটি জনপদে বসবাস করত যার অধিবাসীরা ছিল অবিশ্বাসী ও সীমালংঘনকারী। কাজেই যুবকেরা সেই নষ্ট সমাজের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত নিলেন, ‘এদের সাথে আর নয়’। তারা আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও আল্লাহর দীনের প্রতি ভালোবাসা থেকে উজ্জিবীত হয়ে সেখান থেকে হিজরত করলেন। আল্লাহ তাদেরকে গুহাতে আশ্রয় দিলেন এবং সূর্যালোক থেকে নিরাপদে রাখলেন। বহু বছর পর যখন তাদের ঘুম ভাঙ্গলো তাঁরা দেখলেন সেই জনপদের অবিশ্বাসী লোকেরা বিদায় নিয়েছে এবং ভালো লোকদের দ্বারা মন্দ লোকেরা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। : : শিক্ষাঃ ঈমানের উপর পরীক্ষা। _______ . ২) দুইটি বাগানের মালিক ব্যক্তির ঘটনাঃ একজন লোক যাকে আল্লাহ দুইটি প্রাচুর্যময় সুন্দর বাগান দিয়ে ধন্য করেছিলেন, কিন্তু লোকটি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে ভুলে গেল এমনকি পরকালের অস্তিত্ব সম্পর্কে আল্লাহর ওয়াদার উপর সন্দেহ পোষণ করল। কাজেই, এই অকৃতজ্ঞ লোকটির বাগানকে আল্লাহ তায়ালা বিরান করে দিলেন-সে অনুতপ্ত হল, কিন্তু ইতোমধ্যে অনেক দেরি হয়ে গেছে এবং তার এই অসময়ের অনুশোচনা তার কোন উপকারে আসল না। : : শিক্ষাঃ সম্পদের উপর পরীক্ষা। _______ . ৩) খিজির ও মুসা আলাইহি সালাম এর ঘটনাঃ যখন মূসা আলাইহি সালামের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, “এই পৃথিবীতে সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তি কে?” তিনি উত্তর করেছিলেন, “আমি”…কিন্তু আল্লাহ তাঁর কাছে উন্মোচন করে দিলেন যে, এমন এক ব্যক্তি আছেন যাকে আল্লাহ তাঁর চেয়েও বেশি জ্ঞান দান করেছেন। মুসা আলাইহি সালাম সেই ব্যক্তির সাথে ভ্রমণ করলেন এবং দেখলেন, শিখলেন কিভাবে অনেক সময় আল্লাহ তাঁর অসীম জ্ঞানের কারণে এমন অনেক ঘটনা ঘটান যেগুলো আমাদের চোখে খারাপ বলে মনে হয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেগুলো মানুষের ভালোর জন্যেই করা হয়। : : শিক্ষাঃ জ্ঞানের উপর পরীক্ষা। _______ . ৪) যুলকারনাইনঃ এটা সেই ক্ষমতাধর বাদশাহর ঘটনা যাকে একই সাথে জ্ঞান এবং ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছিল এবং তিনি সেই উভয় দানের শুকরিয়াস্বরুপ মানুষের উপকারে এবং কল্যাণে তা ব্যয় করতেন। তিনি জনপদের লোকদের ইয়াজুজ মাজুজ এর সমস্যার সমাধান করে দিলেন এবং একটি বিশাল প্রাচীর নির্মাণ করে দিলেন। : : শিক্ষাঃ ক্ষমতার উপর পরীক্ষা। _______________ : : সূরাটির মাঝামাঝি আল্লাহ স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন ইবলিসের কথা যে এই পরীক্ষাগুলোকে আরও কঠিন করে দেয়– . . وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ كَانَ مِنَ الْجِنِّ فَفَسَقَ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِ أَفَتَتَّخِذُونَهُ وَذُرِّيَّتَهُ أَوْلِيَاءَ مِنْ دُونِي وَهُمْ لَكُمْ عَدُوٌّ بِئْسَ لِلظَّالِمِينَ بَدَلًا . . “যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললাম - ‘আদমকে সেজদা কর’, তখন সবাই সেজদা করল ইবলীস ব্যতীত। সে ছিল জিনদের একজন। সে তার পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল। অতএব তোমরা কি আমার পরিবর্তে তাকে এবং তার বংশধরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করছ? অথচ তারা তোমাদের শত্রু। এটা জালেমদের জন্যে খুবই নিকৃষ্ট বদল।” . ®(সূরা কাহাফ, আয়াত : ৫০) _______________ : : আসুন, এবারে জেনে নেয়া যাক, সূরা কাহাফ এবং দাজ্জালের মধ্যে কিসের সম্পর্ক? . দাজ্জাল আবির্ভুত হবে শেষ সময়ে কিয়ামতের একটি বড় লক্ষণ হিসেবে, সে এই চারটি ফিতনা একত্রে নিয়ে আসবে– . ••► সে মানুষকে আদেশ করবে যেন আল্লাহকে বাদ দিয়ে তার ইবাদত করে - [ঈমানের উপর পরীক্ষা] . ••► তাকে বৃষ্টি বর্ষণ/ অনাবৃষ্টি সৃষ্টির ক্ষমতা দেয়া হবে এবং সে মানুষকে তার সম্পদ দিয়ে লোভ দেখাবে - [সম্পদের উপর পরীক্ষা] . ••► সে মানুষকে পরীক্ষায় ফেলে দিবে তার ‘জ্ঞান’ এবং নানারকম সংবাদ প্রদান করে - [জ্ঞানের উপর পরীক্ষা] . ••► সে পৃথিবীর এক বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রণ করবে - [ক্ষমতার উপর পরীক্ষা] : : কিভাবে আমরা এই সকল ফিতনা থেকে বাঁচতে পারি? সূরা কাহাফেই আছে এর উত্তর - • ফিতনা হতে বাঁচার প্রথম উপায়ঃ সৎ সঙ্গ . “আপনি নিজেকে তাদের সংসর্গে আবদ্ধ রাখুন যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের পালনকর্তাকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আহবান করে এবং আপনি পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য কামনা করে তাদের থেকে নিজের দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবেন না। যার মনকে আমার স্মরণ থেকে গাফেল করে দিয়েছি, যে, নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে এবং যার কার্য কলাপ হচ্ছে সীমা অতিক্রম করা, আপনি তার অনুগত্য করবেন না। ®(সূরা কাহাফ, আয়াত : ২৮) : : • ফিতনা হতে বাঁচার দ্বিতীয় উপায়ঃ এই পার্থিব জীবনের বাস্তবতা উপলব্ধি করা . “তাদের কাছে পার্থিব জীবনের উপমা বর্ণনা করুন। তা পানির ন্যায়, যা আমি আকাশ থেকে নাযিল করি। অতঃপর এর সংমিশ্রণে শ্যামল সবুজ ভূমিজ লতা-পাতা নির্গত হয়; অতঃপর তা এমন শুস্ক চুর্ণ-বিচুর্ণ হয় যে, বাতাসে উড়ে যায়। আল্লাহ এ সবকিছুর উপর শক্তিমান।” ®(সূরা কাহাফ, আয়াত : ৪৫) : : • ফিতনা হতে বাঁচার তৃতীয় উপায়ঃ ধৈর্য্যশীল থাকা . “মূসা বললেনঃ আল্লাহ চাহেন তো আপনি আমাকে ধৈর্য্যশীল পাবেন এবং আমি আপনার কোন আদেশ অমান্য করব না”। ®(সূরা কাহাফ, আয়াত ৬৯) : : • ফিতনা হতে বাঁচার চতুর্থ উপায়ঃ সৎ কর্ম সম্পাদন . “বলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহই একমাত্র ইলাহ। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে শরীক না করে।.” ®(সূরা কাহাফ, আয়াত ১১০) : : • ফিতনা হতে বাঁচার পঞ্চম উপায়ঃ আল্লাহর দিকে আহবান . “আপনার প্রতি আপনার পালনকর্তার যে, কিতাব প্রত্যাদিষ্ট করা হয়েছে, তা পাঠ করুন। তাঁর বাক্য পরিবর্তন করার কেউ নাই। তাঁকে ব্যতীত আপনি কখনই কোন আশ্রয় স্থল পাবেন না।” ®(সূরা কাহাফ, আয়াত ২৭) : : • ফিতনা হতে বাঁচার ষষ্ঠ উপায়ঃ পরকালের স্মরণ . “যেদিন আমি পর্বতসমূহকে পরিচালনা করব এবং আপনি পৃথিবীকে দেখবেন একটি উম্মুক্ত প্রান্তর এবং আমি মানুষকে একত্রিত করব অতঃপর তাদের কাউকে ছাড়ব না। তারা আপনার পালনকর্তার সামনে পেশ হবে সারিবদ্ধ ভাবে এবং বলা হবেঃ তোমরা আমার কাছে এসে গেছ; যেমন তোমাদেরকে প্রথম বার সৃষ্টি করেছিলাম। না, তোমরা তো বলতে যে, আমি তোমাদের জন্যে কোন প্রতিশ্রুত সময় নির্দিষ্ট করব না। আর আমলনামা সামনে রাখা হবে। তাতে যা আছে; তার কারণে আপনি অপরাধীদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত দেখবেন। তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এ কেমন আমলনামা। এ যে ছোট বড় কোন কিছুই বাদ দেয়নি-সবই এতে রয়েছে। তারা তাদের কৃতকর্মকে সামনে উপস্থিত পাবে। আপনার পালনকর্তা কারও প্রতি জুলুম করবেন না।” ®(সূরা কাহাফ, আয়াত ৪৭-৪৯) : : আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সবাইকে যেন সকল প্রকার ফিতনা হতে রক্ষা করেন। আমিন। : : পরিশিষ্টঃ ________ . মুসনাদে আহমাদে রয়েছে যে – যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করে, তাকে দাজ্জালের ফিতনা হতে রক্ষা করা হয়; জামে তিরমিযীতে তিনটি আয়াতের বর্ণনা রয়েছে। সহীহ মুসলিমে শেষ দশটি আয়াতের বর্ণনা আছে। সুনান নাসায়ীতে সাধারণভাবে দশটি আয়াতের বর্ণনা রয়েছে। [ইবন কাসীর] : : আবুদ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, (তিনি বলেছেন) আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন - যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। ®(মুসলিম : ১৭৬০ ইফা) : : বারা ইবনে আযিব থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ এক ব্যক্তি ‘সূরা কাহাফ’ পড়েছিলো। সেই সময়ে তার কাছে মজবুত লম্বা দুটি রশি দিয়ে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল। এই সময় একখণ্ড মেঘ তার মাথার উপরে এসে হাজির হলো। মেঘ খণ্ডটি ঘুরছিলো এবং নিকটবর্তী হচ্ছিল। এ দেখে তার ঘোড়াটি ছুটে পালাচ্ছিল। সকাল বেলা সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে ঐ বিষয়টি বর্ণনা করলো। একথা শুনে তিনি বললেনঃ এটি ছিল (আল্লাহর তরফ থেকে) রহমত বা প্রশান্তি (সাকিনা) যা কুর’আন পাঠের কারণে নাযিল হয়েছিলো। ®(মুসলিম : ১৭৩৩ ইফা) : : আবদুল্লাহ ইবনে ‘আব্বাস থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেছেন); রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে যেভাবে কুর’আন মাজীদের সূরা শিখাতেন ঠিক তেমনিভাবে এই দুয়াটিও শিখাতেন। দুয়াটি হলঃ ‘আল্লাহুম্মা ইন্না না’উযুবিকা মিন আযাবি জাহান্নাম ওয়া আউযুবিকা মিন আযাবিল কাবর, ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জাল, ওয়া আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতা”- হে আল্লাহ ! আমরা তোমার কাছে জাহান্নামের আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আমি তোমার কাছে মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি তোমার কাছে জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। ®(মুসলিম : ইফা ১২২০) জ্ঞাণ ছড়িয়ে পড়ুক সবার সাথে...শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে ইন-শা-আল্লাহ। ▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
    1 Comments 0 Shares

  • বৃটিশ নাগরিক আব্দুর রহিম গ্রিনের জন্ম তানজানিয়ায়। খ্রিস্টিয় নাম ছিল এন্থনি গ্রিন। তার মা ছিলেন রোমান ক্যাথলিক। বলে নেয়া ভালো খ্রিস্ট ধর্মের প্রধান তিন শাখার একটি হচ্ছে রোমান ক্যাথলিক যার প্রধান কার্যালয় ভ্যাটিকান সিটিতে এবং প্রধান ধর্মগুরুকে 'পোপ' নামে অবিহিত করা হয়।
    রোমান ক্যাথলিকের মতে পোপ হচ্ছেন সকল গির্জার প্রধান এবং যিশুর প্রতিনিধি। তারা মনে করেন পোপ নির্দেশিত সকল বাণী নির্ভুল এবং খ্রিস্টধর্ম বিশ্বাস ও জ্ঞান অর্জনে পোপ কোন ভুল করতে পারেন না।
    গ্রীনের মা চাইতেন তার দুই ছেলে ক্যাথলিক ধার্মিক হোক। এই কারনে ছোটবেলায় ইংল্যান্ডে ক্যাথলিক ধর্মগুরুদের দ্বারা পরিচালিত একটি স্কুলে ভর্তি করে দেন। স্কুলে পাঠানোর আগে ভাবলেন সন্তানদের কিছু ধর্মীয় নিয়মকানুন এবং প্রার্থনা শিখিয়ে দেয়া যাক। এক রাতে দুই ভাইকে নিয়ে তিনি প্রার্থনায় বসলেন। "হে মেরি, ঈশ্বর মাতা, তুমি আমাদের উপর তোমার পুত্র যীশুর মাধ্যমে দয়া করো।"ক্যাথলিকদের বহুল প্রচলিত প্রার্থনা এটি।
    ঐ বয়সে গ্রীনের মনে উদয় হলো, ঈশ্বরের আবার মা থাকেন কি করে? ঈশ্বর তো এমন একজন হওয়া উচিত যার শুরু নেই, শেষও নেই। তাহলে তার জন্মদাত্রি মা আসে কোথা থেকে। ছোট্ট গ্রীনের মনে হলো, যে মা ঈশ্বরকে জন্ম দিয়েছেন তিনি না জানি নিজে কত বড় ঈশ্বর। সে হিসেবে মাতা মেরি আরও বড় খোদা। এটি ছিল গ্রিনের মনে খ্রিস্টান ধর্ম নিয়ে তৈরী হওয়া প্রথম জিজ্ঞাসা।
    স্কুলে পড়াশুনা করতে গিয়ে আরও নানা প্রশ্নের উদয় হলো। স্কুলের একটি নিয়ম ছিল সেখানকার ধর্মগুরুর সামনে নিজের সকল পাপ স্বীকার করতে হবে। বছরে অন্তত একবার এই কাজ করতে হতো। বলা হতো সব পাপ স্বীকার না করলে ঈশ্বর নাকি ক্ষমা করবেন না। গ্রীনের মাথায় ঢুকতো না সব পাপ একজন মানুষের কাছে স্বীকার করতে হবে কেন? ১২-১৩ বছর বয়সের একটি বালককে যদি সব পাপ স্বীকার করতে বলাও হয় সে কি সব স্বীকার করবে? তাও আবার তাদের আবাসিক শিক্ষকের সামনে!!
    একদিন স্কুলের এক আবাসিক শিক্ষককে বলেও ফেললেন, "আমায় কেন আপনাদের সামনেই দোষ স্বীকার করতে হবে? কেন সরাসরি ঈশ্বরের কাছেই নয়? অথচ আমাদের পবিত্র বাইবেলে আছে স্বর্গীয় পিতার নিকট সকল অপরাধের মার্জনা চাইতে। উত্তরে শিক্ষক বললেন, " তুমি চাইলে সরাসরি ঈশ্বরের নিকট বলতে পারো। তবে নিশ্চিত হবার সুযোগ নেই তিনি তোমায় ক্ষমা করবেন কিনা। কিন্তু আমরা তোমাদের হয়ে ঈশ্বরের নিকট ক্ষমা চাইলে নিশ্চিত তিনি ক্ষমা করবেন।
    উত্তরটি গ্রীনের নিকট অত্যন্ত হাস্যকর মনে হলো। আমাদের মতোই একজন দোষগুন সম্পন্ন মানুষ আমাদের হয়ে ক্ষমা চাইলে ক্ষমা করবেন অথচ আমরা চাইলে করবেন না! ঈশ্বরের এতটা পক্ষপাতদুষ্ট হবার কথা না। এভাবেই খ্রিস্টান ধর্ম নিয়ে নানা রকম সংশয় তৈরি হল গ্রীনের মধ্যে। আরও একদিন একটা ঘটনা ঘটলো। ধর্ম নিয়ে আলোচনা করছিলেন মিশরের এক ব্যক্তির সাথে। মিশরিয়ান তাকে জিজ্ঞেস করলেন,
    - তুমি কি বিশ্বাস করো যীশু খ্রিস্ট ঈশ্বর ছিলেন?
    - হাঁ, অবশ্যই।
    - তার মানে তুমি এও বিশ্বাস করো যীশু খ্রিস্ট ক্রুশে জীবন দিয়েছেন?
    - নিঃসন্দেহে।
    - অর্থাৎ তুমি তাহলে এটাও বিশ্বাস করো তোমার ঈশ্বর মারা গেছেন?
    মিশরিয়ানের এই প্রশ্নে গ্রীন কোনো জবাব দিতে পারলেন না। একজন ঈশ্বর কিভাবে মারা যাবেন? তার মনে সংশয় আরও বাড়তে লাগলো। সত্যি কি খ্রিস্টান সত্য ধর্ম? এবার তিনি নিজেই নেমে পড়লেন ধর্ম নিয়ে গবেষণায়। এক সময় খোঁজ পেলেন মুসলমানদের কুরআনের।
    উৎসাহ নিয়ে তিনি কুরআন শরীফ খুলে একে একে পড়ে ফেললেন সূরা ফাতিহা, সূরা বাকারাহ... পড়তেই থাকলেন। পড়ছিলেন আর হৃদয়ে কি যেন নাড়া দিচ্ছিল। কুরআনের কথাগুলো কোন মানুষের রচনা হতে পারেনা। এতদিন ধর্ম নিয়ে উদিত হওয়া সংশয়গুলোর উত্তর যেন কুরআনে পেলেন। সত্য স্রষ্টার এত রুপ থাকতে পারে না। তার এক ও অদ্বিতীয় হবারই কথা। আর তার কোনো মাতাও থাকতে পারে না। এমনকি ইসলামে সরাসরি স্রষ্টার নিকটে সমস্ত পাপ স্বীকার করতে হয় এবং তার কাছেই ক্ষমা চাইতে হয়। কোন মাধ্যমের প্রয়োজন হয়না।
    ছোটবেলা থেকে উদয় হওয়া সংশয়গুলোর পূর্ণ সমাধান তিনি কুরআনের মাধ্যমে পেলেন। খুঁজে পেলেন সত্য ধর্ম। পরবর্তীতে নির্দ্বিধায় পাঠ করলেন কালিমা শাহাদাহ। "আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকালাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।"
    নওমুসলিম এই মানুষটি বর্তমান বিশ্বে অন্যতম মুসলিম দা'ঈ। যার মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আসার সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে উপজাতি ও নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ব্যাপকহারে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
    [গল্পটি নেয়া হয়েছে গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স কতৃর্ক প্রকাশিত দ্যা রিভার্টস বই থেকে। এছাড়া ইউটিউবে ওনার ইসলামে ফিরে আসার আলোচনা রয়েছে]
    বৃটিশ নাগরিক আব্দুর রহিম গ্রিনের জন্ম তানজানিয়ায়। খ্রিস্টিয় নাম ছিল এন্থনি গ্রিন। তার মা ছিলেন রোমান ক্যাথলিক। বলে নেয়া ভালো খ্রিস্ট ধর্মের প্রধান তিন শাখার একটি হচ্ছে রোমান ক্যাথলিক যার প্রধান কার্যালয় ভ্যাটিকান সিটিতে এবং প্রধান ধর্মগুরুকে 'পোপ' নামে অবিহিত করা হয়। রোমান ক্যাথলিকের মতে পোপ হচ্ছেন সকল গির্জার প্রধান এবং যিশুর প্রতিনিধি। তারা মনে করেন পোপ নির্দেশিত সকল বাণী নির্ভুল এবং খ্রিস্টধর্ম বিশ্বাস ও জ্ঞান অর্জনে পোপ কোন ভুল করতে পারেন না। গ্রীনের মা চাইতেন তার দুই ছেলে ক্যাথলিক ধার্মিক হোক। এই কারনে ছোটবেলায় ইংল্যান্ডে ক্যাথলিক ধর্মগুরুদের দ্বারা পরিচালিত একটি স্কুলে ভর্তি করে দেন। স্কুলে পাঠানোর আগে ভাবলেন সন্তানদের কিছু ধর্মীয় নিয়মকানুন এবং প্রার্থনা শিখিয়ে দেয়া যাক। এক রাতে দুই ভাইকে নিয়ে তিনি প্রার্থনায় বসলেন। "হে মেরি, ঈশ্বর মাতা, তুমি আমাদের উপর তোমার পুত্র যীশুর মাধ্যমে দয়া করো।"ক্যাথলিকদের বহুল প্রচলিত প্রার্থনা এটি। ঐ বয়সে গ্রীনের মনে উদয় হলো, ঈশ্বরের আবার মা থাকেন কি করে? ঈশ্বর তো এমন একজন হওয়া উচিত যার শুরু নেই, শেষও নেই। তাহলে তার জন্মদাত্রি মা আসে কোথা থেকে। ছোট্ট গ্রীনের মনে হলো, যে মা ঈশ্বরকে জন্ম দিয়েছেন তিনি না জানি নিজে কত বড় ঈশ্বর। সে হিসেবে মাতা মেরি আরও বড় খোদা। এটি ছিল গ্রিনের মনে খ্রিস্টান ধর্ম নিয়ে তৈরী হওয়া প্রথম জিজ্ঞাসা। স্কুলে পড়াশুনা করতে গিয়ে আরও নানা প্রশ্নের উদয় হলো। স্কুলের একটি নিয়ম ছিল সেখানকার ধর্মগুরুর সামনে নিজের সকল পাপ স্বীকার করতে হবে। বছরে অন্তত একবার এই কাজ করতে হতো। বলা হতো সব পাপ স্বীকার না করলে ঈশ্বর নাকি ক্ষমা করবেন না। গ্রীনের মাথায় ঢুকতো না সব পাপ একজন মানুষের কাছে স্বীকার করতে হবে কেন? ১২-১৩ বছর বয়সের একটি বালককে যদি সব পাপ স্বীকার করতে বলাও হয় সে কি সব স্বীকার করবে? তাও আবার তাদের আবাসিক শিক্ষকের সামনে!! একদিন স্কুলের এক আবাসিক শিক্ষককে বলেও ফেললেন, "আমায় কেন আপনাদের সামনেই দোষ স্বীকার করতে হবে? কেন সরাসরি ঈশ্বরের কাছেই নয়? অথচ আমাদের পবিত্র বাইবেলে আছে স্বর্গীয় পিতার নিকট সকল অপরাধের মার্জনা চাইতে। উত্তরে শিক্ষক বললেন, " তুমি চাইলে সরাসরি ঈশ্বরের নিকট বলতে পারো। তবে নিশ্চিত হবার সুযোগ নেই তিনি তোমায় ক্ষমা করবেন কিনা। কিন্তু আমরা তোমাদের হয়ে ঈশ্বরের নিকট ক্ষমা চাইলে নিশ্চিত তিনি ক্ষমা করবেন। উত্তরটি গ্রীনের নিকট অত্যন্ত হাস্যকর মনে হলো। আমাদের মতোই একজন দোষগুন সম্পন্ন মানুষ আমাদের হয়ে ক্ষমা চাইলে ক্ষমা করবেন অথচ আমরা চাইলে করবেন না! ঈশ্বরের এতটা পক্ষপাতদুষ্ট হবার কথা না। এভাবেই খ্রিস্টান ধর্ম নিয়ে নানা রকম সংশয় তৈরি হল গ্রীনের মধ্যে। আরও একদিন একটা ঘটনা ঘটলো। ধর্ম নিয়ে আলোচনা করছিলেন মিশরের এক ব্যক্তির সাথে। মিশরিয়ান তাকে জিজ্ঞেস করলেন, - তুমি কি বিশ্বাস করো যীশু খ্রিস্ট ঈশ্বর ছিলেন? - হাঁ, অবশ্যই। - তার মানে তুমি এও বিশ্বাস করো যীশু খ্রিস্ট ক্রুশে জীবন দিয়েছেন? - নিঃসন্দেহে। - অর্থাৎ তুমি তাহলে এটাও বিশ্বাস করো তোমার ঈশ্বর মারা গেছেন? মিশরিয়ানের এই প্রশ্নে গ্রীন কোনো জবাব দিতে পারলেন না। একজন ঈশ্বর কিভাবে মারা যাবেন? তার মনে সংশয় আরও বাড়তে লাগলো। সত্যি কি খ্রিস্টান সত্য ধর্ম? এবার তিনি নিজেই নেমে পড়লেন ধর্ম নিয়ে গবেষণায়। এক সময় খোঁজ পেলেন মুসলমানদের কুরআনের। উৎসাহ নিয়ে তিনি কুরআন শরীফ খুলে একে একে পড়ে ফেললেন সূরা ফাতিহা, সূরা বাকারাহ... পড়তেই থাকলেন। পড়ছিলেন আর হৃদয়ে কি যেন নাড়া দিচ্ছিল। কুরআনের কথাগুলো কোন মানুষের রচনা হতে পারেনা। এতদিন ধর্ম নিয়ে উদিত হওয়া সংশয়গুলোর উত্তর যেন কুরআনে পেলেন। সত্য স্রষ্টার এত রুপ থাকতে পারে না। তার এক ও অদ্বিতীয় হবারই কথা। আর তার কোনো মাতাও থাকতে পারে না। এমনকি ইসলামে সরাসরি স্রষ্টার নিকটে সমস্ত পাপ স্বীকার করতে হয় এবং তার কাছেই ক্ষমা চাইতে হয়। কোন মাধ্যমের প্রয়োজন হয়না। ছোটবেলা থেকে উদয় হওয়া সংশয়গুলোর পূর্ণ সমাধান তিনি কুরআনের মাধ্যমে পেলেন। খুঁজে পেলেন সত্য ধর্ম। পরবর্তীতে নির্দ্বিধায় পাঠ করলেন কালিমা শাহাদাহ। "আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকালাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।" নওমুসলিম এই মানুষটি বর্তমান বিশ্বে অন্যতম মুসলিম দা'ঈ। যার মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আসার সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে উপজাতি ও নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ব্যাপকহারে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। [গল্পটি নেয়া হয়েছে গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স কতৃর্ক প্রকাশিত দ্যা রিভার্টস বই থেকে। এছাড়া ইউটিউবে ওনার ইসলামে ফিরে আসার আলোচনা রয়েছে]
    0 Comments 0 Shares
  • কেয়ামতের আলামত সমূহ
    আয়নার মত পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।


    https://youtu.be/QyeV43vjiIM
    কেয়ামতের আলামত সমূহ আয়নার মত পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। https://youtu.be/QyeV43vjiIM
    1
    0 Comments 0 Shares
  • সূরা আল জ্বিন (الجنّ), আয়াত: ১৫

