Achieving the satisfaction of Allah by establishing a Sunnah-based Islamic society by creating Islamic social and economic values in the way of life given by Allah and in the way shown by the Prophet (peace be upon him).
  • 58 people like this
  • Other
Recent Updates
  • বেরিয়ে এলো ফেসবুকের ভয়াবহ গোপন তথ্য, টোপ দিচ্ছে শিশুদেরও! | Facebook

    মুনাফার জন্য ক্রমেই আগ্রাসী হয়ে উঠেছে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক। এমনকি জনপ্রিয়তার স্বার্থে সমাজে বিভাজন ছড়ানো বা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে হুমকিতে ফেলতেও পিছু হটেনি তারা। মার্কিন কংগ্রেসের শুনানিতে এসব বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন ফেসবুকেরই সাবেক এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তার দাবি, ক্ষতিকর দিকগুলো জানার পরও ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামকে নিরাপদ করার কোনো উদ্যোগ নেই প্রতিষ্ঠানটির।
    বেরিয়ে এলো ফেসবুকের ভয়াবহ গোপন তথ্য, টোপ দিচ্ছে শিশুদেরও! | Facebook মুনাফার জন্য ক্রমেই আগ্রাসী হয়ে উঠেছে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক। এমনকি জনপ্রিয়তার স্বার্থে সমাজে বিভাজন ছড়ানো বা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে হুমকিতে ফেলতেও পিছু হটেনি তারা। মার্কিন কংগ্রেসের শুনানিতে এসব বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন ফেসবুকেরই সাবেক এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তার দাবি, ক্ষতিকর দিকগুলো জানার পরও ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামকে নিরাপদ করার কোনো উদ্যোগ নেই প্রতিষ্ঠানটির।
    2
    0 Comments 0 Shares

  • বৈশ্বিক ডিজিটাল জীবনমান সূচকে তলানিতে বাংলাদেশ

    বৈশ্বিক ডিজিটাল জীবনমান সূচকে তলানিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান সার্ফশার্ক প্রকাশিত ‘ডিজিটাল কোয়ালিটি অব লাইফ ইনডেক্স ২০২১’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে জানা যায়, বিশ্বের ১১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩তম। এতে এবার বাংলাদেশ স্কোর করেছে শূন্য দশমিক ৩৪। আগের বছর যা ছিল শূন্য দশমিক ৩৫।

    এই তালিকা অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান সর্বনিম্ন, শীর্ষে আছে ভারত। ইন্টারনেট সামর্থ্য, ইন্টারনেটের মান, ই-অবকাঠামো, ই-নিরাপত্তা, ই-সরকার এই পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে সার্ফশার্কের প্রতিবেদনটি করা হয়।

    ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারনেট সামর্থ্যরে দিক থেকে বাংলাদেশ ৮৪তম, ইন্টারনেটের মানে ৮৯, ই-অবকাঠামোতে ৮৯, ই-নিরাপত্তায় ১০৩ ও ই-সরকারে ৮৬তম। যেসব মানদণ্ডে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে তার মধ্যে রয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট গতি (১১০তম), নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেক্স (৯৬তম) ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রস্তুতি সূচক (৯৬তম)।

    এই সূচকে দেখা গেছে ডিজিটাল জীবনমানে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশ হলো ডেনমার্ক, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিনল্যান্ড, ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি ও বৃটেন। সবশেষে আছে ইথিওপিয়া। এতে আরো দেখা যায়, এই সূচকে রয়েছে এশিয়ার ৩২টি দেশ। তার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩০তম। বাংলাদেশের নিচে অবস্থান করছে তাজিকিস্তান ও কম্বোডিয়া।
    বৈশ্বিক ডিজিটাল জীবনমান সূচকে তলানিতে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ডিজিটাল জীবনমান সূচকে তলানিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান সার্ফশার্ক প্রকাশিত ‘ডিজিটাল কোয়ালিটি অব লাইফ ইনডেক্স ২০২১’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে জানা যায়, বিশ্বের ১১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩তম। এতে এবার বাংলাদেশ স্কোর করেছে শূন্য দশমিক ৩৪। আগের বছর যা ছিল শূন্য দশমিক ৩৫। এই তালিকা অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান সর্বনিম্ন, শীর্ষে আছে ভারত। ইন্টারনেট সামর্থ্য, ইন্টারনেটের মান, ই-অবকাঠামো, ই-নিরাপত্তা, ই-সরকার এই পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে সার্ফশার্কের প্রতিবেদনটি করা হয়। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারনেট সামর্থ্যরে দিক থেকে বাংলাদেশ ৮৪তম, ইন্টারনেটের মানে ৮৯, ই-অবকাঠামোতে ৮৯, ই-নিরাপত্তায় ১০৩ ও ই-সরকারে ৮৬তম। যেসব মানদণ্ডে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে তার মধ্যে রয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট গতি (১১০তম), নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেক্স (৯৬তম) ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রস্তুতি সূচক (৯৬তম)। এই সূচকে দেখা গেছে ডিজিটাল জীবনমানে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশ হলো ডেনমার্ক, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিনল্যান্ড, ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি ও বৃটেন। সবশেষে আছে ইথিওপিয়া। এতে আরো দেখা যায়, এই সূচকে রয়েছে এশিয়ার ৩২টি দেশ। তার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩০তম। বাংলাদেশের নিচে অবস্থান করছে তাজিকিস্তান ও কম্বোডিয়া।
    4
    0 Comments 0 Shares
  • Source: See in the comment box...
    Source: See in the comment box...
    4
    1 Comments 0 Shares
  • ফেসবুক মুদ্রা কি এবং আমেরিকা কেন তার অনুমোদন দেয়নি

