I am voice for the voiceless.The right to speak and listen to constructive criticism and truthful objectivity will be protected. Let human beings be for the sake of humanity, let the word be for truth, let it be for justice,political and non-political, social and religious issues can be discussed.Everyone's participation and advice is desirable peace and order in the society! Here the wise will be respected. We will give him a chance to cooperate as much as he can from his place.
  • VIP Member
  • Travel and tour at Italy
  • Studied Bsc.in Business studies at London college of law and management
    Class of A
  • Lives in Venice
  • From Narail
  • Male
  • Followed by 148 people
Recent Updates
  • Facebook isn't working!!
    we are coming on market....
    Facebook isn't working!! we are coming on market....
    5
    0 Comments 0 Shares
  • একজন বয়স্ক রাজমিস্ত্রী তার কাজ
    থেকে
    অবসর নিতে চাইলো। তাই সে তার
    মালিকের
    কাছে গিয়ে বললো, ‘বস, আমি এই
    বাড়ি
    বানানোর কাজ থেকে অবসর নিয়ে
    আমার
    স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের সাথে সময়
    কাটাতে চাই।’
    *
    তার মালিক এতে কিছুটা দুঃখ পেল
    কারণ সে
    ছিলো সবচেয়ে দক্ষ ও কর্মঠ
    রাজমিস্ত্রী। সে
    বললো,‘ঠিক আছে, কিন্তু তুমি কি চলে
    যাওয়ার
    আগে আর একটি মাত্র বাড়ি
    বানাতে আমাদের
    সাহায্য করবে?’ বয়স্ক রাজমিস্ত্রী এই
    প্রস্তাবে
    স্বানন্দে রাজী হয়ে গেল।
    *
    কিন্তু কাজ শুরু করার পর দেখা গেল
    তার
    মন সেখানে ছিল না এবং সে সবসময়
    তার
    অবসরের কথা ভেবে অন্যমনস্ক
    থাকতো।
    সবসময় সে বাড়ির চিন্তা করতো। তাই
    এর
    আগে যত কাজ সে করেছিলো এই
    কাজটাই
    তার করা সবচেয়ে খারাপ কাজ হয়ে
    গেল।
    *
    যখন সে বাড়িটি তৈরী করা শেষ
    করলো তখন
    তার মালিক বাড়িটি দেখতে এলো
    এবং বৃদ্ধের
    হাতে বাড়ির চাবি দিয়ে বললো,
    ‘এটা এখন
    থেকে তোমার বাড়ি, তোমার প্রতি
    আমার উপহার।’
    *
    এই কথা শুনে বৃ্দ্ধ আফসোস করে উঠলো!
    সে মনে মনে ভাবলো, ‘হায় হায়! যদি
    আমি
    শুধু একবার জানতাম যে আমি আমার
    নিজের বাড়ি তৈরী করছি! তাহলে
    এটা
    আমার জীবনে করা সবচেয়ে ভাল
    কাজ হতো!’
    *
    আমাদেরও এই জীবনে থেকে
    চিরস্হায়ী জীবনের
    জন্য বাড়ী তৈরী করতে হবে। তাই
    আমরাও যত
    যত্ন সহকারে আমল করে আল্লাহকে
    রাজী করব
    আল্লাহ্ আমাদেরকে তত সুন্দর বাড়ী
    উপহার
    দিবেন।
    ____ আল্লাহ্ সবাইকে বুঝ দান করুন।
    #______আমিন।
    একজন বয়স্ক রাজমিস্ত্রী তার কাজ থেকে অবসর নিতে চাইলো। তাই সে তার মালিকের কাছে গিয়ে বললো, ‘বস, আমি এই বাড়ি বানানোর কাজ থেকে অবসর নিয়ে আমার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েদের সাথে সময় কাটাতে চাই।’ * তার মালিক এতে কিছুটা দুঃখ পেল কারণ সে ছিলো সবচেয়ে দক্ষ ও কর্মঠ রাজমিস্ত্রী। সে বললো,‘ঠিক আছে, কিন্তু তুমি কি চলে যাওয়ার আগে আর একটি মাত্র বাড়ি বানাতে আমাদের সাহায্য করবে?’ বয়স্ক রাজমিস্ত্রী এই প্রস্তাবে স্বানন্দে রাজী হয়ে গেল। * কিন্তু কাজ শুরু করার পর দেখা গেল তার মন সেখানে ছিল না এবং সে সবসময় তার অবসরের কথা ভেবে অন্যমনস্ক থাকতো। সবসময় সে বাড়ির চিন্তা করতো। তাই এর আগে যত কাজ সে করেছিলো এই কাজটাই তার করা সবচেয়ে খারাপ কাজ হয়ে গেল। * যখন সে বাড়িটি তৈরী করা শেষ করলো তখন তার মালিক বাড়িটি দেখতে এলো এবং বৃদ্ধের হাতে বাড়ির চাবি দিয়ে বললো, ‘এটা এখন থেকে তোমার বাড়ি, তোমার প্রতি আমার উপহার।’ * এই কথা শুনে বৃ্দ্ধ আফসোস করে উঠলো! সে মনে মনে ভাবলো, ‘হায় হায়! যদি আমি শুধু একবার জানতাম যে আমি আমার নিজের বাড়ি তৈরী করছি! তাহলে এটা আমার জীবনে করা সবচেয়ে ভাল কাজ হতো!’ * আমাদেরও এই জীবনে থেকে চিরস্হায়ী জীবনের জন্য বাড়ী তৈরী করতে হবে। তাই আমরাও যত যত্ন সহকারে আমল করে আল্লাহকে রাজী করব আল্লাহ্ আমাদেরকে তত সুন্দর বাড়ী উপহার দিবেন। ____ আল্লাহ্ সবাইকে বুঝ দান করুন। #______আমিন।
    7
    1 Comments 1 Shares
  • অহংকার বলে দেয়:
    টাকা কত আছে! সংস্কার বলে দেয় :
    পরিবার কেমন!
    মুখের ভাষা বলে দেয়: মানুষটা কেমন!
    তর্ক বলে দেয় :
    জ্ঞান কেমন!
    স্পর্শ বলে দেয় :
    স্বভাব কেমন!
    পছন্দ বলে দেয়: ভাবনা চিন্তা কেমন!
    স্বপ্ন বলে দেয়:
    ভবিষ্যৎ কেমন!
    অহংকার বলে দেয়: টাকা কত আছে! সংস্কার বলে দেয় : পরিবার কেমন! মুখের ভাষা বলে দেয়: মানুষটা কেমন! তর্ক বলে দেয় : জ্ঞান কেমন! স্পর্শ বলে দেয় : স্বভাব কেমন! পছন্দ বলে দেয়: ভাবনা চিন্তা কেমন! স্বপ্ন বলে দেয়: ভবিষ্যৎ কেমন!
    4
    1 Comments 0 Shares
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আজ দৈনিক প্রথম আলোর শয়তানি নিউজ দেখলাম। প্রথম আলো পার্বত্য চট্টগ্রামে ইসলামের তাবলীগী কার্যক্রমকে আইএস ও আল কায়েদার সাথে যুক্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে প্রথম আলোর উদ্দেশ্য পরিষ্কার। প্রথম আলো মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী ও মিশনারীদের উদ্দেশ্য সাধনে সহায়ক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। এ ব্যাপারে সকলে সচেতন থাকুন এবং প্রথম আলো বয়কট করুন।

