unlucky
  • Verified Member
  • Gold member of Aladdin social at Bangladesh
  • Male
  • Followed by 67 people
Recent Updates
  • 5
    0 Comments 0 Shares
  • 4
    0 Comments 0 Shares
  • 7
    0 Comments 0 Shares
  • আলহামদুলিল্লাহ
    আলহামদুলিল্লাহ
    0 Comments 0 Shares
  • দুই মাস পর ফিরলাম
    দুই মাস পর ফিরলাম
    0 Comments 0 Shares
  • অনেক দিন পর আলাদিনে ফিরলাম
    অনেক দিন পর আলাদিনে ফিরলাম
    0 Comments 0 Shares
  • আসসালামুআলাইকুম
    আসসালামুআলাইকুম
    0 Comments 0 Shares
  • 3
    0 Comments 0 Shares
  • 2
    1 Comments 0 Shares
  • তুরস্কের সীমাবদ্ধতা
    ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার
    ও একজন এরদোগান
    -'
    #মনে রাখতে হবে ন্যাটোর সদস্য হিসাবে তুরস্কে বেশ কিছু আমেরিকার সামরিক ঘাটি আছে।

    #মনে রাখতে হবে ইউরোপীয় মুসলিম নামে স্কাট পরা তুরস্কের নারী,আজান আরবীতে নিষিদ্ধ থাকা তুরস্ককে আজকের পর্যায়ের আনতে বহু কাঠগড়া অতিক্রম করে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান কে টিকে থাকতে হচ্ছে।

    #মনে রাখতে হবে আমেরিকার প্রয়োচনায় একটা ব্যাপক সামরিক অভ্যুত্থান মোকাবিলা করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হয়েছ।

    #মনে রাখতে হবে ইজরায়েলের নিরাপত্তার ব্যাপারে আমেরিকা,বৃটেন তথা পশ্চিমারা এতটাই সচেষ্ট যে পার্শ্ববর্তী কোন রাষ্ট্রের শাসক যদি ইজরায়েলের নিরাপত্তার জন্য একটুও হুমকি মনে হয় তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে এমনকি হত্যা করতে দ্বিধা করে না।
    মিশরের জামাল আব্দুল নাসের,আনোয়ার সাদাত,মুসরী, সৌদি বাদশাহ ফয়সাল, ইরাকের সাদ্দাম লিবিয়ার গাদ্দাফি তার প্রমাণ।

    #মনে রাখতে হবে একটু ছাড় দেওয়ার চিন্তা করার জন্য তথা ফিলিস্তিন ইজরায়েল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রচেষ্টা করায় কট্টর পন্থী ইজরাইলীরা ও ও তাদের মোড়লরা ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিনকেও দুনিয়া থেকেই বিদায়ের ব্যাবস্থা করেছে।

    #মনে রাখতে হবে হামাস টিকে থাকার জন্য কিছু রসদ,সহায়তা ইরানের কাছ থেকেই পায়। শুরু থেকে অনেক আরব রাষ্ট্রের অবস্থান ইজরায়েলের বিরুদ্ধে থাকলে একমাত্র ইরান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সকল আরব রাষ্ট্রের শাসক তাদের ক্ষমতা টিকে থাকার স্বার্থে ইজরায়েলের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।প্রকৃত পক্ষে এসকল শাসকরা কেউ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না।জোরপূর্বক জণগনের সমর্থনের পরিবর্তে আমেরিকা ইজরায়েলের সহায়তায় ক্ষমতাসীন আছে।
    একারণেই একমাত্র মধ্যপ্রাচ্যের ইরানকেই ইজরায়েল রাষ্ট্রের অস্তিত্বের থ্রেট মনে করে।আর তাই ইরানকেই ধ্বংসের জন্য অবিরত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    #মনে রাখতে হবে মুহাম্মদ মুরসী ক্ষমতায় আসার পর বহিবিশ্বের সাথে গাজার যোগাযোগ রক্ষাকারী একমাত্র মিশরের সীমান্ত রাফা ফাঁড়ি ফিলিস্তিনীদের জন্য খুলে দেয়, তখন ইজরায়েল মুরসীকে সবচেয়ে বড় থ্রেট হিসেবে নেয়।
    ইজরায়েল, সৌদি ও আমিরাত জোট মুরসীকে হটিয়ে সিসিকে ক্ষমতায় আনে।

    সে সময়ে সিসিকে সবার আগে অভিনন্দন জানায় সৌদি আরব।
    এরপর থেকেই ফিলিস্তীনের জন্য সেই সীমান্ত বন্ধ হয়ে যায়। সুড়ঙ্গ পথ ব্যবহারের জন্য মিশর সীমান্তে যে ঘরবাড়ি গুলো ছিল, বুলডোজার দিয়ে সেসব বাড়ীও ভেঙে দেয় মিশর।

    সুতরাং আরও সময়ের প্রয়োজন। বেশী তাড়াহড়া করতে গেলেই মিশরের প্রেসিডেন্ট মুরসী র মত ক্ষমতাচ্যুত এমনকি হত্যার মুখোমুখি হওয়া অসম্ভব নয়। এমন কি মুরসীর মত জেলের ভিতর তিলে তিল মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    সুতরাং আবেগ নিয়ে নয়,সাবধানের সাথে, বাস্তব পরিস্থিতি অনুধাবন করে বুদ্ধিমত্তার সাথে আগাতে হবে।