    ২০১৯ সালে ফেসবুক তাদের নিজস্ব ডিজিটাল মুদ্রা লিব্রা যার বর্তমান নাম ডিয়েম, চালু করার ঘোষণা দেয়। এই মুদ্রার মাধ্যমে শুধু মাত্র ফেসবুক একাউন্ট থাকলেই ব্যাংক একাউন্ট ছাড়া সরাসরি পণ্য বা সেবা ক্রয় বিক্রয় করা যাবে। তাছাড়া প্রয়োজন মাফিক ডিয়েম ভেঙ্গে টাকা, ডলার বা অন্য যেকোনো মুদ্রায় রুপান্তর করা সম্ভব। এই সকল সুবিধা থাকা সত্ত্বেও মার্কিন প্রশাসন ডিয়েমের এখনও অনুমোদন দেয়নি।

    ডিয়েমের অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে এর মজুদ ব্যাবস্থা। এই ব্যবস্থা ফেসবুককে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী এবং ক্ষমতাধর প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর করতে পারে।একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার যাক; মনে করেন আপনার হাতের কাগুজে মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকে সমপরিমাণ স্বর্ণ গচ্ছিত আছে, কিন্তু আপনি কাগুজে মুদ্রা ব্যাবহারে এতই অভ্যস্ত হয়ে গেছেন যে স্বর্ণ হাতে না রেখে বরং টাকা রাখতেই সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেশে যেই পরিমাণ টাকা আছে তার বিপরীতে সমপরিমাণ স্বর্ণ মজুদ করতে হবে না। ব্যাংক বিনা মজুদে টাকা ছাপতে পারবে।


    ডিয়েমের গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে মার্ক জাকারবার্গের হাতেও এই ক্ষমতা চলে আসবে। অর্থাৎ, নিজের টাকা নিজেই ছাপাতে পারবে। অবশ্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ দাবী করেছে যে তারা এমনটি করবে না এবং মুদ্রার বিপরীতে তরল সম্পদ যেমন বন্ড শতভাগ মজুদ থাকবে। তাসত্বেও এই প্রচেষ্টা আইন প্রণেতাদের বিশ্বাস জোগাতে পারেনি যেহেতু ফেসবুক চাইলেই জেকন সময় তাদের পলিসি পরিবর্তন করে ফেলতে পারে। ডিয়েমের দ্বিতীয় সমস্যা হচ্ছে কোন সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাহিরে নতুন মুদ্রা বাজারে আসলে মুদ্রানীতির উপরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সক্ষমতা কমে যাবে। বর্তমানে সরকার যেমন মুদ্রার পরিমাণ কমিয়ে বা বৃদ্ধি করে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ করে, ডিয়েমের ব্যপক ব্যবহার শুরু হলে এই সক্ষমতা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে।