    ১. পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা এই অঞ্চলকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্বাধীন যুব উন্নয়ন করার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে গত চার দশক ধরে এ নিয়ে প্রথম আলোতে কোনদিন কোন রিপোর্ট দেখে নি।

    ২. এই বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে স্বাধীন জুমল্যান্ড নাম দিয়ে জুম্মল্যান্ড এর পতাকা মানচিত্র জাতীয় সংগীত মুদ্রা রেডিও সরকার ব্যবস্থা এবং সেনাবাহিনী তথা জুম্ম লিবারেশন আর্মি গড়ে তুলে অনলাইনে অফলাইনে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এ নিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনি।

    ৩. পার্বত্য চট্টগ্রামকে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তুলেছে ভয়াবহ যুদ্ধ অস্ত্র নিয়ে গহীন পাহাড়ের বিভিন্ন অঞ্চলে মিনি ক্যান্টনমেন্ট গড়ে তুলেছে তা নিয়েও প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনি।

    ৪. প্রায় প্রতিদিনই দুর্গম পাহাড়ে এই উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয় তাদের যুদ্ধের কানফাটা শব্দে পাহাড়ের নীরবতা নিস্তব্ধতা খান খান হয়ে যায় এ নিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনি।

    ৫. এই উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা পাহাড়ে বছরে চার শতাধিক কোটি টাকা চাঁদাবাজি করে সরকারি ট্যাক্সের সিস্টেমে সবকিছু থেকে এনিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখি নাই।

    ৫. এই উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা সারাবছর খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, বন্দুকযুদ্ধে পার্বত্য চট্টগ্রামকে সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত করেছে এনিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনা।

    ৬. এই উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা ধর্মীয় স্থাপনা নামে হাজার হাজার একর পাহাড়ি সরকারি খাসজমি পরিত্যক্ত সেনাক্যাম্প দখল করে ধর্মীয় স্থাপনা আড়ালে বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীদেরকে প্রশ্রয় দিচ্ছে এনিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট প্রকাশিত হয়নি।

    ৭. সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্রিশ্চিয়ান মিশনারীদের বিপুল দৌরাত্ম্যের কবলে পড়ে অসহায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকেরা তাদের জাত ও ধর্ম খুইয়ে ক্রিশ্চিয়ানাইজেশনের কার্যক্রমের যুক্ত হয়ে পড়ছে তানিয়া প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনি।

    ৮. বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও এনজিও মিশনারি ও উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের সহায়তায় পার্বত্য চট্টগ্রামকে ক্রিশ্চিয়ান বাফার স্টেট করার জন্য ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে প্রথম আলোর কোন রিপোর্ট আজ পর্যন্ত চোখে পড়েনি।

    ৯. ওমর ফারুক ত্রিপুরা নামে একজন মুসলিমকে ইসলাম ধর্ম প্রচার ও মসজিদ নির্মাণের কারণে মিশনারীদের উস্কানিতে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা খুন করল তানিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনি।

    ১০. শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরা হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে তোলপাড় আন্দোলন হলেও প্রথম আলোর চোখে পড়েনি এসবের কিছুই।

    ১১. ওমর ফারুক ত্রিপুরা হত্যার পর সেখানকার নওমুসলিমরা উপজাতীয়দের হত্যার হুমকির ভয়ে প্রাণ বাঁচাতে গত একমাস ধরে পাহাড়ের বিভিন্ন অঞ্চলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে এনিয়ে প্রথম আলোতে কোনো রিপোর্ট নেই।

    ১২. ওমর ফারুক ত্রিপুরা হত্যার পর মিশনারি ও উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের হুমকির ভয়ে অসংখ্য মুসলিম পরিবার ধর্মান্তরিত হয়ে ক্রিশ্চিয়ান হয়ে গিয়েছে প্রথম আলোর অনুসন্ধানে এমন কোন রিপোর্ট দৃষ্টিগোচর হয়নি।

    কবি আবু হাসান শাহরিয়ার তার এক লেখায় একবার মন্তব্য করেছিলেন - এ যুগের সবচেয়ে অন্ধকার গলির নাম প্রথম আলো। এটা যথাযথ মন্তব্য।