    وَأَمَّا ٱلْقَٰسِطُونَ فَكَانُوا۟ لِجَهَنَّمَ حَطَبًا

    উচ্চারণঃ ওয়া আম্মাল কা-ছিতু না ফাকা-নূলিজাহান্নামা হাতাবা- ।

    অর্থঃ আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন।
    সূরা আল জ্বিন (الجنّ), আয়াত: ১৫ وَأَمَّا ٱلْقَٰسِطُونَ فَكَانُوا۟ لِجَهَنَّمَ حَطَبًا উচ্চারণঃ ওয়া আম্মাল কা-ছিতু না ফাকা-নূলিজাহান্নামা হাতাবা- । অর্থঃ আর যারা অন্যায়কারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন।
    0 Comments 0 Shares
  • আলহামদুলিল্লাহ
    আলহামদুলিল্লাহ
    0 Comments 0 Shares
  • 👉আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে শুধু জ্ঞানীরাই আল্লাহকে ভয় করে"
    📖- সূরা ফাতিরঃ ২৮
    👉আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে শুধু জ্ঞানীরাই আল্লাহকে ভয় করে" 📖- সূরা ফাতিরঃ ২৮
    0 Comments 0 Shares
  • আমাদের মন খারাপ, মাথা গরম, কিংবা ভালো না লাগার জন্য আসলে আমরাই দায়ী। অন্য কেউ না।
    যেমন মনে করুন...
    কেউ আপনাকে অন্যায়ভাবে গালি দিলো, তখন আপনি ক্ষেপে যাবেন। মন খারাপ করবেন। পক্ষান্তরে কোন পাগল যদি গালি দেই,তখন আপনি কিন্তু ক্ষেপে যাবেন না, বা মন খারাপও করবেন না। বরং ইগনোর করবেন,হাসির চলে উড়িয়ে দিবেন আকাশ পানে।
    অথচ একটু খেয়াল করে দেখুন, দুই চরিত্রেই কিন্তু আপনি ই আছেন। দুইজনেই আপনাকে মন্দ কথা বলেছিলো। কিন্তু আপনি একি ব্যক্তি দুজনের ক্ষেত্রে আলদা আলদা রিএকশন করে দেখাতে পেরেছেন। আপনার রিএকশন আলাদা আলাদা হয়েছে। তারমানে, কেউ আপনাকে আপনার অপছন্দনীয় কিছু বললে বা করলে,রিএকশনটা কি হবে কেমন হবে,সম্পুর্ণটাই আপনার কন্ট্রোলে।
    তাই, সব একশনের এগিনিস্টে সমান ও বিপরীত রিএকশন হবে, কি হবে না- সেটা একান্ত আপনার-ই হাতে আপনার ক্ষমতাই ।
    আপনার আশেপাশে এমন অনেকেই আছে যারা সামান্য একটা জিনিস/বিষয় নিয়ে তুলকালাম বাঁধিয়ে ফেলে।জীবনের পথ চলার পথে এমন অনেক কিছুই ঘটবে,যা আপনার মনের বিপরিত অপছন্দের এবং কষ্ট দায়ক হবে । জীবনের পথে এমনি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য মনের গহীনে একটি ছাতা রাখবেন।
    যেমন:- বৃষ্টি না থাকা সত্যেও অনেক সময় ঘর থেকে ছাতা বহন করে বের হোন, যদি বৃষ্টি চলে আসে হঠাৎ মাঝ পথে, আর সেই বৃষ্টি যেন আপনার পথ চলা রুখে দিতে না পারে। কেননা আপনাকে যে গন্তব্যে পৌছাইতেই হবে।
    ঠিক তেমনি, জীবনের কষ্টদায়ক পরিস্থিতির মধ্যে যখন আপনার সময়টা পার হবে,
    কারো কথা কিংবা কাজ যখন আপনাকে কষ্ট দিবে,
    ঠিক তখনি মনের ঘরের শান্তির যায়গায় আপনার সেই ছাতাটা খুলেদিন হাসি মুখে ।
    ওদের কথা শুনা দরকার শুনবান। আর কান তো আছেই শুনার জন্য।চিপে ধরে রাখলেও যে শুনা যায়।
    তাই শুনুন কিন্তু মানে ঢুকাবেন না।
    ঐ যে মনে পড়ে পাগলের কথাটা। আরর জানেন তো পাগলের মুখে লাগাম থাকে না। বললেও বুঝবে না।
    সুতরাং বাদ দিন ঐ সুস্থ পাগলের কথাটা।
    কেননা,এইটা আপনার জীবন। শুধুই আপনার।
    আর একবার চলে গেলে যে আরর ফিরে আসা হবে না আমাদের এই সুন্দর দুনিয়ায়। সুতরাং আপনাকে বাচতে হবে আপনার পরিবারের জন্য, বিশেষ করে আপনার জন্য। আপনার স্রষ্টা মহান আল্লাহর নাম নিয়ে এই মুহুর্তেই ভুলে যান,মনের সব কষ্টের কথা।
    ছুড়ে ফেলেদিন সব কষ্ট ডাস্টবিন এর মধ্যে।
    বিশ্বাস করুন আপনি পারবেন,অবশ্যই পারবেন।
    কেউ আপনার সাথে থাক কিংবা না থাক,আপনার দয়াময় মেহেরবান আল্লাহ সদায় আপনার সাথে আছে।
    আপনার মন কন্ট্রোল করার সুইচ একান্তই আপনারি হাতে আছে। দুনিয়ার অন্য কারো হাতে না।
    অন্তত ১টা মিনিটও যদি ভালো থাকতে পারি, মন্দ কি।
    হয়তো অন্যের কাছে এইটা সামান্য ১টা মিনিট মাত্র। কিন্তু সেই ১ মিনিট টা আমাদের জন্য অনেক মুলবান।
    Sayed Mokarram Bari
    আমাদের মন খারাপ, মাথা গরম, কিংবা ভালো না লাগার জন্য আসলে আমরাই দায়ী। অন্য কেউ না। যেমন মনে করুন... কেউ আপনাকে অন্যায়ভাবে গালি দিলো, তখন আপনি ক্ষেপে যাবেন। মন খারাপ করবেন। পক্ষান্তরে কোন পাগল যদি গালি দেই,তখন আপনি কিন্তু ক্ষেপে যাবেন না, বা মন খারাপও করবেন না। বরং ইগনোর করবেন,হাসির চলে উড়িয়ে দিবেন আকাশ পানে। অথচ একটু খেয়াল করে দেখুন, দুই চরিত্রেই কিন্তু আপনি ই আছেন। দুইজনেই আপনাকে মন্দ কথা বলেছিলো। কিন্তু আপনি একি ব্যক্তি দুজনের ক্ষেত্রে আলদা আলদা রিএকশন করে দেখাতে পেরেছেন। আপনার রিএকশন আলাদা আলাদা হয়েছে। তারমানে, কেউ আপনাকে আপনার অপছন্দনীয় কিছু বললে বা করলে,রিএকশনটা কি হবে কেমন হবে,সম্পুর্ণটাই আপনার কন্ট্রোলে। তাই, সব একশনের এগিনিস্টে সমান ও বিপরীত রিএকশন হবে, কি হবে না- সেটা একান্ত আপনার-ই হাতে আপনার ক্ষমতাই । আপনার আশেপাশে এমন অনেকেই আছে যারা সামান্য একটা জিনিস/বিষয় নিয়ে তুলকালাম বাঁধিয়ে ফেলে।জীবনের পথ চলার পথে এমন অনেক কিছুই ঘটবে,যা আপনার মনের বিপরিত অপছন্দের এবং কষ্ট দায়ক হবে । জীবনের পথে এমনি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য মনের গহীনে একটি ছাতা রাখবেন। যেমন:- বৃষ্টি না থাকা সত্যেও অনেক সময় ঘর থেকে ছাতা বহন করে বের হোন, যদি বৃষ্টি চলে আসে হঠাৎ মাঝ পথে, আর সেই বৃষ্টি যেন আপনার পথ চলা রুখে দিতে না পারে। কেননা আপনাকে যে গন্তব্যে পৌছাইতেই হবে। ঠিক তেমনি, জীবনের কষ্টদায়ক পরিস্থিতির মধ্যে যখন আপনার সময়টা পার হবে, কারো কথা কিংবা কাজ যখন আপনাকে কষ্ট দিবে, ঠিক তখনি মনের ঘরের শান্তির যায়গায় আপনার সেই ছাতাটা খুলেদিন হাসি মুখে । ওদের কথা শুনা দরকার শুনবান। আর কান তো আছেই শুনার জন্য।চিপে ধরে রাখলেও যে শুনা যায়। তাই শুনুন কিন্তু মানে ঢুকাবেন না। ঐ যে মনে পড়ে পাগলের কথাটা। আরর জানেন তো পাগলের মুখে লাগাম থাকে না। বললেও বুঝবে না। সুতরাং বাদ দিন ঐ সুস্থ পাগলের কথাটা। কেননা,এইটা আপনার জীবন। শুধুই আপনার। আর একবার চলে গেলে যে আরর ফিরে আসা হবে না আমাদের এই সুন্দর দুনিয়ায়। সুতরাং আপনাকে বাচতে হবে আপনার পরিবারের জন্য, বিশেষ করে আপনার জন্য। আপনার স্রষ্টা মহান আল্লাহর নাম নিয়ে এই মুহুর্তেই ভুলে যান,মনের সব কষ্টের কথা। ছুড়ে ফেলেদিন সব কষ্ট ডাস্টবিন এর মধ্যে। বিশ্বাস করুন আপনি পারবেন,অবশ্যই পারবেন। কেউ আপনার সাথে থাক কিংবা না থাক,আপনার দয়াময় মেহেরবান আল্লাহ সদায় আপনার সাথে আছে। আপনার মন কন্ট্রোল করার সুইচ একান্তই আপনারি হাতে আছে। দুনিয়ার অন্য কারো হাতে না। অন্তত ১টা মিনিটও যদি ভালো থাকতে পারি, মন্দ কি। হয়তো অন্যের কাছে এইটা সামান্য ১টা মিনিট মাত্র। কিন্তু সেই ১ মিনিট টা আমাদের জন্য অনেক মুলবান। Sayed Mokarram Bari
    2
    0 Comments 0 Shares
  • হে মুমিনগণ! তোমরা পুর্ণাঙ্গভাবে ইসলামে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্কসমূহ অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শক্ৰ।
    [সূরা আল-বাকারাঃ ২০৮]
    হে মুমিনগণ! তোমরা পুর্ণাঙ্গভাবে ইসলামে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্কসমূহ অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শক্ৰ। [সূরা আল-বাকারাঃ ২০৮]
    0 Comments 0 Shares
  • আল্লাহ্‌ তাদের ভালোবাসেন, যারা নিজেদেরকে পবিত্র রাখে!
    [সূরা আত-তওবা: ১০৮]
    আল্লাহ্‌ তাদের ভালোবাসেন, যারা নিজেদেরকে পবিত্র রাখে! [সূরা আত-তওবা: ১০৮]
    1
    0 Comments 0 Shares
  • "আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে শুধু জ্ঞানীরাই আল্লাহকে ভয় করে"
    - সূরা ফাতিরঃ ২৮
    "আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে শুধু জ্ঞানীরাই আল্লাহকে ভয় করে" - সূরা ফাতিরঃ ২৮
    0 Comments 0 Shares
  • ‏دښمن ته فرصت ورکول د ماتې ستر سبب دی!

    کله چې عثماني ترکانو د اسټریا په مرکز ویانا برید وکړ له سختې جګړې وروسته د ویانا د کلا دیوال دوه ځایه مات شو.
    خو عثمانیانو خپل دوهم برید وځنډولو او هغوی د همدې فرصت نه په استفادې دیوال ورغولو
    او اسټریا د عثمانیانو تر سقوطه بیا فتحه نشوهশত্রুকে সুযোগ দেওয়াটাই পরাজয়ের সবচেয়ে বড় কারণ! অটোমান তুর্কিরা যখন অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা আক্রমণ করে, তখন ভিয়েনার দুর্গের দেয়াল দুটো টুকরো টুকরো হয়ে যায়। কিন্তু অটোমানরা তাদের দ্বিতীয় আক্রমণ স্থগিত করে দেয় এবং তারা প্রাচীর পুনর্নির্মাণের সুযোগটি গ্রহণ করে এবং অটোমানদের পতনের আগ পর্যন্ত অস্ট্রিয়া পুনরায় জয় করা হয়নি।

    ‏دښمن ته فرصت ورکول د ماتې ستر سبب دی! کله چې عثماني ترکانو د اسټریا په مرکز ویانا برید وکړ له سختې جګړې وروسته د ویانا د کلا دیوال دوه ځایه مات شو. خو عثمانیانو خپل دوهم برید وځنډولو او هغوی د همدې فرصت نه په استفادې دیوال ورغولو او اسټریا د عثمانیانو تر سقوطه بیا فتحه نشوهশত্রুকে সুযোগ দেওয়াটাই পরাজয়ের সবচেয়ে বড় কারণ! অটোমান তুর্কিরা যখন অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা আক্রমণ করে, তখন ভিয়েনার দুর্গের দেয়াল দুটো টুকরো টুকরো হয়ে যায়। কিন্তু অটোমানরা তাদের দ্বিতীয় আক্রমণ স্থগিত করে দেয় এবং তারা প্রাচীর পুনর্নির্মাণের সুযোগটি গ্রহণ করে এবং অটোমানদের পতনের আগ পর্যন্ত অস্ট্রিয়া পুনরায় জয় করা হয়নি।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • পাকিস্থানের
    করাচিতে শওকত খানম মেমোরিয়াল ট্রাস্ট হাসপাতালের নির্মাণ কাজ স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি উদ্বোধনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, ইনশাআল্লাহ। করাচির এই শওকত খানম লাহোর হাসপাতালের চেয়ে দ্বিগুণ বড় হবে এবং সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে সজ্জিত হবে। https://t.co/iXkYfN8C6h

    পাকিস্থানের করাচিতে শওকত খানম মেমোরিয়াল ট্রাস্ট হাসপাতালের নির্মাণ কাজ স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি উদ্বোধনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, ইনশাআল্লাহ। করাচির এই শওকত খানম লাহোর হাসপাতালের চেয়ে দ্বিগুণ বড় হবে এবং সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে সজ্জিত হবে। https://t.co/iXkYfN8C6h
    2
    0 Comments 0 Shares
  • রাসূল(সাঃ)বলেন, সম্পূর্ণ পৃথিবীটাই হচ্ছে সম্পদ, আর পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম (দামী) সম্পদ হলো একজন সৎ চরিত্রবান নারী।

    [মেশকাত শরীফ-৩০৮৩]
    রাসূল(সাঃ)বলেন, সম্পূর্ণ পৃথিবীটাই হচ্ছে সম্পদ, আর পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তম (দামী) সম্পদ হলো একজন সৎ চরিত্রবান নারী। [মেশকাত শরীফ-৩০৮৩]
    0 Comments 0 Shares
  • যখন আমি সোলায়মানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন ঘুণ পোকাই জিনদেরকে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল।

    সাবা - ৩৪:১৪
    যখন আমি সোলায়মানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন ঘুণ পোকাই জিনদেরকে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল। সাবা - ৩৪:১৪
    0 Comments 0 Shares
  • নিশ্চিত ভাবেই সফলকাম হয়েছে মুমিনরা,,, যারা নিজেদের নামাযে বিনয়ী ও নম্র। (সূরা মু'মিনুনঃ১-২)
    নিশ্চিত ভাবেই সফলকাম হয়েছে মুমিনরা,,, যারা নিজেদের নামাযে বিনয়ী ও নম্র। (সূরা মু'মিনুনঃ১-২)
    1
    0 Comments 0 Shares
  • আর তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ নিজের দ্বীন থেকে ফিরে যাবে এবং কাফের হয়ে মারা যাবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের আমলসমূহ নিস্ফল হয়ে যাবে। আর এরাই আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে।
    [সূরা আল-বাকারাঃ ২১৭]
    আর তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ নিজের দ্বীন থেকে ফিরে যাবে এবং কাফের হয়ে মারা যাবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের আমলসমূহ নিস্ফল হয়ে যাবে। আর এরাই আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। [সূরা আল-বাকারাঃ ২১৭]
    0 Comments 0 Shares
  • 📖 যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।

    📚👉 সহীহ মুসলিম, হাদিস ১৭৬৮
    📖 যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। 📚👉 সহীহ মুসলিম, হাদিস ১৭৬৮
    0 Comments 0 Shares
  • তোমরা সিজদায় বেশি বেশি দোয়া করো, কেননা সিজদা হচ্ছে দোয়া কবুলের উপযুক্ত সময়।
    [মুসলিম-৮৭৩]
    তোমরা সিজদায় বেশি বেশি দোয়া করো, কেননা সিজদা হচ্ছে দোয়া কবুলের উপযুক্ত সময়। [মুসলিম-৮৭৩]
    0 Comments 0 Shares
  • তোমরা যা অপছন্দ কর হতে পারে তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং যা ভালবাস হতে পারে তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আর আল্লাহ্‌ জানেন তোমরা জান না।
    [সূরা আল-বাকারাঃ ২১৬]
    তোমরা যা অপছন্দ কর হতে পারে তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং যা ভালবাস হতে পারে তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আর আল্লাহ্‌ জানেন তোমরা জান না। [সূরা আল-বাকারাঃ ২১৬]
    0 Comments 0 Shares
  • নিশ্চয় আল্লাহর বন্ধুদের কোন ভয় নেই, আর তারা পেরেশানও হবে না।

    সূরা ইউনুস ১০:৬২
    নিশ্চয় আল্লাহর বন্ধুদের কোন ভয় নেই, আর তারা পেরেশানও হবে না। সূরা ইউনুস ১০:৬২
    1
    0 Comments 0 Shares
  • সূরা নূহ (نوح), আয়াত: ২৬

    وَقَالَ نُوحٌ رَّبِّ لَا تَذَرْ عَلَى ٱلْأَرْضِ مِنَ ٱلْكَٰفِرِينَ دَيَّارًا

    উচ্চারণঃ ওয়া কা-লা নূহুররাব্বি লা-তাযার ‘আলাল আরদিমিনাল কা-ফিরীনা দাইইয়া-রা- ।

    অর্থঃ নূহ আরও বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন কাফের গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না।
    সূরা নূহ (نوح), আয়াত: ২৬ وَقَالَ نُوحٌ رَّبِّ لَا تَذَرْ عَلَى ٱلْأَرْضِ مِنَ ٱلْكَٰفِرِينَ دَيَّارًا উচ্চারণঃ ওয়া কা-লা নূহুররাব্বি লা-তাযার ‘আলাল আরদিমিনাল কা-ফিরীনা দাইইয়া-রা- । অর্থঃ নূহ আরও বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি পৃথিবীতে কোন কাফের গৃহবাসীকে রেহাই দিবেন না।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • নিশ্চয় রাসূল (সাঃ) এর জীবনই তোমাদের জন্য রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ । (সূরা- আহযাব- আয়াত -২১)
    নিশ্চয় রাসূল (সাঃ) এর জীবনই তোমাদের জন্য রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ । (সূরা- আহযাব- আয়াত -২১)
    1
    0 Comments 0 Shares
  • যখন তাদেরকে বলা হয় যে, দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্ গামা সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছী কিন্ত তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী।

    [সুরা বাকারা - ২:১১]
    যখন তাদেরকে বলা হয় যে, দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্ গামা সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছী কিন্ত তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী। [সুরা বাকারা - ২:১১]
    1
    0 Comments 0 Shares
  • اللهُمَّ أجِرْنِىْ مِنَ النَّارِ
    “আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান নার।”
    “হে আল্লাহ, তুমি আমাকে জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ দাও।”🤲😭
    اللهُمَّ أجِرْنِىْ مِنَ النَّارِ “আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান নার।” “হে আল্লাহ, তুমি আমাকে জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ দাও।”🤲😭
    1
    0 Comments 0 Shares
  • এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষ পরুয়া করবে না যে, সে কোথা হতে সম্পদ উপার্জন করলো, হারাম হতে না হালাল হতে।
    (বুখারী-২০৫৯)
    এমন এক যুগ আসবে যখন মানুষ পরুয়া করবে না যে, সে কোথা হতে সম্পদ উপার্জন করলো, হারাম হতে না হালাল হতে। (বুখারী-২০৫৯)
    1
    0 Comments 0 Shares
  • **সব প্রশংসা আল্লাহর যিনি নিজের বান্দার প্রতি এ গ্রন্থ নাযিল করেছেন এবং তাতে কোন বক্রতা রাখেননি।**

    [সূরা আল কাহফ, আয়াত ১]
    **সব প্রশংসা আল্লাহর যিনি নিজের বান্দার প্রতি এ গ্রন্থ নাযিল করেছেন এবং তাতে কোন বক্রতা রাখেননি।** [সূরা আল কাহফ, আয়াত ১]
    1
    0 Comments 0 Shares
  • ‘শহীদদের ছয়টি মর্যাদা রয়েছে -তার ভিতর একটি হচ্ছে, শহীদ ব্যক্তিকে তার নিকটাত্মীয়দের থেকে সত্তর জনের জন্য সুপারিশ করার সুযোগ দেয়া হবে।
    [বুখারীঃ ২৭৯০]
    ‘শহীদদের ছয়টি মর্যাদা রয়েছে -তার ভিতর একটি হচ্ছে, শহীদ ব্যক্তিকে তার নিকটাত্মীয়দের থেকে সত্তর জনের জন্য সুপারিশ করার সুযোগ দেয়া হবে। [বুখারীঃ ২৭৯০]
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 📖আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ

    যে লোক তার জীবিকা প্রশস্ত করতে এবং আয়ু বৃদ্ধি করতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে।

    📚রেফারেন্সঃ
    সহিহ বুুখারী ৫৯৮৫
    📖আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে লোক তার জীবিকা প্রশস্ত করতে এবং আয়ু বৃদ্ধি করতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে। 📚রেফারেন্সঃ সহিহ বুুখারী ৫৯৮৫
    0 Comments 0 Shares
  • দুই মাস পর ফিরলাম
    দুই মাস পর ফিরলাম
    0 Comments 0 Shares
  • অনেক দিন পর আলাদিনে ফিরলাম
    অনেক দিন পর আলাদিনে ফিরলাম
    0 Comments 0 Shares
  • আসসালামুআলাইকুম
    আসসালামুআলাইকুম
    0 Comments 0 Shares
  • জান্নাতের সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে-দীদারে এলাহি
    অর্থাৎ আল্লাহ্ কে স্বচক্ষে দেখা।