    সর্বশেষ, ডিজিটাল মুদ্রা দ্বারা কর ফাঁকি দেওয়া, অবৈধ পণ্য ক্রয় বিক্রয় এবং কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বৃদ্ধি পেতে পারে। এই প্রেক্ষিতেই মার্কিন প্রশাসন এবং বিশেষজ্ঞরা ডিয়েমকে অনুমোদন দেয়নি। তাই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বর্তমানে সুইজারল্যান্ড থেকে এই মুদ্রা চালু করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    লেখক:নরওয়ে স্কুল অফ ইকোনোমিক্স, মানহাইম বিসনেস স্কুল, জার্মানি
    ফেসবুক মুদ্রা কি এবং আমেরিকা কেন তার অনুমোদন দেয়নি ২০১৯ সালে ফেসবুক তাদের নিজস্ব ডিজিটাল মুদ্রা লিব্রা যার বর্তমান নাম ডিয়েম, চালু করার ঘোষণা দেয়। এই মুদ্রার মাধ্যমে শুধু মাত্র ফেসবুক একাউন্ট থাকলেই ব্যাংক একাউন্ট ছাড়া সরাসরি পণ্য বা সেবা ক্রয় বিক্রয় করা যাবে। তাছাড়া প্রয়োজন মাফিক ডিয়েম ভেঙ্গে টাকা, ডলার বা অন্য যেকোনো মুদ্রায় রুপান্তর করা সম্ভব। এই সকল সুবিধা থাকা সত্ত্বেও মার্কিন প্রশাসন ডিয়েমের এখনও অনুমোদন দেয়নি। ডিয়েমের অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে এর মজুদ ব্যাবস্থা। এই ব্যবস্থা ফেসবুককে পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী এবং ক্ষমতাধর প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর করতে পারে।একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার যাক; মনে করেন আপনার হাতের কাগুজে মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকে সমপরিমাণ স্বর্ণ গচ্ছিত আছে, কিন্তু আপনি কাগুজে মুদ্রা ব্যাবহারে এতই অভ্যস্ত হয়ে গেছেন যে স্বর্ণ হাতে না রেখে বরং টাকা রাখতেই সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দেশে যেই পরিমাণ টাকা আছে তার বিপরীতে সমপরিমাণ স্বর্ণ মজুদ করতে হবে না। ব্যাংক বিনা মজুদে টাকা ছাপতে পারবে। ডিয়েমের গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে মার্ক জাকারবার্গের হাতেও এই ক্ষমতা চলে আসবে। অর্থাৎ, নিজের টাকা নিজেই ছাপাতে পারবে। অবশ্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ দাবী করেছে যে তারা এমনটি করবে না এবং মুদ্রার বিপরীতে তরল সম্পদ যেমন বন্ড শতভাগ মজুদ থাকবে। তাসত্বেও এই প্রচেষ্টা আইন প্রণেতাদের বিশ্বাস জোগাতে পারেনি যেহেতু ফেসবুক চাইলেই জেকন সময় তাদের পলিসি পরিবর্তন করে ফেলতে পারে। ডিয়েমের দ্বিতীয় সমস্যা হচ্ছে কোন সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাহিরে নতুন মুদ্রা বাজারে আসলে মুদ্রানীতির উপরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সক্ষমতা কমে যাবে। বর্তমানে সরকার যেমন মুদ্রার পরিমাণ কমিয়ে বা বৃদ্ধি করে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ করে, ডিয়েমের ব্যপক ব্যবহার শুরু হলে এই সক্ষমতা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। সর্বশেষ, ডিজিটাল মুদ্রা দ্বারা কর ফাঁকি দেওয়া, অবৈধ পণ্য ক্রয় বিক্রয় এবং কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বৃদ্ধি পেতে পারে। এই প্রেক্ষিতেই মার্কিন প্রশাসন এবং বিশেষজ্ঞরা ডিয়েমকে অনুমোদন দেয়নি। তাই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বর্তমানে সুইজারল্যান্ড থেকে এই মুদ্রা চালু করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। লেখক:নরওয়ে স্কুল অফ ইকোনোমিক্স, মানহাইম বিসনেস স্কুল, জার্মানি
    8
    0 Comments 0 Shares
  • তালেবান দের উথানে "শঙ্কিত" উপমহাদেশ সহ, মুসলিম বিশ্বে মুসলমান নামধারী "মুনাফিক" দুর্নীতি ও ধোঁকা বাজ শাসকদের, পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে, কারন ইসলামী শরিয়া শাসনে, সত্য সমাদৃত হবে, আর মিথ্যা দূরীভূত হবে । ইনশাআললাহ ।
    তালেবান দের উথানে "শঙ্কিত" উপমহাদেশ সহ, মুসলিম বিশ্বে মুসলমান নামধারী "মুনাফিক" দুর্নীতি ও ধোঁকা বাজ শাসকদের, পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে, কারন ইসলামী শরিয়া শাসনে, সত্য সমাদৃত হবে, আর মিথ্যা দূরীভূত হবে । ইনশাআললাহ ।
    2
    0 Comments 0 Shares
  • কিছু সত্য জেনে নিন:
    কেন ভ্যাকসিন পাসপোর্ট সম্ভব না:-

    ১) ভ্যাকসিন নিলে যদি এতটুকু নিশ্চয়তা পাওয়া যেতো, কোন ভ্যাকসিনেটেড লোকের করোনা হবে না, কিংবা সে করোনা ছড়াবে না, অথবা সে করোনায় মৃত্যুবরণ করবে না, তবে একটা বিষয় ছিলো। কিন্তু ভ্যাকসিন নিলেও এই তিনটি বিষয়ের একটিও নিশ্চয়তা দেয়নি ভ্যাকসিন কোম্পানিগুলো। ফলে সেই ভ্যাকসিন গ্রহণ করে তার থেকে পাসপোট পেলে তার স্বাস্থ্যগত কোন গুরুত্বই থাকে না।