    © কমরেড মাহমুদ
    পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আজ দৈনিক প্রথম আলোর শয়তানি নিউজ দেখলাম। প্রথম আলো পার্বত্য চট্টগ্রামে ইসলামের তাবলীগী কার্যক্রমকে আইএস ও আল কায়েদার সাথে যুক্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে প্রথম আলোর উদ্দেশ্য পরিষ্কার। প্রথম আলো মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী ও মিশনারীদের উদ্দেশ্য সাধনে সহায়ক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। এ ব্যাপারে সকলে সচেতন থাকুন এবং প্রথম আলো বয়কট করুন। ১. পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা এই অঞ্চলকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্বাধীন যুব উন্নয়ন করার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে গত চার দশক ধরে এ নিয়ে প্রথম আলোতে কোনদিন কোন রিপোর্ট দেখে নি। ২. এই বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে স্বাধীন জুমল্যান্ড নাম দিয়ে জুম্মল্যান্ড এর পতাকা মানচিত্র জাতীয় সংগীত মুদ্রা রেডিও সরকার ব্যবস্থা এবং সেনাবাহিনী তথা জুম্ম লিবারেশন আর্মি গড়ে তুলে অনলাইনে অফলাইনে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এ নিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনি। ৩. পার্বত্য চট্টগ্রামকে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তুলেছে ভয়াবহ যুদ্ধ অস্ত্র নিয়ে গহীন পাহাড়ের বিভিন্ন অঞ্চলে মিনি ক্যান্টনমেন্ট গড়ে তুলেছে তা নিয়েও প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনি। ৪. প্রায় প্রতিদিনই দুর্গম পাহাড়ে এই উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয় তাদের যুদ্ধের কানফাটা শব্দে পাহাড়ের নীরবতা নিস্তব্ধতা খান খান হয়ে যায় এ নিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনি। ৫. এই উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা পাহাড়ে বছরে চার শতাধিক কোটি টাকা চাঁদাবাজি করে সরকারি ট্যাক্সের সিস্টেমে সবকিছু থেকে এনিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখি নাই। ৫. এই উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা সারাবছর খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, বন্দুকযুদ্ধে পার্বত্য চট্টগ্রামকে সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত করেছে এনিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনা। ৬. এই উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা ধর্মীয় স্থাপনা নামে হাজার হাজার একর পাহাড়ি সরকারি খাসজমি পরিত্যক্ত সেনাক্যাম্প দখল করে ধর্মীয় স্থাপনা আড়ালে বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীদেরকে প্রশ্রয় দিচ্ছে এনিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট প্রকাশিত হয়নি। ৭. সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্রিশ্চিয়ান মিশনারীদের বিপুল দৌরাত্ম্যের কবলে পড়ে অসহায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকেরা তাদের জাত ও ধর্ম খুইয়ে ক্রিশ্চিয়ানাইজেশনের কার্যক্রমের যুক্ত হয়ে পড়ছে তানিয়া প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনি। ৮. বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও এনজিও মিশনারি ও উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের সহায়তায় পার্বত্য চট্টগ্রামকে ক্রিশ্চিয়ান বাফার স্টেট করার জন্য ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে প্রথম আলোর কোন রিপোর্ট আজ পর্যন্ত চোখে পড়েনি। ৯. ওমর ফারুক ত্রিপুরা নামে একজন মুসলিমকে ইসলাম ধর্ম প্রচার ও মসজিদ নির্মাণের কারণে মিশনারীদের উস্কানিতে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা খুন করল তানিয়ে প্রথম আলোতে কোন রিপোর্ট দেখিনি। ১০. শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরা হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে তোলপাড় আন্দোলন হলেও প্রথম আলোর চোখে পড়েনি এসবের কিছুই। ১১. ওমর ফারুক ত্রিপুরা হত্যার পর সেখানকার নওমুসলিমরা উপজাতীয়দের হত্যার হুমকির ভয়ে প্রাণ বাঁচাতে গত একমাস ধরে পাহাড়ের বিভিন্ন অঞ্চলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে এনিয়ে প্রথম আলোতে কোনো রিপোর্ট নেই। ১২. ওমর ফারুক ত্রিপুরা হত্যার পর মিশনারি ও উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের হুমকির ভয়ে অসংখ্য মুসলিম পরিবার ধর্মান্তরিত হয়ে ক্রিশ্চিয়ান হয়ে গিয়েছে প্রথম আলোর অনুসন্ধানে এমন কোন রিপোর্ট দৃষ্টিগোচর হয়নি। কবি আবু হাসান শাহরিয়ার তার এক লেখায় একবার মন্তব্য করেছিলেন - এ যুগের সবচেয়ে অন্ধকার গলির নাম প্রথম আলো। এটা যথাযথ মন্তব্য। © কমরেড মাহমুদ
    2
    0 Comments 0 Shares
  • আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক হিসাব নিকাশ পালটে দেবে বলেই মনে হচ্ছে। চারিদিকে সেই আলামত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সবচেয়ে বেশী সম্ভাবনা আছে যে এই পরিবর্তনটা সুচিত হবে কাশ্মীরকে ঘিরে।

    কীভাবে সেই আলাপটা করছি। আমি কয়েকটা তথ্য, কয়েকটা সাম্প্রতিক ডেভলপমেন্ট এবং ভু রাজনৈতিক বিষয় একসাথে মিলিয়ে আপনাদের সামনে পুরো বিষয়টা উপস্থাপন করছি। মিলিয়ে দেখে নিন।

    আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়ার কিছুদিনের মধ্যেই মোদি কাশ্মীরের সব রাজনৈতিক নেতাদের ডেকে বলেছে যে কাশ্মীরের আগের স্ট্যাটাস ফিরিয়ে দেবে এবং নির্বাচন দেবে।

    ওরে আমার ওরে ওরে। কত ভালো মানুষ মোদি। শুধু তাইনা গো রক্ষক আর মুসলমান পেটানো আর এস এস হিন্দু মুসলমান ভাতৃত্বের কথা বলতেছে। ওরে আমার খোদা। কী শুনতেছি এইসব।

    কাশ্মীরের বিশেষ স্ট্যাটাস কেড়ে নিয়ে লক্ষ লক্ষ সেনা পাঠিয়ে বছরের পর বছর কার্ফু দিয়ে, ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে দিয়ে কাশ্মীরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জেলখানা বানানোর হিম্মত দেখানো মোদি-অমিত শাহের বাঘ কীভাবে বিড়াল হয়ে গেলো? শুধু বিড়াল হওয়াই নয় লেজ গুটিয়ে কেন মিউ মিউ শুরু করলো? তা বুঝতে হলে নিচের ম্যাপটা দেখুন। আফগানিস্তান থেকে আজাদ কাশ্মীর হয়ে ভারত অধিকৃত কাশ্মীর একই সীমান্তের পাশাপাশি লাগোয়া জনপদ। আফগানিস্তান আর কাশ্মীর তার পোরাস বর্ডার দিয়ে এক অভিন্ন জনপদ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা আছে। অভিন্ন জনপদ মানেই অভিন্ন লড়াইয়ে সামিল হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    কাশ্মীরের সাথে ভারতের শাসকের ধারাবাহিক বেইনসাফি দেখে কাশ্মীরের জনগন বুঝে গেছে ভারতে কাশ্মীরী জনগনের নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির বেইল নাই। সেটা নেহেরু আমলেই হোক বা বিজেপি আমলেই হোক। কাশ্মীরীদের এখন নিয়মতান্ত্রিক লড়াইয়ের পথে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। যতই তাদের বুঝানো হোক। আর সেটা সম্ভব না। তাই শেষ রক্ষা করার জন্য মোদি কাশ্মীরীদের হাতে পায়ে ধরতেছে। তবে কাম হবার সম্ভাবনা শুন্য। ভারতই সেই সম্ভাবনাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

    আফগানদের সাথে ধর্মের বন্ধন তো আছেই কাশ্মীরিদের এছাড়াও থাকছে অজেয় আফগানিদের নৈতিক আর সামরিক সহায়তার সম্ভাবনা। এখন যদি আফগানেরা কাশ্মীরীদের সামরিক সহায়তা দেয় তাহলে মোদির এমন পাতলা পায়খানা শুরু হবে যে বাংলাদেশের ওরাল স্যালাইনও এই ডায়রিয়া সারাতে পারবে না।

    নিরস্ত্র কাশ্মীরিদের গুলি করে মারার মতো হানিমুন পিরিয়ড শেষ হয়েছে ভারতের। এবার তাদের সামনে রিয়েল ফাইটের সম্ভাবনা। সেই ফাইটে ভারতের জয়ের বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নাই। সোভিয়েত আর মার্কিন সেনা খেদানো অজেয় আত্মবিশ্বাসী আফগানদের ফেইস করার নৈতিক বা সামরিক সাহস ভারতের নাই। তাই তড়িঘড়ি করে মোদি কাশ্মীরের আগের স্ট্যাটাস ফিরিয়ে দিয়ে নির্বাচন দেয়ার ভালোমানুষি করতে এসেছে। কিন্তু সারা দুনিয়া জানে মোদি কত ভালো মানুষ।