    (সূরা-ইয়াসিন:৫৮)?
    জান্নাতের সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে-দীদারে এলাহি অর্থাৎ আল্লাহ্ কে স্বচক্ষে দেখা। (সূরা-ইয়াসিন:৫৮)?
    0 Comments 0 Shares
  • যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণ করে এবং (মানুষদের) ক্ষমা করে দেয় (সে যেন জেনে রাখে,) অবশ্যই এটা হচ্ছে সাহসিকতার কাজসমূহের মধ্যে অন্যতম। (সূরাহ আশ-শূরা, আয়াত : ৪৩)
    যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণ করে এবং (মানুষদের) ক্ষমা করে দেয় (সে যেন জেনে রাখে,) অবশ্যই এটা হচ্ছে সাহসিকতার কাজসমূহের মধ্যে অন্যতম। (সূরাহ আশ-শূরা, আয়াত : ৪৩)
    0 Comments 0 Shares
  • 1958 সালে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের হিউম্যান চিড়িয়াখানায় কঙ্গোর এক আফ্রিকান মেয়ে।

    এখন তাঁর মুসলিমদের মানবতার শিক্ষা দেয়। বরই আফসোস লাগে আমরা এখন মানবতার দুশমন তাদের কাছ থেকে মানবতার ছবক নেই ...
    1958 সালে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের হিউম্যান চিড়িয়াখানায় কঙ্গোর এক আফ্রিকান মেয়ে। এখন তাঁর মুসলিমদের মানবতার শিক্ষা দেয়। বরই আফসোস লাগে আমরা এখন মানবতার দুশমন তাদের কাছ থেকে মানবতার ছবক নেই ...
    0 Comments 0 Shares
  • হতাশার সময় ইস্তিগফারকে আবশ্যক করে নাও। কারণ ইস্তিগফার অপার সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়।- ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.) (শারহুল কাফিয়াহ, ৩/১৮৯)
    হতাশার সময় ইস্তিগফারকে আবশ্যক করে নাও। কারণ ইস্তিগফার অপার সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়।- ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.) (শারহুল কাফিয়াহ, ৩/১৮৯)
    0 Comments 0 Shares
  • #হুশ_জ্ঞানের_পর_বেহুঁশীর_সন্ধানী_হও!
    _______অস্তিত্তের পর নাস্তি, দূরত্বের পর নৈকট্য, অপবিত্রতার পর পবিত্রতা, বিচ্ছেদের পর মিলন, এবং অসাক্ষাতের সাক্ষাৎ লাভের চেষ্টায় নিয়োজত থাক ।
    #হুশ_জ্ঞানের_পর_বেহুঁশীর_সন্ধানী_হও! _______অস্তিত্তের পর নাস্তি, দূরত্বের পর নৈকট্য, অপবিত্রতার পর পবিত্রতা, বিচ্ছেদের পর মিলন, এবং অসাক্ষাতের সাক্ষাৎ লাভের চেষ্টায় নিয়োজত থাক ।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • ” প্রচার করো, যদি একটিমাত্র আয়াতও হয় ”
    (সহীহ বুখারিঃ ৩৪৬১)
    ” প্রচার করো, যদি একটিমাত্র আয়াতও হয় ” (সহীহ বুখারিঃ ৩৪৬১)
    0 Comments 0 Shares
  • “ক্ষমা পাওয়ার পূর্ব শর্ত হলো তওবা (ফিরে আসা)”

    কল্পনা করুন, এলাকায় আপনি খুব বেশি ক্ষমতাবান ব্যক্তি। এলাকার সর্বোচ্চ প্রভাবশালী বাবার আদরের সন্তান আপনি। যাকে আলালের ঘরের দুলাল বলা হয়। কিন্ত আপনার এই ক্ষমতা আপনাকে কুপথে পরিচালিত করছে। আপনি প্রতিনিয়তই অসহায় মানুষের প্রতি অন্যায় করে চলেছেন। গলির মোড়ের দোকান থেকে প্রতিদিন আপনার সাঙ্গ-পাঙ্গসহ চা, পান, সিগারেট খেয়ে টাকা মন চাইলো তো দিচ্ছেন, আবার মন চাচ্ছে নাতো দিচ্ছেন না। এটা যে আপনি অন্যায় করছেন, সেটা আপনিও জানেন, দোকানিও জানেন। ক্ষমতার জোরে আপনি সেটা গায়ে মাখছেন না বা ভাবছেন পাপ হচ্ছে না, অন্যদিকে ভয়ে দোকানি আপনাকে কিছু বলতে পারছেন না। এলাকার মসজিদের নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ঈমাম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আপনার সাঙ্গ-পাঙ্গসহ ঈমাম সাহেবের যা ছিল তা কেড়ে নিলেন। উনি অসহায়ের মতো একবার আপনার দিকে একবার আকাশের দিকে তাকিয়ে কিছু না বলে চলে গেলেন। এটাও যে অন্যায় সেটা আপনিও জানেন আবার ঈমাম সাহেবও। কিন্তু ক্ষমতার জোরে আপনি গায়ে মাখছেন না বা ভাবছেন পাপ হচ্ছে না, আর ভয়ে ঈমাম সাহেবও কিছু বলছেন না। এভাবে নানান উপায়ে আপনি বিভিন্ন জনের ক্ষতি করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। আপনি যে আপনার এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব করছেন সেটা এলাকার কমবেশি সবাই মোটামুটি জানে, কিন্তু ভয়ে কেউ কিছু বলছে না। এদিকে আপনার খোছ পরোয়া নেহি, আপনি আছেন আপনার তালে।

    এভাবেই চলছে জীবন............

    হঠাৎ এমন একদিন আসলো, যেদিন আল্লাহ কোন এক উছিলায় আপনাকে হিদায়াত দান করলেন। আপনার মধ্যকার ফিতরত উদয় হলো, আপনার ভেতরে নৈতিকতা বীজ বুনলো, আপনি বুঝতে পারলেন এতোদিন যা করে এসেছেন তা পাপ, মহা পাপ। বুঝতে পেরেছেন আপনি মহা ভুলের মধ্যে ছিলেন এতোদিন। আপনি সুপথে আসার সিদ্ধান্ত নিলেন। আল্লাহ প্রদত্ত এবং রাসূল (স.) এর নির্দেশিত পথে নিজের জীবন পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিলেন।

    যেই ভাবা সেই কাজ, আপনি সর্ব প্রথম গেলেন গলির মোড়ের দোকানির কাছে। গিয়ে তার কাছ থেকে ক্ষমা চাইলেন। ওয়াল্লাহি খুশিতে ছলছল নয়নে তিনি আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন বিনা শর্তে, পূর্বের কোন ক্ষতিপূরণ ছাড়াই। এভাবে ঈমাম সাহেব থেকে শুরু করে এলাকার যত মানুষের আপনি ক্ষতি করেছেন, তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইলেই বিনা ক্ষতিপূরণেই আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন, তাতে কোন ভুল নেই। বরং এই ভেবে সবাই হাল ছেড়ে বাঁচবেন যে, আজকে থেকে কেউ আর অত্যাচারের স্বীকার হবেন না।

    এবার আপনার মনে ভাবনার উদয় হলো আমার এতো এতো পাপের পর আল্লাহ তায়ালা কি আমাকে ক্ষমা করবেন? আরশের সুশীতল ছায়াতলে কি অদৌ আমার আশ্রয় হবে? তবে এবার আপনাকেই বলছি, একটু চিন্তা করুন তো, যে মানুষকে মহান আল্লাহ তাঁর রহমতের বিশাল ভান্ডার থেকে
    ন্যানো অনু পরিমাণ রহমত দান করেছেন, সেই মানুষই আপনাকে বিনা শর্তে ক্ষমা করে দিলেন তাদের ক্ষতি করার পরও। তাহলে আপনি আল্লাহ তায়ালার কোন ক্ষতি না করে (এতোদিন যা করেছেন সব নিজেরই ক্ষতি করেছেন) রহমতের ভান্ডার, রাহমানুর রহীম আল্লাহ কেন আপনাকে ক্ষমা করবেন না? বরং আল্লাহ খুশি হবেন, মহা খুশি। আপনি কি জানেন যে, আমরা যখন তওবা করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসি তখন আল্লাহ এই ব্যক্তির চেয়ে বেশি খুশি হন, যে মরুভূমিতে তার উট হারিয়ে আবার তা খুঁজে পায়!

    আপনাকে উদ্দেশ্যে করেই মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন-

    فَمَن تَابَ مِنۢ بَعْدِ ظُلْمِهِۦ وَأَصْلَحَ فَإِنَّ ٱللَّهَ يَتُوبُ عَلَيْهِۗ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
    অতঃপর যে তওবা করে স্বীয় অত্যাচারের পর এবং সংশোধিত হয়, নিশ্চয় আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু। (আল মায়িদা- ৫:৩৯)

    আল্লাহ আরো বলেন-

    ثُمَّ إِنَّ رَبَّكَ لِلَّذِينَ عَمِلُوا۟ ٱلسُّوٓءَ بِجَهَٰلَةٍ ثُمَّ تَابُوا۟ مِنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ وَأَصْلَحُوٓا۟ إِنَّ رَبَّكَ مِنۢ بَعْدِهَا لَغَفُورٌ رَّحِيمٌ
    অনন্তর যারা অজ্ঞতাবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর তওবা করে এবং নিজেকে সংশোধন করে নেয়, আপনার পালনকর্তা এসবের পরে তাদের জন্যে অবশ্যই ক্ষমাশীল, দয়ালু। (আন নাহল- ১৬:১১৯)

    إِنَّمَا ٱلتَّوْبَةُ عَلَى ٱللَّهِ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلسُّوٓءَ بِجَهَٰلَةٍ ثُمَّ يَتُوبُونَ مِن قَرِيبٍ فَأُو۟لَٰٓئِكَ يَتُوبُ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا

    অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে; এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাবান। (আন নিসা- ৪:১৭)

    তাছাড়া আপনার ব্যাপারে রাসূল (স.) কে উদ্দেশ্যে করে দয়াময় আল্লাহ তায়ালা বলেন-

    وَإِذَا جَآءَكَ ٱلَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِـَٔايَٰتِنَا فَقُلْ سَلَٰمٌ عَلَيْكُمْۖ كَتَبَ رَبُّكُمْ عَلَىٰ نَفْسِهِ ٱلرَّحْمَةَۖ أَنَّهُۥ مَنْ عَمِلَ مِنكُمْ سُوٓءًۢا بِجَهَٰلَةٍ ثُمَّ تَابَ مِنۢ بَعْدِهِۦ وَأَصْلَحَ فَأَنَّهُۥ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
    আর যখন তারা আপনার কাছে আসবে যারা আমার নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করে, তখন আপনি বলে দিনঃ তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। তোমাদের পালনকর্তা রহমত করা নিজ দায়িত্বে লিখে নিয়েছেন যে, তোমাদের মধ্যে যে কেউ অজ্ঞতাবশতঃ কোন মন্দ কাজ করে, অনন্তর এরপরে তওবা করে নেয় এবং সৎ হয়ে যায়, তবে তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, করুণাময়। (আল আন'আম- ৬:৫৪)

    وَٱلَّذِينَ عَمِلُوا۟ ٱلسَّيِّـَٔاتِ ثُمَّ تَابُوا۟ مِنۢ بَعْدِهَا وَءَامَنُوٓا۟ إِنَّ رَبَّكَ مِنۢ بَعْدِهَا لَغَفُورٌ رَّحِيمٌ
    আর যারা মন্দ কাজ করে, তারপরে তওবা করে নেয় এবং ঈমান নিয়ে আসে, তবে নিশ্চয়ই তোমার পরওয়ারদেগার তওবার পর অবশ্য ক্ষমাকারী, করুণাময়। (আল আ'রাফ- ৭:১৫৩)

    কিন্তু যারা বুঝার পরও ফিরে আসবে না, মানুষের হক নষ্ট করতে থাকবে। তাদেরকে সতর্ক করে মহান আল্লাহ বলেন-

    فَإِن لَّمْ تَفْعَلُوا۟ فَأْذَنُوا۟ بِحَرْبٍ مِّنَ ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦۖ وَإِن تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوَٰلِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ
    অতঃপর যদি তোমরা পরিত্যাগ না কর, তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত হয়ে যাও। কিন্তু যদি তোমরা তওবা কর, তবে তোমরা নিজের মূলধন পেয়ে যাবে। তোমরা কারও প্রতি অত্যাচার করো না এবং কেউ তোমাদের প্রতি অত্যাচার করবে না। (আল বাক্বারা-২:২৭৯)

    আপনি যখন কোন পরম আত্মীয় বা আপনজনের ঘরে অনেক দিন যান না বা ভুলে যান। তখন কোথাও আচমকা আপনার সাথে দেখা হলে তিনি আবদার খাটিয়ে বলেন- "কিরে কি হলো তোমার? আজকাল বাড়িতে যাওনা, ফোন-টোনও দাওনা, ঘটনা কি? ভুলে গেলে নাকি আমাদের?" ঠিক তেমনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা যিনি আপনাকে পরম যতনে আশরাফুল মাখলুখাত বা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন, ঈমানদারদের অভিবাবক মহান আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারীমে ঘোষণা করেন-

    أَفَلَا يَتُوبُونَ إِلَى ٱللَّهِ وَيَسْتَغْفِرُونَهُۥۚ وَٱللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
    তারা আল্লাহর কাছে তওবা করে না কেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে না কেন? আল্লাহ যে ক্ষমাশীল, দয়ালু। (আল মায়িদাহ- ৫:৭৪)

    أَلَمْ يَعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ هُوَ يَقْبَلُ ٱلتَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِۦ وَيَأْخُذُ ٱلصَّدَقَٰتِ وَأَنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلتَّوَّابُ ٱلرَّحِيمُ
    তারা কি একথা জানতে পারেনি যে, আল্লাহ নিজেই স্বীয় বান্দাদের তওবা কবুল করেন এবং যাকাত গ্রহণ করেন? বস্তুতঃ আল্লাহই তওবা কবুলকারী, করুণাময়। (আত তওবা- ৯:১০৪)

    এছাড়া তওবার ব্যাপারে হাদীসেও বিভিন্ন বর্ণনা এসেছে-
    আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, “কোনো ব্যক্তি মরুভূমিতে তার পানীয় ও খাদ্য বহনকারী উটকে হারিয়ে ফেলার পর আবার তা ফিরে পেলে যতটা খুশি হয় আল্লাহ তার চেয়ে বেশি খুশি হন যখন কোনো বান্দা তওবা করে তাঁর নিকট ফিরে আসে।” (সহীহ বুখারী)

    অন্য বর্ণনায় এসেছে, নবী কারীম (সা.) বলেছেন, “মরুভূমিতে হারানো উট ফিরে পাওয়ার পর, উটের লাগাম ধরে খুশির উচ্ছ্বাসে সে বলে উঠল, ‘আল্লাহ তুমি আমার বান্দা আমি তোমার রব। চরম আনন্দের কারণে সে ভুল করে এ কথা বলে ফেলল।” (সহীহ মুসলিম)

    তবে মহান আল্লাহ তায়ালার এসব ঘোষণার পরও যারা ফিরে আসবে না, তাদের জন্য আখিরাতে রয়েছে অত্যন্ত যন্ত্রণাময় এবং কঠিনতর আজাব।

    আমাদের সমাজে আজকাল ভন্ড আলেমদের শেখানো একটি বিষয় প্রচলিত আছে, তা হলো- মৃত্যুর পূর্বক্ষণে মওলানা ডেকে তওবা পড়ানো। যারা এইসব কাজ করে সেইসব কাঠমোল্লা বা ভন্ড আলেমদের প্রতি ধিক্কার। তারা কি মহান আল্লাহ পাকের এই ঘোষণাকে অস্বীকার করে?

    وَلَيْسَتِ ٱلتَّوْبَةُ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلسَّيِّـَٔاتِ حَتَّىٰٓ إِذَا حَضَرَ أَحَدَهُمُ ٱلْمَوْتُ قَالَ إِنِّى تُبْتُ ٱلْـَٰٔنَ وَلَا ٱلَّذِينَ يَمُوتُونَ وَهُمْ كُفَّارٌۚ أُو۟لَٰٓئِكَ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا
    আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। (আন নিসা- ৪:১৮)

    আল্লাহ আরো বলেন-

    إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَمَاتُوا۟ وَهُمْ كُفَّارٌ فَلَن يُقْبَلَ مِنْ أَحَدِهِم مِّلْءُ ٱلْأَرْضِ ذَهَبًا وَلَوِ ٱفْتَدَىٰ بِهِۦٓۗ أُو۟لَٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ وَمَا لَهُم مِّن نَّٰصِرِينَ
    যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই। (আলে ইমরান- ৩:৯১)

    আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবার!
    আমরা কিসের জন্য অপেক্ষা করছি? আসুন আমরা ইতিপূর্বে যা-ই করে থাকি না কেন আল্লাহর রাস্তায় ফিরে আসি, রাসূল (স.) এর দেখানো পন্থায়। আসুন ভীত না হয়ে আল্লাহর রহমতের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর দরবারে অশ্রুবর্ষণ করে আমরা তওবা করি।

    যদিও আল্লাহর কাছে আমাদের এই পাপ-পঙ্কিলতাময় জীবন অতিবাহিত করার অভিজ্ঞতা খুবই তিক্ত। তবুও বান্দা যখন আল্লাহর কাছে ফিরে আসে তখন আল্লাহ অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর রহমত বিশাল ও অন্তহীন এবং এই অভিজ্ঞতাটি খুবই মিষ্ট।

    আপনি কি করেছেন বা কীভাবে আপনার জীবন অতিবাহিত করেছেন তা বিবেচনা না করেই আল্লাহর রহমতের দ্বার সর্বদা আপনার জন্য খোলা থাকে।

    আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, “আল্লাহ বলেন, বনী আদম! তুমি যতক্ষণ আমাকে ডাকতে থাকবে, আমার কাছে (ক্ষমার) আশা করতে থাকবে, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিব; কোনো পরোয়া করব না। বনী আদম! তোমার পাপরাশি যদি মেঘমালা পর্যন্ত পৌঁছে যায়, অতঃপর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, আমি ক্ষমা করে দিব; কোনো পরোয়া করব না। বনী আদম! তুমি যদি পৃথিবী-ভর্তি পাপ নিয়ে আমার কাছে আসো এবং শিরক থেকে মুক্ত হয়ে আমার সাথে সাক্ষাৎ করো, তবে আমি পৃথিবী-ভর্তি ক্ষমা নিয়ে তোমার সাথে সাক্ষাৎ করবো।” (জামে তিরমিযী)

    আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং সঠিক পথে নিজেকে পরিচালিত করার তৌফিক দান করুন (আমীন)।
    “ক্ষমা পাওয়ার পূর্ব শর্ত হলো তওবা (ফিরে আসা)” কল্পনা করুন, এলাকায় আপনি খুব বেশি ক্ষমতাবান ব্যক্তি। এলাকার সর্বোচ্চ প্রভাবশালী বাবার আদরের সন্তান আপনি। যাকে আলালের ঘরের দুলাল বলা হয়। কিন্ত আপনার এই ক্ষমতা আপনাকে কুপথে পরিচালিত করছে। আপনি প্রতিনিয়তই অসহায় মানুষের প্রতি অন্যায় করে চলেছেন। গলির মোড়ের দোকান থেকে প্রতিদিন আপনার সাঙ্গ-পাঙ্গসহ চা, পান, সিগারেট খেয়ে টাকা মন চাইলো তো দিচ্ছেন, আবার মন চাচ্ছে নাতো দিচ্ছেন না। এটা যে আপনি অন্যায় করছেন, সেটা আপনিও জানেন, দোকানিও জানেন। ক্ষমতার জোরে আপনি সেটা গায়ে মাখছেন না বা ভাবছেন পাপ হচ্ছে না, অন্যদিকে ভয়ে দোকানি আপনাকে কিছু বলতে পারছেন না। এলাকার মসজিদের নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ঈমাম সাহেব রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আপনার সাঙ্গ-পাঙ্গসহ ঈমাম সাহেবের যা ছিল তা কেড়ে নিলেন। উনি অসহায়ের মতো একবার আপনার দিকে একবার আকাশের দিকে তাকিয়ে কিছু না বলে চলে গেলেন। এটাও যে অন্যায় সেটা আপনিও জানেন আবার ঈমাম সাহেবও। কিন্তু ক্ষমতার জোরে আপনি গায়ে মাখছেন না বা ভাবছেন পাপ হচ্ছে না, আর ভয়ে ঈমাম সাহেবও কিছু বলছেন না। এভাবে নানান উপায়ে আপনি বিভিন্ন জনের ক্ষতি করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। আপনি যে আপনার এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব করছেন সেটা এলাকার কমবেশি সবাই মোটামুটি জানে, কিন্তু ভয়ে কেউ কিছু বলছে না। এদিকে আপনার খোছ পরোয়া নেহি, আপনি আছেন আপনার তালে। এভাবেই চলছে জীবন............ হঠাৎ এমন একদিন আসলো, যেদিন আল্লাহ কোন এক উছিলায় আপনাকে হিদায়াত দান করলেন। আপনার মধ্যকার ফিতরত উদয় হলো, আপনার ভেতরে নৈতিকতা বীজ বুনলো, আপনি বুঝতে পারলেন এতোদিন যা করে এসেছেন তা পাপ, মহা পাপ। বুঝতে পেরেছেন আপনি মহা ভুলের মধ্যে ছিলেন এতোদিন। আপনি সুপথে আসার সিদ্ধান্ত নিলেন। আল্লাহ প্রদত্ত এবং রাসূল (স.) এর নির্দেশিত পথে নিজের জীবন পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। যেই ভাবা সেই কাজ, আপনি সর্ব প্রথম গেলেন গলির মোড়ের দোকানির কাছে। গিয়ে তার কাছ থেকে ক্ষমা চাইলেন। ওয়াল্লাহি খুশিতে ছলছল নয়নে তিনি আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন বিনা শর্তে, পূর্বের কোন ক্ষতিপূরণ ছাড়াই। এভাবে ঈমাম সাহেব থেকে শুরু করে এলাকার যত মানুষের আপনি ক্ষতি করেছেন, তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইলেই বিনা ক্ষতিপূরণেই আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন, তাতে কোন ভুল নেই। বরং এই ভেবে সবাই হাল ছেড়ে বাঁচবেন যে, আজকে থেকে কেউ আর অত্যাচারের স্বীকার হবেন না। এবার আপনার মনে ভাবনার উদয় হলো আমার এতো এতো পাপের পর আল্লাহ তায়ালা কি আমাকে ক্ষমা করবেন? আরশের সুশীতল ছায়াতলে কি অদৌ আমার আশ্রয় হবে? তবে এবার আপনাকেই বলছি, একটু চিন্তা করুন তো, যে মানুষকে মহান আল্লাহ তাঁর রহমতের বিশাল ভান্ডার থেকে ন্যানো অনু পরিমাণ রহমত দান করেছেন, সেই মানুষই আপনাকে বিনা শর্তে ক্ষমা করে দিলেন তাদের ক্ষতি করার পরও। তাহলে আপনি আল্লাহ তায়ালার কোন ক্ষতি না করে (এতোদিন যা করেছেন সব নিজেরই ক্ষতি করেছেন) রহমতের ভান্ডার, রাহমানুর রহীম আল্লাহ কেন আপনাকে ক্ষমা করবেন না? বরং আল্লাহ খুশি হবেন, মহা খুশি। আপনি কি জানেন যে, আমরা যখন তওবা করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসি তখন আল্লাহ এই ব্যক্তির চেয়ে বেশি খুশি হন, যে মরুভূমিতে তার উট হারিয়ে আবার তা খুঁজে পায়! আপনাকে উদ্দেশ্যে করেই মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন- فَمَن تَابَ مِنۢ بَعْدِ ظُلْمِهِۦ وَأَصْلَحَ فَإِنَّ ٱللَّهَ يَتُوبُ عَلَيْهِۗ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ অতঃপর যে তওবা করে স্বীয় অত্যাচারের পর এবং সংশোধিত হয়, নিশ্চয় আল্লাহ তার তওবা কবুল করেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু। (আল মায়িদা- ৫:৩৯) আল্লাহ আরো বলেন- ثُمَّ إِنَّ رَبَّكَ لِلَّذِينَ عَمِلُوا۟ ٱلسُّوٓءَ بِجَهَٰلَةٍ ثُمَّ تَابُوا۟ مِنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ وَأَصْلَحُوٓا۟ إِنَّ رَبَّكَ مِنۢ بَعْدِهَا لَغَفُورٌ رَّحِيمٌ অনন্তর যারা অজ্ঞতাবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর তওবা করে এবং নিজেকে সংশোধন করে নেয়, আপনার পালনকর্তা এসবের পরে তাদের জন্যে অবশ্যই ক্ষমাশীল, দয়ালু। (আন নাহল- ১৬:১১৯) إِنَّمَا ٱلتَّوْبَةُ عَلَى ٱللَّهِ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلسُّوٓءَ بِجَهَٰلَةٍ ثُمَّ يَتُوبُونَ مِن قَرِيبٍ فَأُو۟لَٰٓئِكَ يَتُوبُ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْۗ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে; এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাবান। (আন নিসা- ৪:১৭) তাছাড়া আপনার ব্যাপারে রাসূল (স.) কে উদ্দেশ্যে করে দয়াময় আল্লাহ তায়ালা বলেন- وَإِذَا جَآءَكَ ٱلَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِـَٔايَٰتِنَا فَقُلْ سَلَٰمٌ عَلَيْكُمْۖ كَتَبَ رَبُّكُمْ عَلَىٰ نَفْسِهِ ٱلرَّحْمَةَۖ أَنَّهُۥ مَنْ عَمِلَ مِنكُمْ سُوٓءًۢا بِجَهَٰلَةٍ ثُمَّ تَابَ مِنۢ بَعْدِهِۦ وَأَصْلَحَ فَأَنَّهُۥ غَفُورٌ رَّحِيمٌ আর যখন তারা আপনার কাছে আসবে যারা আমার নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করে, তখন আপনি বলে দিনঃ তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। তোমাদের পালনকর্তা রহমত করা নিজ দায়িত্বে লিখে নিয়েছেন যে, তোমাদের মধ্যে যে কেউ অজ্ঞতাবশতঃ কোন মন্দ কাজ করে, অনন্তর এরপরে তওবা করে নেয় এবং সৎ হয়ে যায়, তবে তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, করুণাময়। (আল আন'আম- ৬:৫৪) وَٱلَّذِينَ عَمِلُوا۟ ٱلسَّيِّـَٔاتِ ثُمَّ تَابُوا۟ مِنۢ بَعْدِهَا وَءَامَنُوٓا۟ إِنَّ رَبَّكَ مِنۢ بَعْدِهَا لَغَفُورٌ رَّحِيمٌ আর যারা মন্দ কাজ করে, তারপরে তওবা করে নেয় এবং ঈমান নিয়ে আসে, তবে নিশ্চয়ই তোমার পরওয়ারদেগার তওবার পর অবশ্য ক্ষমাকারী, করুণাময়। (আল আ'রাফ- ৭:১৫৩) কিন্তু যারা বুঝার পরও ফিরে আসবে না, মানুষের হক নষ্ট করতে থাকবে। তাদেরকে সতর্ক করে মহান আল্লাহ বলেন- فَإِن لَّمْ تَفْعَلُوا۟ فَأْذَنُوا۟ بِحَرْبٍ مِّنَ ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦۖ وَإِن تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوَٰلِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ অতঃপর যদি তোমরা পরিত্যাগ না কর, তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত হয়ে যাও। কিন্তু যদি তোমরা তওবা কর, তবে তোমরা নিজের মূলধন পেয়ে যাবে। তোমরা কারও প্রতি অত্যাচার করো না এবং কেউ তোমাদের প্রতি অত্যাচার করবে না। (আল বাক্বারা-২:২৭৯) আপনি যখন কোন পরম আত্মীয় বা আপনজনের ঘরে অনেক দিন যান না বা ভুলে যান। তখন কোথাও আচমকা আপনার সাথে দেখা হলে তিনি আবদার খাটিয়ে বলেন- "কিরে কি হলো তোমার? আজকাল বাড়িতে যাওনা, ফোন-টোনও দাওনা, ঘটনা কি? ভুলে গেলে নাকি আমাদের?" ঠিক তেমনি আমাদের সৃষ্টিকর্তা যিনি আপনাকে পরম যতনে আশরাফুল মাখলুখাত বা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন, ঈমানদারদের অভিবাবক মহান আল্লাহ তায়ালা কুরআনুল কারীমে ঘোষণা করেন- أَفَلَا يَتُوبُونَ إِلَى ٱللَّهِ وَيَسْتَغْفِرُونَهُۥۚ وَٱللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ তারা আল্লাহর কাছে তওবা করে না কেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে না কেন? আল্লাহ যে ক্ষমাশীল, দয়ালু। (আল মায়িদাহ- ৫:৭৪) أَلَمْ يَعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ هُوَ يَقْبَلُ ٱلتَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِۦ وَيَأْخُذُ ٱلصَّدَقَٰتِ وَأَنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلتَّوَّابُ ٱلرَّحِيمُ তারা কি একথা জানতে পারেনি যে, আল্লাহ নিজেই স্বীয় বান্দাদের তওবা কবুল করেন এবং যাকাত গ্রহণ করেন? বস্তুতঃ আল্লাহই তওবা কবুলকারী, করুণাময়। (আত তওবা- ৯:১০৪) এছাড়া তওবার ব্যাপারে হাদীসেও বিভিন্ন বর্ণনা এসেছে- আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, “কোনো ব্যক্তি মরুভূমিতে তার পানীয় ও খাদ্য বহনকারী উটকে হারিয়ে ফেলার পর আবার তা ফিরে পেলে যতটা খুশি হয় আল্লাহ তার চেয়ে বেশি খুশি হন যখন কোনো বান্দা তওবা করে তাঁর নিকট ফিরে আসে।” (সহীহ বুখারী) অন্য বর্ণনায় এসেছে, নবী কারীম (সা.) বলেছেন, “মরুভূমিতে হারানো উট ফিরে পাওয়ার পর, উটের লাগাম ধরে খুশির উচ্ছ্বাসে সে বলে উঠল, ‘আল্লাহ তুমি আমার বান্দা আমি তোমার রব। চরম আনন্দের কারণে সে ভুল করে এ কথা বলে ফেলল।” (সহীহ মুসলিম) তবে মহান আল্লাহ তায়ালার এসব ঘোষণার পরও যারা ফিরে আসবে না, তাদের জন্য আখিরাতে রয়েছে অত্যন্ত যন্ত্রণাময় এবং কঠিনতর আজাব। আমাদের সমাজে আজকাল ভন্ড আলেমদের শেখানো একটি বিষয় প্রচলিত আছে, তা হলো- মৃত্যুর পূর্বক্ষণে মওলানা ডেকে তওবা পড়ানো। যারা এইসব কাজ করে সেইসব কাঠমোল্লা বা ভন্ড আলেমদের প্রতি ধিক্কার। তারা কি মহান আল্লাহ পাকের এই ঘোষণাকে অস্বীকার করে? وَلَيْسَتِ ٱلتَّوْبَةُ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلسَّيِّـَٔاتِ حَتَّىٰٓ إِذَا حَضَرَ أَحَدَهُمُ ٱلْمَوْتُ قَالَ إِنِّى تُبْتُ ٱلْـَٰٔنَ وَلَا ٱلَّذِينَ يَمُوتُونَ وَهُمْ كُفَّارٌۚ أُو۟لَٰٓئِكَ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। (আন নিসা- ৪:১৮) আল্লাহ আরো বলেন- إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَمَاتُوا۟ وَهُمْ كُفَّارٌ فَلَن يُقْبَلَ مِنْ أَحَدِهِم مِّلْءُ ٱلْأَرْضِ ذَهَبًا وَلَوِ ٱفْتَدَىٰ بِهِۦٓۗ أُو۟لَٰٓئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ وَمَا لَهُم مِّن نَّٰصِرِينَ যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই। (আলে ইমরান- ৩:৯১) আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আকবার! আমরা কিসের জন্য অপেক্ষা করছি? আসুন আমরা ইতিপূর্বে যা-ই করে থাকি না কেন আল্লাহর রাস্তায় ফিরে আসি, রাসূল (স.) এর দেখানো পন্থায়। আসুন ভীত না হয়ে আল্লাহর রহমতের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর দরবারে অশ্রুবর্ষণ করে আমরা তওবা করি। যদিও আল্লাহর কাছে আমাদের এই পাপ-পঙ্কিলতাময় জীবন অতিবাহিত করার অভিজ্ঞতা খুবই তিক্ত। তবুও বান্দা যখন আল্লাহর কাছে ফিরে আসে তখন আল্লাহ অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং তাঁর রহমত বিশাল ও অন্তহীন এবং এই অভিজ্ঞতাটি খুবই মিষ্ট। আপনি কি করেছেন বা কীভাবে আপনার জীবন অতিবাহিত করেছেন তা বিবেচনা না করেই আল্লাহর রহমতের দ্বার সর্বদা আপনার জন্য খোলা থাকে। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, “আল্লাহ বলেন, বনী আদম! তুমি যতক্ষণ আমাকে ডাকতে থাকবে, আমার কাছে (ক্ষমার) আশা করতে থাকবে, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিব; কোনো পরোয়া করব না। বনী আদম! তোমার পাপরাশি যদি মেঘমালা পর্যন্ত পৌঁছে যায়, অতঃপর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, আমি ক্ষমা করে দিব; কোনো পরোয়া করব না। বনী আদম! তুমি যদি পৃথিবী-ভর্তি পাপ নিয়ে আমার কাছে আসো এবং শিরক থেকে মুক্ত হয়ে আমার সাথে সাক্ষাৎ করো, তবে আমি পৃথিবী-ভর্তি ক্ষমা নিয়ে তোমার সাথে সাক্ষাৎ করবো।” (জামে তিরমিযী) আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং সঠিক পথে নিজেকে পরিচালিত করার তৌফিক দান করুন (আমীন)।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • “নিজেকে রক্ষা করতে হবে নিজের নেক আমলের মাধ্যমে আর পরিবার-পরিজনকে রক্ষা করতে হবে উপদেশের মাধ্যমে।”

    — আলি ইবনে আবু তালিব (রা.)
    [তাফসীরু কুরতুবী, ১৮/১৯৪]
    “নিজেকে রক্ষা করতে হবে নিজের নেক আমলের মাধ্যমে আর পরিবার-পরিজনকে রক্ষা করতে হবে উপদেশের মাধ্যমে।” — আলি ইবনে আবু তালিব (রা.) [তাফসীরু কুরতুবী, ১৮/১৯৪]
    0 Comments 0 Shares
  • হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল।

    আল আহযাব - ৩৩:৭০
    হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল। আল আহযাব - ৩৩:৭০
    0 Comments 0 Shares
  • যদি চোর, বাটপার, বেইমান
    দুর্নীতিবাজ, বিদেশে রপ্তানি
    করা যেত, তবে বিশ্বে সবচেয়ে বড়
    রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ হতো।
    যদি চোর, বাটপার, বেইমান দুর্নীতিবাজ, বিদেশে রপ্তানি করা যেত, তবে বিশ্বে সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ হতো।
    0 Comments 0 Shares
  • পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান।