    ২) করোনার ভ্যাকসিন যদি জীবনে একবার নিতে হতো, তবে একটা সম্ভবপর বিষয় ছিলো। কিংবা বছরে যদি একবার হতো তবুও একটা বিষয় ছিলো। কিন্তু ৬ মাসে ৩ বার (ফাস্ট, সেকেন্ড ও বুস্টার ডোজ) ভ্যাকসিন দেয়া চাট্টিখানি বিষয় নয়। কোন দেশের ৮০% জনগোষ্ঠী কিংবা পৃথিবীর ৬শ’ কোটি জনসংখ্যাকে ৬ মাসে ৩ বার ভ্যাকসিন দেয়া শুধু কল্পনা করা যাবে, কিন্তু বাস্তবে মিলানো যাবে না।

    ৩) এরপরও আছে ভ্যাকসিন নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতি। ভারত বা চীনের তৈরী ভ্যাকসিন নিলে ইউরোপ বা মিডলেইস্টে ঢুকতে সমস্যা হচ্ছে। আবার চীনে ঢুকতে হলে চীনের ভ্যাকসিন নিতে হচ্ছে। এ সমস্যার কারণে ভ্যাকসিন পাসপোর্টের সার্বজনীনতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
    কিছু সত্য জেনে নিন: কেন ভ্যাকসিন পাসপোর্ট সম্ভব না:- ১) ভ্যাকসিন নিলে যদি এতটুকু নিশ্চয়তা পাওয়া যেতো, কোন ভ্যাকসিনেটেড লোকের করোনা হবে না, কিংবা সে করোনা ছড়াবে না, অথবা সে করোনায় মৃত্যুবরণ করবে না, তবে একটা বিষয় ছিলো। কিন্তু ভ্যাকসিন নিলেও এই তিনটি বিষয়ের একটিও নিশ্চয়তা দেয়নি ভ্যাকসিন কোম্পানিগুলো। ফলে সেই ভ্যাকসিন গ্রহণ করে তার থেকে পাসপোট পেলে তার স্বাস্থ্যগত কোন গুরুত্বই থাকে না। ২) করোনার ভ্যাকসিন যদি জীবনে একবার নিতে হতো, তবে একটা সম্ভবপর বিষয় ছিলো। কিংবা বছরে যদি একবার হতো তবুও একটা বিষয় ছিলো। কিন্তু ৬ মাসে ৩ বার (ফাস্ট, সেকেন্ড ও বুস্টার ডোজ) ভ্যাকসিন দেয়া চাট্টিখানি বিষয় নয়। কোন দেশের ৮০% জনগোষ্ঠী কিংবা পৃথিবীর ৬শ’ কোটি জনসংখ্যাকে ৬ মাসে ৩ বার ভ্যাকসিন দেয়া শুধু কল্পনা করা যাবে, কিন্তু বাস্তবে মিলানো যাবে না। ৩) এরপরও আছে ভ্যাকসিন নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতি। ভারত বা চীনের তৈরী ভ্যাকসিন নিলে ইউরোপ বা মিডলেইস্টে ঢুকতে সমস্যা হচ্ছে। আবার চীনে ঢুকতে হলে চীনের ভ্যাকসিন নিতে হচ্ছে। এ সমস্যার কারণে ভ্যাকসিন পাসপোর্টের সার্বজনীনতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
    4
    0 Comments 0 Shares
  • আন্তর্জাতিক মহাকাশ ষ্টেশনে ফাটল!

    বিপদের মুখে পড়েছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন, বেশ কয়েকটি বড় ফাটল দেখা দিয়েছে সেখানে। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ফাটলগুলি আরও বড় হতে পারে। ছড়িয়ে পড়তে পারে মহাকাশ স্টেশনের অন্যত্রও। এমনকি সেই সব জায়গার বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়তে পারে মহাকাশেই। যা মহাকাশে আবর্জনা হয়ে, বিপদ ঘটাতে পারে; বহু মহাকাশযান ও পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা অন্যান্য বহু উপগ্রহেরও।

    মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করার জন্য বিজ্ঞানীদের মধ্যবর্তী প্লাটফর্ম হিসাবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনকে ব্যবহার করে আসছে বহু বছর ধরেই। মহাকাশযাত্রীরা এখানে মহাকাশ বিরতি ও দিয়ে থাকে তবে এক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে এই বিশাল প্লাটফর্মটিতে।

    বিপদের মুখে পড়েছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন, বেশ কয়েকটি বড় ফাটল দেখা দিয়েছে সেখানে। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ফাটলগুলি আরও বড় হতে পারে। ছড়িয়ে পড়তে পারে মহাকাশ স্টেশনের অন্যত্রও। এমনকি সেই সব জায়গার বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়তে পারে মহাকাশেই। যা মহাকাশে আবর্জনা হয়ে, বিপদ ঘটাতে পারে; বহু মহাকাশযান ও পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা অন্যান্য বহু উপগ্রহেরও।

    রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থার দাবি, ওই সব ফাটল দিয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী মহাজাগতিক রশ্মি এবং ক্ষতিকর মহাজাগতিক বিকিরণ ঢুকে গেলেই বিপদ। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৭০ কিলোমিটার উপরে পৃথিবীর কাছের কক্ষপথে থাকা; মহাকাশ স্টেশনে রয়েছেন ১১ জন মহাকাশচারী। আছেন আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা; রাশিয়ার ‘রসকসমস’; জাপানের ‘জাক্সা’ ও ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (এসা)-র মহাকাশচারীরা।