    কিন্তু অনেক দেরী হয়ে গেছে ভায়া। কাশ্মীরের যেই বেইনসাফি করা হয়েছে সব মনে রেখেছে কাশ্মীরের জনগনই শুধু নয় মনে রেখেছে সারা দুনিয়া। মোদি অমিত শাহের হিন্দুত্ববাদি জোশের কথা আমরা কেউই ভুলিনি। কাশ্মীরের জমি কেনা, কাশ্মীরী নারীদের বিয়ে করার খায়েশ আমরা দেখেছি। কাশ্মীর ভারতের হাতছাড়া হয়ে যাবার সময় এসেছে। পাশার দান উলটে গেছে। আমির আজিজের সেই অমর কবিতার কথা মনে করিয়ে দিতে চাই।

    তোমরা রাত লেখো আমরা লিখব চাঁদ
    তোমরা জেলে ঢোকাও দেয়াল ভেঙে লিখব আমরা
    তোমরা এফআইআর লেখো, আমরা প্রস্তুত
    তোমাদের হত্যাকাণ্ডের সব প্রমাণ লিখব
    তোমরা আদালতে বসে মশকরা লেখো
    আমরা রাজপথে দেয়ালে লিখব ইনসাফ

    মোদি-অমিত শাহ, তোমাদের পাপের আর বেইনসাফির কাফফারা দেয়ার জন্য তৈরি হও। দেয়ালে দেয়ালে লেখা ইনসাফ কায়েমের সময় এসে গেছে। ইতিহাস কোন বেইনসাফিকে ক্ষমা করেনা।
    লেখক -
    Pinaki Bhattacharya - পিনাকী ভট্টাচার্য
    আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক হিসাব নিকাশ পালটে দেবে বলেই মনে হচ্ছে। চারিদিকে সেই আলামত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সবচেয়ে বেশী সম্ভাবনা আছে যে এই পরিবর্তনটা সুচিত হবে কাশ্মীরকে ঘিরে। কীভাবে সেই আলাপটা করছি। আমি কয়েকটা তথ্য, কয়েকটা সাম্প্রতিক ডেভলপমেন্ট এবং ভু রাজনৈতিক বিষয় একসাথে মিলিয়ে আপনাদের সামনে পুরো বিষয়টা উপস্থাপন করছি। মিলিয়ে দেখে নিন। আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়ার কিছুদিনের মধ্যেই মোদি কাশ্মীরের সব রাজনৈতিক নেতাদের ডেকে বলেছে যে কাশ্মীরের আগের স্ট্যাটাস ফিরিয়ে দেবে এবং নির্বাচন দেবে। ওরে আমার ওরে ওরে। কত ভালো মানুষ মোদি। শুধু তাইনা গো রক্ষক আর মুসলমান পেটানো আর এস এস হিন্দু মুসলমান ভাতৃত্বের কথা বলতেছে। ওরে আমার খোদা। কী শুনতেছি এইসব। কাশ্মীরের বিশেষ স্ট্যাটাস কেড়ে নিয়ে লক্ষ লক্ষ সেনা পাঠিয়ে বছরের পর বছর কার্ফু দিয়ে, ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে দিয়ে কাশ্মীরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জেলখানা বানানোর হিম্মত দেখানো মোদি-অমিত শাহের বাঘ কীভাবে বিড়াল হয়ে গেলো? শুধু বিড়াল হওয়াই নয় লেজ গুটিয়ে কেন মিউ মিউ শুরু করলো? তা বুঝতে হলে নিচের ম্যাপটা দেখুন। আফগানিস্তান থেকে আজাদ কাশ্মীর হয়ে ভারত অধিকৃত কাশ্মীর একই সীমান্তের পাশাপাশি লাগোয়া জনপদ। আফগানিস্তান আর কাশ্মীর তার পোরাস বর্ডার দিয়ে এক অভিন্ন জনপদ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা আছে। অভিন্ন জনপদ মানেই অভিন্ন লড়াইয়ে সামিল হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কাশ্মীরের সাথে ভারতের শাসকের ধারাবাহিক বেইনসাফি দেখে কাশ্মীরের জনগন বুঝে গেছে ভারতে কাশ্মীরী জনগনের নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির বেইল নাই। সেটা নেহেরু আমলেই হোক বা বিজেপি আমলেই হোক। কাশ্মীরীদের এখন নিয়মতান্ত্রিক লড়াইয়ের পথে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। যতই তাদের বুঝানো হোক। আর সেটা সম্ভব না। তাই শেষ রক্ষা করার জন্য মোদি কাশ্মীরীদের হাতে পায়ে ধরতেছে। তবে কাম হবার সম্ভাবনা শুন্য। ভারতই সেই সম্ভাবনাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আফগানদের সাথে ধর্মের বন্ধন তো আছেই কাশ্মীরিদের এছাড়াও থাকছে অজেয় আফগানিদের নৈতিক আর সামরিক সহায়তার সম্ভাবনা। এখন যদি আফগানেরা কাশ্মীরীদের সামরিক সহায়তা দেয় তাহলে মোদির এমন পাতলা পায়খানা শুরু হবে যে বাংলাদেশের ওরাল স্যালাইনও এই ডায়রিয়া সারাতে পারবে না। নিরস্ত্র কাশ্মীরিদের গুলি করে মারার মতো হানিমুন পিরিয়ড শেষ হয়েছে ভারতের। এবার তাদের সামনে রিয়েল ফাইটের সম্ভাবনা। সেই ফাইটে ভারতের জয়ের বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নাই। সোভিয়েত আর মার্কিন সেনা খেদানো অজেয় আত্মবিশ্বাসী আফগানদের ফেইস করার নৈতিক বা সামরিক সাহস ভারতের নাই। তাই তড়িঘড়ি করে মোদি কাশ্মীরের আগের স্ট্যাটাস ফিরিয়ে দিয়ে নির্বাচন দেয়ার ভালোমানুষি করতে এসেছে। কিন্তু সারা দুনিয়া জানে মোদি কত ভালো মানুষ। কিন্তু অনেক দেরী হয়ে গেছে ভায়া। কাশ্মীরের যেই বেইনসাফি করা হয়েছে সব মনে রেখেছে কাশ্মীরের জনগনই শুধু নয় মনে রেখেছে সারা দুনিয়া। মোদি অমিত শাহের হিন্দুত্ববাদি জোশের কথা আমরা কেউই ভুলিনি। কাশ্মীরের জমি কেনা, কাশ্মীরী নারীদের বিয়ে করার খায়েশ আমরা দেখেছি। কাশ্মীর ভারতের হাতছাড়া হয়ে যাবার সময় এসেছে। পাশার দান উলটে গেছে। আমির আজিজের সেই অমর কবিতার কথা মনে করিয়ে দিতে চাই। তোমরা রাত লেখো আমরা লিখব চাঁদ তোমরা জেলে ঢোকাও দেয়াল ভেঙে লিখব আমরা তোমরা এফআইআর লেখো, আমরা প্রস্তুত তোমাদের হত্যাকাণ্ডের সব প্রমাণ লিখব তোমরা আদালতে বসে মশকরা লেখো আমরা রাজপথে দেয়ালে লিখব ইনসাফ মোদি-অমিত শাহ, তোমাদের পাপের আর বেইনসাফির কাফফারা দেয়ার জন্য তৈরি হও। দেয়ালে দেয়ালে লেখা ইনসাফ কায়েমের সময় এসে গেছে। ইতিহাস কোন বেইনসাফিকে ক্ষমা করেনা। লেখক - Pinaki Bhattacharya - পিনাকী ভট্টাচার্য
    6
    0 Comments 0 Shares
  • অনেকদিন পর লগইন করলাম ।
    There is no problem to use it.