    আল বাকারা - ১:১১৫
    পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। আল বাকারা - ১:১১৫
    0 Comments 0 Shares
  • যে মন্দকাজ করবে তাকে তার প্রতিফল দেয়া হবে।
    আন নিসা - ৪:১২৩
    যে মন্দকাজ করবে তাকে তার প্রতিফল দেয়া হবে। আন নিসা - ৪:১২৩
    0 Comments 0 Shares
  • আল্লাহ তায়ালা বলেন,
    "আমিই তোমাকে সৃষ্টি করেছি, যখন তুমি কিছুই ছিলে না।"
    [সূরা মারইয়াম, ৯]
    আল্লাহ তায়ালা বলেন, "আমিই তোমাকে সৃষ্টি করেছি, যখন তুমি কিছুই ছিলে না।" [সূরা মারইয়াম, ৯]
    0 Comments 0 Shares
  • স্বর্ণমুদ্রা-রৌপ্যমুদ্রা : পশ্চাদপদতা নাকি অগ্রগামীতা ?
    ........................................................................................
    .
    “যখন কোন একটি জোটনিরপেক্ষভুক্ত দেশের সদস্যের সাথে বৈদেশিক সম্পর্কিত বিষয়ে সমস্যা হবে আমেরিকার তখন আমেরিকা বলবে তুমি রাশিয়ার ধ্বজাধারী সুতরাং আমার কাছে থেকে বোমা খাও এবং উল্টো ক্ষেত্রে রাশিয়াও এরকম বলবে শত্রুভাবাপন্ন কোন একটি জোটনিরপেক্ষভুক্ত দেশকে।”তার মানে, নিরপেক্ষ বলতে আদতে কিছু নেই বরং নিরপেক্ষতার দাবী করবে কপট বিশ্বাসীরা। কথাটা বেশ প্রণিধানযোগ্য। যেমন আজ কোনো এক দৈনিক প্রত্রিকার স্লোগান এরকম “আমরা নিরপেক্ষ নই, আমরা শোষিতের পক্ষে।” কত মর্যাদাবান, সেলিব্রেটি-অনলাইন ব্যক্তিত্ব, বিশ্বের সর্বোচ্চ রেটিং প্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিত আলেম-এ-দ্বীন দেখলাম, তাঁরা “কথা সম্পূর্ণ বলেন না” বা “আসল কথা এড়িয়ে যান” বা “মিথ্যার লেপন দিয়ে দেন সত্যের উপর”। চারিদিকের এরকম এক ”মোসাহেবি বা দরবারী পরিস্থিতিতে” বা “পানিতে নামবো কিন্তু গা ভিজাবো না” বা “সাপও মরবে লাঠিও না ভাঙ্গবে” পরিস্থিতিতে একজন সত্যাশ্রয়ী আলেম খুঁজে পাওয়া সত্যি এক কাকতালীয় ব্যাপারই বটে। জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তবে তার চেয়েও বড় বিষয় হলো যে কলবের মধ্যে জ্ঞান ধারণ করা হবে সেটি পরিষ্রকা আছে কিনা সেটা।
    এরকম এক পরিবেশে যদি কিছুটা কম জ্ঞান-সম্পন্ন ব্যক্তি অপ্রিয় হলেও সেই অপ্রিয় সত্যি কথা বলার চেষ্টা করেন তবে সেটা অনেক গুরুত্ববহ ও সাহসী এক অভিযাত্রা, যেযাত্রায় সাথী পাওয়ার আশা করা আসলেই দুরুহ ব্যাপার, বরং শত্রু পাওয়ার ১০০% নিশ্চয়তা আছে। একজন অপেক্ষাকৃত কম জ্ঞান-সম্পন্ন দ্বীনের দা’ঈ যদি কোন নতুন বিষয়ের খেই ধরিয়ে দিতে পারেন বা অবতারণা করেন যেটা তথাকথিত বয়স্ক ও সুবিধাভোগী জ্ঞানী ব্যক্তিগন ঢেকে রেখেছেন এতদিন, তবে সেই যুবক ও কম জ্ঞান-সম্পন্ন দা‘ঈ অনেক বেশী প্রশংসীত হওয়ার যোগ্য। কারণ তার অবতারণা করা নতুন দৃষ্টি-ভঙ্গিকে বেশী জ্ঞান-সম্পন্নগন প্রয়োজনে ঘষেমেজে পালিশ করে প্রয়োগ যোগ্য করার প্রয়াস পাবেন, অবশ্য যদি তাঁরা মনের জানালাটি খুলতে সক্ষম হন শেষ পর্যন্ত। সাম্প্রতিক সময়ে একজন যুবক দা’ঈ মূলত একটি বিষয়, ক্বিয়ামত ও এর পূর্ববর্তী সময়ে বিশ্বের অবস্থা সম্পর্কে ফোকাস করছিলেন বিভিন্ন বক্তব্যে। অনেক কথার ভিড়ে তিনি বলেছেন যে , আমাদেরকে “স্বর্ণমুদ্রা-রৌপ্যমুদ্রা”-র যুগে ফিরে যেতে হবে। একজন সেলিব্রেটি আলেম ও সুন্নাহ্-র ধারক-বাহক নামে পরিচিত একটি দা’ঈ সংস্থা ভিডিও-বিবৃতি দিলো যে- এই যুবকের ধারণা কল্পনা প্রসূত , অবাস্তব এবং কাগুজে টাকা সম্পূর্ণ হালাল, এই যুবকের বক্তব্য শোনা থেকে বিরত থাকতে হবে.... ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত কিন্তু দ্বীনের প্রতি সহানুভূতিশীল আরেক ভাই ফেসবুকে মন্তব্য করলেন – “…..একবিংশ শতাব্দীতে এসে শিক্ষিত দাবী করা একজন ধর্মীয় বক্তার কাছে যদি এমন আজগুবি কথা (স্বর্ণমুদ্রা-রৌপ্যমুদ্রা) আমাদেরকে শুনতে হয়, তবে বুঝতে হবে আমাদের মুক্তির পথ অনেক দীর্ঘ।”
    .
    এবার শায়েখ ইমরান এন. হোসেইন রচিত The Gold Dinar and Silver Dirham – Islam and the future of Money পুস্তিকাটির উল্লেখযোগ্য অংশ ভাষান্তরের চেষ্টা করে দেখা যাক আমাদের অবস্থান কি হওয়া উচিৎ এব্যাপারে (লেখকের পরিচয় সংযুক্ত ছবিতে দেয়া আছে) –
    ১) কুরআন-সুন্নাহ্-র আলোকে অর্থের পরিচয় –
    ক) যদি ওয়াকীল কোন খারাপ জিনিস বিক্রয় করে, তবে তার বিক্রয় গ্রহণযোগ্য নয় -
    আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) কিছু বরনী খেজুর (উন্নতমানের খেজুর) নিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে আসেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এগুলো কোথায় পেলে? বিলাল (রাঃ) বললেন, আমাদের নিকট কিছু নিকৃষ্ট মানের খেজুর ছিল। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে তা দু‘ সা’-এর বিনিময়ে এক সা‘ কিনেছি। একথা শুনে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হায়! হায়! এটাতো একেবারে সুদ! এটাতো একেবারে সুদ! এরূপ করো না। যখন তুমি উৎকৃষ্ট খেজুর কিনতে চাও, তখন নিকৃষ্ট খেজুর ভিন্নভাবে বিক্রি করে দাও। তারপর সে মূল্যের বিনিময়ে উৎকৃষ্ট খেজুর কিনে নাও। গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة) হাদিস নম্বরঃ ২৩১২ / (মুসলিম ২২/১৮, হাঃ ১৫৯৪, আহমাদ ১১৫৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৬২) / হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) । (গ্রন্থকার পুস্তিকাতে বুখারী হাদীসের বর্ণনা দিয়েছেন রেফারেন্স নম্বর ছাড়া , পোস্টদাতা নম্বর খুঁজতে গিয়ে একই হাদীস রেফারেন্স নম্বর ও তাহকীকের অবস্থাসহ পেয়ে তাই উদ্ধৃত করা সঙ্গত মনে করলো)
    খ) পশুকে পশুর বিনিময়ে বিক্রয় করা এবং উহাকে ধারে বিক্রয় করা প্রসঙ্গ -
    রেওয়ায়ত ৬১. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) একটি রাহেলা [راحلة ভারবাহী বা সাওয়ারীর উট] ক্রয় করিয়াছিলেন চারটি উটের বিনিময়ে। সে রাহেলা বিক্রেতার দায়িত্বে ও জামানতে ছিল। কথা এই ছিল যে, বিক্রেতা উহাকে ক্রেতার নিকট সোপর্দ করিবে রাবাযী (ربزة) নামক স্থানে। গ্রন্থঃ মুয়াত্তা মালিক অধ্যায়ঃ ৩১. ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায় (كتاب البيوع) হাদিস নম্বরঃ ১৩৪৫ / হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ । (গ্রন্থকার পুস্তিকাতে মুয়াত্তা মালিক হাদীসের বর্ণনা দিয়েছেন রেফারেন্স নম্বর ছাড়া , পোস্টদাতা নম্বর খুঁজতে গিয়ে একই হাদীস রেফারেন্স নম্বর ও তাহকীকের অবস্থাসহ পেয়ে তাই উদ্ধৃত করা সঙ্গত মনে করলো)
    গ) যবের বদলে যব (বার্লির বদলে বার্লি) বিক্রয় করা -
    মালিক ইবনু আওস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি একশ’ দ্বীনারের বিনিময় সারফ এর জন্য লোক সন্ধান করছিলেন। তখন তালহা ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) আমাকে ডাক দিলেন। আমরা বিনিময় দ্রব্যের পরিমাণ নিয়ে আলোচনা করতে থাকলাম। অবশেষে তিনি আমার সঙ্গে সারফ [1] করতে রাজী হলেন এবং আমার হতে স্বর্ণ নিয়ে তার হাতে নাড়া-চাড়া করতে করতে বললেন, আমার খাযাঞ্চী গাবা (নামক স্থান) হতে আসা পর্যন্ত (আমার জিনিস পেতে) দেরী করতে হবে। ঐ সময়ে ‘উমার (রাঃ) আমাদের কথা-বার্তা শুনছিলেন। তিনি বলে উঠলেন, আল্লাহর কসম! তার জিনিস গ্রহণ না করা পর্যন্ত তুমি তার হতে বিচ্ছিন্ন হতে পারবে না।
    কারণ, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নগদ নগদ না হলে স্বর্ণের বদলে স্বর্ণের বিক্রয় (সুদ) হবে। নগদ নগদ ছাড়া গমের বদলে গমের বিক্রয় সুদ হবে। নগদ নগদ ছাড়া যবের বদলে যবের বিক্রয় রিবা হবে। নগদ নগদ না হলে খেজুরের বদলে খেজুরের বিক্রয় সুদ হবে। গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع) হাদিস নম্বরঃ ২১৭৪ (২১৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৩৯) / [1] স্বর্ণ-রৌপ্যের পারস্পরিক ক্রয়-বিক্রয়কে সারফ বলে। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) {গ্রন্থকার পুস্তিকাতে সহীহ্ মুসলিম হাদীসের বর্ণনা দিয়েছেন রেফারেন্স নম্বর ছাড়া , পোস্টদাতা নম্বর খুঁজতে গিয়ে একই হাদীস রেফারেন্স নম্বর সহ সহীহ্ আল-বোখারীতে পেয়ে তাই উদ্ধৃত করা সঙ্গত মনে করলো)
    উপর্যুক্ত হাদীসসমূহ থেকে ইসলামে বৈধ অর্থের রুপ সম্বন্ধে যা জানা যায় -
    প্রথমতঃ অর্থ হলো : ১) মূল্যবান ধাতু যেমন - সোনা , রুপা ২) গম , বার্লি , খেজুর বা লবন যেগুলো খাদ্যদ্রব্য হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এবং যেসব দ্রব্যের যথেষ্ট স্থায়ীত্বকালও রয়েছে । ফলে ইয়াসরীব বা মদীনার বাজারে যখন স্বর্ণমুদ্রার ঘাটতি দেখা যেতো তখন অর্থ হিসেবে খেজুরকে বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হতো । আল্লাহ্ পাক সুদকে হারাম করেছেন কারন এরদ্বারা অর্থের ব্যাপক সঞ্চালন হয়না , এতে ধনী আরও ধনী হতে থাকে আর গরীব হতে থাকে আরও গরীব । যেহেতু উটকে অর্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি সেজন্য এই জন্তুর অসম বিনিময়কে হালাল করে যেসব দ্রব্য মানে খেজুর বা এরকম কিছুর অসম বিনিময়কে হারাম করা হয়েছে । সুদের চক্রে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার দরিদ্র নারীরা কাফির দেশ সিঙ্গাপুরে দিনরাত পরিশ্রম করছে , রান্না ও পরিবেশন করতে বাধ্য হচ্ছে হারাম শুকরের মাংস । মহান রাব্বুল আলামীন বিনা কারণে ইন্দোনেশিয়ার “জাভা” প্রদেশে বিশাল রকমের ধান উৎপাদনের ক্ষেতে পরিনত করে দেননি । দিয়েছেন এজন্য যে , এখানকার অধিবাসীরা পুরনো চাল খাবে আর নতুন চাল দিয়ে দেশের ভিতরে-বাইরে প্রয়োজনীয় পণ্য বিনিময় করবে । একইভাবে কিউবাতে ব্যবহার করা যেতে পারে “আখ” বা ”চিনি” ।
    দ্বিতীয়তঃ যখন সোনা , রুপা , গম , বার্লি , খেজুর বা লবনকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে যখন এসব দ্রব্যে ছিল বা এখনও আছে তার নিজস্ব বা অন্তর্নিহিত মূল্যমান (Intrinsic Value) ।
    তৃতীয়তঃ সোনা , রুপা , গম , বার্লি , খেজুর বা লবনকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এসবের সৃষ্টিকর্তা স্বয়ং রাব্বুল আলামীন এবং স্বয়ং তিনিই এগুলোর ভিতরে সৃষ্টিগতভাবে দিয়ে দিয়েছেন প্রতিটির অন্তর্নিহিত মূল্যমান । তিনি নিজেকে আল-রাযযাক বা রিযিকদাতা হিসেবে নামকরণ করেছেন যিনি সৃষ্টি করেছেন সমস্ত বস্তু , অজানা-জানা সবকিছু ।
    সংক্ষেপে “অর্থ” তাকেই বলবো , যা –
    ক) উপর্যুক্ত মূল্যবান ধাতু বা খাদ্যদ্রব্য ।
    খ) যার অন্তর্নিহিত মূল্যমান আছে ।
    গ) মহান আল্লাহ্ পাকের দ্বারা সৃষ্ট বস্তু ।
    কুরআনুল কারীমে মহান আল্লাহ্‌ আযযা ওয়াজাল্লাহ্ বলেন -
    সূরা নম্বরঃ ৩ আলে-ইমরান (ইমরানের পরিবার) আয়াত নম্বরঃ ৭৫ – “কিতাবীদের মধ্যে এমন লোক রহিয়াছে, যে বিপুল সম্পদ আমানত রাখিলেও ফেরত দিবে; আবার এমন লোকও আছে যাহার নিকট একটি দীনারও আমানত রাখিলে তাহার পিছনে লাগিয়া না থাকিলে সে ফেরত দিবে না, ইহা এই কারণে যে, তাহারা বলে, নিরক্ষরদের প্রতি আমাদের কোন বাধ্যবাধকতা নাই, এবং তাহারা জানিয়া-শুনিয়া আল্লাহ্ সম্পর্কে মিথ্যা বলে।”
    সূরা নম্বরঃ ১২ ইউসূফ (নাবী ইউসুফ) আয়াত নম্বরঃ ২০ – “এবং উহারা তাহাকে বিক্রয় করিল স্বল্প মূল্যে-মাত্র কয়েক দিরহামের বিনিময়ে, উহারা ছিল তাহার ব্যাপারে নির্লোভ।”
    সূরা নম্বরঃ ৩ আলে-ইমরান (ইমরানের পরিবার) আয়াত নম্বরঃ ১৪ – “নারী, সন্তান, রাশিকৃত স্বর্ণরৌপ্য আর চিহ্নিত অশ্বরাজি, গবাদিপশু এবং ক্ষেত-খামারের প্রতি আকর্ষণ মানুষের জন্য সুশোভিত করা হইয়াছে। এইসব ইহজীবনের ভোগ্য বস্তু। আর আল্লাহ্, তাঁহারই নিকট রহিয়াছে উত্তম আশ্রয়স্থল।”
    সূরা নম্বরঃ ৩ আলে-ইমরান (ইমরানের পরিবার) আয়াত নম্বরঃ ৯১ – ”যাহারা কুফরী করে এবং কাফিররূপে যাহাদের মৃত্যু ঘটে তাহাদের কাহারও নিকট হইতে পৃথিবীপূর্ণ স্বর্ণ বিনিময় স্বরূপ প্রদান করিলেও তাহা কখনও কবূল করা হইবে না। ইহারাই তাহারা যাহাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রহিয়াছে ; ইহাদের কোন সাহায্যকারী নাই।”
    সূরা নম্বরঃ ৯ আত-তাওবাহ্ (অনুশোচনা) আয়াত নম্বরঃ ৩৪ – ”হে মু'মিনগণ! পণ্ডিত এবং সংসার বিরাগীদের মধ্যে অনেকেই লোকের ধন-সম্পদ অন্যায় ভাবে ভোগ করিয়া থাকে এবং লোককে আল্লাহ্‌র পথ হইতে নিবৃত্ত করে। আর যাহারা স্বর্ণ ও রৌপ্য পুঞ্জীভূত করে এবং আল্লাহ্‌র পথে ব্যয় করে না উহাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তির সংবাদ দাও।”
    সূরা নম্বরঃ ৪৩ যুখরুফ (সোনাদানা) আয়াত নম্বরঃ ৩৩ – {সত্য প্রত্যাখ্যানে মানুষ এক-মতাবলম্বী হইয়া পড়িবে, এই আশংকা না থাকিলে দয়াময় আল্লাহ্‌কে যাহারা অস্বীকার করে, উহাদেরকে আমি দিতাম উহাদের গৃহের জন্য রৌপ্য-নির্মিত ছাদ ও সিঁড়ি যাহাতে উহারা আরোহণ করে,}
    সূরা নম্বরঃ ৪৩ যুখরুফ (সোনাদানা) আয়াত নম্বরঃ ৩৪ – {এবং উহাদের গৃহের জন্য দরজা ও পালঙ্ক-যাহাতে উহারা হেলান দিয়া বিশ্রাম করিতে পারে,}
    সূরা নম্বরঃ ৪৩ যুখরুফ (সোনাদানা) আয়াত নম্বরঃ ৩৫ – ”এবং স্বর্ণ-নির্মিতও। আর এই সকলই তো শুধু পার্থিব জীবনের ভোগ-সম্ভার। মুত্তাকীদের জন্য তোমার প্রতিপালকের নিকট রহিয়াছে আখিরাতের কল্যাণ।”
    সূরা নম্বরঃ ৪ আন-নিসা (নারী) আয়াত নম্বরঃ ২০ – ”তোমরা যদি এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী গ্রহণকরা স্থির কর এবং তাহাদের একজনকে অগাধ অর্থও দিয়া থাক, তবুও উহা হইতে কিছুই প্রতিগ্রহণ করিও না। তোমরা কি মিথ্যা অপবাদ এবং প্রকাশ্য পাপাচরণ দ্বারা উহা গ্রহণ করিবে?”
    সূরা নম্বরঃ ৭৬ আদ-দাহর (সময়) আয়াত নম্বরঃ ২১ – ”তাহাদের আবরণ হইবে সূক্ষ্ম সবুজ রেশম ও স্থূল রেশম, তাহারা অলংকৃত হইবে রৌপ্য নির্মিত কংকনে, আর তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে পান করাইবেন বিশুদ্ধ পানীয়।”
    সূরা নম্বরঃ ৪৩ যুখরুফ (সোনাদানা) আয়াত নম্বরঃ ৭১ – ”স্বর্ণের থালা ও পানপাত্র লইয়া তাহাদেরকে প্রদক্ষিণ করা হইবে ; সেখানে রহিয়াছে সমস্ত কিছু, যাহা অন্তর চাহে এবং যাহাতে নয়ন তৃপ্ত হয়। সেখানে তোমরা স্থায়ী হইবে।”
    সূরা নম্বরঃ ৪৩ যুখরুফ (সোনাদানা) আয়াত নম্বরঃ ৫৩ – {'মূসাকে কেন দেওয়া হইল না স্বর্ণ-বলয় অথবা তাহার সঙ্গে কেন আসিল না ফিরিশতাগণ দলবদ্ধ ভাবে?'}
    সূরা নম্বরঃ ৩৫ ফাতির (আদি স্রষ্টা) আয়াত নম্বরঃ ৩৩ – ”স্থায়ী জান্নাত, যাহাতে তাহারা প্রবেশ করিবে, সেখানে তাহাদেরকে স্বর্ণ-নির্মিত কংকন ও মুক্তা দ্বারা অলংকৃত করা হইবে এবং সেখানে তাহাদের পোশাক-পরিচ্ছদ হইবে রেশমের।”
    সূরা নম্বরঃ ২২হাজ্জ্ব (হাজ্জ) আয়াত নম্বরঃ ২৩ – ”যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ্ তাহাদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তাহাদেরকে অলঙ্কৃত করা হইবে স্বর্ণ-কঙ্কন ও মুক্তা দ্বারা এবং সেখানে তাহাদের পোশাক-পরিচ্ছদ হইবে রেশমের।”
    সূরা নম্বরঃ ১৮ কাহফ (গুহা) আয়াত নম্বরঃ ৩১ – ”উহাদেরই জন্য আছে স্থায়ী জান্নাত যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে উহাদেরকে স্বর্ণ-কংকনে অলংকৃত করা হইবে, উহারা পরিধান করিবে সূক্ষ্ম ও পুরু রেশমের সবুজ বস্ত্র ও সেখানে সমাসীন হইবে সুসজ্জিত আসনে; কত সুন্দর পুরস্কার ও উত্তম আশ্রয়স্থল!”
    সূরা নম্বরঃ ১৭ বানী ইসরাঈল (ইসরায়েলের বংশধর) আয়াত নম্বরঃ ৯৩ – {অথবা তোমার একটি স্বর্ণ নির্মিত গৃহ হইবে, অথবা তুমি আকাশে আরোহণ করিবে, কিন্তু তোমার আকাশ আরোহণে আমরা কখনও ঈমান আনিব না যতক্ষণ তুমি আমাদের প্রতি এক কিতাব অবতীর্ণ না করিবে যাহা আমরা পাঠ করিব।' বল, পবিত্র মহান আমার প্রতিপালক! আমি তো হইতেছি কেবল একজন মানুষ, একজন রাসূল।'}
    তাওহীদের ফযিলতঃ
    আবূ সায়িদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “দাবি নিয়ে দুনিয়াতে তোমাদের যেমন ঝগড়া হয়, তা মুমিনগণ কর্তৃক তাদের ভাইদের সম্পর্কে যাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হয়েছে, তাদের রবের সাথে ঝগড়ার চেয়ে অধিক কঠিন নয়।[1] তিনি বলেন: তারা বলবে: হে আমাদের রব, আমাদের ভাইয়েরা আমাদের সাথে সালাত আদায় করত, আমাদের সাথে সিয়াম পালন করত ও আমাদের সাথে হজ করত, কিন্তু আপনি তাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করিয়েছেন। তিনি বলেন: আল্লাহ বলবেন: যাও তাদের থেকে যাকে তোমরা চিনো তাকে বের কর। তিনি বলেন: তাদের নিকট তারা আসবে, তাদের চেহারা দেখে তাদেরকে তারা চিনবে, তাদের কাউকে আগুন পায়ের গোছার অর্ধেক খেয়ে ফেলেছে। কাউকে পায়ের টাকনু পর্যন্ত খেয়ে ফেলেছে, তাদেরকে তারা বের করবে অতঃপর বলবে: হে আমাদের রব, যাদের সম্পর্কে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন আমরা বের করেছি। তিনি বলেন: আল্লাহ বলবেন: বের কর যার অন্তরে এক দিনার পরিমাণ ঈমান রয়েছে। অতঃপর বলবেন: যার অন্তরে অর্ধেক দিনার পরিমাণ ঈমান রয়েছে। এক সময় বলবেন: যার অন্তরে বিন্দু পরিমাণ ঈমান রয়েছে”। গ্রন্থঃ সহিহ হাদিসে কুদসি অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ হাদিসসমূহ হাদিস নম্বরঃ ১৩ [নাসায়ি ও ইবনু মাজাহ] হাদিসটি সহিহ।
    [1] অর্থাৎ দুনিয়াতে আমরা নিজেদের দাবি নিয়ে যে পরিমাণ ঝগড়া ও তর্কে লিপ্ত হই, আখেরাতে মুমিনগণ আল্লাহর সাথে তার চেয়ে অধিক ঝগড়া ও তর্কে লিপ্ত হবে তাদের ভাইদের মুক্ত করানোর জন্য, যাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হয়েছে। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
    উপরের আয়াতে কারীমা ও হাদীস থেকে বুঝা যায় আল্লাহ্ সুবহানাহু তাআ’লা স্বর্ণ ও রৌপ্য নিজে সৃষ্টি করে এদ্রব্যদ্বয়ের মধ্যে প্রভূত মূল্যমান প্রবেশ করিয়ে দিয়েছেন যার মান-মর্যাদা ইহজগত ও পরজগতে অক্ষুন্ন থাকবে । আয়াতে কারীমাসমূহ বলছে – এই দ্রব্যদ্বয় অন্যান্য প্রযোজ্য বস্তুসহ “অর্থ” হিসেবে যথাযথভাবে কার্যকরী । যেসব ”তথাকথিত অন্ধ আলেম” এই ব্যাখ্যা অস্বীকার করেন তারা যেন পরকালে মহান আল্লাহ্ পাকের কাছে তাঁর প্রশ্নের জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন । আজকের ইয়াহুদী-নাসারা-পাশ্চাত্য ভোগবাদী দুনিয়ায় প্রচলিত অর্থ থেকে তার অন্তর্নিহিত মূল্যমান উবে গেছে যার জন্য মুসলিম সমাজও কম দায়ী নয় অথচ অন্তর্নিহিত মূল্যমানের অর্থ খোদ কুরআন-হাদীস দ্বারা স্বীকৃত ইহকাল-পরকালের প্রযোজ্য ক্ষেত্রে । ইতোমধ্যে মুসলিম সমাজ এই ধরনের “পবিত্র অর্থ” ত্যাগ করে “ধর্মনিরপেক্ষ অর্থ”-কে গ্রহন করে অনেক খেসারত দিয়েছে ।
    সূরা নম্বরঃ ৪ আন-নিসা (নারী) আয়াত নম্বরঃ ১৫৭-১৫৮ : {আর 'আমরা আল্লাহ্‌র রাসূল মারইয়াম-তনয় 'ঈসা মসীহকে হত্যা করিয়াছি' তাহাদের এই উক্তির জন্য। অথচ তাহারা তাহাকে হত্যা করে নাই, ক্রশবিদ্ধও করে নাই ; কিন্তু তাহাদের এইরূপ বিভ্রম হইয়াছিল। যাহারা তাহার সম্বন্ধে মতভেদ করিয়াছিল তাহারা নিশ্চয়ই এই সম্বন্ধে সংশয়যুক্ত ছিল; এই সম্পর্কে অনুমানের অনুসরণ ব্যতীত তাহাদের কোন জ্ঞানই ছিল না। ইহা নিশ্চিত যে, তাহারা তাহাকে হত্যা করে নাই; বরং আল্লাহ্ তাকে তাহাঁর নিকট তুলে লইয়াছেন এবং আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।}
    সকল মুসলিম ও খৃষ্টানরা মনে করে নাবী ঈসা ইবনে মারঈয়াম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম ক্বিয়ামতের আগে দুনিয়ায় আবির্ভূত হয়ে দুনিয়া শাসন করবেন আর ইনিই মাসিহা বা ত্রাণকর্তা হবেন বিশ্ববাসীর জন্য কিন্তু ইয়াহুদীরা তা সম্পূর্ণরুপে অস্বীকার ক’রে তাদের কল্পনার মাসিহ বা দাজ্জালের অপেক্ষায় আছে তাদেরকে দুনিয়ায় পূর্ণাঙ্গভাবে ক্ষমতায় আসীন করাতে আর বিরুদ্ধবাদীদেরকে সমূলে ধ্বংস করতে । নাসারা বা খৃষ্টানরা বিশ্বাস করে যে , নাবী ঈসা ইবনে মারঈয়াম আলাইহি ওয়াস সাল্লামকে ক্রশবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছিল । ব্রিটেনের প্রত্যক্ষ মদদে ১৯১৭ সালে ইয়াহুদীরা জেরুজালেমের মাটিতে স্থান করে নিয়েছে তারা সেখান থেকে বিতাড়িত হওয়ার ২০০০ বছর পরে ; ১৯৪৮ সালে সেখানে অবৈধভাবে ইয়াহুদী রাষ্ট্র কায়েম করে তারা দাজ্জাল বা মিথ্যা মাসিহ-র আগমনকে যেন প্রমানস্বরুপ বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে । ব্রিটেনের পর বর্তমানে বিশ্ব শাসন করছে মূলত আমেরিকা আর এতদিনে আমেরিকার হাত থেকে ক্ষমতা খোদ ইসরাঈলের হাতে চলে যাবার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে যা সামান্য চোখ খুললেই বুঝা যায় । সূরা নম্বর ১৮ কাহফ (গুহা) এন মাধ্যমে আল্লাহ্ পাক সত্য মাসিহ ঈসা আঃ-র পরিবর্তে ইয়াহুদীদের মিথ্যা কামনা-বাসনার দাজ্জাল বা ভন্ড মাসিহ-কে প্রত্যাখ্যান করেছেন । নাবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস সাল্লাম হাদীসের মাধ্যমে আমাদেরকে জানিয়েছেন যে , দাজ্জাল বা ভন্ড মাসিহ-র বিশ্বশাসন করার চেষ্টার বা এর জন্য ফিতনা ছড়ানোর প্রধান হাতিয়ার হবে – ১) বিশ্বের জনসংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে নিয়ে আসা ২) মানুষের আত্মার মৃত্যু ঘটিয়ে দেয়া হবে তার নানা ফিতনার জাল বিছিয়ে , যা শুরু হয়েছে ইতোমধ্যে , যাতে মানুষ দাজ্জালের শয়তানী কর্মকান্ডকে ঐশ্বরিক শক্তি হিসেবে ভ্রমে পতিত হয় । মানুষকে তার দাসে পরিনত করার প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে “সুদ” , বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা এরকম যে , যে লোক সুদি কারবারে ঢুকবে না তাকে অর্থনৈতিক দারিদ্রদশায় পতিত হয়ে জীবন চালাতে হবে আর যে এটাতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবে সে অর্থনৈতিকভাবে সুখী থাকবে । আজ ইয়াহুদীদের ১৩টি পরিবার সমগ্র বিশ্বের সকল অর্থব্যবস্থার নিয়ন্তা , সামান্য কয়েকটি মানুষ পুরো বিশ্বের ৮০-৮৫% সম্পদের মালিক , এই ব্যবধান দিনেদিনে আরও বাড়ছে আর বাড়ছে ।
    ইয়াহুদী-নাসারাদের মহাপরিকল্পনার ফাঁদে আমরা –
    পশ্চিমা বিশ্বের নীলনকশার খেলা হচ্ছে তাদের ও তাদের পদলেহনকারী দেশগুলির প্রচলিত কাগুজে মুদ্রার মূল্যমান বৃদ্ধি করে বাকী বিশ্বে প্রচলিত মুদ্রার মূল্যমান নিম্ন থেকে নিম্নতর করে রাখা আর এই প্রক্রিয়ায় তাদের দাবার গুটি হচ্ছে IMF . আজ মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া সহ সিংহভাগ মুসলিম দেশগুলির মুদ্রার মানের দিকে তাকালেই সব বুঝে আসে , এগুলো কাকতালীয়ভাবে হয়নি , হয়েছে সুদীর্ঘ নীল নকশার সুপরিকল্পিত নাটকের অংশবিশেষ হিসেবে । সূরা নম্বরঃ ৫ আল-মায়িদাহ্ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল) আয়াত নম্বরঃ ৫১ – “হে মু'মিনগণ! তোমরা ইয়াহূদী ও খ্রিস্টানদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিও না, তাহারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে কেহ তাহাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিলে সে তাহাদেরই একজন হইবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ জালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।”
    কয়েকদশক আগেও ইয়াহুদীদের সাথে খৃষ্টানদের সম্পর্ক ছিল বলতে গেলে সাপে-নেউলে আর এখন তারা শক্ত জোট বেঁধেছে আর এরাই UN বা জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের এজেন্ডা চাপিয়ে দিচ্ছে গনমানুষের উপর , তাদের শাসনের যাতাকলের ভিতরে পিষ্ট করে রাখতে । বর্তমান সময়টা উপযোগী হয়ে উঠেছে তাদের মাসিহ বা দাজ্জালের আবির্ভাবের জন্য । যেসব মুসলিম দেশ কুরআন-হাদীসের পরিস্কার নমুনা-নিদর্শন দেখিয়ে দেয়ার পরও দাজ্জালকে এখনও চিনতে পারছে না বা যারা প্রকৃতপক্ষে নিরেট উদাসীন তারাই গাঁটছড়া বেঁধেছে এই ইয়াহুদী-নাসারা জোটের সাথে । এসব নামের মুসলিম দেশ সমগ্র মুসলিম উম্মাহ্-কে দারিদ্রতার শেষ সীমায় ঠেলে দিয়ে ইসরাঈলের পক্ষ নিয়ে সাধারণ মুসলিম আমজনতার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে ।
    ইয়াহুদী-নাসারাদের জোট বাজার অর্থনীতির নামে মানুষকে ক্রীতদাসে পরিনত করেছে , তাদের তৈরী করা আইন দ্বারা শোষন করে নিচ্ছে সকলের শ্রম-মেধা । ১৯৩৩ সালের এপ্রিল মাসে আমেরিকা আইন পাশ করে এরকম - কোন নাগরিক কোনপ্রকার স্বর্ণমুদ্রা , স্বর্ণের বাট বা স্বর্ণমানপত্র আর সংগ্রহে রাখতে পারবে না । এভাবে আমেরিকা সরকার স্বর্ণমুদ্রার প্রচলন রহিত করে দিয়ে ব্যবসা বানিজ্যে এর প্রচলন উঠিয়ে দেয় ফলে স্বর্ণমুদ্রা বিনিময়ের মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার স্থগিত হয়ে গেলো । সরকার প্রতি আউন্স স্বর্ণের বিপরীতে ২০ মার্কিন ডলার মূল্যমানের কাগুজে নোট জনগনের হাতে ধরিয়ে দেয় । এভাবে একই সঙ্গে ব্রিটিশ সরকারও একই পদক্ষেপ গ্রহন করে । যখন জনগনের সকল স্বর্ণ ও স্বর্ণমুদ্রা কাগুজে নোটে পরিনত হলো তখন ১৯৩৪ সালের জানুয়ারী মাসে আমেরিকা সরকার মার্কিন ডলারের অবমূল্যায়ন করলো ৪১% আর সাথে সাথে তারা স্বর্ণ রাখার যে নিষেধাজ্ঞা কয়েকমাস আগে দিয়েছিল তা এখন উঠিয়ে নিলো !!! ফলশ্রুতিতে আমেরিকার জনগন ব্যাংকে ছুটলো স্বর্ণের বিপরীতে ইতোমধ্যে হাতে পাওয়া কাগুজে ডলারের বিনিময়ে স্বর্ণ মজুদ করতে কিন্তু ডলারের অবমূল্যায়ন হওয়াতে তাদেরকে এবার প্রতি আউন্স স্বর্ণ কিনতে হলো ৩৫ মার্কিন ডলারে , মানে তারা তাদের সম্পদের ৪১% খুইয়ে ফেললো এক নিমিষেই !! এটাই হলো শয়তানের বা দাজ্জালের দেখিয়ে দেয়া “আইনসিদ্ধ ডাকাতি” যা করা হয় সময়ে সময়ে মুদ্রার অবমূল্যায়ন করে ।
    সূরা নম্বরঃ ৪ আন-নিসা (নারী) আয়াত নম্বরঃ ২৯ – “হে মু'মিনগণ! তোমরা একে অপরের সম্পত্তি অন্যায় ভাবে গ্রাস করিও না; কিন্তু তোমাদের পরস্পরে রাজী হইয়া ব্যবসায় করা বৈধ; এবং একে অপরকে হত্যা করিও না; নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু।”
    সূরা নম্বরঃ ১১ হুদ (নাবী হুদ) আয়াত নম্বরঃ ৮৫ – “হে আমার সম্প্রদায় ! তোমরা ন্যায় সঙ্গত ভাবে মাপিও ও ওজন করিও, লোকদেরকে তাহাদের প্রাপ্য বস্তু কম দিও না এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করিয়া বেড়াইও না।”
    ইয়াহুদী-নাসারাদের শোষনযন্ত্রগুলি ১৯৩৩-৩৪ সালের ঘটনাটিকে একটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম হিসেবে নিয়ে এর উপযোগীতা পরখ করে এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী মূল্যহীন কাগুজে নোটের মাধ্যমে তার প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষকে নিষ্পেষিত করে চলেছে নিরন্তর । নোটের অবমূল্যায়নের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক গনমানুষ হয়ে পড়ে সর্বস্বান্ত আর গুটিকয়েক রাঘব-বোয়াল আরও ফুলেফেপে উঠে । আমেরিকার এই ধোঁকাবাজির খেলার আগে ১৯৩১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং অবমূল্যায়ন করা হয় ৩০% তার অব্যবহিত পরে তা ৪০%-এ নিয়ে যাওয়া হয় ১৯৩৪ সালের মধ্যেই । একই পদাংক অনুসরণ ক’রে ফ্রান্স তাদের কাগুজে মুদ্রা ফ্রাঙ্কের অবমূল্যায়ন ঘটায় ৩০% , ইটালীর লিরা হয় ৪১%, আর সুইস ফ্রাঙ্ক হয় ৩০% অবমূল্যায়িত । একই পথ অবলম্বন করে ইউরোপের বাকী দেশগুলো - গ্রীস অবমূল্যায়ন করে ৫৯% !!! মুদ্রার অবমূল্যায়নের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে এসব দেশের কর্তাব্যক্তিরা বলেন – রপ্তানীকে উৎসাহ দিতে , আমদানী করা পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে মুদ্রার অবমূল্যায়ন করা হয়েছে কিন্তু আদত কথা হচ্ছে এরফলে দেশগুলি অর্থনৈতিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়েছে , পণ্য ক্রয়ের আভ্যন্তরীন চাহিদা হ্রাস পেয়েছে , বেড়েছে বেকারত্বের হার , সারা বিশ্বে দেখা দিয়েছে অর্থনৈতিক মন্দাভাব । ইয়াহুদী-নাসারাদের সুপরিকল্পিতভাবে চাপিয়ে দেয়া মন্দাভাবকে কাটিয়ে উঠার জন্য (বাহ্যিকভাবে) এই জোট রাস্তা করে দিলো তাদের নীল নকশা অনুযায়ী তৈরী করা “বিশ্ব অর্থ ব্যবস্থা”-র শোষনযন্ত্রকে যেন ব্যবস্থাটি ত্রাণকর্তার ভূমিকায় সুনিপুন অভিনয় করতে পারে । এই জোটের খেলা দেখে মুসলিম বিশ্বের উচিৎ ছিল শান্তির ঘুম থেকে জেগে উঠে নিজেদের স্বার্থে কাজ শুরু করে দেয়া এবং কাগুজে বিনিময় ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে আসা কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য তাদের কানে পানি পৌঁছেনি ।
    আমেরিকার Bretton Woods নামক স্থানে একটি সম্মেলনে আমেরিকা , কানাডা , অষ্ট্রেলিয়া , পশ্চিম ইউরোপ ও জাপানের মত ধনী দেশগুলির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ১৯৪৪ সালে একটি অসৎ উদ্দেশ্য সাধনকল্পে গঠিত হয় একটি আর্থিক খাত বা অর্থব্যবস্থা নিয়ন্ত্রক সংস্থা , মানুষের সম্পদ ছিনিয়ে নিতে জাতিসংঘের ছাতার নীচে IMF নাম দিয়ে । যদি কাগুজে টাকার উপরে প্রদত্ত “মানুষের দেয়া” মূল্যমানের সমপরিমান বা এর খুব কাছাকাছি পরিমান সমমূলেরও ধাতব স্বর্ণ দেশে মজুত রাখার নিয়ম থাকতো তাহলে খুব বেশী সমস্যা হয়ত হতো না হয়ত কিন্তু মানুষের চোখে ধুলো দেয়ার জন্য Bretton Woods সম্মেলন ধোঁকাবাজির আশ্রয় নিয়ে ছাপানো নোটের ১% স্বর্ণের বাজার মূল্যের সমপরিমান স্বর্ণ ভল্টে/রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা রাখার কথা বলে তাদের লজ্জা নিবারন করতে চেষ্টা করলো , মানুষের কাছে তাদের লজ্জার প্রকাশ ঢাকতে একটি দায়সারা যুক্তি/উত্তর ছুড়ে দিতে । কাগুজে নোট Redeemable বা খালাসযোগ্য নয় বা এর নিজের কোন ক্ষমতা নেই এর বাহককে পূর্ণ মূল্যে ক্ষতিপুরন দিতে অর্থাৎ উপরের দেশগুলি বা এদের কয়েকটি দোসর দেশ বাদে সকল দেশের নোট অবমূল্যায়িত হয়ে শোষক রাষ্ট্রগুলির হাতের পুতুলে পরিনত হলো , তারা সম্পদ লুট করে নেয়া শুরু করলো , মানুষ মানুষের শ্রম-দাসে পরিনত হলো কারণ অবমূল্যায়িত কাগুজে নোটের কোন অন্তর্নিহিত বা নিজস্ব মূল্য নেই । আমেরিকার Bretton Woods এ তৈরী করা নীতিতে একটি গাছের পাতা (হাস্যকর যুক্তি) দিয়ে তাদের লজ্জা নিবারন করতে চেয়েছিল অর্থাৎ খুবই হাস্যকর পরিমান স্বর্ণ কাগজের নোটের বিপরীতে জমা রাখার নিয়ম ক'রে কিন্তু তাদের লজ্জার আবরণ সেই গাছের পাতাটিও খসে পড়ে তাদের লজ্জাস্থান উন্মোচিত করে দিলো ১৯৭১ সালে যখন নোটের বিপরীতে সর্বনিম্ন কোন নির্দিষ্ট পরিমান স্বর্ণ জমা রাখার নীতি থেকেও তারা সরে আসলো ।
    আশ্চর্যের বিষয় যে , এসময় উল্লেখযোগ্য কোন ইসলামিক পন্ডিতব্যক্তি কাফিরদের এই শোষনের অস্ত্রের বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাহ্-কে জাগ্রত করার চেষ্টা করেনি । হয়ত তাদের চোখে ধাঁধা লেগে গিয়েছিল কচকচে ডলার নোটের উপরে নজর পড়ে , ফলে তারা কাগুজে নোটকে “হারাম” বলে ফাতওয়া দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন । IMF তার চুক্তিপত্রের Article 4 Section 2(b)-র মাধ্যমে নোটের বিপরীতে স্বর্ণ মজুদের কোন বিধিনিষেধ রাখলো না , এই ধারা বলছে –
    “exchange agreements may include (i) the maintenance by a member of a value for its currency in terms of the special drawing right or another denominator , OTHER THAN GOLD , selected by the member or (ii) cooperative arrangements by which members maintain the value of their currencies in relation to the value of the currency or currencies of other members or (iii) other exchange arrangements of a member’s choice.”
    এই নিবর্তন ও পরিহাসমূলক IMF-র Article 4 Section 2(b)-র সুষ্ঠু ব্যাখ্যা ও সেটির বাতিলের জন্য Treasury ও Federal Reserve Bank-এ আবেদন করেছিলেন আমেরিকার তৎকালীন কংগ্রেসম্যান জনাব Ron Paul সেই ২০০২ সালে কিন্তু আজ পর্যন্ত তার আবেদনের কোন জবাব IMF দিতে পারেনি । Treasury ও Federal Reserve Bank কোন উত্তর দেয়নি কারণ তাদের কাছে কোন উত্তর নেই । ইয়াহুদী-খৃষ্টান গং জাতিসংঘের IMF-র মাধ্যমে তাদের শোষনের থাবা ছড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বব্যাপী , মানুষ হয়েছে হতদরিদ্র , সেবাদাস । যদি মুসলিম দেশ মালয়েশিয়া একটি দ্রব্য প্রতিবেশী মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানী করে তারপরেও মূল্য পরিশোধ করতে হবে মার্কিন ডলারে , তার মানে ডলারের চাহিদা ও মূল্যমান বাড়তেই থাকবে আর ক্রমান্বয়ে অবমূল্যায়িত হতে থাকবে বাকী দেশগুলির নোট বা কাগুজে মুদ্রা । শোষক দেশগুলি ডলার-পাউন্ড-ইউরো ছাপাচ্ছে আর শোষন করে নিচ্ছে বাকী দুনিয়ার খনিজ-জীবাশ্ম সম্পদ সহ মানুষের শ্রম ও মেধা । গুটিকয়েক শোষকের হাতে বন্দী হয়ে পড়েছে পুরো দুনিয়ার তাবৎ নিপীড়িত জনসাধারণ । এই ঘটনা হঠাৎ করে ঘটে যায়নি বরং হয়েছে দীর্ঘকালের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে । আধুনিক (!!??) অর্থ ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক ডাকাতির নাম Fractional-Reserve-Banking System যার মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহককে সুদের পরিশোধযোগ্য হার ধার্য করে অর্থ ধার দেয় কিন্তু সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তার অর্থ-সম্পদ গচ্ছিত/জমা রাখে (CRR-Cash Reserve Ratio) নগন্য পরিমানে , এটা একটি ”আইনসিদ্ধ” চুরি-ডাকাতি বৈ আর কিছুই নয় । আমি মনে করি ইসলামিক মুফতি সাহেবগনের এসব ব্যাপারে কোন জ্ঞানই নেই , এই রচনায় আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার যে ফাঁকির কথা বলা হলো সে ব্যাপারেও তাদের কোন জ্ঞান নেই । শীঘ্রই বর্তমানে প্রচলিত কাগুজে নোট “ইলেকট্রনিক মুদ্রা” দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে শোষকদের দ্বারা এবং মনে হয় মুফতি সাহেবগন তখনও এই ইলেকট্রনিক মুদ্রাকেও “হালাল” বলে ফাতওয়া দিবেন !!! অথচ IMF-র যাতাকলে পিষ্ট হয়ে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ্ দারিদ্রতায় পতিত হচ্ছে। সেদিকে মুফতি সাহেবদের দৃষ্টি নেই, উনারা শুধু নিজের পেট পূজায় ব্যস্ত। আ এ থেকেই প্রতীয়মাণ হয় এদের কাছ থেকে বর্তমানে চলমান ফিতনা সম্পর্কে উম্মাহর বেশি কিছু আশা করাটাই বোকামী।
    .
    আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন।