    জানা যাচ্ছে এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে মোট ১১ জন মহাকাশচারী রয়েছেন। কয়েকদিন আগেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দাবি করেছিল বর্তমানে বেশি সংখ্যক মহাকাশচারী রয়েছেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে। ফলে তাঁদের স্থানাভাব হচ্ছে। আমেরিকা, রাশিয়া, জাপান এবং ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির মহাকাশচারীরা থাকেন এই স্টেশনে।

    বিষয়টি নিয়ে জল্পনা কল্পনার অন্ত নেই। অনলাইন দুনিয়ায় তো এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যম এমন তথ্য দিচ্ছে যা রীতিমতো গুজব।

    মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে উক্ত স্টেশনটিকে কেন্দ্র হিসাবে ধরা হয়। প্রতিনিয়তই উক্ত বিষটির দিকে খোজ রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।তবে এই ফাটলের সমাধান নাহ করা গেলে চূড়ান্ত মাত্রার বিপর্যয় দেখা যেতে পারে যেকোন সময়ে।
    আন্তর্জাতিক মহাকাশ ষ্টেশনে ফাটল! বিপদের মুখে পড়েছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন, বেশ কয়েকটি বড় ফাটল দেখা দিয়েছে সেখানে। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ফাটলগুলি আরও বড় হতে পারে। ছড়িয়ে পড়তে পারে মহাকাশ স্টেশনের অন্যত্রও। এমনকি সেই সব জায়গার বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়তে পারে মহাকাশেই। যা মহাকাশে আবর্জনা হয়ে, বিপদ ঘটাতে পারে; বহু মহাকাশযান ও পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা অন্যান্য বহু উপগ্রহেরও। মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করার জন্য বিজ্ঞানীদের মধ্যবর্তী প্লাটফর্ম হিসাবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনকে ব্যবহার করে আসছে বহু বছর ধরেই। মহাকাশযাত্রীরা এখানে মহাকাশ বিরতি ও দিয়ে থাকে তবে এক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে এই বিশাল প্লাটফর্মটিতে। বিপদের মুখে পড়েছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন, বেশ কয়েকটি বড় ফাটল দেখা দিয়েছে সেখানে। তড়িঘড়ি ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ফাটলগুলি আরও বড় হতে পারে। ছড়িয়ে পড়তে পারে মহাকাশ স্টেশনের অন্যত্রও। এমনকি সেই সব জায়গার বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়তে পারে মহাকাশেই। যা মহাকাশে আবর্জনা হয়ে, বিপদ ঘটাতে পারে; বহু মহাকাশযান ও পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা অন্যান্য বহু উপগ্রহেরও। রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থার দাবি, ওই সব ফাটল দিয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী মহাজাগতিক রশ্মি এবং ক্ষতিকর মহাজাগতিক বিকিরণ ঢুকে গেলেই বিপদ। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৭০ কিলোমিটার উপরে পৃথিবীর কাছের কক্ষপথে থাকা; মহাকাশ স্টেশনে রয়েছেন ১১ জন মহাকাশচারী। আছেন আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা; রাশিয়ার ‘রসকসমস’; জাপানের ‘জাক্সা’ ও ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (এসা)-র মহাকাশচারীরা। জানা যাচ্ছে এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে মোট ১১ জন মহাকাশচারী রয়েছেন। কয়েকদিন আগেই মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা দাবি করেছিল বর্তমানে বেশি সংখ্যক মহাকাশচারী রয়েছেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে। ফলে তাঁদের স্থানাভাব হচ্ছে। আমেরিকা, রাশিয়া, জাপান এবং ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির মহাকাশচারীরা থাকেন এই স্টেশনে। বিষয়টি নিয়ে জল্পনা কল্পনার অন্ত নেই। অনলাইন দুনিয়ায় তো এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যম এমন তথ্য দিচ্ছে যা রীতিমতো গুজব। মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে উক্ত স্টেশনটিকে কেন্দ্র হিসাবে ধরা হয়। প্রতিনিয়তই উক্ত বিষটির দিকে খোজ রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।তবে এই ফাটলের সমাধান নাহ করা গেলে চূড়ান্ত মাত্রার বিপর্যয় দেখা যেতে পারে যেকোন সময়ে।
    5
    0 Comments 0 Shares
  • লেজার ওয়েপনস এর শুরুটা করেছিলেন গ্রীক দার্শনিক আর্কিমিডিস!আর্কিমিডিস এর জন্ম শহর সিরাকিউস একবার রোমানরা বিশাল নৌবাহিনী নিয়ে দখল করতে আসে।

