দালাল মিডিয়ার কারনে যে সত্যগুলো সামনে আসছেনা:
করোনার টিকা vs হিটলারের “নাৎসি হিউম্যান এক্সপেরিমেন্ট”
----------------------------------------------------------------

“হিটলার” এর গঠন করা নাৎসি বাহিনীর দ্বারা ইহুদি ধবংস করার অংশ হিসেবে তখনকার হিটলারের “শুভাকাঙ্ক্ষী ডাক্তার” (Well wisher Doctors) মানুষের উপর কিছু ভয়ংকর ও অবিশ্বাস্য এক্সপেরিমেন্ট চালিয়েছিলো। ইতিহাসের পাতায় যাকে “নাৎসি হিউম্যান এক্সপেরিমেন্ট” (Nazi Human experiment) বলে।

হিটলারের কথা ছিল “ ইহুদীদের তো মেরেই ফেলব, খারাপ জাতি মরার আগে মানব কল্যাণে কিছু করে যাক”। তাই এডলফ হিটলার নিজেই এই সব মেডিকেল উদ্ভাবনের পৃষ্ঠ্যপোষক ছিলেন। ডাক্তার দলে ছিলেন- “এডওয়ার্ড উইরথ”, “আরিবার্ট হেইম” , “কার্ল ব্রান্ডোট” , “জোসেফ মেনগেল” প্রমুখ। এক্সপেরিমেন্টের সাবিজেক্ট ছিল ইউরোপে বসবাসকারী ইহুদী রা। সাথে কিছু সোভিয়েত ইউনিয়নের আটকা পরা রাজবন্দী ও জার্মানীর বেশী বয়স্ক মৃত্যু পথযাত্রী রোগীরা (Terminal Stage Patients)।
পরীক্ষার জায়গা – “জার্মানীর বার্লিন, মিউনিখ, ফ্রাঙ্কফুট” প্রভৃতি শহর গুলো। সময় কাল- ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৪ সালের শেষের দিক পর্যন্ত। অনেকগুলো বিষয়ে তাদের উপর এক্সপেরিমেন্ট চালানো হয়, তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ছিলো ভ্যাক্সিন এক্সপেরিমেন্ট।

বিসিজি (Baccile Calmet Guirine), হেপাটাইটিস (Hepatitis), টাইফাস (Typhus), টাইফয়েড (Typhoid) এর ভ্যাক্সিন, এন্টিসিরাম শরীরের উপর কি ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া করে , তা দেখার জন্য করা হয় এই এক্সপেরিমেন্ট । অনেকেই এন্টিসিরামের টক্সিসিটিতে মারা গিয়েছিল।
এজন্য এ ঘটনার পর থেকে যেকোনো মেডিকেল এক্সপেরিমেন্টের আগে সাবজেক্টের কাছে থেকে “ইনফরমড রিটেন কনসেন্ট” (INFORMED WRITTEN CONSENT) নিতে হয় । এটা “১৯৪৭ নুরেমবার্গ কোড অফ ইথিকস” দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

#লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে,
বাংলাদেশে সুরক্ষা এপসে আগে ভ্যাক্সিন নিবন্ধনের জন্য ‘ইনফরম রিটেন কনসেন্ট’ ফর্মপূরণে কিছু ডাটা ফিলআপ করতে হতো। কিন্তু গণটিকা শুরু হওয়ার পর সেই অংশগুলো সরকার উঠিয়ে দিয়েছে। এখন শুধু নাম বা ভোটার আইডি কার্ড দিলে নিবন্ধন হয়ে যায় এবং ইনফরম রিটেন কনসেন্ট অটো জেনারেট করে।

ফলে টিকা গ্রহিতার কাছ থেকে কোন রূপ সম্মতি নেয়া হয় না। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের টিকা নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ায়, বেতন বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়ে টিকা নিতে বাধ্য করায় সেই হিটলারের নাৎসি হিউম্যান এক্সপেরিমেন্ট নবরূপ যেন আরো ভয়ঙ্কর ও বড় আকারে ফিরে এসেছে।