    স্বর্ণমুদ্রা-রৌপ্যমুদ্রা : পশ্চাদপদতা নাকি অগ্রগামীতা ? ........................................................................................ . “যখন কোন একটি জোটনিরপেক্ষভুক্ত দেশের সদস্যের সাথে বৈদেশিক সম্পর্কিত বিষয়ে সমস্যা হবে আমেরিকার তখন আমেরিকা বলবে তুমি রাশিয়ার ধ্বজাধারী সুতরাং আমার কাছে থেকে বোমা খাও এবং উল্টো ক্ষেত্রে রাশিয়াও এরকম বলবে শত্রুভাবাপন্ন কোন একটি জোটনিরপেক্ষভুক্ত দেশকে।”তার মানে, নিরপেক্ষ বলতে আদতে কিছু নেই বরং নিরপেক্ষতার দাবী করবে কপট বিশ্বাসীরা। কথাটা বেশ প্রণিধানযোগ্য। যেমন আজ কোনো এক দৈনিক প্রত্রিকার স্লোগান এরকম “আমরা নিরপেক্ষ নই, আমরা শোষিতের পক্ষে।” কত মর্যাদাবান, সেলিব্রেটি-অনলাইন ব্যক্তিত্ব, বিশ্বের সর্বোচ্চ রেটিং প্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিত আলেম-এ-দ্বীন দেখলাম, তাঁরা “কথা সম্পূর্ণ বলেন না” বা “আসল কথা এড়িয়ে যান” বা “মিথ্যার লেপন দিয়ে দেন সত্যের উপর”। চারিদিকের এরকম এক ”মোসাহেবি বা দরবারী পরিস্থিতিতে” বা “পানিতে নামবো কিন্তু গা ভিজাবো না” বা “সাপও মরবে লাঠিও না ভাঙ্গবে” পরিস্থিতিতে একজন সত্যাশ্রয়ী আলেম খুঁজে পাওয়া সত্যি এক কাকতালীয় ব্যাপারই বটে। জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তবে তার চেয়েও বড় বিষয় হলো যে কলবের মধ্যে জ্ঞান ধারণ করা হবে সেটি পরিষ্রকা আছে কিনা সেটা। এরকম এক পরিবেশে যদি কিছুটা কম জ্ঞান-সম্পন্ন ব্যক্তি অপ্রিয় হলেও সেই অপ্রিয় সত্যি কথা বলার চেষ্টা করেন তবে সেটা অনেক গুরুত্ববহ ও সাহসী এক অভিযাত্রা, যেযাত্রায় সাথী পাওয়ার আশা করা আসলেই দুরুহ ব্যাপার, বরং শত্রু পাওয়ার ১০০% নিশ্চয়তা আছে। একজন অপেক্ষাকৃত কম জ্ঞান-সম্পন্ন দ্বীনের দা’ঈ যদি কোন নতুন বিষয়ের খেই ধরিয়ে দিতে পারেন বা অবতারণা করেন যেটা তথাকথিত বয়স্ক ও সুবিধাভোগী জ্ঞানী ব্যক্তিগন ঢেকে রেখেছেন এতদিন, তবে সেই যুবক ও কম জ্ঞান-সম্পন্ন দা‘ঈ অনেক বেশী প্রশংসীত হওয়ার যোগ্য। কারণ তার অবতারণা করা নতুন দৃষ্টি-ভঙ্গিকে বেশী জ্ঞান-সম্পন্নগন প্রয়োজনে ঘষেমেজে পালিশ করে প্রয়োগ যোগ্য করার প্রয়াস পাবেন, অবশ্য যদি তাঁরা মনের জানালাটি খুলতে সক্ষম হন শেষ পর্যন্ত। সাম্প্রতিক সময়ে একজন যুবক দা’ঈ মূলত একটি বিষয়, ক্বিয়ামত ও এর পূর্ববর্তী সময়ে বিশ্বের অবস্থা সম্পর্কে ফোকাস করছিলেন বিভিন্ন বক্তব্যে। অনেক কথার ভিড়ে তিনি বলেছেন যে , আমাদেরকে “স্বর্ণমুদ্রা-রৌপ্যমুদ্রা”-র যুগে ফিরে যেতে হবে। একজন সেলিব্রেটি আলেম ও সুন্নাহ্-র ধারক-বাহক নামে পরিচিত একটি দা’ঈ সংস্থা ভিডিও-বিবৃতি দিলো যে- এই যুবকের ধারণা কল্পনা প্রসূত , অবাস্তব এবং কাগুজে টাকা সম্পূর্ণ হালাল, এই যুবকের বক্তব্য শোনা থেকে বিরত থাকতে হবে.... ইত্যাদি। সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত কিন্তু দ্বীনের প্রতি সহানুভূতিশীল আরেক ভাই ফেসবুকে মন্তব্য করলেন – “…..একবিংশ শতাব্দীতে এসে শিক্ষিত দাবী করা একজন ধর্মীয় বক্তার কাছে যদি এমন আজগুবি কথা (স্বর্ণমুদ্রা-রৌপ্যমুদ্রা) আমাদেরকে শুনতে হয়, তবে বুঝতে হবে আমাদের মুক্তির পথ অনেক দীর্ঘ।” . এবার শায়েখ ইমরান এন. হোসেইন রচিত The Gold Dinar and Silver Dirham – Islam and the future of Money পুস্তিকাটির উল্লেখযোগ্য অংশ ভাষান্তরের চেষ্টা করে দেখা যাক আমাদের অবস্থান কি হওয়া উচিৎ এব্যাপারে (লেখকের পরিচয় সংযুক্ত ছবিতে দেয়া আছে) – ১) কুরআন-সুন্নাহ্-র আলোকে অর্থের পরিচয় – ক) যদি ওয়াকীল কোন খারাপ জিনিস বিক্রয় করে, তবে তার বিক্রয় গ্রহণযোগ্য নয় - আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) কিছু বরনী খেজুর (উন্নতমানের খেজুর) নিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে আসেন। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এগুলো কোথায় পেলে? বিলাল (রাঃ) বললেন, আমাদের নিকট কিছু নিকৃষ্ট মানের খেজুর ছিল। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে তা দু‘ সা’-এর বিনিময়ে এক সা‘ কিনেছি। একথা শুনে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হায়! হায়! এটাতো একেবারে সুদ! এটাতো একেবারে সুদ! এরূপ করো না। যখন তুমি উৎকৃষ্ট খেজুর কিনতে চাও, তখন নিকৃষ্ট খেজুর ভিন্নভাবে বিক্রি করে দাও। তারপর সে মূল্যের বিনিময়ে উৎকৃষ্ট খেজুর কিনে নাও। গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة) হাদিস নম্বরঃ ২৩১২ / (মুসলিম ২২/১৮, হাঃ ১৫৯৪, আহমাদ ১১৫৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২১৬২) / হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) । (গ্রন্থকার পুস্তিকাতে বুখারী হাদীসের বর্ণনা দিয়েছেন রেফারেন্স নম্বর ছাড়া , পোস্টদাতা নম্বর খুঁজতে গিয়ে একই হাদীস রেফারেন্স নম্বর ও তাহকীকের অবস্থাসহ পেয়ে তাই উদ্ধৃত করা সঙ্গত মনে করলো) খ) পশুকে পশুর বিনিময়ে বিক্রয় করা এবং উহাকে ধারে বিক্রয় করা প্রসঙ্গ - রেওয়ায়ত ৬১. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) একটি রাহেলা [راحلة ভারবাহী বা সাওয়ারীর উট] ক্রয় করিয়াছিলেন চারটি উটের বিনিময়ে। সে রাহেলা বিক্রেতার দায়িত্বে ও জামানতে ছিল। কথা এই ছিল যে, বিক্রেতা উহাকে ক্রেতার নিকট সোপর্দ করিবে রাবাযী (ربزة) নামক স্থানে। গ্রন্থঃ মুয়াত্তা মালিক অধ্যায়ঃ ৩১. ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায় (كتاب البيوع) হাদিস নম্বরঃ ১৩৪৫ / হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ । (গ্রন্থকার পুস্তিকাতে মুয়াত্তা মালিক হাদীসের বর্ণনা দিয়েছেন রেফারেন্স নম্বর ছাড়া , পোস্টদাতা নম্বর খুঁজতে গিয়ে একই হাদীস রেফারেন্স নম্বর ও তাহকীকের অবস্থাসহ পেয়ে তাই উদ্ধৃত করা সঙ্গত মনে করলো) গ) যবের বদলে যব (বার্লির বদলে বার্লি) বিক্রয় করা - মালিক ইবনু আওস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি একশ’ দ্বীনারের বিনিময় সারফ এর জন্য লোক সন্ধান করছিলেন। তখন তালহা ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) আমাকে ডাক দিলেন। আমরা বিনিময় দ্রব্যের পরিমাণ নিয়ে আলোচনা করতে থাকলাম। অবশেষে তিনি আমার সঙ্গে সারফ [1] করতে রাজী হলেন এবং আমার হতে স্বর্ণ নিয়ে তার হাতে নাড়া-চাড়া করতে করতে বললেন, আমার খাযাঞ্চী গাবা (নামক স্থান) হতে আসা পর্যন্ত (আমার জিনিস পেতে) দেরী করতে হবে। ঐ সময়ে ‘উমার (রাঃ) আমাদের কথা-বার্তা শুনছিলেন। তিনি বলে উঠলেন, আল্লাহর কসম! তার জিনিস গ্রহণ না করা পর্যন্ত তুমি তার হতে বিচ্ছিন্ন হতে পারবে না। কারণ, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নগদ নগদ না হলে স্বর্ণের বদলে স্বর্ণের বিক্রয় (সুদ) হবে। নগদ নগদ ছাড়া গমের বদলে গমের বিক্রয় সুদ হবে। নগদ নগদ ছাড়া যবের বদলে যবের বিক্রয় রিবা হবে। নগদ নগদ না হলে খেজুরের বদলে খেজুরের বিক্রয় সুদ হবে। গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع) হাদিস নম্বরঃ ২১৭৪ (২১৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৩৯) / [1] স্বর্ণ-রৌপ্যের পারস্পরিক ক্রয়-বিক্রয়কে সারফ বলে। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) {গ্রন্থকার পুস্তিকাতে সহীহ্ মুসলিম হাদীসের বর্ণনা দিয়েছেন রেফারেন্স নম্বর ছাড়া , পোস্টদাতা নম্বর খুঁজতে গিয়ে একই হাদীস রেফারেন্স নম্বর সহ সহীহ্ আল-বোখারীতে পেয়ে তাই উদ্ধৃত করা সঙ্গত মনে করলো) উপর্যুক্ত হাদীসসমূহ থেকে ইসলামে বৈধ অর্থের রুপ সম্বন্ধে যা জানা যায় - প্রথমতঃ অর্থ হলো : ১) মূল্যবান ধাতু যেমন - সোনা , রুপা ২) গম , বার্লি , খেজুর বা লবন যেগুলো খাদ্যদ্রব্য হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় এবং যেসব দ্রব্যের যথেষ্ট স্থায়ীত্বকালও রয়েছে । ফলে ইয়াসরীব বা মদীনার বাজারে যখন স্বর্ণমুদ্রার ঘাটতি দেখা যেতো তখন অর্থ হিসেবে খেজুরকে বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হতো । আল্লাহ্ পাক সুদকে হারাম করেছেন কারন এরদ্বারা অর্থের ব্যাপক সঞ্চালন হয়না , এতে ধনী আরও ধনী হতে থাকে আর গরীব হতে থাকে আরও গরীব । যেহেতু উটকে অর্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি সেজন্য এই জন্তুর অসম বিনিময়কে হালাল করে যেসব দ্রব্য মানে খেজুর বা এরকম কিছুর অসম বিনিময়কে হারাম করা হয়েছে । সুদের চক্রে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার দরিদ্র নারীরা কাফির দেশ সিঙ্গাপুরে দিনরাত পরিশ্রম করছে , রান্না ও পরিবেশন করতে বাধ্য হচ্ছে হারাম শুকরের মাংস । মহান রাব্বুল আলামীন বিনা কারণে ইন্দোনেশিয়ার “জাভা” প্রদেশে বিশাল রকমের ধান উৎপাদনের ক্ষেতে পরিনত করে দেননি । দিয়েছেন এজন্য যে , এখানকার অধিবাসীরা পুরনো চাল খাবে আর নতুন চাল দিয়ে দেশের ভিতরে-বাইরে প্রয়োজনীয় পণ্য বিনিময় করবে । একইভাবে কিউবাতে ব্যবহার করা যেতে পারে “আখ” বা ”চিনি” । দ্বিতীয়তঃ যখন সোনা , রুপা , গম , বার্লি , খেজুর বা লবনকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে যখন এসব দ্রব্যে ছিল বা এখনও আছে তার নিজস্ব বা অন্তর্নিহিত মূল্যমান (Intrinsic Value) । তৃতীয়তঃ সোনা , রুপা , গম , বার্লি , খেজুর বা লবনকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এসবের সৃষ্টিকর্তা স্বয়ং রাব্বুল আলামীন এবং স্বয়ং তিনিই এগুলোর ভিতরে সৃষ্টিগতভাবে দিয়ে দিয়েছেন প্রতিটির অন্তর্নিহিত মূল্যমান । তিনি নিজেকে আল-রাযযাক বা রিযিকদাতা হিসেবে নামকরণ করেছেন যিনি সৃষ্টি করেছেন সমস্ত বস্তু , অজানা-জানা সবকিছু । সংক্ষেপে “অর্থ” তাকেই বলবো , যা – ক) উপর্যুক্ত মূল্যবান ধাতু বা খাদ্যদ্রব্য । খ) যার অন্তর্নিহিত মূল্যমান আছে । গ) মহান আল্লাহ্ পাকের দ্বারা সৃষ্ট বস্তু । কুরআনুল কারীমে মহান আল্লাহ্‌ আযযা ওয়াজাল্লাহ্ বলেন - সূরা নম্বরঃ ৩ আলে-ইমরান (ইমরানের পরিবার) আয়াত নম্বরঃ ৭৫ – “কিতাবীদের মধ্যে এমন লোক রহিয়াছে, যে বিপুল সম্পদ আমানত রাখিলেও ফেরত দিবে; আবার এমন লোকও আছে যাহার নিকট একটি দীনারও আমানত রাখিলে তাহার পিছনে লাগিয়া না থাকিলে সে ফেরত দিবে না, ইহা এই কারণে যে, তাহারা বলে, নিরক্ষরদের প্রতি আমাদের কোন বাধ্যবাধকতা নাই, এবং তাহারা জানিয়া-শুনিয়া আল্লাহ্ সম্পর্কে মিথ্যা বলে।” সূরা নম্বরঃ ১২ ইউসূফ (নাবী ইউসুফ) আয়াত নম্বরঃ ২০ – “এবং উহারা তাহাকে বিক্রয় করিল স্বল্প মূল্যে-মাত্র কয়েক দিরহামের বিনিময়ে, উহারা ছিল তাহার ব্যাপারে নির্লোভ।” সূরা নম্বরঃ ৩ আলে-ইমরান (ইমরানের পরিবার) আয়াত নম্বরঃ ১৪ – “নারী, সন্তান, রাশিকৃত স্বর্ণরৌপ্য আর চিহ্নিত অশ্বরাজি, গবাদিপশু এবং ক্ষেত-খামারের প্রতি আকর্ষণ মানুষের জন্য সুশোভিত করা হইয়াছে। এইসব ইহজীবনের ভোগ্য বস্তু। আর আল্লাহ্, তাঁহারই নিকট রহিয়াছে উত্তম আশ্রয়স্থল।” সূরা নম্বরঃ ৩ আলে-ইমরান (ইমরানের পরিবার) আয়াত নম্বরঃ ৯১ – ”যাহারা কুফরী করে এবং কাফিররূপে যাহাদের মৃত্যু ঘটে তাহাদের কাহারও নিকট হইতে পৃথিবীপূর্ণ স্বর্ণ বিনিময় স্বরূপ প্রদান করিলেও তাহা কখনও কবূল করা হইবে না। ইহারাই তাহারা যাহাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রহিয়াছে ; ইহাদের কোন সাহায্যকারী নাই।” সূরা নম্বরঃ ৯ আত-তাওবাহ্ (অনুশোচনা) আয়াত নম্বরঃ ৩৪ – ”হে মু'মিনগণ! পণ্ডিত এবং সংসার বিরাগীদের মধ্যে অনেকেই লোকের ধন-সম্পদ অন্যায় ভাবে ভোগ করিয়া থাকে এবং লোককে আল্লাহ্‌র পথ হইতে নিবৃত্ত করে। আর যাহারা স্বর্ণ ও রৌপ্য পুঞ্জীভূত করে এবং আল্লাহ্‌র পথে ব্যয় করে না উহাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তির সংবাদ দাও।” সূরা নম্বরঃ ৪৩ যুখরুফ (সোনাদানা) আয়াত নম্বরঃ ৩৩ – {সত্য প্রত্যাখ্যানে মানুষ এক-মতাবলম্বী হইয়া পড়িবে, এই আশংকা না থাকিলে দয়াময় আল্লাহ্‌কে যাহারা অস্বীকার করে, উহাদেরকে আমি দিতাম উহাদের গৃহের জন্য রৌপ্য-নির্মিত ছাদ ও সিঁড়ি যাহাতে উহারা আরোহণ করে,} সূরা নম্বরঃ ৪৩ যুখরুফ (সোনাদানা) আয়াত নম্বরঃ ৩৪ – {এবং উহাদের গৃহের জন্য দরজা ও পালঙ্ক-যাহাতে উহারা হেলান দিয়া বিশ্রাম করিতে পারে,} সূরা নম্বরঃ ৪৩ যুখরুফ (সোনাদানা) আয়াত নম্বরঃ ৩৫ – ”এবং স্বর্ণ-নির্মিতও। আর এই সকলই তো শুধু পার্থিব জীবনের ভোগ-সম্ভার। মুত্তাকীদের জন্য তোমার প্রতিপালকের নিকট রহিয়াছে আখিরাতের কল্যাণ।” সূরা নম্বরঃ ৪ আন-নিসা (নারী) আয়াত নম্বরঃ ২০ – ”তোমরা যদি এক স্ত্রীর স্থলে অন্য স্ত্রী গ্রহণকরা স্থির কর এবং তাহাদের একজনকে অগাধ অর্থও দিয়া থাক, তবুও উহা হইতে কিছুই প্রতিগ্রহণ করিও না। তোমরা কি মিথ্যা অপবাদ এবং প্রকাশ্য পাপাচরণ দ্বারা উহা গ্রহণ করিবে?” সূরা নম্বরঃ ৭৬ আদ-দাহর (সময়) আয়াত নম্বরঃ ২১ – ”তাহাদের আবরণ হইবে সূক্ষ্ম সবুজ রেশম ও স্থূল রেশম, তাহারা অলংকৃত হইবে রৌপ্য নির্মিত কংকনে, আর তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে পান করাইবেন বিশুদ্ধ পানীয়।” সূরা নম্বরঃ ৪৩ যুখরুফ (সোনাদানা) আয়াত নম্বরঃ ৭১ – ”স্বর্ণের থালা ও পানপাত্র লইয়া তাহাদেরকে প্রদক্ষিণ করা হইবে ; সেখানে রহিয়াছে সমস্ত কিছু, যাহা অন্তর চাহে এবং যাহাতে নয়ন তৃপ্ত হয়। সেখানে তোমরা স্থায়ী হইবে।” সূরা নম্বরঃ ৪৩ যুখরুফ (সোনাদানা) আয়াত নম্বরঃ ৫৩ – {'মূসাকে কেন দেওয়া হইল না স্বর্ণ-বলয় অথবা তাহার সঙ্গে কেন আসিল না ফিরিশতাগণ দলবদ্ধ ভাবে?'} সূরা নম্বরঃ ৩৫ ফাতির (আদি স্রষ্টা) আয়াত নম্বরঃ ৩৩ – ”স্থায়ী জান্নাত, যাহাতে তাহারা প্রবেশ করিবে, সেখানে তাহাদেরকে স্বর্ণ-নির্মিত কংকন ও মুক্তা দ্বারা অলংকৃত করা হইবে এবং সেখানে তাহাদের পোশাক-পরিচ্ছদ হইবে রেশমের।” সূরা নম্বরঃ ২২হাজ্জ্ব (হাজ্জ) আয়াত নম্বরঃ ২৩ – ”যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ্ তাহাদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তাহাদেরকে অলঙ্কৃত করা হইবে স্বর্ণ-কঙ্কন ও মুক্তা দ্বারা এবং সেখানে তাহাদের পোশাক-পরিচ্ছদ হইবে রেশমের।” সূরা নম্বরঃ ১৮ কাহফ (গুহা) আয়াত নম্বরঃ ৩১ – ”উহাদেরই জন্য আছে স্থায়ী জান্নাত যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে উহাদেরকে স্বর্ণ-কংকনে অলংকৃত করা হইবে, উহারা পরিধান করিবে সূক্ষ্ম ও পুরু রেশমের সবুজ বস্ত্র ও সেখানে সমাসীন হইবে সুসজ্জিত আসনে; কত সুন্দর পুরস্কার ও উত্তম আশ্রয়স্থল!” সূরা নম্বরঃ ১৭ বানী ইসরাঈল (ইসরায়েলের বংশধর) আয়াত নম্বরঃ ৯৩ – {অথবা তোমার একটি স্বর্ণ নির্মিত গৃহ হইবে, অথবা তুমি আকাশে আরোহণ করিবে, কিন্তু তোমার আকাশ আরোহণে আমরা কখনও ঈমান আনিব না যতক্ষণ তুমি আমাদের প্রতি এক কিতাব অবতীর্ণ না করিবে যাহা আমরা পাঠ করিব।' বল, পবিত্র মহান আমার প্রতিপালক! আমি তো হইতেছি কেবল একজন মানুষ, একজন রাসূল।'} তাওহীদের ফযিলতঃ আবূ সায়িদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “দাবি নিয়ে দুনিয়াতে তোমাদের যেমন ঝগড়া হয়, তা মুমিনগণ কর্তৃক তাদের ভাইদের সম্পর্কে যাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হয়েছে, তাদের রবের সাথে ঝগড়ার চেয়ে অধিক কঠিন নয়।[1] তিনি বলেন: তারা বলবে: হে আমাদের রব, আমাদের ভাইয়েরা আমাদের সাথে সালাত আদায় করত, আমাদের সাথে সিয়াম পালন করত ও আমাদের সাথে হজ করত, কিন্তু আপনি তাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করিয়েছেন। তিনি বলেন: আল্লাহ বলবেন: যাও তাদের থেকে যাকে তোমরা চিনো তাকে বের কর। তিনি বলেন: তাদের নিকট তারা আসবে, তাদের চেহারা দেখে তাদেরকে তারা চিনবে, তাদের কাউকে আগুন পায়ের গোছার অর্ধেক খেয়ে ফেলেছে। কাউকে পায়ের টাকনু পর্যন্ত খেয়ে ফেলেছে, তাদেরকে তারা বের করবে অতঃপর বলবে: হে আমাদের রব, যাদের সম্পর্কে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন আমরা বের করেছি। তিনি বলেন: আল্লাহ বলবেন: বের কর যার অন্তরে এক দিনার পরিমাণ ঈমান রয়েছে। অতঃপর বলবেন: যার অন্তরে অর্ধেক দিনার পরিমাণ ঈমান রয়েছে। এক সময় বলবেন: যার অন্তরে বিন্দু পরিমাণ ঈমান রয়েছে”। গ্রন্থঃ সহিহ হাদিসে কুদসি অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ হাদিসসমূহ হাদিস নম্বরঃ ১৩ [নাসায়ি ও ইবনু মাজাহ] হাদিসটি সহিহ। [1] অর্থাৎ দুনিয়াতে আমরা নিজেদের দাবি নিয়ে যে পরিমাণ ঝগড়া ও তর্কে লিপ্ত হই, আখেরাতে মুমিনগণ আল্লাহর সাথে তার চেয়ে অধিক ঝগড়া ও তর্কে লিপ্ত হবে তাদের ভাইদের মুক্ত করানোর জন্য, যাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হয়েছে। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) উপরের আয়াতে কারীমা ও হাদীস থেকে বুঝা যায় আল্লাহ্ সুবহানাহু তাআ’লা স্বর্ণ ও রৌপ্য নিজে সৃষ্টি করে এদ্রব্যদ্বয়ের মধ্যে প্রভূত মূল্যমান প্রবেশ করিয়ে দিয়েছেন যার মান-মর্যাদা ইহজগত ও পরজগতে অক্ষুন্ন থাকবে । আয়াতে কারীমাসমূহ বলছে – এই দ্রব্যদ্বয় অন্যান্য প্রযোজ্য বস্তুসহ “অর্থ” হিসেবে যথাযথভাবে কার্যকরী । যেসব ”তথাকথিত অন্ধ আলেম” এই ব্যাখ্যা অস্বীকার করেন তারা যেন পরকালে মহান আল্লাহ্ পাকের কাছে তাঁর প্রশ্নের জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন । আজকের ইয়াহুদী-নাসারা-পাশ্চাত্য ভোগবাদী দুনিয়ায় প্রচলিত অর্থ থেকে তার অন্তর্নিহিত মূল্যমান উবে গেছে যার জন্য মুসলিম সমাজও কম দায়ী নয় অথচ অন্তর্নিহিত মূল্যমানের অর্থ খোদ কুরআন-হাদীস দ্বারা স্বীকৃত ইহকাল-পরকালের প্রযোজ্য ক্ষেত্রে । ইতোমধ্যে মুসলিম সমাজ এই ধরনের “পবিত্র অর্থ” ত্যাগ করে “ধর্মনিরপেক্ষ অর্থ”-কে গ্রহন করে অনেক খেসারত দিয়েছে । সূরা নম্বরঃ ৪ আন-নিসা (নারী) আয়াত নম্বরঃ ১৫৭-১৫৮ : {আর 'আমরা আল্লাহ্‌র রাসূল মারইয়াম-তনয় 'ঈসা মসীহকে হত্যা করিয়াছি' তাহাদের এই উক্তির জন্য। অথচ তাহারা তাহাকে হত্যা করে নাই, ক্রশবিদ্ধও করে নাই ; কিন্তু তাহাদের এইরূপ বিভ্রম হইয়াছিল। যাহারা তাহার সম্বন্ধে মতভেদ করিয়াছিল তাহারা নিশ্চয়ই এই সম্বন্ধে সংশয়যুক্ত ছিল; এই সম্পর্কে অনুমানের অনুসরণ ব্যতীত তাহাদের কোন জ্ঞানই ছিল না। ইহা নিশ্চিত যে, তাহারা তাহাকে হত্যা করে নাই; বরং আল্লাহ্ তাকে তাহাঁর নিকট তুলে লইয়াছেন এবং আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।} সকল মুসলিম ও খৃষ্টানরা মনে করে নাবী ঈসা ইবনে মারঈয়াম আলাইহি ওয়াস সাল্লাম ক্বিয়ামতের আগে দুনিয়ায় আবির্ভূত হয়ে দুনিয়া শাসন করবেন আর ইনিই মাসিহা বা ত্রাণকর্তা হবেন বিশ্ববাসীর জন্য কিন্তু ইয়াহুদীরা তা সম্পূর্ণরুপে অস্বীকার ক’রে তাদের কল্পনার মাসিহ বা দাজ্জালের অপেক্ষায় আছে তাদেরকে দুনিয়ায় পূর্ণাঙ্গভাবে ক্ষমতায় আসীন করাতে আর বিরুদ্ধবাদীদেরকে সমূলে ধ্বংস করতে । নাসারা বা খৃষ্টানরা বিশ্বাস করে যে , নাবী ঈসা ইবনে মারঈয়াম আলাইহি ওয়াস সাল্লামকে ক্রশবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছিল । ব্রিটেনের প্রত্যক্ষ মদদে ১৯১৭ সালে ইয়াহুদীরা জেরুজালেমের মাটিতে স্থান করে নিয়েছে তারা সেখান থেকে বিতাড়িত হওয়ার ২০০০ বছর পরে ; ১৯৪৮ সালে সেখানে অবৈধভাবে ইয়াহুদী রাষ্ট্র কায়েম করে তারা দাজ্জাল বা মিথ্যা মাসিহ-র আগমনকে যেন প্রমানস্বরুপ বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে । ব্রিটেনের পর বর্তমানে বিশ্ব শাসন করছে মূলত আমেরিকা আর এতদিনে আমেরিকার হাত থেকে ক্ষমতা খোদ ইসরাঈলের হাতে চলে যাবার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে যা সামান্য চোখ খুললেই বুঝা যায় । সূরা নম্বর ১৮ কাহফ (গুহা) এন মাধ্যমে আল্লাহ্ পাক সত্য মাসিহ ঈসা আঃ-র পরিবর্তে ইয়াহুদীদের মিথ্যা কামনা-বাসনার দাজ্জাল বা ভন্ড মাসিহ-কে প্রত্যাখ্যান করেছেন । নাবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস সাল্লাম হাদীসের মাধ্যমে আমাদেরকে জানিয়েছেন যে , দাজ্জাল বা ভন্ড মাসিহ-র বিশ্বশাসন করার চেষ্টার বা এর জন্য ফিতনা ছড়ানোর প্রধান হাতিয়ার হবে – ১) বিশ্বের জনসংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে নিয়ে আসা ২) মানুষের আত্মার মৃত্যু ঘটিয়ে দেয়া হবে তার নানা ফিতনার জাল বিছিয়ে , যা শুরু হয়েছে ইতোমধ্যে , যাতে মানুষ দাজ্জালের শয়তানী কর্মকান্ডকে ঐশ্বরিক শক্তি হিসেবে ভ্রমে পতিত হয় । মানুষকে তার দাসে পরিনত করার প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে “সুদ” , বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা এরকম যে , যে লোক সুদি কারবারে ঢুকবে না তাকে অর্থনৈতিক দারিদ্রদশায় পতিত হয়ে জীবন চালাতে হবে আর যে এটাতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবে সে অর্থনৈতিকভাবে সুখী থাকবে । আজ ইয়াহুদীদের ১৩টি পরিবার সমগ্র বিশ্বের সকল অর্থব্যবস্থার নিয়ন্তা , সামান্য কয়েকটি মানুষ পুরো বিশ্বের ৮০-৮৫% সম্পদের মালিক , এই ব্যবধান দিনেদিনে আরও বাড়ছে আর বাড়ছে । ইয়াহুদী-নাসারাদের মহাপরিকল্পনার ফাঁদে আমরা – পশ্চিমা বিশ্বের নীলনকশার খেলা হচ্ছে তাদের ও তাদের পদলেহনকারী দেশগুলির প্রচলিত কাগুজে মুদ্রার মূল্যমান বৃদ্ধি করে বাকী বিশ্বে প্রচলিত মুদ্রার মূল্যমান নিম্ন থেকে নিম্নতর করে রাখা আর এই প্রক্রিয়ায় তাদের দাবার গুটি হচ্ছে IMF . আজ মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া সহ সিংহভাগ মুসলিম দেশগুলির মুদ্রার মানের দিকে তাকালেই সব বুঝে আসে , এগুলো কাকতালীয়ভাবে হয়নি , হয়েছে সুদীর্ঘ নীল নকশার সুপরিকল্পিত নাটকের অংশবিশেষ হিসেবে । সূরা নম্বরঃ ৫ আল-মায়িদাহ্ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল) আয়াত নম্বরঃ ৫১ – “হে মু'মিনগণ! তোমরা ইয়াহূদী ও খ্রিস্টানদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিও না, তাহারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে কেহ তাহাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিলে সে তাহাদেরই একজন হইবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ জালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।” কয়েকদশক আগেও ইয়াহুদীদের সাথে খৃষ্টানদের সম্পর্ক ছিল বলতে গেলে সাপে-নেউলে আর এখন তারা শক্ত জোট বেঁধেছে আর এরাই UN বা জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের এজেন্ডা চাপিয়ে দিচ্ছে গনমানুষের উপর , তাদের শাসনের যাতাকলের ভিতরে পিষ্ট করে রাখতে । বর্তমান সময়টা উপযোগী হয়ে উঠেছে তাদের মাসিহ বা দাজ্জালের আবির্ভাবের জন্য । যেসব মুসলিম দেশ কুরআন-হাদীসের পরিস্কার নমুনা-নিদর্শন দেখিয়ে দেয়ার পরও দাজ্জালকে এখনও চিনতে পারছে না বা যারা প্রকৃতপক্ষে নিরেট উদাসীন তারাই গাঁটছড়া বেঁধেছে এই ইয়াহুদী-নাসারা জোটের সাথে । এসব নামের মুসলিম দেশ সমগ্র মুসলিম উম্মাহ্-কে দারিদ্রতার শেষ সীমায় ঠেলে দিয়ে ইসরাঈলের পক্ষ নিয়ে সাধারণ মুসলিম আমজনতার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে । ইয়াহুদী-নাসারাদের জোট বাজার অর্থনীতির নামে মানুষকে ক্রীতদাসে পরিনত করেছে , তাদের তৈরী করা আইন দ্বারা শোষন করে নিচ্ছে সকলের শ্রম-মেধা । ১৯৩৩ সালের এপ্রিল মাসে আমেরিকা আইন পাশ করে এরকম - কোন নাগরিক কোনপ্রকার স্বর্ণমুদ্রা , স্বর্ণের বাট বা স্বর্ণমানপত্র আর সংগ্রহে রাখতে পারবে না । এভাবে আমেরিকা সরকার স্বর্ণমুদ্রার প্রচলন রহিত করে দিয়ে ব্যবসা বানিজ্যে এর প্রচলন উঠিয়ে দেয় ফলে স্বর্ণমুদ্রা বিনিময়ের মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার স্থগিত হয়ে গেলো । সরকার প্রতি আউন্স স্বর্ণের বিপরীতে ২০ মার্কিন ডলার মূল্যমানের কাগুজে নোট জনগনের হাতে ধরিয়ে দেয় । এভাবে একই সঙ্গে ব্রিটিশ সরকারও একই পদক্ষেপ গ্রহন করে । যখন জনগনের সকল স্বর্ণ ও স্বর্ণমুদ্রা কাগুজে নোটে পরিনত হলো তখন ১৯৩৪ সালের জানুয়ারী মাসে আমেরিকা সরকার মার্কিন ডলারের অবমূল্যায়ন করলো ৪১% আর সাথে সাথে তারা স্বর্ণ রাখার যে নিষেধাজ্ঞা কয়েকমাস আগে দিয়েছিল তা এখন উঠিয়ে নিলো !!! ফলশ্রুতিতে আমেরিকার জনগন ব্যাংকে ছুটলো স্বর্ণের বিপরীতে ইতোমধ্যে হাতে পাওয়া কাগুজে ডলারের বিনিময়ে স্বর্ণ মজুদ করতে কিন্তু ডলারের অবমূল্যায়ন হওয়াতে তাদেরকে এবার প্রতি আউন্স স্বর্ণ কিনতে হলো ৩৫ মার্কিন ডলারে , মানে তারা তাদের সম্পদের ৪১% খুইয়ে ফেললো এক নিমিষেই !! এটাই হলো শয়তানের বা দাজ্জালের দেখিয়ে দেয়া “আইনসিদ্ধ ডাকাতি” যা করা হয় সময়ে সময়ে মুদ্রার অবমূল্যায়ন করে । সূরা নম্বরঃ ৪ আন-নিসা (নারী) আয়াত নম্বরঃ ২৯ – “হে মু'মিনগণ! তোমরা একে অপরের সম্পত্তি অন্যায় ভাবে গ্রাস করিও না; কিন্তু তোমাদের পরস্পরে রাজী হইয়া ব্যবসায় করা বৈধ; এবং একে অপরকে হত্যা করিও না; নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু।” সূরা নম্বরঃ ১১ হুদ (নাবী হুদ) আয়াত নম্বরঃ ৮৫ – “হে আমার সম্প্রদায় ! তোমরা ন্যায় সঙ্গত ভাবে মাপিও ও ওজন করিও, লোকদেরকে তাহাদের প্রাপ্য বস্তু কম দিও না এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করিয়া বেড়াইও না।” ইয়াহুদী-নাসারাদের শোষনযন্ত্রগুলি ১৯৩৩-৩৪ সালের ঘটনাটিকে একটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম হিসেবে নিয়ে এর উপযোগীতা পরখ করে এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী মূল্যহীন কাগুজে নোটের মাধ্যমে তার প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষকে নিষ্পেষিত করে চলেছে নিরন্তর । নোটের অবমূল্যায়নের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক গনমানুষ হয়ে পড়ে সর্বস্বান্ত আর গুটিকয়েক রাঘব-বোয়াল আরও ফুলেফেপে উঠে । আমেরিকার এই ধোঁকাবাজির খেলার আগে ১৯৩১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং অবমূল্যায়ন করা হয় ৩০% তার অব্যবহিত পরে তা ৪০%-এ নিয়ে যাওয়া হয় ১৯৩৪ সালের মধ্যেই । একই পদাংক অনুসরণ ক’রে ফ্রান্স তাদের কাগুজে মুদ্রা ফ্রাঙ্কের অবমূল্যায়ন ঘটায় ৩০% , ইটালীর লিরা হয় ৪১%, আর সুইস ফ্রাঙ্ক হয় ৩০% অবমূল্যায়িত । একই পথ অবলম্বন করে ইউরোপের বাকী দেশগুলো - গ্রীস অবমূল্যায়ন করে ৫৯% !!! মুদ্রার অবমূল্যায়নের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে এসব দেশের কর্তাব্যক্তিরা বলেন – রপ্তানীকে উৎসাহ দিতে , আমদানী করা পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে মুদ্রার অবমূল্যায়ন করা হয়েছে কিন্তু আদত কথা হচ্ছে এরফলে দেশগুলি অর্থনৈতিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়েছে , পণ্য ক্রয়ের আভ্যন্তরীন চাহিদা হ্রাস পেয়েছে , বেড়েছে বেকারত্বের হার , সারা বিশ্বে দেখা দিয়েছে অর্থনৈতিক মন্দাভাব । ইয়াহুদী-নাসারাদের সুপরিকল্পিতভাবে চাপিয়ে দেয়া মন্দাভাবকে কাটিয়ে উঠার জন্য (বাহ্যিকভাবে) এই জোট রাস্তা করে দিলো তাদের নীল নকশা অনুযায়ী তৈরী করা “বিশ্ব অর্থ ব্যবস্থা”-র শোষনযন্ত্রকে যেন ব্যবস্থাটি ত্রাণকর্তার ভূমিকায় সুনিপুন অভিনয় করতে পারে । এই জোটের খেলা দেখে মুসলিম বিশ্বের উচিৎ ছিল শান্তির ঘুম থেকে জেগে উঠে নিজেদের স্বার্থে কাজ শুরু করে দেয়া এবং কাগুজে বিনিময় ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে আসা কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য তাদের কানে পানি পৌঁছেনি । আমেরিকার Bretton Woods নামক স্থানে একটি সম্মেলনে আমেরিকা , কানাডা , অষ্ট্রেলিয়া , পশ্চিম ইউরোপ ও জাপানের মত ধনী দেশগুলির প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ১৯৪৪ সালে একটি অসৎ উদ্দেশ্য সাধনকল্পে গঠিত হয় একটি আর্থিক খাত বা অর্থব্যবস্থা নিয়ন্ত্রক সংস্থা , মানুষের সম্পদ ছিনিয়ে নিতে জাতিসংঘের ছাতার নীচে IMF নাম দিয়ে । যদি কাগুজে টাকার উপরে প্রদত্ত “মানুষের দেয়া” মূল্যমানের সমপরিমান বা এর খুব কাছাকাছি পরিমান সমমূলেরও ধাতব স্বর্ণ দেশে মজুত রাখার নিয়ম থাকতো তাহলে খুব বেশী সমস্যা হয়ত হতো না হয়ত কিন্তু মানুষের চোখে ধুলো দেয়ার জন্য Bretton Woods সম্মেলন ধোঁকাবাজির আশ্রয় নিয়ে ছাপানো নোটের ১% স্বর্ণের বাজার মূল্যের সমপরিমান স্বর্ণ ভল্টে/রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা রাখার কথা বলে তাদের লজ্জা নিবারন করতে চেষ্টা করলো , মানুষের কাছে তাদের লজ্জার প্রকাশ ঢাকতে একটি দায়সারা যুক্তি/উত্তর ছুড়ে দিতে । কাগুজে নোট Redeemable বা খালাসযোগ্য নয় বা এর নিজের কোন ক্ষমতা নেই এর বাহককে পূর্ণ মূল্যে ক্ষতিপুরন দিতে অর্থাৎ উপরের দেশগুলি বা এদের কয়েকটি দোসর দেশ বাদে সকল দেশের নোট অবমূল্যায়িত হয়ে শোষক রাষ্ট্রগুলির হাতের পুতুলে পরিনত হলো , তারা সম্পদ লুট করে নেয়া শুরু করলো , মানুষ মানুষের শ্রম-দাসে পরিনত হলো কারণ অবমূল্যায়িত কাগুজে নোটের কোন অন্তর্নিহিত বা নিজস্ব মূল্য নেই । আমেরিকার Bretton Woods এ তৈরী করা নীতিতে একটি গাছের পাতা (হাস্যকর যুক্তি) দিয়ে তাদের লজ্জা নিবারন করতে চেয়েছিল অর্থাৎ খুবই হাস্যকর পরিমান স্বর্ণ কাগজের নোটের বিপরীতে জমা রাখার নিয়ম ক'রে কিন্তু তাদের লজ্জার আবরণ সেই গাছের পাতাটিও খসে পড়ে তাদের লজ্জাস্থান উন্মোচিত করে দিলো ১৯৭১ সালে যখন নোটের বিপরীতে সর্বনিম্ন কোন নির্দিষ্ট পরিমান স্বর্ণ জমা রাখার নীতি থেকেও তারা সরে আসলো । আশ্চর্যের বিষয় যে , এসময় উল্লেখযোগ্য কোন ইসলামিক পন্ডিতব্যক্তি কাফিরদের এই শোষনের অস্ত্রের বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাহ্-কে জাগ্রত করার চেষ্টা করেনি । হয়ত তাদের চোখে ধাঁধা লেগে গিয়েছিল কচকচে ডলার নোটের উপরে নজর পড়ে , ফলে তারা কাগুজে নোটকে “হারাম” বলে ফাতওয়া দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন । IMF তার চুক্তিপত্রের Article 4 Section 2(b)-র মাধ্যমে নোটের বিপরীতে স্বর্ণ মজুদের কোন বিধিনিষেধ রাখলো না , এই ধারা বলছে – “exchange agreements may include (i) the maintenance by a member of a value for its currency in terms of the special drawing right or another denominator , OTHER THAN GOLD , selected by the member or (ii) cooperative arrangements by which members maintain the value of their currencies in relation to the value of the currency or currencies of other members or (iii) other exchange arrangements of a member’s choice.” এই নিবর্তন ও পরিহাসমূলক IMF-র Article 4 Section 2(b)-র সুষ্ঠু ব্যাখ্যা ও সেটির বাতিলের জন্য Treasury ও Federal Reserve Bank-এ আবেদন করেছিলেন আমেরিকার তৎকালীন কংগ্রেসম্যান জনাব Ron Paul সেই ২০০২ সালে কিন্তু আজ পর্যন্ত তার আবেদনের কোন জবাব IMF দিতে পারেনি । Treasury ও Federal Reserve Bank কোন উত্তর দেয়নি কারণ তাদের কাছে কোন উত্তর নেই । ইয়াহুদী-খৃষ্টান গং জাতিসংঘের IMF-র মাধ্যমে তাদের শোষনের থাবা ছড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বব্যাপী , মানুষ হয়েছে হতদরিদ্র , সেবাদাস । যদি মুসলিম দেশ মালয়েশিয়া একটি দ্রব্য প্রতিবেশী মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানী করে তারপরেও মূল্য পরিশোধ করতে হবে মার্কিন ডলারে , তার মানে ডলারের চাহিদা ও মূল্যমান বাড়তেই থাকবে আর ক্রমান্বয়ে অবমূল্যায়িত হতে থাকবে বাকী দেশগুলির নোট বা কাগুজে মুদ্রা । শোষক দেশগুলি ডলার-পাউন্ড-ইউরো ছাপাচ্ছে আর শোষন করে নিচ্ছে বাকী দুনিয়ার খনিজ-জীবাশ্ম সম্পদ সহ মানুষের শ্রম ও মেধা । গুটিকয়েক শোষকের হাতে বন্দী হয়ে পড়েছে পুরো দুনিয়ার তাবৎ নিপীড়িত জনসাধারণ । এই ঘটনা হঠাৎ করে ঘটে যায়নি বরং হয়েছে দীর্ঘকালের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে । আধুনিক (!!??) অর্থ ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক ডাকাতির নাম Fractional-Reserve-Banking System যার মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহককে সুদের পরিশোধযোগ্য হার ধার্য করে অর্থ ধার দেয় কিন্তু সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তার অর্থ-সম্পদ গচ্ছিত/জমা রাখে (CRR-Cash Reserve Ratio) নগন্য পরিমানে , এটা একটি ”আইনসিদ্ধ” চুরি-ডাকাতি বৈ আর কিছুই নয় । আমি মনে করি ইসলামিক মুফতি সাহেবগনের এসব ব্যাপারে কোন জ্ঞানই নেই , এই রচনায় আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার যে ফাঁকির কথা বলা হলো সে ব্যাপারেও তাদের কোন জ্ঞান নেই । শীঘ্রই বর্তমানে প্রচলিত কাগুজে নোট “ইলেকট্রনিক মুদ্রা” দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে শোষকদের দ্বারা এবং মনে হয় মুফতি সাহেবগন তখনও এই ইলেকট্রনিক মুদ্রাকেও “হালাল” বলে ফাতওয়া দিবেন !!! অথচ IMF-র যাতাকলে পিষ্ট হয়ে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ্ দারিদ্রতায় পতিত হচ্ছে। সেদিকে মুফতি সাহেবদের দৃষ্টি নেই, উনারা শুধু নিজের পেট পূজায় ব্যস্ত। আ এ থেকেই প্রতীয়মাণ হয় এদের কাছ থেকে বর্তমানে চলমান ফিতনা সম্পর্কে উম্মাহর বেশি কিছু আশা করাটাই বোকামী। . আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • একজন মুসলমান ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবীর: আল্লাহ তাকে নেক হায়াত দারাস করুন।
    ==========================================
    .
    ধান্দাবাজ আর ডাক্তার নামের কসাই গুলোর মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছেন, তাই ওসব কসাই খানার কসাইরা উনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। যখন বিশ্বে ইয়া’জুজ-মা’জুজ দ্বারা সৃষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত কসাইদের অত্যাচারে জনগণ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত। তখন একজন মুসলমান ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবীর চিকিৎসা খাতে বা স্বাস্থ্য সেবায় এক নিরব বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছেন, তিনি ইয়া’জুজ-মা’জুজ দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন অপকৌশল সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছেন। ফলে ইয়া’জুজ-মা’জুজ দ্বারা সৃষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত কসাইদের ব্যবসায় লাল বাতি জ্বলার উপক্রম হয়েছে। যাদের এটা সহ্য হয়না তারা কি বসে থাকবে? প্রশ্নই উঠে না। যারা চিকিৎসার নামে সাধারণ জনগোষ্ঠীর গলা কাটছে, হাসাপাতালের নামে কসাই খানা খুলে বসেছে, তাদের ঘুম হারাম করে দিয়েছেন তিনি। তাই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে। টেস্ট বানিজ্য আর ঔষধ কোম্পানির দালালী করে প্রেসক্রিপশন করে, যারা সব সময় জনগণের সেবা নয়- অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করাই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য বানিয়েছে তারা বসে থাকবে না। যারা ক্লিনিক খুলে কশাইখানা বানিয়েছেন, তারা জাহাঙ্গীর কবীরকে থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। এখনি ঐ সমস্ত কসাইদের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণ একসাথে আওয়াজ তুলুন।
    .
    #আমাদের_দাবী_একটাই
    #কসাইখানা_মুক্ত_হাসপাতাল
    #ও_কসাই_মুক্ত_বাংলাদেশ_চাই