    তখন আর্কিমিডিস নিরাপদ দুরত্বে থেকেই একটি ম্যাগনিফায়িং গ্লাস দিয়ে সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে রোমান নৌবাহিনীর জাহাজগুলোর পালে আগুন ধরিয়ে দিতে সক্ষম হন। এতে জাহাজে থাকা সদস্যরা অবাক হয়ে যান যে,জাহাজের আশেপাশে শত্রুদের কেউ না আসা সত্বেও কিভাবে জাহাজের পালে আগুন ধরলো। তখনকার সময়ে জাহাজে আগুন ধরিয়ে ধ্বংস করার সিস্টেম ছিলো,তীরের মাথায় কাপড় বেঁধে তাতে কোন দাহ্য পদার্থ লাগিয়ে সেই তীরটি জাহাজে নিক্ষেপ করা।

    উল্লেখ্য যে,
    বর্তমানে সেই শহরটি ইতালির অন্তর্ভুক্ত হলেও তখন এটি গ্রীসের দখলে ছিলো।
    লেজার ওয়েপনস এর শুরুটা করেছিলেন গ্রীক দার্শনিক আর্কিমিডিস!আর্কিমিডিস এর জন্ম শহর সিরাকিউস একবার রোমানরা বিশাল নৌবাহিনী নিয়ে দখল করতে আসে। তখন আর্কিমিডিস নিরাপদ দুরত্বে থেকেই একটি ম্যাগনিফায়িং গ্লাস দিয়ে সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে রোমান নৌবাহিনীর জাহাজগুলোর পালে আগুন ধরিয়ে দিতে সক্ষম হন। এতে জাহাজে থাকা সদস্যরা অবাক হয়ে যান যে,জাহাজের আশেপাশে শত্রুদের কেউ না আসা সত্বেও কিভাবে জাহাজের পালে আগুন ধরলো। তখনকার সময়ে জাহাজে আগুন ধরিয়ে ধ্বংস করার সিস্টেম ছিলো,তীরের মাথায় কাপড় বেঁধে তাতে কোন দাহ্য পদার্থ লাগিয়ে সেই তীরটি জাহাজে নিক্ষেপ করা। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে সেই শহরটি ইতালির অন্তর্ভুক্ত হলেও তখন এটি গ্রীসের দখলে ছিলো।
    2
    0 Comments 0 Shares
  • আমেরিকা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ৮০০+ ঘাটি গেড়ে এরকম একবিংশ শতাব্দীর ওয়ার মোংগার ন্যাশন হলো কেনো? 🇺🇸 🇺🇸

    আমেরিকা আজকে যে অবস্থায় চলে আসছে তার সুচনা ঘটে ১৯৪৫ সালের পর। আমেরিকা তার ইকোনোমিক পাওয়ার কে কাজে লাগিয়ে মিলিটারি মাসল শো করা শুরু করে। যার জন্য কোরিয়ান ওয়ার,ভিয়েতনাম ওয়ার থেকে গালফ ওয়ার সব খানেই জড়িয়েছে। তবে সারাবিশ্বে মিলিটারি বেজ ওপেন করা শুরু করে ১৯৭০ এর দশক থেকে। ক্যাম্প হ্যানসেন, জাপান কিংবা ক্যাম্প লিমোনিয়ে, জিবুতি কিংবা দিয়েগো গ্যারসিয়া বা র্যামস্টেইন এয়ার বেজ, জার্মানি সবই একই মোটিভ সামনে রেখে তৈরী।

    ১৯৬২ সালে আমেরিকান মিলিটারি এনালিস্ট কেনেথ বোল্ডিং তার বিখ্যাত বই Conflict and Defence :A genaral theory তে একটা নতুন মিলিটারি কনসেপ্ট বলেন যা LSG থিওরি নামে অধিক পরিচিত। যার পুর্নাঙ্গ রুপ হলো loss of strength gradient। এই থিওরির মুল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো " কোন মিলিটারি তার হোম বেজ থেকে যত দুরে এগ্রেসন চালাবে, তত কম স্ট্রেন্থ ওয়ার ফিল্ডে নিয়ে যেতে পারবে।" এই থিওরি কে আমেরিকান মিলিটারি তার বাইবেল হিসাবে মেনে নিয়ে তার স্ট্রাটেজি ঠিক করে। আমেরিকান মিলিটারি তার loss of strength gradient এর কার্ভ কে ফ্লাটেন করার জন্য সারা বিশ্বে মিলিটারি বেজ প্রতিষ্ঠা করা শুরু করে, যেনো নর্থ আমেরিকা থেকে ইস্টার্ন এশিয়া সবখানেই একইরকম মিলিটারি মাসল শো করতে পারে।