    আলহামদুলিল্লাহ অনেক গতি সম্পন্ন হয়েছে।
    যারা একটিভিটিস করতেছেন না তাদের প্রতি অনুরোধ সবাই অংশগ্রহণ করে লাইক কমেন্টস করে গতি বৃদ্ধি করুন। ধন্যবাদ
    অনেকদিন পর লগইন করলাম । There is no problem to use it. আলহামদুলিল্লাহ অনেক গতি সম্পন্ন হয়েছে। যারা একটিভিটিস করতেছেন না তাদের প্রতি অনুরোধ সবাই অংশগ্রহণ করে লাইক কমেন্টস করে গতি বৃদ্ধি করুন। ধন্যবাদ
    6
    1 Comments 0 Shares
  • নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মূলে ছিল চার হিন্দু।
    ইংরেজরা ভারতবর্ষের সকল রাজ‍্য কব্জায় নিয়ে নিলও বৃহত্তর বাংলা অংশ ছিল সম্পূর্ণ স্বাধীন।শুধুমাত্র মুসলিম শাসকদের কারণে কিন্তু সেই শান্তিটুকু কিছু বেঈমান গাদ্দার আর কিছু স্বার্থন্বেষী হিন্দু মহলের ষড়যন্ত্রে স্বাধীন থাকতে পারেনি।
    পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ হয়ে যায় 1757 সালে পলাশীর যুদ্ধে।

    বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মাধ্যমে গোটা ভারতবর্ষে পৌনে দুইশত বছরের গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ হয়ে যায়।
    সমগ্র বাংলা যখন মুসলমান শাসকদের অধীনস্থ ছিল তখন ভিতরে ভিতরে কিছু হিন্দুদের জ্বালা ছিল।
    সেই জায়গা থেকে তারা তলে তলে ষড়যন্ত্র করে সুকৌশলে রাজ্যের পতন ঘটায় বাংলার জনগণকে গোলামীর শৃংখলে আবদ্ধ করে ও ইংরেজদের দালালি করে তারা পদ পদবী ও প্রমোশন নিতে থাকে।

    এমন কুটকৌশল এখনো আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের মধ্যে অনেকে করে থাকে দুঃখজনক হলেও এটাই সত্য!

    এক মুসলিম নবাব প্রাণপণে চেষ্টা করলেন বাংলা বাঁচাতে। অপরদিকে হিন্দু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা ক্রমাগত সাহায্য করে গেল ইংরেজদের। ফলাফল প্রথমে ইংরেজবাহিনীর কলকাতা দখল এবং পরে বাংলা দখল। ২ জানুয়ারি ১৭৫৭, এমন দিনেই কলকাতা পুনর্দখল করে ইংরেজরা। এরপর পলাশির যুদ্ধে কলকাতা এবং বাংলাকে পরিপূর্ণভাবে দখলে এনেছিল ব্রিটিশরা। বিশ্বাসঘাতকতার সৌজন্যে প্রভাবশালী রায়দুর্লভ মানিকচাঁদ, জগৎ শেঠ এবং উমিচাঁদ।

    অনেকটা পিছনে গেলে ছবিটা আরও স্পষ্ট হতে পারে। ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দ, টমাস রো কোম্পানিকে চিঠি লিখেছিলেন, আর যাই হয়ে যাক তাদের এই কম সৈন্য নিয়ে স্থলভাগে লড়াই করা যাবে না। তিনি স্পষ্ট বলে দেন, “যদি লাভজনক বাণিজ্য করতে চান তবে তা শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করুন আর সমুদ্রে আপনাদের কার্যক্রম সীমিত রাখুন। বিতর্ক পরিত্যাগ করে এটা নিয়ম হিসেবে গ্রহণ করাই ভালো যে ভারতে স্থলযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পরিণতি মারাত্মক হতে পারে।”

    ১৬৮১ সালে স্যার জোসিয়া চাইল্ড কোম্পানি পুরনো নীতি ভুলিয়ে স্থলপথে ভারত দখলের পরিকল্পনা করে। দিল্লির সম্রাটদের সঙ্গে কিছু যোগাযোগ থাকলেও তাদের আসল লক্ষ্য বাংলা তথা কলকাতার দিকে ছিল। কারণ ঐতিহাসিকরা মনে করছেন, এখানে ছিল গঙ্গা নদী যা বানিজ্যের জন্য অসাধারণ জায়গা।

    নবাব আলীবর্দী খাঁ পূর্ব ভারতে কোম্পানির ক্ষমতাকে দমিয়ে রেখেছিলেন। সিরাজ নবাব হওয়ার পর সেই চেষ্টাই করেছিলেন। কিন্তু তাঁর দুর্ভাগ্য তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা এবং বেইমানি। তপন মোহন চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘পলাশীর যুদ্ধ’ বই এমন তথ্যই দিচ্ছে। ভিতরে ভিতরে সিরাজকে ফোঁপরা করে দিয়েছিল কলকাতার প্রভাবশালী রায়দুর্লভ মানিকচাঁদ, জগৎ শেঠ এবং উমিচাঁদ। যদিও এদের সবার উপরে অবশ্যই আলীবর্দী খাঁর এক দূর সম্পর্কের বোনের স্বামী মীর জাফর আলী খাঁ।

    ১৭৫৬, ৯ এপ্রিল নবাব রূপে সিরাজের পদার্পণ। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকেই ‘জঙ্গ’ শুরু হয়ে যায় ইংরেজদের সঙ্গে। প্রতিপদে অবনিবনা হতে শুরু করে। ইউরোপে সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধের অজুহাতে বাংলায় ইংরেজ ও ফরাসিদের দুর্গ নির্মাণ শুরু হয় বাংলায়। নবাব এতে বাধা দিলে মেনে নেয় ফরাসিরা। ইংরেজ তা মানেনি। ২০ মে, ১৭৫৬ সালে নবাবকে পাঠানো গভর্নর ড্রেকের চিঠিতে দুর্গ তৈরি বন্ধ করার কোনও উল্লেখ ছিল না। নবাবের পূর্ণিয়া যাওয়ার কথা ছিল।

    বাধ্য হয়ে সিরাজ পুর্নিয়া না গিয়ে মুর্শিদাবাদে ফিরে আসেন। কলকাতায় ইংরেজদের দমনের উদ্দেশে সসৈন্যে যাত্রা করেন। ১৭৫৬-র ২০ জুন কলকাতার দুর্গ নবাব সিরাজউদ্দৌলার দখলে আসে। গভর্নর ড্রেক ও অন্যান্য ইংরেজ কলকাতা ছেরে পালায়। তবে তাদেরকে টিকিয়ে রাখে প্রভাবশালী হিন্দু উমিচাঁদ, জগৎ শেঠ, রায়দুর্লভ মানিক চাঁদ এবং শোভাবাজার রাজ বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা রাজা নবকৃষ্ণ দেব।