    https://www.youtube.com/channel/UC7vmqR9wv-upqITiV0S65DA
    একজন মুসলমান ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবীর: আল্লাহ তাকে নেক হায়াত দারাস করুন। ========================================== . ধান্দাবাজ আর ডাক্তার নামের কসাই গুলোর মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছেন, তাই ওসব কসাই খানার কসাইরা উনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। যখন বিশ্বে ইয়া’জুজ-মা’জুজ দ্বারা সৃষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত কসাইদের অত্যাচারে জনগণ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত। তখন একজন মুসলমান ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবীর চিকিৎসা খাতে বা স্বাস্থ্য সেবায় এক নিরব বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছেন, তিনি ইয়া’জুজ-মা’জুজ দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন অপকৌশল সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছেন। ফলে ইয়া’জুজ-মা’জুজ দ্বারা সৃষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত কসাইদের ব্যবসায় লাল বাতি জ্বলার উপক্রম হয়েছে। যাদের এটা সহ্য হয়না তারা কি বসে থাকবে? প্রশ্নই উঠে না। যারা চিকিৎসার নামে সাধারণ জনগোষ্ঠীর গলা কাটছে, হাসাপাতালের নামে কসাই খানা খুলে বসেছে, তাদের ঘুম হারাম করে দিয়েছেন তিনি। তাই তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে। টেস্ট বানিজ্য আর ঔষধ কোম্পানির দালালী করে প্রেসক্রিপশন করে, যারা সব সময় জনগণের সেবা নয়- অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করাই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য বানিয়েছে তারা বসে থাকবে না। যারা ক্লিনিক খুলে কশাইখানা বানিয়েছেন, তারা জাহাঙ্গীর কবীরকে থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। এখনি ঐ সমস্ত কসাইদের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণ একসাথে আওয়াজ তুলুন। . #আমাদের_দাবী_একটাই #কসাইখানা_মুক্ত_হাসপাতাল #ও_কসাই_মুক্ত_বাংলাদেশ_চাই https://www.youtube.com/channel/UC7vmqR9wv-upqITiV0S65DA
    WWW.YOUTUBE.COM
    Dr Jahangir Kabir
    Experienced in Family medicine, Diabetes and asthma. Primary Care Respiratory Physician, Trainer of Education for health UK & ICDDRB, coordinator and mentor of International Asthma Module. Lifestyle Modifier.
    0 Comments 0 Shares
  • 📖 যে ব্যক্তি বেশিবেশি "ইস্তিগফার" পাঠ করবে আল্লাহ তাকে ধনী বানিয়ে দিবেন।