    এই থিওরির ভালো প্রয়োগ করা হইসে ইরাক ও আফগান যুদ্ধে। এই দুই যুদ্ধ হয়েসে এমন একটা জিওগ্রাফিকাল এরিয়াতে যেখান থেকে আমেরিকান মেইনল্যান্ড প্রায় ১১ ঘন্টার ননস্টপ ফ্লাইট। এত দুরে থেকে আমেরিকা তার যুদ্ধ কন্টিনিউ করতে পারতো না। এজন্য Ramstein air base,Germany কে আমেরিকা স্টপ ওভার এবং লজিস্টিকাল হাব হিসাবে ইউজ করে। Ramstein air base থেকে পুরো মিডলইস্ট ৫-৭ ঘন্টার ফ্লাইট। যার কারনে এই বেজ সেন্ট্রাল রোল প্লে করে পুরো ইরাক,আফগান যুদ্ধে।

    তাছাড়া আজকে পুরো আফ্রিকাতে আমেরিকার যে ওয়ার অন টেরর চলসে তাও কন্ট্রোল হয় Ramstein airbase থেকে। ক্যাম্প লিমোনিয়ে, জিবুতি যদিও AFRICOM (AFRICAN COMMAND) এর প্রাইমারি বেজ তবুও US air force তার স্ট্রাইক মিশন গুলো পরিচালনা করে রাইনল্যান্ডের ঘাটি থেকে। শাদ, নাইজার,ক্যামেরুনে যে সব ড্রোন বেজ আছে তার Relay station হলো Ramstein airbase। কেনিয়ার মোম্বাসা তে NSA এর যে সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স অফিস এটার সাথে কোঅরডিনেট করেই ড্রোন স্ট্রাইক গুলো করে আমেরিকা।

    শুধু তাই এজন্য আমেরিকা মিলিটারি বেজ ব্যবহার করেনা। আমেরিকা তার ড্রোন ফ্লিট কে অপারেট করে ক্রিচ এয়ার ফোর্স বেজ, নেভাডা থেকে। এখান থেকেই আমেরিকা মিডল ইস্ট,ইরাক,সিরিয়া,আফগান,ইয়েমেন সবখানে ড্রোন স্ট্রাইক চালায় MQ-9 প্রিডেটর ড্রোন দিয়ে। এখন বিষয় হলো Creech airforce base থেকে মিডল ইস্টে একটা স্যাটেলাইট দিয়ে কখনও line of sight পাওয়া যায়না earth curvature এর জন্য। এজন্য যদি দুটো স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয় তাহলে relay time বেড়ে যায় যেটা real time communication এর জন্য বিশাল বাধা। কারন real time communication না হলে ড্রোন স্ট্রাইক করে কোন লাভই নাই। লাগাতেই ত পারবেনা। একারনে creech airforce base থেকে ফাইবার অপটিক ক্যাবল দিয়ে Ramstein airforce base এ ট্রান্সআটলান্টিক ক্যাবল দিয়ে সিগন্যাল পাঠানো হয়।তারপর ওখান থেকে relay station এর মাধ্যমে মিডল ইস্টের উপর অবস্থিত LEO Satellite দিয়ে ড্রোন অপারেট করে।

    মোট কথা হলো, একটা ন্যাশন তার ইকোনোমি কে আর্মস ইন্ডাস্ট্রি এর উপর নির্ভরশীল করে রেখেসে। তার আউটকাম হলো এই মিলিটারি বেজ। আংকেল স্যাম তার পাওয়ার প্রোজেকশন এর জন্য সারা বিশ্বে কুখ্যাত। শেষ করসি হুগো শ্যাভেজ কে দিয়ে---