    ২৭ ডিসেম্বর, ১৭৫৬ সাল , ফের ইংরেজ সৈন্য ও নৌবহরের কলকাতা দখলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এবং ২ জানুয়ারি, ১৭৫৭ সাল , মানিকচাঁদদের বেইমানিতে ইংরেজেরা কলকাতা আবারও দখল করে নেয়। সিরাজ আবারও কলকাতার পথে আসেন। জানুয়ারির শেষের দিকে তিনি হুগলী পৌঁছতেই কলকাতা ছেরে পালায় ক্লাইভের বাহিনী। তবে এবার আগের মতো পুরো সরে যায়নি তারা।

    ৫ ফেব্রুয়ারি, কলকাতায় সিরাজের শিবির আমির চাঁদের বাগানে আক্রমণ করে ক্লাইভ ও ওয়াটসন। সিরাজের পাল্টা হামল করেন। ক্লাইভরা নবাব শিবির দখল করতে পারেনি। তবে ওই চার জনের সহায়তায় তারা ভিতরে ভিতরে বেশ শক্তিশালী। সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক অবশ্য সিরাজের রাজ বাড়িতেই ছিল।

    এরপর সিরাজের সঙ্গে সরাসরি ইংরেজদের লড়াই পলাশির যুদ্ধে। সিরাজের ৫০ হাজার সৈন্য হেরে গেল ইংরেজদের ৩০০০ সৈন্যের কাছে যাদের অধিকাংশই আবার স্থানীয় ভাড়া করা সৈন্য। এখানেই বড় চাল চেলেছিলেন মির জাফর। ৫০ হাজার সৈন্যের বেশীরভাগই থেকেও লড়লেন না।

    অতঃপর বাংলা দখলে সক্ষম ইংরেজ এবং কলকাতাও স্বাভাবিকভাবেই দখলে। পরে কলকাতা পরাধীন ভারতের রাজধানী যা বাংলার হয়েও প্রভাবশালী মানিকচাঁদ, জগৎ শেঠ এবং উমিচাঁদদের বিশ্বাসঘাতকতায় ধীরে ধীরে চলে গিয়েছিল ইংরেজদের হাতে।

    প্রসঙ্গত, বাংলা দখলের পর শোভাবাজারে শুরু হয় বিখ্যাত দুর্গাপুজো। যা আজও আড়ম্বর সঙ্গে পালিত হয়। রাজা হন নবকৃষ্ণ। প্রচুর সম্পত্তি নিয়ে প্রতিপত্তি লাভ করন হাওড়ার আন্দুলের রাজ পরিবার।