    #মনে রাখতে ১৯৭৩ সালে আরব ইজরায়েল যুদ্ধে ইজরায়েল যে বিজয় লাভ করেছিল সেখানেও সরাসরি আমেরিকার সৈন্য ইজরায়েলের পক্ষে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল বলে মনে করা হয়।
    তুরস্কের সীমাবদ্ধতা ইজরায়েলের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ও একজন এরদোগান -' #মনে রাখতে হবে ন্যাটোর সদস্য হিসাবে তুরস্কে বেশ কিছু আমেরিকার সামরিক ঘাটি আছে। #মনে রাখতে হবে ইউরোপীয় মুসলিম নামে স্কাট পরা তুরস্কের নারী,আজান আরবীতে নিষিদ্ধ থাকা তুরস্ককে আজকের পর্যায়ের আনতে বহু কাঠগড়া অতিক্রম করে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান কে টিকে থাকতে হচ্ছে। #মনে রাখতে হবে আমেরিকার প্রয়োচনায় একটা ব্যাপক সামরিক অভ্যুত্থান মোকাবিলা করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হয়েছ। #মনে রাখতে হবে ইজরায়েলের নিরাপত্তার ব্যাপারে আমেরিকা,বৃটেন তথা পশ্চিমারা এতটাই সচেষ্ট যে পার্শ্ববর্তী কোন রাষ্ট্রের শাসক যদি ইজরায়েলের নিরাপত্তার জন্য একটুও হুমকি মনে হয় তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে এমনকি হত্যা করতে দ্বিধা করে না। মিশরের জামাল আব্দুল নাসের,আনোয়ার সাদাত,মুসরী, সৌদি বাদশাহ ফয়সাল, ইরাকের সাদ্দাম লিবিয়ার গাদ্দাফি তার প্রমাণ। #মনে রাখতে হবে একটু ছাড় দেওয়ার চিন্তা করার জন্য তথা ফিলিস্তিন ইজরায়েল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রচেষ্টা করায় কট্টর পন্থী ইজরাইলীরা ও ও তাদের মোড়লরা ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আইজাক রবিনকেও দুনিয়া থেকেই বিদায়ের ব্যাবস্থা করেছে। #মনে রাখতে হবে হামাস টিকে থাকার জন্য কিছু রসদ,সহায়তা ইরানের কাছ থেকেই পায়। শুরু থেকে অনেক আরব রাষ্ট্রের অবস্থান ইজরায়েলের বিরুদ্ধে থাকলে একমাত্র ইরান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সকল আরব রাষ্ট্রের শাসক তাদের ক্ষমতা টিকে থাকার স্বার্থে ইজরায়েলের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।প্রকৃত পক্ষে এসকল শাসকরা কেউ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না।জোরপূর্বক জণগনের সমর্থনের পরিবর্তে আমেরিকা ইজরায়েলের সহায়তায় ক্ষমতাসীন আছে। একারণেই একমাত্র মধ্যপ্রাচ্যের ইরানকেই ইজরায়েল রাষ্ট্রের অস্তিত্বের থ্রেট মনে করে।আর তাই ইরানকেই ধ্বংসের জন্য অবিরত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। #মনে রাখতে হবে মুহাম্মদ মুরসী ক্ষমতায় আসার পর বহিবিশ্বের সাথে গাজার যোগাযোগ রক্ষাকারী একমাত্র মিশরের সীমান্ত রাফা ফাঁড়ি ফিলিস্তিনীদের জন্য খুলে দেয়, তখন ইজরায়েল মুরসীকে সবচেয়ে বড় থ্রেট হিসেবে নেয়। ইজরায়েল, সৌদি ও আমিরাত জোট মুরসীকে হটিয়ে সিসিকে ক্ষমতায় আনে। সে সময়ে সিসিকে সবার আগে অভিনন্দন জানায় সৌদি আরব। এরপর থেকেই ফিলিস্তীনের জন্য সেই সীমান্ত বন্ধ হয়ে যায়। সুড়ঙ্গ পথ ব্যবহারের জন্য মিশর সীমান্তে যে ঘরবাড়ি গুলো ছিল, বুলডোজার দিয়ে সেসব বাড়ীও ভেঙে দেয় মিশর। সুতরাং আরও সময়ের প্রয়োজন। বেশী তাড়াহড়া করতে গেলেই মিশরের প্রেসিডেন্ট মুরসী র মত ক্ষমতাচ্যুত এমনকি হত্যার মুখোমুখি হওয়া অসম্ভব নয়। এমন কি মুরসীর মত জেলের ভিতর তিলে তিল মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সুতরাং আবেগ নিয়ে নয়,সাবধানের সাথে, বাস্তব পরিস্থিতি অনুধাবন করে বুদ্ধিমত্তার সাথে আগাতে হবে। #মনে রাখতে ১৯৭৩ সালে আরব ইজরায়েল যুদ্ধে ইজরায়েল যে বিজয় লাভ করেছিল সেখানেও সরাসরি আমেরিকার সৈন্য ইজরায়েলের পক্ষে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল বলে মনে করা হয়।
    1
    0 Comments 0 Shares
More Stories