    " I hereby accuse the north american empire of being the biggest menace to our planet"--- hugo Chavez
    আমেরিকা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ৮০০+ ঘাটি গেড়ে এরকম একবিংশ শতাব্দীর ওয়ার মোংগার ন্যাশন হলো কেনো? 🇺🇸 🇺🇸 আমেরিকা আজকে যে অবস্থায় চলে আসছে তার সুচনা ঘটে ১৯৪৫ সালের পর। আমেরিকা তার ইকোনোমিক পাওয়ার কে কাজে লাগিয়ে মিলিটারি মাসল শো করা শুরু করে। যার জন্য কোরিয়ান ওয়ার,ভিয়েতনাম ওয়ার থেকে গালফ ওয়ার সব খানেই জড়িয়েছে। তবে সারাবিশ্বে মিলিটারি বেজ ওপেন করা শুরু করে ১৯৭০ এর দশক থেকে। ক্যাম্প হ্যানসেন, জাপান কিংবা ক্যাম্প লিমোনিয়ে, জিবুতি কিংবা দিয়েগো গ্যারসিয়া বা র্যামস্টেইন এয়ার বেজ, জার্মানি সবই একই মোটিভ সামনে রেখে তৈরী। ১৯৬২ সালে আমেরিকান মিলিটারি এনালিস্ট কেনেথ বোল্ডিং তার বিখ্যাত বই Conflict and Defence :A genaral theory তে একটা নতুন মিলিটারি কনসেপ্ট বলেন যা LSG থিওরি নামে অধিক পরিচিত। যার পুর্নাঙ্গ রুপ হলো loss of strength gradient। এই থিওরির মুল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো " কোন মিলিটারি তার হোম বেজ থেকে যত দুরে এগ্রেসন চালাবে, তত কম স্ট্রেন্থ ওয়ার ফিল্ডে নিয়ে যেতে পারবে।" এই থিওরি কে আমেরিকান মিলিটারি তার বাইবেল হিসাবে মেনে নিয়ে তার স্ট্রাটেজি ঠিক করে। আমেরিকান মিলিটারি তার loss of strength gradient এর কার্ভ কে ফ্লাটেন করার জন্য সারা বিশ্বে মিলিটারি বেজ প্রতিষ্ঠা করা শুরু করে, যেনো নর্থ আমেরিকা থেকে ইস্টার্ন এশিয়া সবখানেই একইরকম মিলিটারি মাসল শো করতে পারে। এই থিওরির ভালো প্রয়োগ করা হইসে ইরাক ও আফগান যুদ্ধে। এই দুই যুদ্ধ হয়েসে এমন একটা জিওগ্রাফিকাল এরিয়াতে যেখান থেকে আমেরিকান মেইনল্যান্ড প্রায় ১১ ঘন্টার ননস্টপ ফ্লাইট। এত দুরে থেকে আমেরিকা তার যুদ্ধ কন্টিনিউ করতে পারতো না। এজন্য Ramstein air base,Germany কে আমেরিকা স্টপ ওভার এবং লজিস্টিকাল হাব হিসাবে ইউজ করে। Ramstein air base থেকে পুরো মিডলইস্ট ৫-৭ ঘন্টার ফ্লাইট। যার কারনে এই বেজ সেন্ট্রাল রোল প্লে করে পুরো ইরাক,আফগান যুদ্ধে। তাছাড়া আজকে পুরো আফ্রিকাতে আমেরিকার যে ওয়ার অন টেরর চলসে তাও কন্ট্রোল হয় Ramstein airbase থেকে। ক্যাম্প লিমোনিয়ে, জিবুতি যদিও AFRICOM (AFRICAN COMMAND) এর প্রাইমারি বেজ তবুও US air force তার স্ট্রাইক মিশন গুলো পরিচালনা করে রাইনল্যান্ডের ঘাটি থেকে। শাদ, নাইজার,ক্যামেরুনে যে সব ড্রোন বেজ আছে তার Relay station হলো Ramstein airbase। কেনিয়ার মোম্বাসা তে NSA এর যে সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স অফিস এটার সাথে কোঅরডিনেট করেই ড্রোন স্ট্রাইক গুলো করে আমেরিকা। শুধু তাই এজন্য আমেরিকা মিলিটারি বেজ ব্যবহার করেনা। আমেরিকা তার ড্রোন ফ্লিট কে অপারেট করে ক্রিচ এয়ার ফোর্স বেজ, নেভাডা থেকে। এখান থেকেই আমেরিকা মিডল ইস্ট,ইরাক,সিরিয়া,আফগান,ইয়েমেন সবখানে ড্রোন স্ট্রাইক চালায় MQ-9 প্রিডেটর ড্রোন দিয়ে। এখন বিষয় হলো Creech airforce base থেকে মিডল ইস্টে একটা স্যাটেলাইট দিয়ে কখনও line of sight পাওয়া যায়না earth curvature এর জন্য। এজন্য যদি দুটো স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয় তাহলে relay time বেড়ে যায় যেটা real time communication এর জন্য বিশাল বাধা। কারন real time communication না হলে ড্রোন স্ট্রাইক করে কোন লাভই নাই। লাগাতেই ত পারবেনা। একারনে creech airforce base থেকে ফাইবার অপটিক ক্যাবল দিয়ে Ramstein airforce base এ ট্রান্সআটলান্টিক ক্যাবল দিয়ে সিগন্যাল পাঠানো হয়।তারপর ওখান থেকে relay station এর মাধ্যমে মিডল ইস্টের উপর অবস্থিত LEO Satellite দিয়ে ড্রোন অপারেট করে। মোট কথা হলো, একটা ন্যাশন তার ইকোনোমি কে আর্মস ইন্ডাস্ট্রি এর উপর নির্ভরশীল করে রেখেসে। তার আউটকাম হলো এই মিলিটারি বেজ। আংকেল স্যাম তার পাওয়ার প্রোজেকশন এর জন্য সারা বিশ্বে কুখ্যাত। শেষ করসি হুগো শ্যাভেজ কে দিয়ে--- " I hereby accuse the north american empire of being the biggest menace to our planet"--- hugo Chavez
    2
    0 Comments 0 Shares
  • আবারও বন্ধু রাষ্ট্রের লাশ উপহার।
    গতকাল লালমনিরহাটে বুড়িমারী সীমান্তে
    ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশী যুবক নিহত।
    আবারও বন্ধু রাষ্ট্রের লাশ উপহার। গতকাল লালমনিরহাটে বুড়িমারী সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশী যুবক নিহত।
    3
    0 Comments 0 Shares
More Stories