    তথ্য সুত্র : তপন মোহন চট্টোপাধ্যায় তাঁর পলাশীর যুদ্ধ বই

    কলকাতা ২৪/৭ ডটকম
    নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মূলে ছিল চার হিন্দু। ইংরেজরা ভারতবর্ষের সকল রাজ‍্য কব্জায় নিয়ে নিলও বৃহত্তর বাংলা অংশ ছিল সম্পূর্ণ স্বাধীন।শুধুমাত্র মুসলিম শাসকদের কারণে কিন্তু সেই শান্তিটুকু কিছু বেঈমান গাদ্দার আর কিছু স্বার্থন্বেষী হিন্দু মহলের ষড়যন্ত্রে স্বাধীন থাকতে পারেনি। পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ হয়ে যায় 1757 সালে পলাশীর যুদ্ধে। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মাধ্যমে গোটা ভারতবর্ষে পৌনে দুইশত বছরের গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ হয়ে যায়। সমগ্র বাংলা যখন মুসলমান শাসকদের অধীনস্থ ছিল তখন ভিতরে ভিতরে কিছু হিন্দুদের জ্বালা ছিল। সেই জায়গা থেকে তারা তলে তলে ষড়যন্ত্র করে সুকৌশলে রাজ্যের পতন ঘটায় বাংলার জনগণকে গোলামীর শৃংখলে আবদ্ধ করে ও ইংরেজদের দালালি করে তারা পদ পদবী ও প্রমোশন নিতে থাকে। এমন কুটকৌশল এখনো আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের মধ্যে অনেকে করে থাকে দুঃখজনক হলেও এটাই সত্য! এক মুসলিম নবাব প্রাণপণে চেষ্টা করলেন বাংলা বাঁচাতে। অপরদিকে হিন্দু প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা ক্রমাগত সাহায্য করে গেল ইংরেজদের। ফলাফল প্রথমে ইংরেজবাহিনীর কলকাতা দখল এবং পরে বাংলা দখল। ২ জানুয়ারি ১৭৫৭, এমন দিনেই কলকাতা পুনর্দখল করে ইংরেজরা। এরপর পলাশির যুদ্ধে কলকাতা এবং বাংলাকে পরিপূর্ণভাবে দখলে এনেছিল ব্রিটিশরা। বিশ্বাসঘাতকতার সৌজন্যে প্রভাবশালী রায়দুর্লভ মানিকচাঁদ, জগৎ শেঠ এবং উমিচাঁদ। অনেকটা পিছনে গেলে ছবিটা আরও স্পষ্ট হতে পারে। ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দ, টমাস রো কোম্পানিকে চিঠি লিখেছিলেন, আর যাই হয়ে যাক তাদের এই কম সৈন্য নিয়ে স্থলভাগে লড়াই করা যাবে না। তিনি স্পষ্ট বলে দেন, “যদি লাভজনক বাণিজ্য করতে চান তবে তা শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করুন আর সমুদ্রে আপনাদের কার্যক্রম সীমিত রাখুন। বিতর্ক পরিত্যাগ করে এটা নিয়ম হিসেবে গ্রহণ করাই ভালো যে ভারতে স্থলযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পরিণতি মারাত্মক হতে পারে।” ১৬৮১ সালে স্যার জোসিয়া চাইল্ড কোম্পানি পুরনো নীতি ভুলিয়ে স্থলপথে ভারত দখলের পরিকল্পনা করে। দিল্লির সম্রাটদের সঙ্গে কিছু যোগাযোগ থাকলেও তাদের আসল লক্ষ্য বাংলা তথা কলকাতার দিকে ছিল। কারণ ঐতিহাসিকরা মনে করছেন, এখানে ছিল গঙ্গা নদী যা বানিজ্যের জন্য অসাধারণ জায়গা। নবাব আলীবর্দী খাঁ পূর্ব ভারতে কোম্পানির ক্ষমতাকে দমিয়ে রেখেছিলেন। সিরাজ নবাব হওয়ার পর সেই চেষ্টাই করেছিলেন। কিন্তু তাঁর দুর্ভাগ্য তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা এবং বেইমানি। তপন মোহন চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘পলাশীর যুদ্ধ’ বই এমন তথ্যই দিচ্ছে। ভিতরে ভিতরে সিরাজকে ফোঁপরা করে দিয়েছিল কলকাতার প্রভাবশালী রায়দুর্লভ মানিকচাঁদ, জগৎ শেঠ এবং উমিচাঁদ। যদিও এদের সবার উপরে অবশ্যই আলীবর্দী খাঁর এক দূর সম্পর্কের বোনের স্বামী মীর জাফর আলী খাঁ। ১৭৫৬, ৯ এপ্রিল নবাব রূপে সিরাজের পদার্পণ। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকেই ‘জঙ্গ’ শুরু হয়ে যায় ইংরেজদের সঙ্গে। প্রতিপদে অবনিবনা হতে শুরু করে। ইউরোপে সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধের অজুহাতে বাংলায় ইংরেজ ও ফরাসিদের দুর্গ নির্মাণ শুরু হয় বাংলায়। নবাব এতে বাধা দিলে মেনে নেয় ফরাসিরা। ইংরেজ তা মানেনি। ২০ মে, ১৭৫৬ সালে নবাবকে পাঠানো গভর্নর ড্রেকের চিঠিতে দুর্গ তৈরি বন্ধ করার কোনও উল্লেখ ছিল না। নবাবের পূর্ণিয়া যাওয়ার কথা ছিল। বাধ্য হয়ে সিরাজ পুর্নিয়া না গিয়ে মুর্শিদাবাদে ফিরে আসেন। কলকাতায় ইংরেজদের দমনের উদ্দেশে সসৈন্যে যাত্রা করেন। ১৭৫৬-র ২০ জুন কলকাতার দুর্গ নবাব সিরাজউদ্দৌলার দখলে আসে। গভর্নর ড্রেক ও অন্যান্য ইংরেজ কলকাতা ছেরে পালায়। তবে তাদেরকে টিকিয়ে রাখে প্রভাবশালী হিন্দু উমিচাঁদ, জগৎ শেঠ, রায়দুর্লভ মানিক চাঁদ এবং শোভাবাজার রাজ বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা রাজা নবকৃষ্ণ দেব। ২৭ ডিসেম্বর, ১৭৫৬ সাল , ফের ইংরেজ সৈন্য ও নৌবহরের কলকাতা দখলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এবং ২ জানুয়ারি, ১৭৫৭ সাল , মানিকচাঁদদের বেইমানিতে ইংরেজেরা কলকাতা আবারও দখল করে নেয়। সিরাজ আবারও কলকাতার পথে আসেন। জানুয়ারির শেষের দিকে তিনি হুগলী পৌঁছতেই কলকাতা ছেরে পালায় ক্লাইভের বাহিনী। তবে এবার আগের মতো পুরো সরে যায়নি তারা। ৫ ফেব্রুয়ারি, কলকাতায় সিরাজের শিবির আমির চাঁদের বাগানে আক্রমণ করে ক্লাইভ ও ওয়াটসন। সিরাজের পাল্টা হামল করেন। ক্লাইভরা নবাব শিবির দখল করতে পারেনি। তবে ওই চার জনের সহায়তায় তারা ভিতরে ভিতরে বেশ শক্তিশালী। সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক অবশ্য সিরাজের রাজ বাড়িতেই ছিল। এরপর সিরাজের সঙ্গে সরাসরি ইংরেজদের লড়াই পলাশির যুদ্ধে। সিরাজের ৫০ হাজার সৈন্য হেরে গেল ইংরেজদের ৩০০০ সৈন্যের কাছে যাদের অধিকাংশই আবার স্থানীয় ভাড়া করা সৈন্য। এখানেই বড় চাল চেলেছিলেন মির জাফর। ৫০ হাজার সৈন্যের বেশীরভাগই থেকেও লড়লেন না। অতঃপর বাংলা দখলে সক্ষম ইংরেজ এবং কলকাতাও স্বাভাবিকভাবেই দখলে। পরে কলকাতা পরাধীন ভারতের রাজধানী যা বাংলার হয়েও প্রভাবশালী মানিকচাঁদ, জগৎ শেঠ এবং উমিচাঁদদের বিশ্বাসঘাতকতায় ধীরে ধীরে চলে গিয়েছিল ইংরেজদের হাতে। প্রসঙ্গত, বাংলা দখলের পর শোভাবাজারে শুরু হয় বিখ্যাত দুর্গাপুজো। যা আজও আড়ম্বর সঙ্গে পালিত হয়। রাজা হন নবকৃষ্ণ। প্রচুর সম্পত্তি নিয়ে প্রতিপত্তি লাভ করন হাওড়ার আন্দুলের রাজ পরিবার। তথ্য সুত্র : তপন মোহন চট্টোপাধ্যায় তাঁর পলাশীর যুদ্ধ বই কলকাতা ২৪/৭ ডটকম
    1
    0 Comments 1 Shares
  • দিল্লী সালতানাত বলতে মধ্যযুগে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসনকালকে বুঝানাে হয় । ১২০৬ থেকে ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে ভারতে রাজত্বকারী একাধিক মুসলিম রাজ্য ও সাম্রাজ্যগুলি “ দিল্লী সালতানাত " নামে অভিহিত । এই সময় বিভিন্ন তুর্কি ও আফগান রাজবংশ দিল্লি শাসন করে । এই রাজ্য ও সাম্রাজ্যগুলি হল :

    মামলুক সুলতান ( ১২০৬-৯০ )
    খিলজি রাজবংশ( ১২৯০-১৩২০ ) ,
    তুঘলক রাজবংশ( ১৩২০-১৪১৩ ) ,
    সৈয়দ রাজবংশ ( ১৪১৩-১৪৫১ ) এবং লােদি রাজবংশ ( ১৪৫১-১৫২৬ ) ।
    এই সালতানাত মঙ্গোলদের ( চাগাতাই খানাত থেকে ) আক্রমণকে প্রতিহত করার কয়েকটি শক্তির মধ্যে অন্যতম বলে পরিচিত ।

    মুহাম্মদ ঘুরির প্রাক্তন তুর্কি মামলুক দাস কুতুবুদ্দিন আইবেক দিল্লির প্রথম সুলতান ছিলেন এবং তাঁর মামলুক রাজবংশ উত্তর ভারতের বিশাল অঞ্চল জয় করেন ।
    এর পরে , খিলজি রাজবংশ বেশিরভাগ মধ্য ভারতকেও জয় করতে সক্ষম হয় , তবে উভয়ই পুরাে ভারত উপমহাদেশকে জয় করতে ব্যর্থ হয় ।
    সালতানাতটি তুঘলক রাজবংশের সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশের বেশিরভাগ অঞ্চল দখল করে এর ভৌগলিক সীমানার দিক থেকে শীর্ষে পৌঁছে ।
    এর পরে বিজয়নগর সাম্রাজ্য এবং মেওয়ার মতাে হিন্দু সাম্রাজ্যের স্বাধীনতা দাবি করার কারণে সালতানাতের পতন ঘটে , এবং শাহী বাংলার মতাে নতুন মুসলিম সালতানাতের উদ্ভব ঘটে।