©NC 6
দালাল মিডিয়ার কারনে যে সত্যগুলো সামনে আসছেনা: করোনার টিকা vs হিটলারের “নাৎসি হিউম্যান এক্সপেরিমেন্ট” ---------------------------------------------------------------- “হিটলার” এর গঠন করা নাৎসি বাহিনীর দ্বারা ইহুদি ধবংস করার অংশ হিসেবে তখনকার হিটলারের “শুভাকাঙ্ক্ষী ডাক্তার” (Well wisher Doctors) মানুষের উপর কিছু ভয়ংকর ও অবিশ্বাস্য এক্সপেরিমেন্ট চালিয়েছিলো। ইতিহাসের পাতায় যাকে “নাৎসি হিউম্যান এক্সপেরিমেন্ট” (Nazi Human experiment) বলে। হিটলারের কথা ছিল “ ইহুদীদের তো মেরেই ফেলব, খারাপ জাতি মরার আগে মানব কল্যাণে কিছু করে যাক”। তাই এডলফ হিটলার নিজেই এই সব মেডিকেল উদ্ভাবনের পৃষ্ঠ্যপোষক ছিলেন। ডাক্তার দলে ছিলেন- “এডওয়ার্ড উইরথ”, “আরিবার্ট হেইম” , “কার্ল ব্রান্ডোট” , “জোসেফ মেনগেল” প্রমুখ। এক্সপেরিমেন্টের সাবিজেক্ট ছিল ইউরোপে বসবাসকারী ইহুদী রা। সাথে কিছু সোভিয়েত ইউনিয়নের আটকা পরা রাজবন্দী ও জার্মানীর বেশী বয়স্ক মৃত্যু পথযাত্রী রোগীরা (Terminal Stage Patients)। পরীক্ষার জায়গা – “জার্মানীর বার্লিন, মিউনিখ, ফ্রাঙ্কফুট” প্রভৃতি শহর গুলো। সময় কাল- ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৪ সালের শেষের দিক পর্যন্ত। অনেকগুলো বিষয়ে তাদের উপর এক্সপেরিমেন্ট চালানো হয়, তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ছিলো ভ্যাক্সিন এক্সপেরিমেন্ট। বিসিজি (Baccile Calmet Guirine), হেপাটাইটিস (Hepatitis), টাইফাস (Typhus), টাইফয়েড (Typhoid) এর ভ্যাক্সিন, এন্টিসিরাম শরীরের উপর কি ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া করে , তা দেখার জন্য করা হয় এই এক্সপেরিমেন্ট । অনেকেই এন্টিসিরামের টক্সিসিটিতে মারা গিয়েছিল। এজন্য এ ঘটনার পর থেকে যেকোনো মেডিকেল এক্সপেরিমেন্টের আগে সাবজেক্টের কাছে থেকে “ইনফরমড রিটেন কনসেন্ট” (INFORMED WRITTEN CONSENT) নিতে হয় । এটা “১৯৪৭ নুরেমবার্গ কোড অফ ইথিকস” দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। #লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশে সুরক্ষা এপসে আগে ভ্যাক্সিন নিবন্ধনের জন্য ‘ইনফরম রিটেন কনসেন্ট’ ফর্মপূরণে কিছু ডাটা ফিলআপ করতে হতো। কিন্তু গণটিকা শুরু হওয়ার পর সেই অংশগুলো সরকার উঠিয়ে দিয়েছে। এখন শুধু নাম বা ভোটার আইডি কার্ড দিলে নিবন্ধন হয়ে যায় এবং ইনফরম রিটেন কনসেন্ট অটো জেনারেট করে। ফলে টিকা গ্রহিতার কাছ থেকে কোন রূপ সম্মতি নেয়া হয় না। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের টিকা নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ায়, বেতন বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়ে টিকা নিতে বাধ্য করায় সেই হিটলারের নাৎসি হিউম্যান এক্সপেরিমেন্ট নবরূপ যেন আরো ভয়ঙ্কর ও বড় আকারে ফিরে এসেছে। ©NC 6
8
0 Comments 1 Shares
Post