    📚👉 সুরা নূহ, ১০-১২ আয়াত দ্রষ্টব্য।
    📖 যে ব্যক্তি বেশিবেশি "ইস্তিগফার" পাঠ করবে আল্লাহ তাকে ধনী বানিয়ে দিবেন। 📚👉 সুরা নূহ, ১০-১২ আয়াত দ্রষ্টব্য।
    0 Comments 0 Shares
  • “নিজেকে রক্ষা করতে হবে নিজের নেক আমলের মাধ্যমে আর পরিবার-পরিজনকে রক্ষা করতে হবে উপদেশের মাধ্যমে।”

    — আলি ইবনে আবু তালিব (রা.)
    [তাফসীরু কুরতুবী, ১৮/১৯৪]
    “নিজেকে রক্ষা করতে হবে নিজের নেক আমলের মাধ্যমে আর পরিবার-পরিজনকে রক্ষা করতে হবে উপদেশের মাধ্যমে।” — আলি ইবনে আবু তালিব (রা.) [তাফসীরু কুরতুবী, ১৮/১৯৪]
    0 Comments 0 Shares
  • নিশ্চয়ই সকল আমাল (এর প্রতিদান) নির্ভর করে নিয়াতের উপর, প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য তাই রয়েছে, যা সে নিয়াত করে। (১:১ বুখারিঃ তাওহীদ পাবলিকেশন)
    নিশ্চয়ই সকল আমাল (এর প্রতিদান) নির্ভর করে নিয়াতের উপর, প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য তাই রয়েছে, যা সে নিয়াত করে। (১:১ বুখারিঃ তাওহীদ পাবলিকেশন)
    0 Comments 0 Shares
  • আলী_রদিয়াল্লাহু_আনহু_বলেনঃ

    🔲 ❛❛জ্ঞান অর্থ-সম্পদের চেয়ে উত্তম। কেননা জ্ঞান তোমাকেই পাহারা দেয় কিন্তু অর্থকে পাহারা দিতে হয়। অথচ জ্ঞান হলো শাসক, আর অর্থ হলো শাসিত। অর্থ ব্যয় করলে নিঃশেষ হয়ে যায় কিন্তু জ্ঞান বিতরণ করলে আরো বৃদ্ধি পায়❜❜৷
    গায্যালী, ইহয়াউল উলূম, ১/১৭-১৮
    আলী_রদিয়াল্লাহু_আনহু_বলেনঃ 🔲 ❛❛জ্ঞান অর্থ-সম্পদের চেয়ে উত্তম। কেননা জ্ঞান তোমাকেই পাহারা দেয় কিন্তু অর্থকে পাহারা দিতে হয়। অথচ জ্ঞান হলো শাসক, আর অর্থ হলো শাসিত। অর্থ ব্যয় করলে নিঃশেষ হয়ে যায় কিন্তু জ্ঞান বিতরণ করলে আরো বৃদ্ধি পায়❜❜৷ গায্যালী, ইহয়াউল উলূম, ১/১৭-১৮
    0 Comments 0 Shares
  • আসমান-যমীন ও এ দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে তার কোন কিছুই আমি খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।
    [সূরা আল আম্বিয়া,আয়াত-১৬]
    আসমান-যমীন ও এ দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে তার কোন কিছুই আমি খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। [সূরা আল আম্বিয়া,আয়াত-১৬]
    1
    0 Comments 0 Shares
  • তোমরা সিজদায় বেশি
    বেশি দোয়া করো,
    কেননা সিজদা হচ্ছে দোয়া
    কবুলের উপযুক্ত সময়।
    [মুসলিম📖-৮৭৩]
    তোমরা সিজদায় বেশি বেশি দোয়া করো, কেননা সিজদা হচ্ছে দোয়া কবুলের উপযুক্ত সময়। [মুসলিম📖-৮৭৩]
    1
    0 Comments 0 Shares
  • যে ব্যক্তি সূরা ইখলাস'কে ভালোবাসে,আল্লাহ তা'য়ালা ও তাকে ভালোবাসেন।

    বোখারী ৭৩৭৫
    যে ব্যক্তি সূরা ইখলাস'কে ভালোবাসে,আল্লাহ তা'য়ালা ও তাকে ভালোবাসেন। বোখারী ৭৩৭৫
    1
    0 Comments 0 Shares
  • "আল্লাহর হুকুম ছাড়া কারও মৃত্যু হবে না কারণ মৃত্যুর সময় নির্ধারিত"

    __আল ইমরান-১৪৫__
    "আল্লাহর হুকুম ছাড়া কারও মৃত্যু হবে না কারণ মৃত্যুর সময় নির্ধারিত" __আল ইমরান-১৪৫__
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • সূরা আল হাজ্জ্ব (الحجّ), আয়াত: ১৮

    أيا كان الله يهينه فلا أحد يقدر أن
    يكرمه.

    আল্লাহ যাকে লাঞ্ছিত করেন, তাকে কেউ সম্মান দিতে পারে না।
    সূরা আল হাজ্জ্ব (الحجّ), আয়াত: ১৮ أيا كان الله يهينه فلا أحد يقدر أن يكرمه. আল্লাহ যাকে লাঞ্ছিত করেন, তাকে কেউ সম্মান দিতে পারে না।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • "যারা কুরআন পাঠকারী এবং উহার ওপর আমলকারী, তারা হলেন আল্লাহর পরিবারভুক্ত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।"

    মুসনাদে আবু দাউদ:৩/২২৩৮
    "যারা কুরআন পাঠকারী এবং উহার ওপর আমলকারী, তারা হলেন আল্লাহর পরিবারভুক্ত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।" মুসনাদে আবু দাউদ:৩/২২৩৮
    2
    0 Comments 0 Shares
  • এক ব্যক্তি রাসুল (সাঃ)কে বলল আমাকে এমন একটি আমলের কথা বলে দিন, যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে --
    রাসুল(সাঃ)বললেন, তুমি আল্লাহর ইবাদত কর এবং তার সাথে কাউকে শরীক করনা, সালাত আদায় করবে,যাকাত দিবে,আত্নীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবে।
    ------[নাসাঈ-৪৬৮]----
    এক ব্যক্তি রাসুল (সাঃ)কে বলল আমাকে এমন একটি আমলের কথা বলে দিন, যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে -- রাসুল(সাঃ)বললেন, তুমি আল্লাহর ইবাদত কর এবং তার সাথে কাউকে শরীক করনা, সালাত আদায় করবে,যাকাত দিবে,আত্নীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবে। ------[নাসাঈ-৪৬৮]----
    1
    0 Comments 0 Shares
  • সালাত আদায়ের সময় কাপড় পরার প্রয়জনীয়তা আল্লাহ তা আলা ইরশাদ করেন,

    "তোমরা প্রত্যেক সালাতের সময় সুন্দর পরিচ্ছদ পরিধান করবে"

    আল-আরাফ ৩১
    সালাত আদায়ের সময় কাপড় পরার প্রয়জনীয়তা আল্লাহ তা আলা ইরশাদ করেন, "তোমরা প্রত্যেক সালাতের সময় সুন্দর পরিচ্ছদ পরিধান করবে" আল-আরাফ ৩১
    1
    0 Comments 0 Shares
  • .
    হে নবী ! আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং কাফিরদের ও মুনাফিকদের আনুগত্য করিও না। আল্লাহ্ তো সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

    يٰۤـاَيُّهَا النَّبِىُّ اتَّقِ اللّٰهَ وَلَا تُطِعِ الْكٰفِرِيْنَ وَالْمُنٰفِقِيْنَ‌ ؕ اِنَّ اللّٰهَ كَانَ عَلِيْمًا حَكِيْمًا ۙ

    সূরা আহযাব, আয়াত- ১)
    . হে নবী ! আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং কাফিরদের ও মুনাফিকদের আনুগত্য করিও না। আল্লাহ্ তো সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। يٰۤـاَيُّهَا النَّبِىُّ اتَّقِ اللّٰهَ وَلَا تُطِعِ الْكٰفِرِيْنَ وَالْمُنٰفِقِيْنَ‌ ؕ اِنَّ اللّٰهَ كَانَ عَلِيْمًا حَكِيْمًا ۙ সূরা আহযাব, আয়াত- ১)
    1
    0 Comments 0 Shares
  • 1
    0 Comments 0 Shares
  • যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে। পরিণামে আল্লাহ তাদের পাপগুলোকে পূণ্য দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। সূরা আল-ফুরক্বান ২৫:৭০
    যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে। পরিণামে আল্লাহ তাদের পাপগুলোকে পূণ্য দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। সূরা আল-ফুরক্বান ২৫:৭০
    1
    0 Comments 0 Shares
  • নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ঐসব লোককে পছন্দ করেন, যারা তার পথে এমনভাবে কাতার বন্দী হয়ে লড়াই করে, যেনো তারা সীসা গলানো মজবুত দেয়াল। (সূরা আস্ সফ- ০৪)
    নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ঐসব লোককে পছন্দ করেন, যারা তার পথে এমনভাবে কাতার বন্দী হয়ে লড়াই করে, যেনো তারা সীসা গলানো মজবুত দেয়াল। (সূরা আস্ সফ- ০৪)
    2
    0 Comments 0 Shares
  • রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে আল্লাহর কাছে দু‘আ বা প্রার্থনা করে না, আল্লাহ তার উপর ক্রোধান্বিত হন।
    _______💓💝💓
    -(আহমাদ ৯৬৯৯, তিরমিযী ৩৩৭৩, ইবনে মাজাহ ৩৮৭২)
    রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে আল্লাহর কাছে দু‘আ বা প্রার্থনা করে না, আল্লাহ তার উপর ক্রোধান্বিত হন। _______💓💝💓 -(আহমাদ ৯৬৯৯, তিরমিযী ৩৩৭৩, ইবনে মাজাহ ৩৮৭২)
    1
    0 Comments 0 Shares
  • যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে দেখতে পাবে তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যেবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা। ( আদ দোখান-০৭)
    যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে দেখতে পাবে তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যেবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা। ( আদ দোখান-০৭)
    0 Comments 0 Shares
  • সুতরাং সত্যিকারের মালিক আল্লাহ মহিমান্বিত, তিনি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; তিনি সম্মানিত ‘আরশের রব।
    সূরা আল মু'মিন - আয়াত[১১৬],
    সুতরাং সত্যিকারের মালিক আল্লাহ মহিমান্বিত, তিনি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; তিনি সম্মানিত ‘আরশের রব। সূরা আল মু'মিন - আয়াত[১১৬],
    2
    0 Comments 0 Shares
  • اِنَّ ہٰذَا لَہُوَ الۡقَصَصُ الۡحَقُّ ۚ وَ مَا مِنۡ اِلٰہٍ اِلَّا اللّٰہُ ؕ وَ اِنَّ اللّٰہَ لَہُوَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَکِیۡمُ ﴿۶۲﴾
    নিশ্চয়ই এ হল সত্য কাহিনী। আর আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন (সত্যিকার) উপাস্য নেই। আর নিশ্চয় আল্লাহ পরম প্রতাপশালী, প্রজ্ঞাময়।
    اِنَّ ہٰذَا لَہُوَ الۡقَصَصُ الۡحَقُّ ۚ وَ مَا مِنۡ اِلٰہٍ اِلَّا اللّٰہُ ؕ وَ اِنَّ اللّٰہَ لَہُوَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَکِیۡمُ ﴿۶۲﴾ নিশ্চয়ই এ হল সত্য কাহিনী। আর আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন (সত্যিকার) উপাস্য নেই। আর নিশ্চয় আল্লাহ পরম প্রতাপশালী, প্রজ্ঞাময়।
    1
    0 Comments 0 Shares
  • আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেনঃ
    ____প্রত্যেক ব্যক্তির উচিৎ, আগামী কালের জন্যে সে কি প্রেরণ করেছে তা চিন্তা করা।
    (সুরা আল হাশরঃ আয়াত নং ১৮)
    আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেনঃ ____প্রত্যেক ব্যক্তির উচিৎ, আগামী কালের জন্যে সে কি প্রেরণ করেছে তা চিন্তা করা। (সুরা আল হাশরঃ আয়াত নং ১৮)
    0 Comments 0 Shares
  • যে ব্যক্তি হাউজে কাওসারের পানি পান করবে,
    সে আর কখনো পিপাসার্ত হবে না।

    সহীহ বুখারীঃ ৬১৩০
    যে ব্যক্তি হাউজে কাওসারের পানি পান করবে, সে আর কখনো পিপাসার্ত হবে না। সহীহ বুখারীঃ ৬১৩০
    0 Comments 0 Shares
  • নাকি তোমরা মনে কর যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে অথচ এখনো তোমাদের কাছে তোমাদের পূর্ববর্তীদের মত অবস্থা আসেনি? অর্থ-সংকট ও দুঃখ-ক্লেশ তাদেরকে স্পর্শ করেছিল এবং তারা ভীত-কম্পিত হয়েছিল এমনকি রাসূল ও তার সংগী-সাথী ঈমানদারগণ বলে উঠেছিল, আল্লাহ্‌র সাহায্য কখন আসবে?
    [সূরা আল-বাকারা]
    নাকি তোমরা মনে কর যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে অথচ এখনো তোমাদের কাছে তোমাদের পূর্ববর্তীদের মত অবস্থা আসেনি? অর্থ-সংকট ও দুঃখ-ক্লেশ তাদেরকে স্পর্শ করেছিল এবং তারা ভীত-কম্পিত হয়েছিল এমনকি রাসূল ও তার সংগী-সাথী ঈমানদারগণ বলে উঠেছিল, আল্লাহ্‌র সাহায্য কখন আসবে? [সূরা আল-বাকারা]
    2
    0 Comments 0 Shares
  • সুলতান সালাহ্উদ্দিন আইয়ুবীকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনাকে তো কখনো হাসতে দেখা যায় না কারণ কি?

    তখন সুলতান সালাহ্উদ্দিন আইয়ুবী ওই ব্যক্তিকে বলেছিলেন‌।

    আমার ভয় হয়! আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন, সালাহ্উদ্দিন মসজিদুল আল-আকসার খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের দখলে আর তুমি হাসছিলে.…. তখন আমি কি জবাব দিব?

    আজ কোথায় সুলতান সালাহ্উদ্দিন আইয়ুবী আর কোথায় নবম কাপুরুষ মুসলিম নামধারী মুরতাদ শাসক গোষ্ঠী কি জবাব দিবে? কাল কিয়ামতের দিনে মহান রবের আসামির কাঠগোড়ায়...
    সুলতান সালাহ্উদ্দিন আইয়ুবীকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনাকে তো কখনো হাসতে দেখা যায় না কারণ কি? তখন সুলতান সালাহ্উদ্দিন আইয়ুবী ওই ব্যক্তিকে বলেছিলেন‌। আমার ভয় হয়! আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন, সালাহ্উদ্দিন মসজিদুল আল-আকসার খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের দখলে আর তুমি হাসছিলে.…. তখন আমি কি জবাব দিব? আজ কোথায় সুলতান সালাহ্উদ্দিন আইয়ুবী আর কোথায় নবম কাপুরুষ মুসলিম নামধারী মুরতাদ শাসক গোষ্ঠী কি জবাব দিবে? কাল কিয়ামতের দিনে মহান রবের আসামির কাঠগোড়ায়...
    3
    0 Comments 0 Shares
  • তোমাদের মধ্যে কেউ দ্বীন হতে ফিরে গেলে আল্লাহ্ এমন এক জাতি আনবেন যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন ও যারা তাঁকে ভালবাসবে। ---(সূরা আল-মায়িদাহঃ৫৪)
    তোমাদের মধ্যে কেউ দ্বীন হতে ফিরে গেলে আল্লাহ্ এমন এক জাতি আনবেন যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন ও যারা তাঁকে ভালবাসবে। ---(সূরা আল-মায়িদাহঃ৫৪)
    0 Comments 0 Shares
  • তারা যদি জানতো আওয়াল ওয়াক্তে যোহরের সালাত আদায় করার কত ফজিলত তাহলে তারা এর জন্য প্রতিযোগিতা করতো।
    সহীহ বুখারীঃ ৬১৫.
    তারা যদি জানতো আওয়াল ওয়াক্তে যোহরের সালাত আদায় করার কত ফজিলত তাহলে তারা এর জন্য প্রতিযোগিতা করতো। সহীহ বুখারীঃ ৬১৫.
    0 Comments 0 Shares
Directory
Gold Member