    দিল্লির সুলতানি আমলে , ভারতীয় সভ্যতার সাথে ইসলামী সভ্যতার মিশ্রণ ঘটেছিল এবং আফ্রো - ইউরেশিয়ার বৃহৎ অংশে বিস্তৃত একটি বিশ্বব্যবস্থা এবং বিস্তৃত আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কগুলির সাথে ভারতীয় উপমহাদেশের যােগাযােগ আরও সংহতকরণ ছিল , যার একটি উল্লেখযােগ্য প্রভাব ছিল ভারতীয় সংস্কৃতি এবং সমাজের উপর ।

    তাদের শাসনের সময়টিতে ইন্দো - ইসলামিক স্থাপত্যের প্রাথমিকতম রূপগুলি যান্ত্রিক প্রযুক্তির বৃহত্তর ব্যবহার ভারতের জনসংখ্যা এবং অর্থনীতিতে বৃদ্ধির হার এবং হিন্দি - উর্দু ভাষার উত্থান ব্যাপক ভাবে লক্ষ্য করা যায় ।

    দিল্লী সুলতানি ১৩ ও ১৪ শতকে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের সম্ভাব্য ধ্বংসাত্মক আগ্রাসন প্রতিহত জন্য পরিচিত ছিল । ১৫২৬ সালে দিল্লি সালতানাত মুঘল সাম্রাজ্যের কাছে পরাজিত হয় ।--- চলবে:১
    দিল্লী সালতানাত বলতে মধ্যযুগে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসনকালকে বুঝানাে হয় । ১২০৬ থেকে ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে ভারতে রাজত্বকারী একাধিক মুসলিম রাজ্য ও সাম্রাজ্যগুলি “ দিল্লী সালতানাত " নামে অভিহিত । এই সময় বিভিন্ন তুর্কি ও আফগান রাজবংশ দিল্লি শাসন করে । এই রাজ্য ও সাম্রাজ্যগুলি হল : মামলুক সুলতান ( ১২০৬-৯০ ) খিলজি রাজবংশ( ১২৯০-১৩২০ ) , তুঘলক রাজবংশ( ১৩২০-১৪১৩ ) , সৈয়দ রাজবংশ ( ১৪১৩-১৪৫১ ) এবং লােদি রাজবংশ ( ১৪৫১-১৫২৬ ) । এই সালতানাত মঙ্গোলদের ( চাগাতাই খানাত থেকে ) আক্রমণকে প্রতিহত করার কয়েকটি শক্তির মধ্যে অন্যতম বলে পরিচিত । মুহাম্মদ ঘুরির প্রাক্তন তুর্কি মামলুক দাস কুতুবুদ্দিন আইবেক দিল্লির প্রথম সুলতান ছিলেন এবং তাঁর মামলুক রাজবংশ উত্তর ভারতের বিশাল অঞ্চল জয় করেন । এর পরে , খিলজি রাজবংশ বেশিরভাগ মধ্য ভারতকেও জয় করতে সক্ষম হয় , তবে উভয়ই পুরাে ভারত উপমহাদেশকে জয় করতে ব্যর্থ হয় । সালতানাতটি তুঘলক রাজবংশের সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশের বেশিরভাগ অঞ্চল দখল করে এর ভৌগলিক সীমানার দিক থেকে শীর্ষে পৌঁছে । এর পরে বিজয়নগর সাম্রাজ্য এবং মেওয়ার মতাে হিন্দু সাম্রাজ্যের স্বাধীনতা দাবি করার কারণে সালতানাতের পতন ঘটে , এবং শাহী বাংলার মতাে নতুন মুসলিম সালতানাতের উদ্ভব ঘটে। দিল্লির সুলতানি আমলে , ভারতীয় সভ্যতার সাথে ইসলামী সভ্যতার মিশ্রণ ঘটেছিল এবং আফ্রো - ইউরেশিয়ার বৃহৎ অংশে বিস্তৃত একটি বিশ্বব্যবস্থা এবং বিস্তৃত আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কগুলির সাথে ভারতীয় উপমহাদেশের যােগাযােগ আরও সংহতকরণ ছিল , যার একটি উল্লেখযােগ্য প্রভাব ছিল ভারতীয় সংস্কৃতি এবং সমাজের উপর । তাদের শাসনের সময়টিতে ইন্দো - ইসলামিক স্থাপত্যের প্রাথমিকতম রূপগুলি যান্ত্রিক প্রযুক্তির বৃহত্তর ব্যবহার ভারতের জনসংখ্যা এবং অর্থনীতিতে বৃদ্ধির হার এবং হিন্দি - উর্দু ভাষার উত্থান ব্যাপক ভাবে লক্ষ্য করা যায় । দিল্লী সুলতানি ১৩ ও ১৪ শতকে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের সম্ভাব্য ধ্বংসাত্মক আগ্রাসন প্রতিহত জন্য পরিচিত ছিল । ১৫২৬ সালে দিল্লি সালতানাত মুঘল সাম্রাজ্যের কাছে পরাজিত হয় ।--- চলবে:১
    1
    0 Comments 0 Shares
  • সাহাবাদের ২৫ টি প্রশ্ন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর।
    ১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে।
    ২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে।
    ৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে।
    ৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর।
    ৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর।
    ৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর।
    ৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।
    ৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।
    ৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।
    ১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷
    ১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও।
    ১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে?
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।
    ১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।
    ১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর।
    ১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।
    ১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো।
    ১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ?
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।
    ১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।
    ১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই!
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।
    ২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে?
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন,
    ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য)
    খ) বিনয়।
    গ) অসুস্থতা।
    ২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে?
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।
    ২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে?
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।
    ২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি?
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা।
    ২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি?
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য।
    ২৫. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি?
    উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর।
    আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন…।
    -🤲🏻
    সাহাবাদের ২৫ টি প্রশ্ন এবং রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর। ১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে। ২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে। ৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে। ৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর। ৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর। ৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর। ৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর। ৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো। ৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো। ১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷ ১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও। ১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে? উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর। ১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও। ১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর। ১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ। ১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ? উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো। ১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ? উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও। ১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর। ১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই! উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন। ২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে? উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য) খ) বিনয়। গ) অসুস্থতা। ২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে? উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ। ২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে? উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা। ২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি? উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা। ২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি? উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য। ২৫. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি? উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর। আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন…। -🤲🏻
    4
    0 Comments 1 Shares
  • মহান মে দিবসে সকল শ্রমিকের জীবন হোক নিরাপদ! ইসলাম শ্রমিকের অধিকার সম্পর্কে যতখানি অধিকার নিশ্চিত করেছে!পুঁজিবাদী ও সমাজতন্ত্র ততোটা নিশ্চিত করেনি
    মহান মে দিবসে সকল শ্রমিকের জীবন হোক নিরাপদ! ইসলাম শ্রমিকের অধিকার সম্পর্কে যতখানি অধিকার নিশ্চিত করেছে!পুঁজিবাদী ও সমাজতন্ত্র ততোটা নিশ্চিত করেনি
    10
    0 Comments 0 Shares
More Stories